খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ৮ শ্রাবণ, ১৪৩৩

গোপালগঞ্জে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সামাজিক সম্প্রীতি ও ধর্মীয় সহাবস্থানের গুরুত্ব বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত 

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ১০:০৬ পূর্বাহ্ণ
গোপালগঞ্জে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সামাজিক সম্প্রীতি ও ধর্মীয় সহাবস্থানের গুরুত্ব বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত 

কে এম সাইফুর রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সামাজিক সম্প্রীতি ও ধর্মীয় সহাবস্থানের গুরুত্ব বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) জেলা প্রশাসন, গোপালগঞ্জ-এর আয়োজনে ‘স্বচ্ছতা’ সম্মেলন কক্ষে সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য (Disinformation) ও অপপ্রচার বিস্তার রোধে সামাজিক সম্প্রীতি ও ধর্মীয় সহাবস্থানের গুরুত্ব বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) রুলী বিশ্বাস।

এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক (অঃ দাঃ) ফারিহা তানজিন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) রেজওয়ানা কবির, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কাজী হুমায়ূন রশীদ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম ফয়জুল বারী সহ অন্যান্য সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের দপ্তর প্রধানগণ, বিভিন্ন মসজিদের ইমামগণ, মন্দিরের পূজারীগণ ও বিভিন্ন গির্জার ফাদারগণ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বর্তমানে তথ্য আদান-প্রদান ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ প্লাটফর্ম হলেও এর অপব্যবহার এবং গুজব- অপপ্রচারের বিস্তার সামাজিক সম্প্রীতি, ধর্মীয় সহাবস্থান ও জননিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করতে পারে। এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, তথ্যের সত্যতা যাচাই এবং দায়িত্বশীল আচরণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। আলোচনায় গুজব ও অপপ্রচার প্রতিরোধ, ইতিবাচক ও তথ্যভিত্তিক বিষয়বস্তুর প্রসার, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা এবং সামাজিক সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

কারিতাসের মহিপুড়ে আন্ধারমানিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্বোধন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ১০:০৩ পূর্বাহ্ণ
কারিতাসের মহিপুড়ে আন্ধারমানিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্বোধন

কারিতাস বরিশাল অঞ্চলের এলসিএমও-আইডিপিডিসি প্রকল্পের উদ্যোগে মহিপুর আন্ধারমানিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্বোধন এবং আদিবাসী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি ও সরকারি সেবায় প্রবেশাধিকার নিশ্চিতকরণে দুটি সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) সকালে কলাপাড়ার মহিপুর কারিতাস কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কারিতাস বরিশাল অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক মি. ফ্রান্সিস বেপারী। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম (বৃহত্তর বরিশাল অঞ্চল)-এর সভাপতি মি. মং চোখিন তালুকদার। সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কারিতাস বরিশাল অঞ্চলের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মসূচি কর্মকর্তা মি. সম্রাট সিরাও, মানবাধিকারকর্মী ও উপকূল পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হোসেন (রাজু) এবং ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা (টোয়াক)-এর সাধারণ সম্পাদক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আসাদুজ্জামান মিরাজ।
এলসিএমও-আইডিপিডিসি প্রকল্পের মি. মংম্যার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভার শুরুতে সর্বজনীন প্রার্থনা পরিচালনা করেন মি. বেনজামিন স্বপন গোমেজ। পরে স্বাগত বক্তব্য দেন সভাপতি।
সভায় বক্তারা বলেন, আদিবাসী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতি নেতিবাচক সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি ও বৈষম্যমূলক আচরণ দূর করতে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি। পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা এবং বিভিন্ন সরকারি সেবায় তাদের সমঅধিকার ও সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
রাখাইন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি ও কালাচানপাড়া রাখাইন পল্লীর মাতুব্বর মি. অংকোছান স্থানীয় আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং সরকারি সেবায় তাদের সমঅধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কারিতাস বরিশাল অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক মি. ফ্রান্সিস বেপারী বলেন, কারিতাস দীর্ঘদিন ধরে আদিবাসী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার প্রতিষ্ঠা, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি এবং টেকসই উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। মহিপুর আন্ধারমানিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থানীয় জনগণের দক্ষতা উন্নয়ন, সচেতনতা বৃদ্ধি ও মানবসম্পদ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি এবং সকল অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
বিশেষ অতিথি মি. মং চোখিন তালুকদার বলেন, আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক ও মানবাধিকার নিশ্চিত করতে বৈষম্যমুক্ত সামাজিক পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা এবং সরকারি সেবায় সমঅধিকার নিশ্চিত করতে সরকার, উন্নয়ন সংস্থা ও সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
কারিতাস বরিশাল অঞ্চলের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মসূচি কর্মকর্তা মি. সম্রাট সিরাও বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলের আদিবাসী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী নানা ধরনের দুর্যোগ ও ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করে। তাদের জন্য সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি, সরকারি সেবা এবং দুর্যোগ-সহনশীল উন্নয়ন কার্যক্রমে সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা সময়ের দাবি।
মানবাধিকারকর্মী ও উপকূল পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হোসেন (রাজু) বলেন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার পূর্বশর্ত হলো বৈষম্য দূর করা। আদিবাসী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতি নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের পাশাপাশি তাদের অধিকার রক্ষায় স্থানীয় পর্যায়ে সামাজিক সচেতনতা ও জনসম্পৃক্ততা আরও বাড়াতে হবে।
ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা (টোয়াক)-এর সাধারণ সম্পাদক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আসাদুজ্জামান মিরাজ বলেন, গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আদিবাসী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি, অধিকার ও সম্ভাবনাকে তুলে ধরতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
###
মেহেদী হাসান সোহাগ
কলাপাড়া,কুয়াকাটা প্রতিনিধি

আমাদী ইউনিয়নে মিষ্টি বিতরণ নিয়ে মারামারি, পরে সালিসে সমাধান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৭:২৭ পূর্বাহ্ণ
আমাদী ইউনিয়নে মিষ্টি বিতরণ নিয়ে মারামারি, পরে সালিসে সমাধান

মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা উপজেলা প্রতিনিধি:- খুলনার কয়রা উপজেলার আমাদী ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে রসমলাই বিতরণকে কেন্দ্র করে হিসাব সহকারী ও গ্রাম পুলিশের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার বিকেল চারটার দিকে ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে এ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে।
পরিষদ সূত্র জানায়, বিকেলে ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে গ্রাম পুলিশ প্রসেনজিত পরিষদের কর্মচারীদের মধ্যে রসমলাই বিতরণ করছিলেন। এ সময় হিসাব সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর কু-ু ও প্রসেনজিতের মধ্যে সামান্য কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও মারামারিতে রূপ নেয়। এতে গ্রাম পুলিশ প্রসেনজিৎ আহত হন।
ঘটনার আকস্মিকতায় পুরো ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে উদ্যোগ নেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যরা। তাঁদের হস্তক্ষেপে পরিষদের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতিতে এক জরুরি বৈঠকে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে মীমাংসা করে দেওয়া হয়। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ শান্ত রয়েছে।

বিভ্রান্তিকর তথ্য অপপ্রচার ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে এবং, জাতীয় সংরক্ষণ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৭:১৭ পূর্বাহ্ণ
বিভ্রান্তিকর তথ্য অপপ্রচার ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে এবং, জাতীয় সংরক্ষণ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, জামালপুর প্রতিনিধি : জামালপুরের মাদারগঞ্জে সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচারের প্রতিরোধে এবং অনলাইন জুয়া প্রতিরোধ, জাতীয় সংরক্ষণ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার খরকা হল রুমে আলোচনা সভায় উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা সুমন চৌধুরী সভাপতিত্বে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামালপুর -৩ আসনের মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল এমপি।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্নেহাশীস রায়, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সুস্মিতা দত্ত, মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মুঞ্জুর কাদের বাবুল খান, পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল গফুর ও সাধারণ সম্পাদক খালেদ মাসুদ তালুকদার সোহেল, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল মান্নান চেয়ারম্যান, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা শাহ মোহাম্মদ মজনু ফকির,বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর নুর লাল মাষ্টার ,জুলাই যোদ্ধা সিয়াম প্রমুখ। এ সময় কর্মকর্তাবৃন্দ,ইমাম,মুয়াজ্জিন,শিক্ষক,কাজী সহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যে বলেন, ‘রাজনীতিবিদ, জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও দেশবাসী—আমাদের প্রত্যেককে স্ব-স্ব অবস্থান থেকে সামাজিক মূল্যবোধ ধরে রেখে নতুন দিনের বাংলাদেশ গঠনে এগিয়ে যেতে হবে।'”

গোপালগঞ্জে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সামাজিক সম্প্রীতি ও ধর্মীয় সহাবস্থানের গুরুত্ব বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত  কারিতাসের মহিপুড়ে আন্ধারমানিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্বোধন আমাদী ইউনিয়নে মিষ্টি বিতরণ নিয়ে মারামারি, পরে সালিসে সমাধান বিভ্রান্তিকর তথ্য অপপ্রচার ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে এবং, জাতীয় সংরক্ষণ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঘাটাইলে ধর্ষণের অভিযোগে একজন আটক