খুঁজুন
, ,

ইসলামপুরে গৃহবধূ মঞ্জুয়ারা খাতুন হত্যা মামলা প্রত্যাহারের হুমকির অভিযোগে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

হোসেন শাহ্ ফকির :
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ণ
ইসলামপুরে গৃহবধূ মঞ্জুয়ারা খাতুন হত্যা মামলা প্রত্যাহারের হুমকির অভিযোগে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

মোঃ হোসেন শাহ্‌ ফকির ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি: জামালপুরের ইসলামপুরে গৃহবধূ মঞ্জুয়ারা খাতুন হত্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে সুষ্ঠু তদন্ত, সর্বোচ্চ বিচার ও পরিবারের নিরাপত্তা দাবি করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ২০২৬ ইসলামপুর পৌর এলাকার হাসপাতাল মোড়স্থ একটি বাসায় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা মঞ্জুয়ারা খাতুন হত্যা মামলার বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, মামলা দায়েরের পর থেকেই মামলাটি প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য তাদের ওপর বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও দাবি করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে মঞ্জুয়ারা খাতুনের মা রিনা খাতুন, বড় বোন আঞ্জুয়ারা খাতুন ও ছেলে রনি অভিযোগ করে বলেন, মঞ্জুরা খাতুনকে আসামিরা সবাই মিলে হত্যা করেছে। তারা বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তারা দেখতে পেয়েছেন, মামলার ১০ নম্বর আসামি যুবদল নেতা হামিদুর রহমান মলিন ফেসবুক লাইভে মঞ্জুয়ারা খাতুন আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি করেছেন।
পরিবারের সদস্যরা প্রশ্ন তুলে বলেন, মামলা যেখানে এখনো তদন্তাধীন সেখানে একজন আসামি কীভাবে মঞ্জুয়ারা খাতুন আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি করতে পারেন?
তারা আরও বলেন, মঞ্জুরা খাতুনের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং জড়িতদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ বিচার নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে মামলা প্রত্যাহারের জন্য কোনো ধরনের চাপ দেওয়া হলে তা বন্ধ করে পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

ঘাটাইলে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা করলো স্বামী

সবুজ সরকার সৌরভ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১২ অপরাহ্ণ
ঘাটাইলে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা করলো স্বামী

মোঃ সবুজ সরকার সৌরভ, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে তামান্না ইসলাম তরী(১৮) নামে এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে।মঙ্গলবার (৩০শে সেপ্টেম্বর) ভোররাতে উপজেলার ১ নং দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের উত্তর খিলগাতী মধ্যপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।নিহত তরী আক্তার উত্তর খিলগাতী গ্রামের প্রবাসী তোফাজ্জল হোসেনের মেয়ে। ঘটনার পর স্বামী মোহাম্মদ রোমান পালিয়ে গেলেও ঘাটাইল ও মধুপুর থানার চৌকস একদল পুলিশ সদস্য দুই থানার সীমান্ত এলাকা বেরিকেট দিয়ে ঘাতক স্বামী রোমানকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
জানা যায়, মাত্র সাত মাস আগে পারিবারিকভাবে তামান্না ইসলাম তরীর বিয়ে হয় পার্শ্ববর্তী মধুপুর উপজেলার আলোকদিয়া ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের চাপারকোনা গ্রামের ইন্টারনেট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ রোমান মিয়ার সঙ্গে। গ্রেফতারকৃত ঘাতক স্বামী রোমান আলোকদিয়া ইউনিয়নের চাপারকোনা গ্রামের তুলা মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গ্রেফতারকৃত রোমান পেশায় একজন ইন্টারনেট ব্যবসায়ী। তাদের দুজনের মধ্যে পারিবারিক কলহ ছিল।

নিহত তরীর মা মোসাম্মৎ সাহানাজ বেগম বলেন, আমার এক মেয়ে এক ছেলে।মেয়েটি বড় ছিল। অল্প কিছুদিন আগে মেয়ের বাবা বিদেশ থেকে এসে অনেক টাকা খরচ করে পারিবারিক ভাবে রোমানের সঙ্গে আমাদের একমাত্র মেয়েকে বিয়ে দেয়।বিয়ের সময় ৭ ভরি স্বর্ণসহ মোটা অংকের নগদ টাকা যৌতুক দেয়া হয়।মাত্র সাত মাস আগে বিয়ে দিলেও বিয়ের সময় মেয়েকে দেয়া স্বর্ণ ও নগদ টাকা মোবাইলে জুয়া খেলে নষ্ট করে ফেলে। ফলে প্রায় সময় মেয়েকে বাড়ি থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে দেয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করত। আমরা আর অতিরিক্ত টাকা না দিতে পারায় আমার কলিজার টুকরা তরীকে সময় অসময়ে বিভিন্ন নির্যাতন মারধর ও বকা ঝকা করত।মেনে নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে গত শুক্রবার রাগ করে স্বামীর বাড়ি থেকে শাশুড়িকে বলে আমার বাড়িতে চলে আসে। মাঝখানে চার পাঁচ দিন মেয়ের কোন খোঁজ না নিয়ে হঠাৎ মঙ্গলবার বিকালে জামাই রোমান আমার বাড়িতে আসে। বাড়িতে এসে তরীকে তার বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করে। তরী স্বামীর সঙ্গে জামাই বাড়ি যেতে অ স্বীকৃতি জানালে আমার সামনেই তরীকে কয়েক দফা মারধর করে।দুজনেই রাতের খাবার না খেয়ে আমার বাড়ির নিচতলার বেডরুমে তারা গিয়ে ঘুমানোর উদ্দেশ্যে শুয়ে পড়ে।আমি দোতলায় গিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি।হঠাৎ মধ্যরাতে আমার মেয়ের ডাক চিৎকার শুনে নিচে নেমে এসে দরজা বন্ধ দেখে ডাকাডাকি করতে থাকি।ঘরের ভেতর থেকে কান্নার শব্দ শুনতে পাই। পরে প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় ঘরের দরজা ভেঙ্গে রক্তাক্ত অবস্থায় আমার মেয়েকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখে ভোররাতে চিকিৎসার জন্য মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই।সেখানে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার আমার মেয়েকে মৃত ঘোষণা করে।আমি আমার মেয়ে হত্যার বিচার ফাঁসি দাবি করছি। এ কথা বলেই সে বারবার অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছিল।
এ ব্যাপারে দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান ও অত্র ২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবু হানিফ বলেন, মেয়েটিকে নির্মম অত্যাচার করে তার স্বামী মেরে ফেলেছে। মেয়েটির পরিবার একটি সুখী পরিবার। মাত্র সাত থেকে আট মাস আগে অত্যন্ত ঘটা করে মেয়েটির বিয়ে হয় পার্শ্ববর্তী আলোকদিয়া ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের পারসি গ্রামে।ঘটনার পরপরই আমি মেয়ের বাড়িতে গিয়ে ঘাটাইল থানা পুলিশকে মোবাইল করি। পরে পুলিশ আসার আগেই মেয়েটিকে মধুপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরতা চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।মেয়েটির গায়ে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে স্থানীয়রা আমাকে জানিয়েছে।এমন নির্মম নির্দয় নিষ্ঠুর ঘটনা আগে কখনো আমাদের এলাকায় ঘটেনি। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে সঠিক বিচার দাবি করছি।

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোকসেদুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত রোমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে । নেহা ততদিন লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হসপিটাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে।এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

শ্রীমঙ্গলে কিশোরী অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ, তিন আসামি গ্রেপ্তার

আল্ আব্রাহিম
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:০৮ অপরাহ্ণ
শ্রীমঙ্গলে কিশোরী অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ, তিন আসামি গ্রেপ্তার

শ্রীমঙ্গল(মৌলভীবাজার)প্রতিনিধি:
রাত পেরিয়ে সকাল। শ্রীমঙ্গল রেলস্টেশনে অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকা ১৪ বছরের এক স্কুলছাত্রীকে ঘিরে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন স্বজনরা। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরিবারের অভিযোগ, আগের সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরার পথে ওই কিশোরীকে অপহরণ করে একটি বাসায় আটকে রাখা হয়েছিল। সেখানে তাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তিনজনের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় ৩০ সেপ্টেম্বর শ্রীমঙ্গল থানায় মামলা করেন কিশোরীর বাবা। মামলার পর অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তাররা হলেন—শ্রীমঙ্গলের ইছবপুর এলাকার সাদেক মিয়ার ছেলে দুলাল মিয়া (৩১), চানপুরের (বর্তমানে মিশন রোড) তাউল মিয়ার ছেলে মো. জুয়েল মিয়া ওরফে সোহেল (২৬) এবং রিটি এলাকার (বর্তমানে সোনার বাংলা রোড) মমিনুল ইসলামের ছেলে আল আমিন ইসলাম (২০)।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে শ্রীমঙ্গল পৌরসভার উকিল বাড়ি রোডে গৃহপরিচারিকার কাজ শেষে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয় কিশোরীটি। পথে একটি সিএনজি অটোরিকশায় করে এসে অভিযুক্তরা তার পথরোধ করে। এরপর জোরপূর্বক তাকে তুলে নিয়ে ইছবপুর এলাকায় দুলাল মিয়ার ভাড়া বাসায় নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

সেখানে তাকে আটকে রেখে রাত থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত অভিযুক্তরা যৌন নির্যাতন করে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরদিন সকালে কিশোরীকে শ্রীমঙ্গল রেলস্টেশনে রেখে অভিযুক্তরা চলে যায় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে সে হাসপাতালের গাইনি বিভাগে চিকিৎসাধীন।

চিকিৎসা ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কিছুটা সময় লাগার পর ৩০ সেপ্টেম্বর কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে শ্রীমঙ্গল থানায় মামলা করেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় করা মামলাটির নম্বর ৪১/২৭৭।

শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরকার আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে থানার পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. আবদুর রাজ্জাককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বুধবার অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মাদারগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ বগুড়ার দুই মাদক কারবারি আটক

মোহাম্মদ আলি জিন্নাহ্
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৪৮ অপরাহ্ণ
মাদারগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ বগুড়ার দুই মাদক কারবারি আটক

Oplus_131072

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, জামালপুর প্রতিনিধির: জামালপুরের মাদারগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ১০০ পিস ইয়াবাসহ বগুড়ার দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে মাদারগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ।
বুধবার সকালে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গাবেরগ্রাম এলাকা থেকে তাদেরকে ১শ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন বগুড়ার সারিয়াকান্দী উপজেলার শংকরপুর গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে মো. কাওসার (৩০) এবং একই গ্রামের বকুল প্রামাণিকের ছেলে জুয়েল (২৭)।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাদারগঞ্জ মডেল থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে বুধবার উপজেলার গ্রাবের গ্রাম এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করা দুই ব্যক্তিকে আটক করে তল্লাশি চালানো হলে তাদের কাছ থেকে ১০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেপ্তার দুজন বগুড়া থেকে ইয়াবা নিয়ে মাদারগঞ্জে এসেছিলেন বলে পুলিশ দাবি করেছে। তবে ইয়াবাগুলো কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং কার কাছে সরবরাহের উদ্দেশ্যে আনা হয়েছিল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

মাদারগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি স্নেহাশিষ রায় জানান দুই মাদককারবারী বগুড়া জেলার বাসিন্দা। গোপন সংবাদে পুলিশের বিশেষ অভিযানে তাদের দুজন কে আটক করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। পরে মাদককারবারীদের জামালপুর বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে । মাদক ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ইসলামপুরে গৃহবধূ মঞ্জুয়ারা খাতুন হত্যা মামলা প্রত্যাহারের হুমকির অভিযোগে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন ঘাটাইলে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা করলো স্বামী শ্রীমঙ্গলে কিশোরী অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ, তিন আসামি গ্রেপ্তার মাদারগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ বগুড়ার দুই মাদক কারবারি আটক সিংড়ায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত