গত ২ ও ৩ মার্চ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইসলামপুর পৌরসভায় প্রকৌশলী ও কার্যসহকারীর বিরুদ্ধে প্রচারিত খবরের বিষয়টি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আমার এবং কার্যসহকারীর বিরুদ্ধে ছবিসহ একজন মৃত সাংবাদিকের আইডি ব্যবহার করে অসত্য তথ্য পোষ্ট করে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে অসত্য ও মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে উক্ত প্রকাশিত ভিত্তিহীন ও বানোয়াট যা আদৌ সত্য না । আমি উক্ত সামাজিক প্রচারণাটির তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
গাজীপুরের কালীগঞ্জে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় টাস্কফোর্স ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অভিযানে মাদক সেবন ও বিক্রির অপরাধে নারীসহ মোট ৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
১৭ জুলাই ২০২৬খ্রি. শুক্রবার দিনব্যাপী উপজেলার সাওরাইদ বাজার এবং বালীগাঁও এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কালীগঞ্জ উপজেলার সাওরাইদ বাজার ও বালীগাঁও গ্রামে মাদকবিরোধী এ যৌথ অভিযান চালানো হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন কালীগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব জাকিয়া সরওয়ার লিমা।
অভিযানকালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(৫) ধারা লঙ্ঘনের দায়ে মোট ৬টি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়। অপরাধের তীব্রতা বিবেচনা করে বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট তসলিমা বেগম পিতা মৃত ওহিদ সিকদার, ইব্রাহীম পিতা মৃত আমজাদ আলী ,রবিউল পিতা মৃত তারা মিয়া,
সর্বসাং বালিগাওকে ৩ ( তিন) মাস করে, অপরদিকে : মো: মিঠুন পিতা মো: মোসারফ, মানিক মিয়া পিতা মৃত আয়াত আলী, আরিফুল ইসলাম পিতা মৃত রফিজ উদ্দিন সর্ব সাং দিঘুয়া সাওরাইদ মুক্তারপুরকে ১ (এক)মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন। সাজাপ্রাপ্তদের তাৎক্ষণিকভাবে গাজীপুর জেলা কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে অভিযানে কোনো প্রকার অর্থদণ্ড (জরিমানা) করা হয়নি।
আদালতে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কালীগঞ্জ থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) মোঃ ইব্রাহীম শেখ। এছাড়া আদালত পরিচালনায় বেঞ্চ সহকারী হিসেবে সার্বিক সহযোগিতা করেন সামসুন নাহার সিমু।
অভিযান শেষে বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সরওয়ার লিমা জানান, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়েছে। কালীগঞ্জ উপজেলাকে সম্পূর্ণ মাদক মুক্ত করতে এবং জনস্বার্থে এ ধরনের মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের মাদারগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে ৭৫ ডায়রিয়া রোগীসহ দুই সপ্তাহে প্রায় ৩ শতাধিক রোগী ভর্তি ছিল। মঙ্গলবার বিকালে মাদারগঞ্জ উপজেলা ১০০ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চতুর্থ তলা গিয়ে এ চিত্র পাওয়া যায়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় অধিকাংশ রোগী ডায়রিয়া রোগে আক্রান্ত। মহিলা ও পুরুষ ওয়ার্ড মিলে ৫০ শয্যা থাকলেও হাসপাতালের মেঝেতে ও ভর্তিরত রোগীরা রয়েছে। ডায়রিয়া রোগী ছাড়াও পেট ব্যাথা,ঠান্ডা,জ্বর সহ অন্যান্য রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ও কম নয়। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে এসেছে এসব রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে ছুটি ও নিয়েছে বেশকিছু রোগী। দাপিয়ে বাড়ছে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা। মুক্তি (২০) নামে একজন ডেঙ্গু রোগী রয়েছে চিকিৎসাধীন। এ ব্যাপারে মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নার্স ইনচার্জ নুরানি আক্তার জানান বর্তমানে ডায়রিয়া রোগী সংখ্যা বেশী। প্রতিদিন ডায়রিয়া রোগী ভর্তি হচ্ছে তবে এর মধ্যে অনেকেই সুস্থ হয়ে বাড়ী ফিরে গেছে। ১ জুলাই থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত ভর্তি ছিল ৭৫ জন ডায়রিয়া রোগী বর্তমানে ৪০ জন চিকিৎসাধীন আছে। ১৪ দিনে প্রায় ৩ শতাধিক বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছিল। আবাসিক মেডিকেল অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ আবু রায়হান জানান ডায়রিয়া পানিবাহিত রোগের কারণে হয়ে থাকে। বর্ষা,অতিবৃষ্টির কারণে বাড়ীতে স্থাপনকৃত টিউবওয়েলের গোড়া গুলো জলাবদ্ধতার কারণে অনেকের পানি পেয়েছে। ভর্তিরত রোগীদের চিকিৎসা শুরু করলে ৩ দিনেই ডায়রিয়া রোগী ভালো হয় সর্বোচ্চ এক সপ্তাহ লাগে। ১০০ শয্যা বিশিষ্ট মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান কয়েক দিন আগে প্রচন্ড গরম ছিল, বর্তমানে পানিবাহিত কারণে ডায়রিয়া আক্রান্ত হচ্ছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ী ফিরেছে অনেকেই। যেসব রোগী ভর্তি আছে তাদের প্রতিনিয়ত সু চিকিৎসা দিচ্ছে দায়িত্বরত মেডিকেল অফিসার ও নার্সবৃন্দ।
হোসেন শাহ ফকির, ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি: জামালপুরের ইসলামপুর পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক প্রয়াত খোরশেদুজ্জামান লেবুর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যায় ইসলামপুর উপজেলা ও পৌর বিএনপির যৌথ উদ্যোগে সিরাজাবাদ রোডস্থ বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এ স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ও মহিলা দলের সহ-সভাপতি নাশিদা সাফিজ বিনতী।
পৌর বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম ঢালীর সভাপতিত্বে এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক স্থানীয় সরকারবিষয়ক সম্পাদক সাঈদ খান লোহানীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নবী নেওয়াজ খান লোহানী বিপুল, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান খান শাহীন ও একেএম শহিদুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাবলু সরদার, সাবেক সহ-সভাপতি আওয়াল খান লোহানী, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি জয়নাল আবেদীন সরকার, সহ-সভাপতি ডা. শাহিনুর রহমান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নাজিম হোসেন নোমান এবং প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মোরাদুজ্জামান মোরাদ।
এ ছাড়া উপজেলা বিএনপির অর্থবিষয়ক সম্পাদক প্রিন্স আলম, দপ্তর সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ মিন্টু, সাবেক সহ-সভাপতি হেলাল উদ্দিন, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি রেহান আলী, উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি নাহিদা আক্তার খানম সুলেখা, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শেখ হেলাল, যুগ্ম আহ্বায়ক মাহফুদুজ্জামান লুলু ও সামিউল হক লাভলু, উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম বাদশা, পৌর যুবদলের সাবেক সভাপতি আতিকুর রহমান শাহীন, উপজেলা বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান হাসমত, পৌর বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক হাসান, তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক হোসেন শাহ ফকির, সহ ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক হিরু, সাবেক ছাত্রনেতা এ.কে.এম. রোকনুজ্জামান খান রোকন, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আলীনুর ইসলাম, যুবনেতা মনির খান লোহানী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব মাজহারুল ইসলাম বিপুল, যুগ্ম আহ্বায়ক সিয়াম আল শাহফুল হক খলিফা সিয়াম, উপজেলা শ্রমিক দলের সহ সভাপতি বাদশা, সাধারণ সম্পাদক জালাল উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুর রহমান বিপুল, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কামরুজ্জামান বিশাল, শ্রমিক সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আলী সরকার, সাবেক সহ সভাপতি বাবলু, ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক নাজমুল হাসান কায়েস, হিন্দু-বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের সভাপতি মহাদেব মহন্ত, সাবেক ছাত্রনেতা মিতুল, রাজু, মামুন এবং ইসলামপুর সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মিঠুনসহ উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা মরহুম খোরশেদুজ্জামান লেবুর রাজনৈতিক জীবন, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং বিএনপির প্রতি তাঁর অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তাঁরা বলেন, দলের দুঃসময়ে তাঁর ভূমিকা নেতাকর্মীদের কাছে অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।
আলোচনা সভা শেষে মরহুম খোরশেদুজ্জামান লেবুর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
আপনার মতামত লিখুন