খুঁজুন
রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

উন্নয়নের রূপকার ইসলামপুরে মনোনয়ন প্রত্যাশী শওকত হাসান মিঞা

পাবলিক বাংলা :
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৫:৩৩ অপরাহ্ণ
উন্নয়নের রূপকার ইসলামপুরে মনোনয়ন প্রত্যাশী শওকত হাসান মিঞা

জামালপুর প্রতিনিধি : নিজ অর্থয়নে
উন্নয়নের রূপকার অংশ হিসেবে জামালপুরের ইসলামপুর বিএনপির থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী শওকত হাসান মিঞা বারটি ইউনিয়ন ও পৌরশহরে হতদরিদ্রদের পাশে হাত বাড়িয়ে কাজ করে চলেছে।

ইসলামপুর উপজেলা আলহাজ্ব শওকত হাসান মিঞা উন্নয়ন কমিটি উদ্যােগে উপজেলায় বিভিন্ন এলাকায় হতদরিদ্রদের খাদ্য সামগ্রী বিতারণ,মসজিদ,মন্দির মাদরাসা,ঈদগাহ,কবর ও ইসলামপুর প্রেসক্লাব উন্নয়ন জন্য ল্যাপটপসহ ব্যাপক অনুদান প্রদানের মাধ্যমে তিনি এলাকাবাসির কাছে উপজেলায় রুপকার হিসাবে নিজের অবস্থান করেন। এই ছাড়াও মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত এবং আধুনিক উপজেলা রূপান্তরিত করার জন্য ভবিষ্যতে এই উন্নয়ন কমিটির ধারা অব্যাহত রাখবেন।

ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে রাজনীতির পর্যায়ে তিনি সততা,নিষ্ঠা ও সাহসের উদাহরণ হয়ে আছেন। তৃণমূলের কর্মীদের সুখ-দুঃখে পাশে থেকে তিনি হয়ে উঠেছেন দলের ঐক্যের প্রতীক। তার প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজ সেবামূলক কর্মকান্ড আজও স্থানীয় উন্নয়নের বাতিঘর। অভিজ্ঞতা,ত্যাগ,সংগঠনী দক্ষতা এবং জনগণের সঙ্গে নিবিড় সর্ম্পক রাজনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। তিনি রাজনীতিকে ক্ষমতার নয়,সেবার মাধ্যম হিসেবে দেখেন। তার অঙ্গীকার—জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার করে উন্নয়ন ও পরিবর্তনের রাজনীতি গড়ে তোলা।

ইসলামপুর উপজেলা আলহাজ্ব শওকত হাসান মিঞা উন্নয়ন কমিটি সভাপতি ও এস্যাট গ্রুপে চেয়ারম্যান একান্ত সাক্ষাতকারে বলেন, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আশুরোগ মুক্তি কামনায় সকলে কাছে দোয়া কামনা করেন। আল্লাহ তায়ালা সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে দ্রুত সুস্থকরে আবারও দেশ পরিচালনা দায়িত্ব গ্রহন করুন।

তিনি বক্তব্য বলেন,আমি আমার উপজেলা মাদকমুক্ত একটি আধুনিক পরিকল্পিত শিক্ষাবান্ধব একটি মডেল উপজেলা গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছি এজন্য অসহায় মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে তাদের কষ্ট এবং বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে খুব কাছ থেকে সাধারন মানুষের সমস্যা সমাধানে করে যাচ্ছি বিশেষ করে সমাজের অসচ্ছল অসহায় গরিব,বিধবা,
বয়স্ক এবং প্রতিবন্ধী মানুষের সহায়তা হাত বাড়িয়ে আসছি। উন্নয়ন কমিটির ধারা অব্যহত রাখতে হলে আগামী সংসদ নির্বাচনে বিএনপি প্রতীক ধানের শীর্ষ মার্কায় ভোটদিয়ে বিজয় করতে হবে।

এই আসন্নের নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই গরম হয়ে উঠছে রাজনীতির মাঠ। সকাল হতে শুরু করে রাত-দিন পথে ঘাটে,পাড়া,মহল্লা,হাট বাজারে ও চায়ের দোকানে চলে নির্বাচনী মতবিনিময় ও প্রচার-প্রচারণা। এরই ধারাবাহিকতায় নির্বাচন নিয়ে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে চলছে জনসংযোগ।

জামালপুর।

সাপাহারে সরকারি আশ্রয়ন প্রকল্পের বসতবাড়িতে হামলা ও ভাংচুর

সাপাহার নওগাঁ প্রতিনিধিঃ
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ৮:৩৩ অপরাহ্ণ
সাপাহারে সরকারি আশ্রয়ন প্রকল্পের বসতবাড়িতে হামলা ও ভাংচুর

নওগাঁর সাপাহারে সরকারি আশ্রয়ন প্রকল্পের বসতবাড়িতে হামলা ও ভাংচুর এর অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে উপজেলার চন্দুরা, আশ্রয়ন গ্রামে বসবাসকারী মোহাম্মদ আলী এর পুত্র আরিফ বিল্লাহ (২৮)।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আশ্রয়ন প্রকল্পের মাঝখানে একটি খাসপুকুর আশ্রয়ন বাসি সরকারিভাবে ইজারা পাওয়ায়, তাদেরকে সেখান থেকে উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে গত ২৪ মে রোববার দুপুর ১২ টার দিকে হামলা চালিয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে সাপাহার উপজেলা তিলনা ইউনিয়নের চন্দুরা গ্রামের মৃত লুৎফর রহমানের পুত্র খয়বর আলী (৪০), আব্দুস সাত্তার এর পুত্র রফিকুল ইসলাম রুবেল (৩৫), জামাল উদ্দিন (৬৫) পিতা অজ্ঞাত, মৃত বাক্স এর পুত্র হারুন (৫০) আব্দুল গফুর(৫০) পিতা অজ্ঞাত, মৃত মোতালেব এর পুত্র মোকলেস (৪০), মৃত্যু রায়হান এর পুত্র আলহাজ্ব জুয়েল (৪২), হেলাল হোসেন (৩৬) পিতা অজ্ঞাত, মোঃ জিল্লুর রহমানের পুত্র করিম (৪০), কিনা মন্ডলের পুত্র ফজলু ৪৫ সহ আরো নাম না জানা ১৫ থেকে ২০ জন দুর্বৃত্ত ব্যক্তিরা এ হামলা চালিয়েছে এ সময় আশ্রয়ন প্রকল্পে বসবাসকারী দেলোয়ার বাধা প্রদান করিলে তাকে মেরে রক্তাক্ত যক্ষম করে। এবং ১৭ টি বসত বাড়ির মধ্যে ১০টি বাড়ির দরজা ও ঘরের টিন ভাঙচুর করে দুর্বৃত্তরা, এই ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চলের সৃষ্টি করিলেও আশ্রয়ন বাসির প্রতি সহযোগিতায় কেউ এগিয়ে আসেনি বলে দাবি করে বসবাসকারীরা।
প্রতিপক্ষের হারুনের সাথে কথা হলে বিষয়টি অস্বীকার করেন। তবে পুকুরটি বিষয়ে আপোষ নিষ্পত্তির কথা চলছে বলে জানান।
এ বিষয়ে সাপাহার থানা অফিসার ইনচার্জ ওসির সাথে কথা হলে তিনি বলেন এ বিষয়ে আমার জানা নাই অভিযোগের বাদী কে আমার কাছে পাঠিয়ে দিন।

নওগাঁর মান্দায় গাঁজার গাছসহ গ্রেফতার ১

মান্দা উপজেলা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ৫:৫২ অপরাহ্ণ
নওগাঁর মান্দায় গাঁজার গাছসহ গ্রেফতার ১

নওগাঁর মান্দা উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে গাঁজা গাছসহ নিতাই কুমার মন্ডল (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তিনি উপজেলার রামনগর গ্রামের নন্দ কুমারের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, মান্দা উপজেলার রামনগর গ্রামের একটি কচুক্ষেতের মধ্যে গোপনে গাঁজা গাছ রোপণ করে পরিচর্যা করা হচ্ছে।

সংবাদের সত্যতা যাচাই করে অভিযান পরিচালনা করলে অভিযানে অংশ নেওয়া টিম নিতাই কুমার মন্ডলকে গ্রেফতার করে। এ সময় স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে তার কচুক্ষেত থেকে একটি গাঁজা গাছ উদ্ধার ও জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত গাঁজা গাছটির ওজন প্রায় ২ কেজি ৫০০ গ্রাম বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত নিতাই কুমার মন্ডলের বিরুদ্ধে মান্দা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

রংপুর মেডিকেলে রোগীদের ছুটি দিয়ে তালাবদ্ধ কিডনি ওয়ার্ড, চিকিৎসাবিহীন রোগীরা

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ণ
রংপুর মেডিকেলে রোগীদের ছুটি দিয়ে তালাবদ্ধ কিডনি ওয়ার্ড, চিকিৎসাবিহীন রোগীরা

 

হাসপাতাল হলো মানুষের শেষ আশ্রয়ের জায়গা, যেখানে ঈদের আনন্দও ম্লান হয়ে যায় মুমূর্ষু রোগীদের সেবায়। কিন্তু রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের (রমেক) চিত্রটি সম্পূর্ণ উল্টো। ঈদ উদযাপনের অজুহাতে সেখানে চিকিৎসাধীন রোগীদের ‘বাধ্যতামূলক ছুটি’ দিয়ে খোদ কিডনি (নেফ্রোলজি) ওয়ার্ডেই তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন চিকিৎসক ও নার্সরা। গত চার দিন ধরে বন্ধ থাকা এই ওয়ার্ডের কারণে রংপুর অঞ্চলের কিডনি রোগীদের জীবনে নেমে এসেছে চরম অনিশ্চয়তা।

শনিবার (৩০ মে) সকালে সরেজমিনে হাসপাতালের ৪০ নম্বর কিডনি ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায় এক অবিশ্বাস্য দৃশ্য। হাসপাতালের প্রধান ফটকটি ভেতর থেকে বন্ধ। দীর্ঘ অপেক্ষার পর ভেতর থেকে এক নার্স ইশারায় জানিয়ে দিলেন, “বড় স্যারদের আদেশে ওয়ার্ড বন্ধ, কোনো রোগী নেই।” অথচ ভেতরের জানালা দিয়ে দেখা গেল, সারি সারি শয্যা শূন্য পড়ে আছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত সোমবার (২৫ মে) পর্যন্ত এই ওয়ার্ডে ১৮ জন গুরুতর অসুস্থ রোগী ভর্তি ছিলেন। কিন্তু ঈদের দোহাই দিয়ে তাদের একপ্রকার জোর করেই হাসপাতাল ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে। এমনকি আগামী ১ জুনের আগে নতুন কোনো রোগী ভর্তি না করার মৌখিক নির্দেশনাও দিয়ে রেখেছেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা।

একই ছাদের নিচে কিডনি ওয়ার্ড তালাবদ্ধ থাকলেও পাশের ডায়ালাইসিস ইউনিটটি খোলা রয়েছে। সেখানে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন তিন শিফটে ৬২ জন রোগীকে ডায়ালাইসিস দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু উদ্বেগের বিষয় হলো, ডায়ালাইসিস চলাকালীন কোনো রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়লে তাকে জরুরি চিকিৎসা দেওয়ার মতো কোনো ব্যবস্থা নেই, কারণ মূল কিডনি ওয়ার্ডটি বন্ধ। এই অবস্থাকে ‘পুরোপুরি অমানবিক’ বলে মন্তব্য করেছেন খোদ ডায়ালাইসিস ইউনিটের এক কর্মকর্তা।

দূর-দূরান্ত থেকে আসা রোগীরা এসে দেখছেন হাসপাতালের দরজায় তালা। গাইবান্ধা থেকে আসা রোগী রুহুল আমিন আক্ষেপ করে জানান, চিকিৎসা না পেয়ে তিনি এখন বাধ্য হয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সরকারি হাসপাতালে এসে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হবেন তা তিনি কল্পনাও করেননি।

এই নজিরবিহীন ঘটনার বিষয়ে জানতে কিডনি বিভাগের বিভাগীয় প্রধানসহ কোনো চিকিৎসককে কর্মস্থলে পাওয়া যায়নি। হাসপাতালের বর্তমান দায়িত্বে থাকা উপ-পরিচালক ডা. আব্দুল মোকাদ্দেমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি দায়সারাভাবে জানান, বিষয়টি তার জানা নেই এবং তিনি খোঁজ নিয়ে দেখবেন।

একটি পূর্ণাঙ্গ সরকারি হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিভাগ এভাবে উৎসবের নামে বন্ধ করে দেওয়া চিকিৎসাবিজ্ঞানের নীতি ও মানবিকতার চরম লঙ্ঘন বলে মনে করছেন ভুক্তভোগী ও সাধারণ মানুষ। দ্রুত এই ওয়ার্ড খুলে দিয়ে সেবা নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে সর্বত্র।

সাপাহারে সরকারি আশ্রয়ন প্রকল্পের বসতবাড়িতে হামলা ও ভাংচুর নওগাঁর মান্দায় গাঁজার গাছসহ গ্রেফতার ১ রংপুর মেডিকেলে রোগীদের ছুটি দিয়ে তালাবদ্ধ কিডনি ওয়ার্ড, চিকিৎসাবিহীন রোগীরা সেনবাগে লটারিতে লাখপতি ২ ও স্বপ্নের বাজারে ৯অসহায় মানুষ বিজয়ী। হাজারো পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত, বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ।।