খুঁজুন
সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১২ শ্রাবণ, ১৪৩৩

সাপাহারে সরকারি আশ্রয়ন প্রকল্পের বসতবাড়িতে হামলা ও ভাংচুর

সাপাহার নওগাঁ প্রতিনিধিঃ
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ৮:৩৩ অপরাহ্ণ
সাপাহারে সরকারি আশ্রয়ন প্রকল্পের বসতবাড়িতে হামলা ও ভাংচুর

নওগাঁর সাপাহারে সরকারি আশ্রয়ন প্রকল্পের বসতবাড়িতে হামলা ও ভাংচুর এর অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে উপজেলার চন্দুরা, আশ্রয়ন গ্রামে বসবাসকারী মোহাম্মদ আলী এর পুত্র আরিফ বিল্লাহ (২৮)।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আশ্রয়ন প্রকল্পের মাঝখানে একটি খাসপুকুর আশ্রয়ন বাসি সরকারিভাবে ইজারা পাওয়ায়, তাদেরকে সেখান থেকে উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে গত ২৪ মে রোববার দুপুর ১২ টার দিকে হামলা চালিয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে সাপাহার উপজেলা তিলনা ইউনিয়নের চন্দুরা গ্রামের মৃত লুৎফর রহমানের পুত্র খয়বর আলী (৪০), আব্দুস সাত্তার এর পুত্র রফিকুল ইসলাম রুবেল (৩৫), জামাল উদ্দিন (৬৫) পিতা অজ্ঞাত, মৃত বাক্স এর পুত্র হারুন (৫০) আব্দুল গফুর(৫০) পিতা অজ্ঞাত, মৃত মোতালেব এর পুত্র মোকলেস (৪০), মৃত্যু রায়হান এর পুত্র আলহাজ্ব জুয়েল (৪২), হেলাল হোসেন (৩৬) পিতা অজ্ঞাত, মোঃ জিল্লুর রহমানের পুত্র করিম (৪০), কিনা মন্ডলের পুত্র ফজলু ৪৫ সহ আরো নাম না জানা ১৫ থেকে ২০ জন দুর্বৃত্ত ব্যক্তিরা এ হামলা চালিয়েছে এ সময় আশ্রয়ন প্রকল্পে বসবাসকারী দেলোয়ার বাধা প্রদান করিলে তাকে মেরে রক্তাক্ত যক্ষম করে। এবং ১৭ টি বসত বাড়ির মধ্যে ১০টি বাড়ির দরজা ও ঘরের টিন ভাঙচুর করে দুর্বৃত্তরা, এই ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চলের সৃষ্টি করিলেও আশ্রয়ন বাসির প্রতি সহযোগিতায় কেউ এগিয়ে আসেনি বলে দাবি করে বসবাসকারীরা।
প্রতিপক্ষের হারুনের সাথে কথা হলে বিষয়টি অস্বীকার করেন। তবে পুকুরটি বিষয়ে আপোষ নিষ্পত্তির কথা চলছে বলে জানান।
এ বিষয়ে সাপাহার থানা অফিসার ইনচার্জ ওসির সাথে কথা হলে তিনি বলেন এ বিষয়ে আমার জানা নাই অভিযোগের বাদী কে আমার কাছে পাঠিয়ে দিন।

কয়রার ১ নং আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে প্রফেসর আবুল কালাম আজাদকে দেখতে চান এলাকাবাসী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:১৩ পূর্বাহ্ণ
কয়রার ১ নং আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে প্রফেসর আবুল কালাম আজাদকে দেখতে চান এলাকাবাসী

Oplus_131072

মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা উপজেলা প্রতিনিধি:
খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১ নং আমাদী ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন মহলে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক প্রফেসর আবুল কালাম আজাদকে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, সমাজসেবা এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তিনি বর্তমানে খান সাহেব কমরউদ্দীন ডিগ্রি কলেজে অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। শিক্ষকতা পেশায় দায়িত্বশীলতা, সততা ও মানবিক মূল্যবোধের কারণে তিনি শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সাধারণ মানুষের কাছে একজন পরিচিত মুখ।

রাজনৈতিক পরিচয়ের দিক থেকেও তিনি এলাকায় সুপরিচিত। তিনি আমাদী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক (সেক্রেটারি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। স্থানীয়দের মতে, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার পাশাপাশি একজন শিক্ষাবিদ হিসেবে তার গ্রহণযোগ্যতা তাকে সম্ভাব্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে এগিয়ে রাখছে।

এলাকাবাসীর জানান, আমাদী ইউনিয়নে নদীভাঙন, সুপেয় পানির সংকট, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষি, মৎস্য খাত এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। তাদের বিশ্বাস, প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ নির্বাচিত হলে এসব সমস্যা সমাধানে পরিকল্পিতভাবে কাজ করতে পারবেন।

একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “আমরা এমন একজন চেয়ারম্যান চাই, যিনি সৎ, শিক্ষিত, অভিজ্ঞ এবং জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক থাকবেন। প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ দীর্ঘদিন ধরে মানুষের সঙ্গে কাজ করছেন। তাই তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই।”

এ বিষয়ে প্রফেসর আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি সবসময় মানুষের কল্যাণে কাজ করার চেষ্টা করেছি। এলাকার মানুষ যদি আমাকে ভালোবাসা ও সমর্থন দেন এবং ভবিষ্যতে কোনো দায়িত্ব অর্পণ করেন, তাহলে আইন ও নীতিমালার আলোকে সকলকে সঙ্গে নিয়ে আমাদী ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করব। শিক্ষা, স্বচ্ছতা, সুশাসন ও জনসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মানুষের প্রত্যাশা পূরণের চেষ্টা থাকবে।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা, সততা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং উন্নয়নের পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এসব বিষয় বিবেচনায় এনে প্রফেসর আবুল কালাম আজাদের নাম ইতোমধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় আলোচনায় এসেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এখনো কোনো রাজনৈতিক দল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী ঘোষণা করেনি। তবে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা ও মতবিনিময় অব্যাহত রয়েছে।

কলাপাড়ার শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘পায়রা’র নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি রফিকুল ও সম্পাদক দ্বীপ ঢালী

মেহেদী হাসান সোহাগ কুয়াকাটা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৬:০৫ পূর্বাহ্ণ
কলাপাড়ার শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘পায়রা’র নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি রফিকুল ও সম্পাদক দ্বীপ ঢালী

পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার শিক্ষার্থীদের স্বেচ্ছাসেবী, সহযোগিতামূলক ও অরাজনৈতিক সংগঠন ‘পায়রা’-এর তৃতীয় কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার দেশ-বিদেশের ৫০টিরও বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত উপজেলার দেড় শতাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে নতুন এ কমিটি গঠন করা হয়।

নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রফিকুল ইসলাম। তিনি বর্তমানে মাস্টারদা সূর্যসেন হল সংসদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং কুয়াকাটা পৌরসভার বাসিন্দা।
সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি)-এর ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী দিবারুল ইসলাম দ্বীপ ঢালী। তিনি বাংলাদেশ যুব ছায়া সংসদের পটুয়াখালী-৪ আসনের যুব সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি কলাপাড়া পৌরসভার বাসিন্দা এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ঢালী নজরুল ইসলামের কনিষ্ঠ সন্তান।
সংগঠন সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ‘পায়রা’ কলাপাড়া উপজেলার শিক্ষার্থীদের কল্যাণে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। একাডেমিক ও ভর্তি-সংক্রান্ত তথ্য প্রদান, চাকরি বিষয়ক দিকনির্দেশনা, ভর্তি পরীক্ষার সময় হেল্প ডেস্ক পরিচালনা, উচ্চশিক্ষা বিষয়ক সেমিনার, ক্যারিয়ার গাইডলাইন, আর্থিক সহায়তা, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, ইফতার মাহফিল, পুনর্মিলনীসহ নানা সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে সংগঠনটি। পাশাপাশি উপজেলার বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল ব্যক্তিদের একটি নিরপেক্ষ প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করে শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে তারা।
এছাড়া নবগঠিত কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির রায়হান রনি, সহ-সভাপতি (শিক্ষা ও ক্যারিয়ার বিষয়ক সেল) হিসেবে মো. রুবেল মাতুব্বর, সহ-সভাপতি (কর্মসূচি প্রণয়ন ও পরিকল্পনা বিষয়ক সেল) হিসেবে সরকারি ব্রজমোহন কলেজের আলী হোসেন, সহ-সভাপতি (স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সেল) হিসেবে ঢাকা মেডিকেল কলেজের তাবাসসুম তুবা, সহ-সভাপতি (জলবায়ু, দুর্যোগ ও ত্রাণ বিষয়ক সেল) হিসেবে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মহিবুল্লাহ সুজন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে প্রাইম ইউনিভার্সিটির ফারদিল আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুজাহিদ সিফাত, সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কামরুজ্জামান কোয়েল, দপ্তর সম্পাদক হিসেবে বিইউপির আশিকুর নবীন শাওন, প্রচার সম্পাদক হিসেবে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মো. ইলিয়াস, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক সম্পাদক হিসেবে লিথুনিয়ার ভিলনিয়াস ইউনিভার্সিটির মেহেরুল ইসলাম রিসান এবং ১ নম্বর কার্যকরী সদস্য হিসেবে সরকারি ব্রজমোহন কলেজের মো. ইউনুস মনোনীত হয়েছেন।
নবনির্বাচিত সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, কলাপাড়ার শিক্ষার্থীদের জন্য একটি কার্যকর, দক্ষ ও ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ‘পায়রা’কে আরও এগিয়ে নিতে আমরা কাজ করব। শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও সামাজিক দায়বদ্ধতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকাই আমাদের অঙ্গীকার।
সাধারণ সম্পাদক দিবারুল ইসলাম দ্বীপ ঢালী বলেন, উপজেলার প্রতিটি শিক্ষার্থীকে এক ছাতার নিচে এনে তাদের শিক্ষা, ক্যারিয়ার ও মানবিক উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখাই আমাদের লক্ষ্য। সকলের সহযোগিতা নিয়ে ‘পায়রা’র কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করতে চাই।
নবগঠিত কমিটির সদস্যরা বলেন, এলাকার শিক্ষার্থীদের স্বার্থরক্ষা, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমকে আরও বেগবান করতে তারা আন্তরিকভাবে কাজ করবেন।

মাদারগঞ্জের বালিজুড়ী বাজারে গিফট কর্নারে অগ্নিকান্ড’১৫ লক্ষ টাকা ক্ষয়ক্ষতির দাবী কর্তৃপক্ষের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ১০:১২ অপরাহ্ণ
মাদারগঞ্জের বালিজুড়ী বাজারে গিফট কর্নারে অগ্নিকান্ড’১৫ লক্ষ টাকা ক্ষয়ক্ষতির দাবী কর্তৃপক্ষের

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের মাদারগঞ্জের বালিজুড়ী বাজারে গভীর রাতে একটি গিফট সামগ্রীর দোকানে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।
শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ ঘটিকায় বালিজুড়ী বাজার বড় মসজিদের উত্তর পাশে মেসার্স মিম গিফট কর্নারে বিদ্যুৎ এর শর্ট সার্কিট থেকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, গভীর রাতে দোকান থেকে আগুনের শিখা ও ধোঁয়া বের হতে দেখে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হলে তাদের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এতে করে পাশ্ববর্তী দোকান গুলো ও রক্ষা পায়। তবে কোন জায়গায় থেকে এবং কিভাবে আগুন লাগছে আমরা কেউ ধারণা করতে পারছি না।
মিম গিফট কর্ণারের মালিকের বড় ভাই শাহজাহান জানান রাত আনুমানিক ৩ ঘটিকায় দোকানে আগুন লাগে ঐ সময়ে আমার ছোট ভাইসহ আমরা বাসায় ছিলাম। ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা দ্রুত এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ করে ফলে মার্কেটের অন্যান্য দোকান গুলো রক্ষা পায় । মালামাল পুড়ে যাওয়ার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১৫/২০ লক্ষ টাকা।

মাদারগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স স্টেশন এর লিডার মোঃ সিদ্দিকুর রহমান জানান আমরা রাত ৩ টা ৮ মিনিটে খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে দোকানের সার্টারের দুটি তালা কেটে প্রবেশ করে ভিতরে আগুন নিয়ন্ত্রণ করি। দীর্ঘ প্রায় এক ঘন্টা সময় ড্যাম্পিং এর কাজ করে প্রায় ৮ লক্ষাধিক টাকার মালামাল উদ্ধার করা হয় এবং আনুমানিক দুই লক্ষ্য টাকার মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

কয়রার ১ নং আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে প্রফেসর আবুল কালাম আজাদকে দেখতে চান এলাকাবাসী কলাপাড়ার শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘পায়রা’র নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি রফিকুল ও সম্পাদক দ্বীপ ঢালী মাদারগঞ্জের বালিজুড়ী বাজারে গিফট কর্নারে অগ্নিকান্ড'১৫ লক্ষ টাকা ক্ষয়ক্ষতির দাবী কর্তৃপক্ষের মান্দায় মাদকবিরোধী অভিযানে চোলাই মদ তৈরির উপকরণসহ গ্রেফতার ০১ মাদারগঞ্জে উৎসবমুখর পরিবেশে শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের উল্টো রথযাত্রা উদযাপন