খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৩১ বৈশাখ, ১৪৩৩

অপসারণের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

চাটখিলে মাদ্রাসার শিক্ষক অপসারণের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

নোয়াখালী থেকে :
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৪, ৮:৩৫ পূর্বাহ্ণ
চাটখিলে মাদ্রাসার শিক্ষক অপসারণের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক : নোয়াখালী জেলার চাটখিল থানার ঐতিহ্যবাহী মাদ্রাসা মল্লিকার দিঘীরপাড় ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষক হুমায়ূন কবির দেওয়ানকে অপসারণের দাবী জানিয়েছে মাদ্রাসার সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) মাদ্রাসায় অঙ্গনে সংবাদ সন্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। সংবাদ সন্মেলন শেষে সমস্যা সমাধানের জন্য শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসা প্রধান ও স্থানীয় প্রশাসন (ইউএনও) বরাবর ১১ দফা দাবী সংবলিত একটি স্মারকলিপি ও অভিযোগপত্র প্রদান করে।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, অভিযুক্ত মাদ্রাসার শিক্ষক হুমায়ূন কবির দেওয়ান ছিল স্বৈরাচারী সরকারের দোসর ও সুবিধাভোগী। বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে ২০০৯ সালে মাদ্রাসার আরেক শিক্ষক মাওলানা ইয়াসিন আহমদকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে হুমায়ুন কবির দেওয়ান, আবু তাহের মাস্টারসহ স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাদের যোগসাজশে চাটখিল থানায় একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে। উক্ত মামলার বাদী ছিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ জনাব মাওলানা আব্দুল মান্নান।

সংবাদ সন্মেলনে শিক্ষার্থীদের উপর হওয়া নির্যাতন নিয়ে বলেন, বিগত ২০১৯ সালে ইসমাইল রাফি নামের এক মাদ্রাসার ছাত্রকে ছাত্রলীগ নেতা সবুজ ও জসিম তুলে নিয়ে গিয়ে মারধর করে। ঐ ছাত্রকে তুলে নিয়ে যেতে সাহায্য করে শিক্ষক হুমায়ূন কবির দেওয়ান। তাকে মারার জন্য হুমায়ূন কবির দেওয়ানসহ স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও ছাত্রলীগ আগে থেকেই পরিকল্পনা করে রাখে। এ ছাড়া বিভিন্ন সময় নানা রকম অনিয়ম করার জন্য রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যাবহার, ছাত্র ছাত্রীদের অকারনে রাজাকার গালি দেওয়ার অভিযোগও তার বিরুদ্ধে রয়েছে।

ছাত্ররা আরও বলেন, যে দেশ স্বৈরাচারমুক্ত হলেও তার দোসররা এখনও স্বপদে বহাল রয়ে গেছে। দেশে স্থিতিশীলতা আনতে হলে, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হলে প্রতিটা যায়গায় ঘাপটি মেরে বসে থাকা স্বৈরাচারের দোসরদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। সেজন্য ছাত্র শিক্ষক নির্যাতনের সুষ্ঠু বিচার ও শিক্ষক হুমায়ূন কবির দেওয়ানের অপসারনের দাবি জানাই।

এসময় গত কয়েক বছরে মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল ও শিক্ষক হুমায়ুন কবির দেওয়ানের সহযোগিতায় শিবির সন্দেহে ছাত্রলীগের হাতে নির্যাতিত হওয়া শিক্ষার্থীরা বক্তব্য রাখেন।

নন্দীগ্রামে ছাত্রদল নেতা নবীর শেখের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

আব্দুল আহাদ, নন্দীগ্রাম :
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৯:০৭ অপরাহ্ণ
নন্দীগ্রামে ছাত্রদল নেতা নবীর শেখের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

 

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও দলের নীতি-আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে সাময়িকভাবে বহিষ্কৃত নন্দীগ্রাম উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি নবীর শেখের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছে বগুড়া জেলা ছাত্রদল।গত মঙ্গলবার জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক সোহান ইসলামের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নবীর শেখের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এবং বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সিদ্ধান্ত মোতাবেক তার সাংগঠনিক পদের সাময়িক বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে পুনরায় স্বপদে বহাল করা হয়েছে। বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধান এবং সাধারণ সম্পাদক এম আর হাসান পলাশ এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন। বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের পর নবীর শেখ দলের নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন,দল যে আস্থা ও সুযোগ দিয়েছে, তা রক্ষা করতে আমি সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেবো।

লালমনিরহাটে ঘুমন্ত স্বামীকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, স্ত্রী আটক

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৯:০৩ অপরাহ্ণ
লালমনিরহাটে ঘুমন্ত স্বামীকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, স্ত্রী আটক

 

লালমনিরহাট জেলা শহরের বাবুপাড়া এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে ঘুমন্ত স্বামীর গলায় ছুরি চালিয়ে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে। বুধবার সকালে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গুরুতর আহত যুবক বর্তমানে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আহত যুবকের নাম হৃদয় ইসলাম (২৬)। তিনি লালমনিরহাট শহরের বাবুপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং এরশাদ আলীর ছেলে।
অভিযুক্ত স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস (১৯) আদিতমারী উপজেলার সাপ্টিবাড়ী এলাকার রুহুল কুদ্দুসের মেয়ে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন হৃদয় ইসলাম। এসময় তার স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস ধারালো ছুরি দিয়ে তার গলায় আঘাত করেন। আকস্মিক হামলায় গুরুতর জখম হন হৃদয়। তার আর্তচিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন।
পরে দ্রুত তাকে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, তার শ্বাসনালীতে গভীর ক্ষত হয়েছে এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে অবস্থার অবনতি হয়েছে।
ঘটনার পরপরই উত্তেজিত স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌসকে আটক করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।

আহত হৃদয়ের বাবা এরশাদ আলী জানান, প্রায় দুই বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে হৃদয় ও জান্নাতুলের বিয়ে হয়। বিয়ের প্রথম দিকে তাদের সংসার ভালোভাবেই চলছিল। তবে গত ১৪ থেকে ১৫ মাস ধরে দাম্পত্য কলহ লেগেই ছিল।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, “নানাভাবে আমার ছেলেকে মানসিকভাবে নির্যাতন করত জান্নাতুল। বিষয়টি নিয়ে দুই পরিবারের লোকজন একাধিকবার বসেছিল। কিন্তু কোনো সমাধান হয়নি। বুধবার সকালে আমরা পাশের কক্ষে ছিলাম। হঠাৎ হৃদয়ের চিৎকার শুনে গিয়ে দেখি সে রক্তাক্ত গলা চেপে ধরে আছে, আর তার পাশে ছুরি হাতে দাঁড়িয়ে আছে জান্নাতুল।”

লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. করিম বাদশা বলেন, “আহত যুবকের গলায় গভীর ক্ষত রয়েছে। শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তার অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।”

লালমনিরহাট সদর থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) সাদ আহমেদ জানান, অভিযুক্ত স্ত্রীকে আটক করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

সৈয়দপুরে থানায় বৈঠক করতে গিয়ে আ.লীগ নেত্রী আটক

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৮:৫৮ অপরাহ্ণ
সৈয়দপুরে থানায় বৈঠক করতে গিয়ে আ.লীগ নেত্রী আটক

 

নীলফামারীর সৈয়দপুর থানায় একটি সালিশি বৈঠকে গিয়ে পৌর মহিলা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলার কাজী জাহানারা পারভীনকে আটক করেছে থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার (১২ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে সৈয়দপুর থানায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রাতে একটি সালিশ বৈঠকে অংশ নিতে কাজী জাহানারা বেগম থানায় আসেন। এ সময় সেখানে উপস্থিত মহিলা দলের কয়েকজন নেত্রীর সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা বাকবিতণ্ডায় রূপ নেয়। পরে তিনি থানা থেকে বের হয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে থানার ভেতরেই আটক করে।

আটকের পরও থানায় উপস্থিত মহিলা দলের নেত্রীদের সঙ্গে ফের তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি। এতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে তাকে নীলফামারী সদর থানার একটি মামলায় আটক দেখিয়ে সেখানে নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করে পুলিশ।

বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে পুলিশ ভ্যানে তোলার সময় কাজী জাহানারা বেগম ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, ‘একাত্তরের হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার।’ এ ঘটনায় থানায় উপস্থিত লোকজনের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

ঘটনার পরপরই সৈয়দপুর থানায় তার সমর্থকদের ভিড় জমতে শুরু করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থান নেন।

এ বিষয়ে সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম রেজা জানান, নীলফামারীর একটি মামলায় তাকে আটক করা হয়েছে।

তবে কোন মামলায় তাকে আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি। পরে তাকে নীলফামারী সদর থানায় সোপর্দের জন্য পাঠানো হয়।

নন্দীগ্রামে ছাত্রদল নেতা নবীর শেখের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার লালমনিরহাটে ঘুমন্ত স্বামীকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, স্ত্রী আটক সৈয়দপুরে থানায় বৈঠক করতে গিয়ে আ.লীগ নেত্রী আটক নতুনতারা আয়োজিত ১৬৫তম রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী উৎসব বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত খামারিকে জামাতের পক্ষ থেকে গাভী উপহার