মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগেই প্রার্থী নিয়ে গুঞ্জন, বিভ্রান্তিতে ভোটাররা
বিএনপির মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়ার খবরের পরই তাঁর আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। এ নিয়ে ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন।
গত কয়েক দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মির্জা ফখরুলের বড় মেয়ে প্রবাসী বিজ্ঞানী ড. শামারুহ মির্জা (সামা) ও তাঁর ছোট ভাই মির্জা ফয়সল আমিনের নাম সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আসে। এমনকি তাঁদের নিয়ে কথিত জনমত জরিপও ছড়িয়ে পড়ে।
তবে এসব আলোচনাকে গুঞ্জন ছাড়া কিছু নয় বলে জানিয়েছেন মির্জা ফয়সল আমিন। বুধবার (১৯ আগস্ট) রাতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁও-১ আসন এখনো শূন্য হয়নি। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এখনো সংসদ সদস্য। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পর তিনি শপথ নেবেন, গেজেট প্রকাশের পর আসনটি শূন্য হবে। এরপরই প্রার্থী বাছাইয়ের বিষয়টি সামনে আসবে।
মির্জা ফয়সল আমিন বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর ও ড. শামারুহ মির্জার নাম আসা মানুষের নিজস্ব চাওয়া হতে পারে। তবে তাঁদের পরিবারের মধ্যে প্রার্থী হওয়া নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। এসব গুঞ্জনে সাধারণ ভোটাররা বিভ্রান্ত ও বিব্রত হচ্ছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ড. শামারুহ মির্জা প্রসঙ্গে ফয়সল আমিন বলেন, তিনি একজন স্বনামধন্য প্রবাসী বিজ্ঞানী এবং বর্তমানে রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত নন। প্রয়োজন হলে তিনি দেশে আসতে পারেন। তবে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী বলেন, প্রার্থী মনোনয়নের সিদ্ধান্ত দলই নেবে। তাঁর দাবি, ড. শামারুহ মির্জা এ নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন না। অন্যদিকে মির্জা ফয়সল আমিন দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং জেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, আসনটি শূন্য হলে দলীয় সিদ্ধান্তে মির্জা ফয়সল আমিনকেই ঠাকুরগাঁও-১ আসনে প্রার্থী করা হতে পারে।
তবে নেতারা বলছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচনা বা কথিত জনমত জরিপ নয়, আসন শূন্য হওয়ার পর বিএনপির দলীয় সিদ্ধান্তেই চূড়ান্ত হবে ঠাকুরগাঁও ১ আসনের প্রার্থী।



আপনার মতামত লিখুন