নাটোরের বড়াইগ্রামে সেনাবাহিনী ও মৎস্য বিভাগের যৌথ অভিযানে মাছ ধরার ২৩ টি চায়না দুয়ারি ও ৭ টি কারেন্ট জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
আজ ৬ই আগষ্ট বুধবার বড়াইগ্রাম উপজেলার আটঘরিয়া স্লুইসগেট এলাকায় বড়াল নদী হতে এসব জাল জব্দ করা হয়।
এ অভিযানে বড়াইগ্রাম উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো: মুরাদ হোসেন প্রামানিক, বাগাতিপাড়া উপজেলাা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এস. এম. মাহমুদুল হাসান সহ সেনাবাহিনী উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অসাধু মৎস্য আহরণকারীরা তাদের জাল ফেলে দ্রুত পালিয়ে যায়। তখন এলাকাবাসীদের সহযোগিতায় জালগুলো উদ্ধার করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) নৈদিঘী হজরত আলী উচ্চ বিদ্যালয় হল রুমে স্কুল পর্যায়ে “প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকারি উদ্যোগের চেয়ে জনসচেতনতাই অধিক গুরুত্বপূর্ণ” বিষয়ে বিতর্ক এবং “প্রাকৃতিক দূর্যোগ” বিষয়ে রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলার নৈদিঘী হজরত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রতিযোগিতার আয়োজন করে বিএমজেড এবং নেট্জ বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় ডাসকো ফাউন্ডেশনের অগ্রযাত্রা প্রকল্প। স্কুলের স্টুডেন্ট ফোরামের সদস্যবৃন্দ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।
অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অখিল চন্দ্র প্রধান অতিথি হিসেবে বিতার্কিকদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন এবং অগ্রযাত্রা প্রকল্পের এ্যাডভোকেসি ফ্যাসিলিটেটর গোলাম রাব্বানী প্রতিযোগিতাটি পরিচালনা করেন।
প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অধিবেশনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য প্রদান করেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকমন্ডলীগণ এবং ইউনিট ম্যানেজার আব্দুর রউফ মিলন।
দিনাজপুরের হাকিমপুরে খরিপ-১ মৌসুমে মুগডাল উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।
আজ সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা কৃষি কার্যালয়ে ২০ জন কৃষকের মাঝে এসব উপকরণ বিতরণ করা হয়।
উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমা, হাকিমপুর কৃষি কর্মকর্তা আরজেনা বেগম, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোঃ মেজবাহুর রহমান, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মাসুদ রানা ও পৌর কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক মো. আজাদ।
হাকিমপুর কৃষি কর্মকর্তা আরজেনা বেগম জানান, প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় প্রতিজন কৃষককে ১ বিঘা জমির জন্য ৫ কেজি মুগডাল বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ৫ কেজি এমওপি সার দেওয়া হয়েছে। মূলত মাটির উর্বরতা রক্ষা ও আমিষের চাহিদা পূরণে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতেই সরকারের এই উদ্যোগ।
মাদারীপুর সদর উপজেলার শিরখাড়া ইউনিয়নের রায়েরকান্দি এলাকায় এক মাদকবিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় জনগণের উদ্যোগে আয়োজিত এ সভায় মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিরখাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আজম খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য বেল্লাল মুন্সী, বিএনপি নেতা সেলিম আকন এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ আলেম বেপারী, আইয়ুব আলী সিকদার, রহিম বেপারী, মাসুদ বেপারী, জাকির সিকদার, কালাম ফরাজী, হাবু শেখ, জাফর ফকির, তুহিন হাওলাদার ও সুবাহান বেপারীসহ আরও অনেকে।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রায়েরকান্দি যুব উন্নয়ন সংঘের সহ-সভাপতি মিজানুর মোল্লা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল হাওলাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল হোসেন মুন্সী, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক সোহেল শিকদার, নির্বাহী সদস্য পলাশ শিকদার, জুয়েল মোল্লা ও সুমন খালাসী। যুবদল নেতা রাজিব ফরাজীসহ স্থানীয় যুবসমাজের প্রতিনিধিরাও সভায় অংশগ্রহণ করেন।
বক্তারা বলেন, শিরখাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় মাদকের বিস্তার উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় এলাকার সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করতে হবে। মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে সামাজিক ও আইনগত প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তারা।
সভায় বক্তারা আরও বলেন, মাদক ব্যবসায়ীদের আস্তানা চিহ্নিত করে তা ভেঙে দিতে হবে এবং নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন ও চুরি-ডাকাতির মতো অপরাধের বিরুদ্ধেও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। প্রয়োজনে এসব অপরাধীদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলে প্রশাসনের সহায়তায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রশাসনের প্রতি দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করে বক্তারা বলেন, মাদক, চুরি ও বালুদস্যু নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
সভায় সামাজিক প্রতিরোধ জোরদারের লক্ষ্যে এলাকাভিত্তিক মাদকবিরোধী কমিটি গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, পুলিশ প্রশাসন ও সুশীল সমাজের সমন্বয়ে মাদকের বিরুদ্ধে “জিরো টলারেন্স” নীতি বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়।
আপনার মতামত লিখুন