খুঁজুন
বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ, ১৪৩৩

সংবাদ প্রকাশের জেরে গঙ্গাচড়ায় সাংবাদিকের বাড়িতে হামলা, আহত ৩

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ৯:৩৫ অপরাহ্ণ
সংবাদ প্রকাশের জেরে গঙ্গাচড়ায় সাংবাদিকের বাড়িতে হামলা, আহত ৩

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে এক সাংবাদিকের বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে সাংবাদিকের পরিবারের তিন সদস্য আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ৬ জনের নাম উল্লেখসহ মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী মোঃ রিয়াদুন্নবী, জাতীয় দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রতিনিধি। তিনি জানান, তিস্তা নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিষয়ে গত ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে একটি প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকেই একটি চক্র তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং তাকে ও তার পরিবারকে হুমকি দিয়ে আসছিল।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ মার্চ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সাংবাদিক বাড়ির বাইরে থাকাকালে একদল ব্যক্তি লাঠি, দা ও লোহার রডসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় তার বাবা মোঃ ইলিয়াছ আলী, মা মোছাঃ মোসলেমা বেগম (৪৭) ও ফুফু কোকিলা বেগম (৪৫) প্রতিবাদ করলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে তারা আহত হন।
অভিযোগে বলা হয়, হামলার সময় কোকিলা বেগমকে লক্ষ্য করে আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর জখম হন। এক পর্যায়ে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করা হয় এবং শ্লীলতাহানির ঘটনাও ঘটে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করেন। কোকিলা বেগমকে গঙ্গাচড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে এবং অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।
এ সময় হামলাকারীরা বাড়ির টিনের বেড়া ও গেট ভাঙচুর করে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করে এবং ভবিষ্যতে সংবাদ প্রকাশ করলে প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন—মোঃ তাজু মিয়া (৩৬), মোঃ রাজু মিয়া (৩২), মোঃ আজিবর রহমান (৩০), রিপন মিয়া (২৭) (তাদের পিতা মোঃ আলেফ উদ্দিন) এবং মোঃ আলেফ উদ্দিন (৬৩)ও তাজমিনা বেগম। তারা সবাই দক্ষিণ কোলকোন্দ এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা বালু ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং তাদের বিরুদ্ধে গঙ্গাচড়া মডেল থানায় পূর্বেও মামলা রয়েছে।
বিশেষ করে সাংবাদিকের বাবার মাথা, কাঁধ ও পিঠে উপর্যুপরি আঘাত করে গুরুতর আহত করা হয়।একই সঙ্গে পুনরায় এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ করলে সাংবাদিককে হত্যা, হাত-পা ভেঙে দেওয়া ও বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়।
ঘটনার পর সাংবাদিক রিয়াদুন্নবী গঙ্গাচড়া মডেল থানায় ৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে একটি এজাহার দায়ের করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা সোহেল রানা বলেন, এ ধরনের ঘটনা এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। আমরা চাই, প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনুক, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন দুঃসাহস দেখাতে না পারে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য হুমায়ূন কবির লাল কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, এই বালু ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে এবং তারা একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী চক্রে পরিণত হয়েছে। তারা শুধু পরিবেশ ধ্বংসই করছে না, বরং মানুষের জানমালের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখানো, হামলা ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া তাদের নিয়মিত কাজে পরিণত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন,একজন সাংবাদিক সত্য তুলে ধরায় তার পরিবারের ওপর এভাবে হামলা চালানো প্রমাণ করে তারা কতটা বেপরোয়া ও আইনকে তোয়াক্কা করে না। এসব সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে।
গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রেসক্লাব এর সাধারণ সম্পাদক কমল কান্ত রায় বলেন,এই হামলার মাধ্যমে একটি মহল সাংবাদিকদের ভয় দেখিয়ে সত্য প্রকাশ বন্ধ করতে চাচ্ছে। কিন্তু আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই— কোনো হুমকি বা হামলায় সাংবাদিকরা পিছপা হবে না। সত্যের পথে আমরা অটল থাকব। তিনি আরও বলেন,সাংবাদিক ও তাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব। আমরা অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।
গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল আলীম প্রামানিক বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এটি স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর সরাসরি আঘাত। একজন সাংবাদিক সত্য প্রকাশ করায় তার পরিবারের ওপর এভাবে নৃশংস হামলা চালানো চরম নিন্দনীয়। আমরা এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জোর দাবি জানাচ্ছি।তিনি আরও বলেন, যদি দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় আনা না হয়, তাহলে গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রেসক্লাব কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।

গঙ্গাচড়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর ছবুর বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং দ্রুত তদন্তপূর্বক জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ ও সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। তারা অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

দুদকের বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানটি তরুণ প্রজন্মের জন্য নতুন মাত্রা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৫৪ অপরাহ্ণ
দুদকের বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানটি তরুণ প্রজন্মের জন্য নতুন মাত্রা

মুঃ সোহরাব আলী সরকার, কালীগঞ্জ, গাজীপুর প্রতিনিধি : তরুণ প্রজন্মের মাঝে সততা, নৈতিকতা ও দুর্নীতি বিরোধী চেতনা জাগ্রত করার লক্ষ্যে গাজীপুরের কালীগঞ্জে জমজমাট পরিবেশে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ ১১ আগষ্ট (মঙ্ঙ্গলবার) উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কালীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রী কলেজের মিলনায়তনে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয়, গাজীপুর এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং কালীগঞ্জ উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির (দুপ্রক) এর আয়োজনে এ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। উপজেলার মোট ১৪ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দল এতে অংশ নেয়। চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় চুপাইর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন এবং বালিগাও উচ্চ বিদ্যালয় রানার্স-আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
প্রতিযোগিতার মূল বিষয় ছিল ‘আইনের শাসনের কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমেই দুর্নীতি দমন সম্ভব’। এই বিষয়ের ওপর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পক্ষে-বিপক্ষে তাদের তথ্যসমৃদ্ধ বক্তব্য ও যুক্তি উপস্থাপন করে। তার্কিকদের ক্ষুরধার যুক্তি, পাল্টা-যুক্তি এবং চমৎকার বাচনভঙ্গি উপস্থিত বিচারক ও দর্শকদের মুগ্ধ করে। প্রতিযোগিতা শেষে শ্রেষ্ঠ বক্তাকে বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দুর্নীতি একটি দেশের উন্নয়নের প্রধান অন্তরায়। শুধু আইন প্রয়োগ করে বা শাস্তি দিয়ে সমাজ থেকে দুর্নীতি পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব না।  বক্তারা শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তকের পাশাপাশি বাস্তব জীবনে সততার চর্চায় নিজেদেরকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মোঃ নায়েবুর রহমান মাসুদ, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল‌ আমিন‌ হাওলাদার।
কালীগঞ্জ উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন মোড়ল এবং কালীগঞ্জ থানা প্রেসক্লাব এর সভাপতি জাকারিয়া আল মামুন এর যৌথ সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত গাজীপুর জেলা কার্যালয় এর সহকারী পরিচালক মো এনামুল হক, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কমকর্তা মোঃ আতিকুর রহমান খান, কালীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ নাজমুল ইসলাম, কালিগঞ্জ থানা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ নোমান, মানব কল্যাণ সংস্থা কালীগঞ্জ এর সহ-সভাপতি সানাউল্লা তালুকদার, কালীগঞ্জ উপজেলা ভূমি কানুনগো উমর ফারুক, কালীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রী কলেজ ম্যানেজিং কমিটির অন্যতম সদস্য মাহাবুবুর রহমান সুরুজ।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ থানা প্রেসক্লাবের সদস্য মামুন মোড়ল প্রমূখ। অনুষ্ঠানে মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির উপদেষ্টা জয়নাল আবেদিন। বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কালীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রী কলেজ তিনজন । এ সময় উপস্থিত ছিলেন কালিগঞ্জ দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ-সভাপতি ফিয়ারা বেগম, সদস্য ফরহাদ উদ্দিন ফুলু, মামুন অর রশীদ, মুফতি ফাহিমুল ইসলাম ফাহাদ, মহিলা সদস্য শান্তা ইসলাম, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, আমন্ত্রিত সুধীজন, বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা। প্রতিযোগিতা শেষে অতিথিবৃন্দ বিজয়ী ও বিজিত দলের হাতে স্ক্রেষ্ট ও সনদপত্র তুলে দেন। সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

মানব চাহিদা পত্রিকার ইউকের ব্যুরো চীফ হলেন দিরাইয়ের সন্তান সাংবাদিক হারুন মিয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ণ
মানব চাহিদা পত্রিকার ইউকের ব্যুরো চীফ হলেন দিরাইয়ের সন্তান সাংবাদিক হারুন মিয়া

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : ৯০-এর দশকের তুখোড় ছাত্রনেতা, দৈনিক সিলেটের সমাচারের চেয়ারম্যান ও দিরাই প্রেসক্লাবের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং জাতীয় দৈনিক তৃতীয় মাত্রা পত্রিকার যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি ,মানব চাহিদা পত্রিকার ইউকে ব্যুরো চিফ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সুনামগঞ্জের দিরাইয়ের কৃতি সন্তান, সিনিয়র সাংবাদিক হারুন মিয়া।

তিনি দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে সম্পৃক্ত হারুন মিয়া দিরাইয়ের গণমাধ্যম অঙ্গনে একটি পরিচিত নাম। ৯০-এর দশকে তিনি ছিলেন তুখোড় ছাত্রনেতা। ছাত্রজীবন থেকেই নেতৃত্বের গুণাবলি ও সাংগঠনিক দক্ষতার পরিচয় দিয়ে পরবর্তীতে সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমকে পেশা হিসেবে বেছে নেন।

বর্তমানে তিনি দৈনিক সিলেটের সমাচার-এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি দিরাই প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের কর্মকাণ্ডেও তাঁর সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে।

সাংবাদিক হারুন মিয়া যুক্তরাজ্যস্হ দিরাই প্রবাসীদের সর্ববৃহৎ চ্যারেটি রেজিস্ট্যাড সামাজিক সংগঠন “দিরাই থানা ডেভেলাপমেন্ট অর্গেনাইজেশন,ইউকের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন এবং যুক্তরাজ্যস্হ প্রবাসীদের মানবতার কল্যাণে নিয়োজিত সামাজিক সংগঠন “দিরাই-শাল্লা কালচারাল এন্ড ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ইউকের প্রতিষ্ঠাতা সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ।
দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, পেশাগত দক্ষতা ও গণমাধ্যমের প্রতি দায়বদ্ধতার স্বীকৃতি হিসেবে মানব চাহিদা পত্রিকার ইউকে ব্যুরো চিফের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ায় দিরাইসহ সুনামগঞ্জের সাংবাদিক মহল ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন দায়িত্বে হারুন মিয়া যুক্তরাজ্যে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জীবনযাপন, সাফল্য, সমস্যা ও সম্ভাবনার পাশাপাশি দেশের সঙ্গে প্রবাসের যোগাযোগ ও সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় বস্তুনিষ্ঠভাবে গণমাধ্যমে তুলে ধরবেন।
নতুন দায়িত্বে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা ও পেশাগত দক্ষতার মাধ্যমে মানব চাহিদা পত্রিকার পাঠকদের জন্য ইউকে থেকে গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ ও তথ্য তুলে ধরবেন এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তাঁর সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। ##কুলেন্দু শেখর দাস

আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিরোধীয় জমিতে ফের স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৮:১৬ পূর্বাহ্ণ
আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিরোধীয় জমিতে ফের স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ

মেহেদী হাসান সোহাগ, কুয়াকাটা প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আদালতের স্থিতাবস্থা (Status Quo) আদেশ থাকা একটি বিরোধীয় জমিতে ফের দুটি টিনের স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জমির মালিক দাবিদার মো. মজিবুর রহমানের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেছেন তার চাচি ফাতেমা বেগম।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ফাতেমা বেগম অভিযোগ করেন, আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে বিরোধীয় জমিতে নতুন করে স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে।
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, কলাপাড়া উপজেলার ইছবপুর মৌজার জে.এল. নং-২৭, বি.এস. দাগ নং-৩৭২ ও ৮১৬ এবং খতিয়ান নং-১২৯, ২৩০৩ ও ২০৭-এর অন্তর্ভুক্ত মোট ১ দশমিক ২৫ একর জমি নিয়ে কলাপাড়া সিনিয়র সিভিল জজ আদালতে একটি দেওয়ানি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
ফাতেমা বেগমের দাবি, মামলায় অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হলে গত ২২ জুলাই আদালত উভয় পক্ষকে বিরোধীয় জমির ওপর স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন। তবে আদালতের ওই আদেশের পরও মো. ইমরান হাওলাদার, হানিফ, ইব্রাহিমসহ কয়েকজন এবং তাদের সহযোগীরা জমিতে প্রবেশ করে টিন ও কাঠ দিয়ে পাটাতন নির্মাণ করে দুটি ঘর তোলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, এর আগে স্থানীয়ভাবে সালিশ-মীমাংসার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হলেও তা সফল হয়নি। পরবর্তীতে আবারও বিরোধীয় জমিতে স্থাপনা নির্মাণের ঘটনা ঘটে। এ সময় তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের গালিগালাজ, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
এদিকে, একই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আরও ১০ জনকে আসামি করে একটি চাঁদাবাজির মামলা করা হয়েছে বলে জানা গেছে। মামলার আসামি মাহাতাব মাওলানা ও শাহীন মীর সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে তাদের বিরুদ্ধে করা মামলাটি ‘মিথ্যা, হয়রানিমূলক ও ষড়যন্ত্রমূলক’ বলে দাবি করেন। তাদের অভিযোগ, জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে হয়রানি করার উদ্দেশ্যেই তাদের মামলায় আসামি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এর আগে বিরোধীয় জমিতে নির্মাণ করা দুটি ঘর মহিপুর থানা বিএনপির উদ্যোগে উচ্ছেদ করা হয়েছিল। সম্প্রতি ওই জমিতে আবারও দুটি টিনের স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। স্থাপনা নির্মাণে স্থানীয় বিএনপির এক নেতার সহযোগিতা ছিল বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে এ অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে মহিপুর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহজাহান পারভেজ বলেন,উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত বিষয়টি নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হবে।তবে স্থাপনা নির্মাণের পেছনে বিএনপির কোনো ইন্ধন রয়েছে—এমন অভিযোগের বিষয়ে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেননি।
ঘটনাস্থলে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও মজিবুর রহমানের পরিবারের পক্ষ থেকে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। তবে পুলিশের দাবি, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তারা প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করেছে।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন,বিষয়টি আদালতের। আদালত স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করছে। শুক্রবার জুমার নামাজের সময় তারা ঘর উত্তোলনের চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেয়।
আদালতের স্থিতাবস্থা আদেশের পরও বিরোধীয় জমিতে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ, পাল্টাপাল্টি মামলা এবং রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে আদালতের আদেশ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন থাকায় আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত উভয় পক্ষকে আইন নিজের হাতে না নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
####

দুদকের বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানটি তরুণ প্রজন্মের জন্য নতুন মাত্রা মানব চাহিদা পত্রিকার ইউকের ব্যুরো চীফ হলেন দিরাইয়ের সন্তান সাংবাদিক হারুন মিয়া আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিরোধীয় জমিতে ফের স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ গোপালগঞ্জে মাত্রারিক্ত লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত পরিচয় চাই মর্যাদার, অধিকার চাই ভূমির’শ্রীমঙ্গলে বিশ্ব আদিবাসী দিবসে পৃথক মন্ত্রণালয় ও ভূমি কমিশনের দাবি