কুয়াকাটায় দুই দোকান উচ্ছেদ, বেড়িবাঁধের সরকারি জমি দখল নিয়ে প্রশ্ন?
কুয়াকাটায় যানজট নিরসনের লক্ষ্যে দুটি দোকান উচ্ছেদ করেছে কুয়াকাটা পৌর প্রশাসন। তবে এ অভিযানকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে উঠেছে নানা প্রশ্ন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কুয়াকাটা বেড়িবাঁধ ও সরকারি জায়গা দখল করে দীর্ঘদিন ধরে শত শত দোকান ও স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। এমনকি কোথাও কোথাও অর্থের বিনিময়ে এসব জায়গা অন্যের কাছে হস্তান্তর বা বিক্রির অভিযোগও রয়েছে।
জনসাধারণের প্রশ্ন—যানজট নিরসনে দুটি দোকান উচ্ছেদ করা হলে সরকারি রাস্তা ও জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা শত শত দোকানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না কেন? স্থানীয়দের দাবি, কোনো পক্ষপাত ছাড়াই সরকারি জমি ও রাস্তা দখলমুক্ত করতে কার্যকর অভিযান পরিচালনা করা হোক।
এ বিষয়ে কুয়াকাটা পৌর প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদেক বলেন অবৈধভাবে রাস্তা দখল করে দোকান নির্মাণের অভিযোগ প্রশাসনের কাছে এসেছে। এসব অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে মাইকিং করে একযোগে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। খুব শিগগিরই এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
প্রশাসনের এমন উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে কুয়াকাটার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, বেড়িবাঁধ ও সরকারি জায়গা দখলমুক্ত হওয়ার পাশাপাশি যানজট ও জনদুর্ভোগ অনেকটাই কমবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
এখন দেখার বিষয়—ঘোষিত এই একযোগে উচ্ছেদ অভিযান কত দ্রুত বাস্তবায়ন হয় এবং সরকারি জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা সব অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে সমানভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হয় কি না।
সম্পর্কিত খবর
জনপ্রতিনিধি হওয়া মানে ক্ষমতা নয়, মানুষের সেবা’—সরকার আলী বেপারী
রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা পুড়িয়ে দিল ২৫ লক্ষ টাকার প্রাইভেট কার…
রংপুরে স্কুল ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত
কুয়াকাটা পল্লী বিদ্যুতের ভৌতিক বিলে নাজেহাল গ্রাহক
শ্রীমঙ্গলে বালুবাহী ড্রাম ট্রাকের চাপায় টমটম চালকের মৃত্যু
বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের পর হত্যা: ৪৮ ঘন্টাপর প্রেমিক রাকিব ইসলামপুর…
আরও পড়ুন
কুয়াকাটায় দুই দোকান উচ্ছেদ, বেড়িবাঁধের সরকারি জমি দখল নিয়ে প্রশ্ন?
কুয়াকাটায় যানজট নিরসনের লক্ষ্যে দুটি দোকান উচ্ছেদ করেছে কুয়াকাটা পৌর প্রশাসন। তবে এ অভিযানকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে উঠেছে নানা প্রশ্ন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কুয়াকাটা বেড়িবাঁধ ও সরকারি জায়গা দখল করে দীর্ঘদিন ধরে শত শত দোকান ও স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। এমনকি কোথাও কোথাও অর্থের বিনিময়ে এসব জায়গা অন্যের কাছে হস্তান্তর বা বিক্রির অভিযোগও রয়েছে।
জনসাধারণের প্রশ্ন—যানজট নিরসনে দুটি দোকান উচ্ছেদ করা হলে সরকারি রাস্তা ও জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা শত শত দোকানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না কেন? স্থানীয়দের দাবি, কোনো পক্ষপাত ছাড়াই সরকারি জমি ও রাস্তা দখলমুক্ত করতে কার্যকর অভিযান পরিচালনা করা হোক।
এ বিষয়ে কুয়াকাটা পৌর প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদেক বলেন অবৈধভাবে রাস্তা দখল করে দোকান নির্মাণের অভিযোগ প্রশাসনের কাছে এসেছে। এসব অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে মাইকিং করে একযোগে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। খুব শিগগিরই এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
প্রশাসনের এমন উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে কুয়াকাটার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, বেড়িবাঁধ ও সরকারি জায়গা দখলমুক্ত হওয়ার পাশাপাশি যানজট ও জনদুর্ভোগ অনেকটাই কমবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
এখন দেখার বিষয়—ঘোষিত এই একযোগে উচ্ছেদ অভিযান কত দ্রুত বাস্তবায়ন হয় এবং সরকারি জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা সব অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে সমানভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হয় কি না।
সম্পর্কিত খবর
জনপ্রতিনিধি হওয়া মানে ক্ষমতা নয়, মানুষের সেবা’—সরকার আলী…
রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা পুড়িয়ে দিল ২৫ লক্ষ টাকার…
রংপুরে স্কুল ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ শিক্ষক সাময়িক…
কুয়াকাটা পল্লী বিদ্যুতের ভৌতিক বিলে নাজেহাল গ্রাহক
শ্রীমঙ্গলে বালুবাহী ড্রাম ট্রাকের চাপায় টমটম চালকের মৃত্যু
বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের পর হত্যা: ৪৮ ঘন্টাপর প্রেমিক…
