খুঁজুন
রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৮ ভাদ্র, ১৪৩৩

নানা সমস্যায় কালীগঞ্জের তাঁতশিল্পের উদ্যোক্ততা উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছে।

নানা সমস্যায় কালীগঞ্জের তাঁতশিল্পের উদ্যোক্ততা উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছে। মুঃ সোহরাব আলী সরকার কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৮:১৯ অপরাহ্ণ
নানা সমস্যায় কালীগঞ্জের তাঁতশিল্পের উদ্যোক্ততা উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছে।

দেশের বস্ত্রশিল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে তোয়ালে শিল্প। গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার পৌরসভার বড়নগর এলাকায় গড়ে উঠেছে তোয়ালে তৈরির এক সম্ভাবনাময় শিল্প। দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলের অনেক পরিবার তোয়ালে উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত। বাড়িতে কিংবা ছোট ছোট কারখানায় তাঁত ও মেশিনের সাহায্যে তৈরি হচ্ছে নানা ধরনের তোয়ালে। এতে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি এলাকার অর্থনীতিতেও যোক্ত হচ্ছে নতুন মাত্রা।
মানুষের দৈনন্দিন ব্যবহার থেকে শুরু করে হাসপাতাল, হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তোয়ালের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধি, জীবনযাত্রার পরিবর্তন এবং হোটেল-রেস্টুরেন্ট ও পর্যটন খাতের প্রসারের ফলে তোয়ালের চাহিদাও বেড়েছে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত তোয়ালে দেশের বাজারের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিদেশেও রপ্তানির সম্ভাবনা তৈরি করেছে। মানসম্মত পণ্য উৎপাদন করা গেলে আন্তর্জাতিক বাজারেও বাংলাদেশের তোয়ালের বড় সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কাঁচামাল ও উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি, বিদ্যুৎ সংকট ও বাজারজাতকরণে নানা সমস্যায় উদ্যোক্তারা উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছে।
তোয়ালে তৈরির প্রধান কাঁচামাল তুলা ও সুতা। বিভিন্ন ধরনের সুতা ব্যবহার করে বিশেষায়িত তাঁত ও আধুনিক মেশিনে তৈরি করা হয় নানা আকারের তোয়ালে। সাধারণ তোয়ালের পাশাপাশি হ্যান্ড টাওয়েল, বাথ টাওয়েল, ফেস টাওয়েলসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য তৈরি হচ্ছে। উপজেলার পৌরসভার বড়নগর, ভাদগাতী, খঞ্জনা, উত্তরগাও, বালীঁগাও, বাহদুরশাদী ও ধুলাসাধুখাসহ বিভিন্ন এলাকায় ছোট, মাঝারি ও বড় আকারের কারখানায় এসব পণ্য উৎপাদিত হয়ে থাকে।
সরেজমিনে দেখা যায়, কোথাও তাঁতের খটখট শব্দ, আবার কোথাও তৈরি করা তোয়ালে কাটিং, সেলাই ও প্যাকেটজাত করার কাজে ব্যস্ত শ্রমিকরা। পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় অনেক নারী-পূরুষও এ শিল্পে শ্রম দিয়ে আয় করছেন। বড়নগরের তোয়ালে শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বহু মানুষ যুক্ত রয়েছে। কেউ উৎপাদনে, কেউ সুতা সরবরাহে, আবার কেউ পরিবহন ও বাজারজাতকরণের কাজে যুক্ত রয়েছেন। ফলে একটি পণ্যকে ঘিরে তৈরি হয়েছে স্থানীয় অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ বলয়।
কারখারনার একাধিক মালিকরা জানায়, বর্তমানে এ শিল্প টিকিয়ে রাখতে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি তারা। কাচামালের ব্যয় ও উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় কারখানার তৈরি পণ্যের দাম প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে উন্নত প্রযুক্তির মেশিন, দক্ষ শ্রমিক ও সহজ শর্তে ঋণের অভাবে কারখানার মালিকরা দিশেহারা।
পৌরসভার বড় নগরের তোয়ালে কারখানার মালিক মো. আশরাফ আলী বলেন, কাঁচামালের মূল্য কমানো, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, সরকারী সহায়তা, সহজ শর্তে ঋণ ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবস্থা করা গেলে তোয়ালে শিল্প আরও দ্রুত বিকশিত হতে পারে। এতে করে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে ও রপ্তানি আয়ও বাড়বে।
শ্রমিকদের জন্যও তোয়ালে শিল্প একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র। তোয়ালে তৈরির কাজে সাথে যুক্ত মো. জাহাঙ্গির হোসেন জানান, নি¤œআয়ের অনেক শ্রমিক এ শিল্পের সঙ্গে যুক্ত থেকে জীবিকা নির্বাহ করছেন। কম মুজুরী, কাঁচামালের মূল্য বৃদ্ধি ও উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় তোয়ালে শিল্পের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
কারিগর মো. রাশেদ বলেন, সুতা সংগ্রহের পর নির্দিষ্ট নকশা ও মাপ অনুযায়ী তাঁত বা মেশিনে তোয়ালে তৈরি করা হয়। পরে সেগুলো ধোয়া, শুকানো, কাটিং ও ফিনিশিংয়ের পর বাজারজাত করা হয়। সাধারণ তোয়ালের পাশাপাশি বিভিন্ন আকার ও নকশার পণ্য তৈরি করা হয়।
তাঁত শিল্পের সাথে জড়িত সংশ্লিষ্টরা মনে করে তোয়ালে শিল্প সম্বাবনাময় ক্ষূদ্র ও মাঝারি শিল্প। তোয়ালে শিল্প শুধু একটি ব্যবসা নয়; এটি অনেক পরিবারের জীবিকার অবলম্বন। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে প্রশিক্ষণ, সহজ ঋণ, শিল্পের আধুনিকায়ন এবং বাজারজাতকরণে সহায়তা দিলে কালীগঞ্জের বড়নগরের তোয়ালে শিল্প দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আরোও পরিচিতি পেতে পারে। সরকারী সহায়তা পেলে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উম্মুচিত হবে এবং উদ্যোক্তা তৈরি হবে।
মুঃ সোহরাব আলী সরকার
০১৫৫৩৩৫৪২৮৪
কালীগঞ্জ. গাজীপুর
২৩/০৮/২৬ইং

নওগাঁর মান্দায় ব্র্যাকের উদ্যোগে ওয়াশ প্লান্ট উদ্বোধন

মান্দা উপজেলা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ণ
নওগাঁর মান্দায় ব্র্যাকের উদ্যোগে ওয়াশ প্লান্ট উদ্বোধন

নওগাঁর মান্দায় ব্রাকের ওয়াশ কর্মসূচি আওতায় ওয়াশ প্লান্ট শুভ উদ্বোধন করেন ডাঃ ইকরামুল বারি টিপু এমপি।

রবিবার (২৩ আগস্ট) বেলা ১২ টা উপজেলার গোটগাড়ি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ওয়াশ প্লান্ট এর হ্যান্ড ওয়াশিং স্টেশন, ড্রিংকিং স্টেশন, হাইজিন কর্নার এর উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মান্দা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ মোখলেসুর রহমান মকে,৭ নং প্রসাদপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন, মান্দা উপজেলা যুবদলের সভাপতি আব্দুল জলিল, মান্দা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক এমদাদুল হক, মান্দা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম, রাজশাহী কলেজ মুসলিম ছাত্রাবাসের সাবেক সহ-সভাপতি জামির হোসেন, সাবেক ছাত্রনেতা নুর এনায়েত নুরুজ্জামান হারুন, মান্দা উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক সালেকুজ্জামান সালেক, প্রসাদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব শামসুর রহমান, সাবেক প্রসাদপুর ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি লুৎফর রহমান,গোটগাড়ি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক শাহজামান, ব্রাক ওয়াশ কর্মসূচির ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আলমগীর হোসেন, ব্রাক প্রোগ্রাম অর্গানাইজার মোহাম্মদ আজিম হোসেনসহ বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।

এছাড়াও ব্রাক কর্তৃক উপজেলায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দশটি স্কুলের নিরাপদ পানি,স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাটিন ও স্বাস্থ্যবিধি বিষয়ে কার্যক্রম চলমান।

ইয়াবা সেবনে বাঁধা দেওয়ায় রংপুরে শিক্ষকসহ ৪ জনকে হত্যা আটক ২

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৮:২৮ অপরাহ্ণ
ইয়াবা সেবনে বাঁধা দেওয়ায় রংপুরে শিক্ষকসহ ৪ জনকে হত্যা আটক ২

 

বাড়ির ছাদে ইয়াবা সেবনে বাঁধা দেওয়ায় রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষকসহ ৪ জনকে হত্যা করে একই এলাকার সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ নামে
দুই যুবক। হত্যার পর খুনিরা গোসল করে এবং শরীরের উত্তেজনা কমাতে শষা ও খেজুর খায়। এরপর তাদের কাছে থাকা একটি ইয়াবা তারা সেখানেই সেবন করে।
গতকাল রোববার দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ। এর আগে রোববার ভোরের দিকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের বাড়ি মাছুয়াপাড়ায়। তারা দুজনে সম্পর্কে মামাতো ও খালাতো ভাই। সিদ্ধার্থ স্বর্ণের দোকানে কাজ করতেন এবং মুগ্ধ মাছের দোকানে কাজ করতেন তারা।

পুলিশ জানায়, ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার রাতে সিদ্ধার্ত ও মুগ্ধ রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তির বাড়ির ছাদে বসে ইয়াবা সেবন করছিলো। ইয়াবা সেবন দেখে ফেলেন শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তি। সমাজে ইয়াবা সেবনের কথা প্রকাশের ভয়ে তারা গণপতি চক্রবর্তিকে মেরে ফেলার সিদ্ধান্ত নেন। পরে গামছা পেছিয়ে তাকে হত্যা করা হয। হত্যার সময় গোঙানির শব্দ শুনে গণপতি চক্রবর্তির স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী ছাদের উপর উঠার চেষ্টা করে। এমন সময় তারা সিড়িতেই প্রীতিলতা চক্রবর্তীকেও গলায় রশি পেচিয়ে হত্যা করে। মা কে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন মেয়ে আগামী চক্রবর্তী পার্থী। তারা তাকেও রশি পেছিয়ে হত্যা করেন। খুনি দুজনেই একই এলাকার হওয়ায় ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী আয়ুস চক্রবর্তী প্রিয়ম তাদেরকে আগে থেকেই চেনেন এবং জানেন। খুনের বিষয় যাতে কেউ টের না পান এজন্য ১২ বছরের আয়ুস চক্রবর্তী প্রিয়মকে প্রথমে রশি পেচিয়ে এবং পরে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করেন। একে একে চারজনকে হত্যার পর তারা দুইজনেই শরীরের উত্তেজনা কমাতে গোসল করেন। পরে তারা দুজনে ডাইনিং টেবিলে বসে শশা, খেজুর ও ইয়াবা সেবন করেন। হত্যার ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার লক্ষে তারা বাড়ির আসবাবপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে ফেলেন এবং স্বর্ণের চুরি আগুন দিয়ে পরিক্ষা করেন, সেটি আসল না নকল। পরে বাকী রাতটুকু চেয়ারে বসে বিশ্রাম নেন তারা। বাড়িতে থেকে বের হওয়ার সময় যাতে কেউ দেখে না ফেলে এজন্য তারা অপেক্ষা করতে থাকেন। এরই মধ্যে ওই বাড়িতে ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন ডিটারজেন্ট পাউডারের পানিতে ভিজিয়ে রাখেন, যাতে মোবাইলে কোন আঙুৃলের ছাপ না থাকে। শুক্রবার জুমার নামাজ শুরু হওয়ায় রাস্তা ফাঁকা দেখে তারা ওই বাড়ি থেকে সটকে পরে।

এ ঘটনার পরপর পুলিশ তালাবদ্ধ ওই বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী পার্থী ও ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী প্রিয়মের লাশ উদ্ধার করে। পরে রাতেই ইয়াবা সেবনের আলামত ও পারিপাশ্বিক বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে এলাকায় অভিযান শুরু করে। অভিযানের একপর্যায়ে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধকে গ্রেফতার করা হয়। তারা দ্জুনেই একই এলাকার বাসিন্দা।

এ বিষয়ে রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ জানান, এই হত্যাকান্ডের ঘটনায় কোতয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হযেছে। গ্রেফতারকৃতরা হত্যার কথা শিকার করেছেন।

উল্লেখ্য,শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। গত তিনদিন ধরে বাড়িতে তালাবদ্ধ দেখতে পান এলাকাবাসী। এদিকে কয়েকদিন ধরে কোন রকম যোগাযোগ করতে না পেরে ওই শিক্ষকের আত্মীয় স্বজন এলাকায় এসে বাড়িতে তালাবদ্ধ দেখে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের মাধ্যমে তালা ভেঙে বাড়িতে প্রবেশ করে। এসময় বাড়ির ছাদে গণপতি চক্রবর্তী, সিঁড়ির কাছে স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তি ও মেয়ে আগামী চক্রবর্তীর লাশ পাওয়া যায় এবং একটি কক্ষের ভেতরে খাটের নিচ থেকে তাদের ছোট ছেলে আয়ুস চক্রবর্তীর লাশ উদ্ধার করা হয়। এসময় বাড়ির বৈদ্যুতিক লাইন বিচ্ছিন্ন এবং বাড়ির জিনিস পত্র তছনছ ও ছড়ানো ছিটানো ছিলো।

জানা যায়, রংপুর জিলা স্কুল থেকে শিক্ষকতা পেশা থেকে চলতি বছরের ২ জানুয়ারী অবসরে যান গণপতি চক্রবর্তী। তিনি নগরীর সমবায় মার্কেটে একটি হোমিওপ্যাথি চেম্বারে নিয়মিত চিকিৎসাসেবা দিতেন। হত্যার শিকার মেয়ে আগামী চক্রবর্তী রংপুর কারমাইকেল কলেজ থেকে মাস্টার্স পাশ করেছেন এবং ছেলে আয়ুস চক্রবর্তী রংপুর জিলা স্কুলের ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

জামালপুরে তালাবদ্ধ ফ্ল্যাটে গৃহবধূর মরদেহ,দুই শিশুকে জীবিত উদ্ধার

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ জামালপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৮:২২ অপরাহ্ণ
জামালপুরে তালাবদ্ধ ফ্ল্যাটে গৃহবধূর মরদেহ,দুই শিশুকে জীবিত উদ্ধার

জামালপুর শহরের শেখের ভিটা রেলক্রসিং এলাকার একটি তালাবদ্ধ ফ্ল্যাট থেকে ইসরাত জাহান (৩০) নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই ফ্ল্যাটের অন্য একটি কক্ষে আটকে থাকা তাঁর দুই শিশু সন্তানকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী কাউসার আহাম্মেদ শাওন (৩৫) পলাতক রয়েছেন।

রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে শেখের ভিটা এলাকার একটি ছয়তলা ভবনের পঞ্চম তলার ফ্ল্যাটে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, সকালে ফ্ল্যাটের জানালা দিয়ে দুই শিশু বারবার পানি চাইতে থাকে। তাদের কান্নাকাটি শুনে আশপাশের মানুষের সন্দেহ হলে বিষয়টি ভবনের মালিককে জানানো হয়। পরে দেখা যায়, ফ্ল্যাটটির মূল দরজায় বাইরে থেকে তালা দেওয়া রয়েছে। একপর্যায়ে স্থানীয়রা তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে শিশু দুটিকে উদ্ধার করেন। পরে ফ্ল্যাটের অন্য একটি কক্ষে ইসরাত জাহানের নিথর দেহ দেখতে পান তারা। এরপর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

নিহত ইসরাত জাহান ও কাউসার আহাম্মেদ শাওন দম্পতির দুই সন্তান রয়েছে। তাদের মেয়ে স্নেহার বয়স ১০ বছর এবং ছেলে মমিন শাহরিয়ারের বয়স ৫ বছর।

স্থানীয় বাসিন্দা মৌসুমী আক্তার বলেন, জানালা দিয়ে বাচ্চা দুটি পানি চাইলে স্থানীয়রা সেখানে গিয়ে ফ্ল্যাটের তালা ভেঙে তাদের উদ্ধার করেন। পরে ভেতরে ওই নারীর মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

খবর পেয়ে জামালপুর সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুস সাকিব বলেন খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেছে। সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর কারণ বা ঘটনার পেছনের রহস্য এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে পুলিশের তদন্ত চলছে।

নওগাঁর মান্দায় ব্র্যাকের উদ্যোগে ওয়াশ প্লান্ট উদ্বোধন ইয়াবা সেবনে বাঁধা দেওয়ায় রংপুরে শিক্ষকসহ ৪ জনকে হত্যা আটক ২ জামালপুরে তালাবদ্ধ ফ্ল্যাটে গৃহবধূর মরদেহ,দুই শিশুকে জীবিত উদ্ধার নানা সমস্যায় কালীগঞ্জের তাঁতশিল্পের উদ্যোক্ততা উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছে। কুয়াকাটায় দুই দোকান উচ্ছেদ, বেড়িবাঁধের সরকারি জমি দখল নিয়ে প্রশ্ন?