খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬, ২৬ আষাঢ়, ১৪৩৩

সুলতান মাহমুদ বাবুর প্রচেষ্টায় ইসলামপুরে কাবিখা কর্মসূচির কাজ দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে

মোঃ হোসেন শাহ্‌ ফকির ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ৯:২৮ অপরাহ্ণ
সুলতান মাহমুদ বাবুর প্রচেষ্টায় ইসলামপুরে কাবিখা কর্মসূচির কাজ দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে

 

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিখা-গম) কর্মসূচির আওতায় বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে। সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে রাস্তা সংস্কার, মাটি ভরাট, জনসাধারণের চলাচল উপযোগী অবকাঠামো নির্মাণ ও সংস্কারসহ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিটি প্রকল্পে শ্রমিকরা নিয়মিত কাজ করছেন। প্রকল্পের সভাপতি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তদারকিতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্নের লক্ষ্যে জোরেশোরে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস নিয়মিত পরিদর্শন ও মনিটরিং করছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: হাবিবুর রহমান সুমন বলেন, “২০২৫-২৬ অর্থবছরের কাবিখা কর্মসূচির আওতায় সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রতিটি প্রকল্পের কাজ নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গুণগত মান বজায় রেখে কাজ সম্পন্ন করতে আমরা বদ্ধপরিকর।”

সাপধরী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান ওয়াদুদ বলেন, “সরকারি বিধি-বিধান মেনে শ্রমিকদের মাধ্যমে প্রকল্পের কাজ পরিচালিত হচ্ছে। বরাদ্দের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে।”

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, “প্রকল্পের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলায় আমরা সন্তুষ্ট। দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান হবে বলে আশা করছি। রাস্তা ও অন্যান্য অবকাঠামোর উন্নয়ন হলে এলাকার মানুষের চলাচল সহজ হবে এবং জনদুর্ভোগ অনেকাংশে কমে আসবে।”

স্থানীয় সংসদ সদস্য এ.ই. সুলতান মাহমুদ বাবু মুঠোফোনে এ প্রতিনিধিকে বলেন, “গত ১৫ বছরে কাবিখা প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়িত অনেক কাজ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন ও তদারকি হয়নি। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে আমার সংসদীয় আসনের প্রতিটি উন্নয়ন প্রকল্প স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও গুণগত মান নিশ্চিত করে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বিএনপি’র চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী জনগণের কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রতিটি প্রকল্পের কাজ নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। উন্নয়নের সুফল যেন সাধারণ মানুষ ভোগ করতে পারে, সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।”

স্থানীয়দের মতে, সরকারের কাবিখা কর্মসূচির আওতায় বাস্তবায়িত এসব উন্নয়ন প্রকল্প গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জনসাধারণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সকল প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হলে উপজেলার গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার আরও উন্নয়ন ঘটবে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা সহজ হবে

সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে কর্মচারি কর্মকর্তাদের মানববন্ধন, ঘণ্টাব্যাপী সেবা ব্যাহতের অভিযোগ, ভোগান্তিতে রোগীরা

জনী শেখ, হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ণ
সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে কর্মচারি কর্মকর্তাদের মানববন্ধন, ঘণ্টাব্যাপী সেবা ব্যাহতের অভিযোগ, ভোগান্তিতে রোগীরা

 

দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক চিকিৎসককে ‘স্যার’ বা ‘মহোদয়’ বলে সম্বোধনের বক্তব্য নিয়ে প্রকাশিত সংবাদকে কেন্দ্র করে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নার্সদের উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় প্রায় এক ঘণ্টা চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হওয়ায় রোগীদের দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

আজ বুধবার (৮ জুলাই) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

জানা গেছে, গত ৫ জুলাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে এক সাংবাদিককে ‘স্যার’ বা ‘মহোদয়’ বলে সম্বোধন করতে হবে বলে মন্তব্য করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুহাম্মদ তানভীর হাসনাত রবিন। পরে ‘ইউএনওকে স্যার বললে আমাকেও বলতে হবে’ শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংশ্লিষ্ট একটি অডিওও ছড়িয়ে পড়ে।

এরপর প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে বুধবার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নার্সরা মানববন্ধন করেন। তবে সমালোচকদের অভিযোগ, কর্মকর্তাকে নির্দোষ প্রমাণ ও বিতর্ক সামাল দিতেই এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। মানববন্ধনের সময় চিকিৎসাসেবা আংশিকভাবে ব্যাহত হওয়ায় হাসপাতালে আসা রোগীদের ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন উপস্থিত কয়েকজন সেবাপ্রার্থী।

সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, মফস্বলে কর্মরত সাংবাদিকরা দীর্ঘদিন ধরে পারস্পরিক সম্মান ও পেশাগত সৌজন্যের ভিত্তিতে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কাজ করে আসছেন। অতীতে এ দপ্তরের কোনো কর্মকর্তাই তথ্য বা সাক্ষাৎকার দিতে ‘স্যার’ বা ‘মহোদয়’ বলে সম্বোধন করাকে বাধ্যতামূলক করেননি।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুহাম্মদ তানভীর হাসনাত রবিন মুঠোফোনে গণমাধ্যমকর্মীকে বলেন, “আমি সাক্ষ্য দিতে ঢাকায় অবস্থান করছি। আমাকে মানববন্ধনের একটু আগে না জানানো হয়েছে। এটি আমার নির্দেশে হয়নি।

তিনি অভিযোগের প্রেক্ষিতে বলেন, আমার জানা মতে চিকিৎসাসেবা পুরোপুরি বন্ধ ছিল না। তখন বৃষ্টি হওয়ায় রোগীর উপস্থিতিও কম ছিল। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ হয়েছে বলে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজেদের উদ্যোগে মানববন্ধন করেছেন।”

দিনাজপুরের ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. মো. গোলাম রসুল বলেন মুঠোফোনে গণমাধ্যমকর্মীকে বলেন, “সরকারি কর্মকর্তাকে ‘স্যার’ বা ‘মহোদয়’ বলে সম্বোধন করার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। কে কীভাবে সম্বোধন করবেন, সেটি ব্যক্তিগত বিষয়। তবে মানববন্ধনের বিষয়ে আমাকে কেউ অবহিত করেননি।

মাদারগঞ্জে ৭২ ঘন্টা পর সচল ১৮ পরিবারের যাতায়াতের রাস্তা’ প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা ভুক্তভোগীদের

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ জামালপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪১ অপরাহ্ণ
মাদারগঞ্জে ৭২ ঘন্টা পর সচল ১৮ পরিবারের যাতায়াতের রাস্তা’ প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা ভুক্তভোগীদের

 

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ৭২ ঘন্টা পর উদ্ধার হলো ১৮ পরিবারের যাতায়াতের রাস্তা।
বুধবার দুপুরে মাদারগঞ্জ উপজেলার ৫ নং জোড়খালী ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডে এ ঘটনায় রাস্তা উদ্ধার করে উপজেলা প্রশাসন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে উপজেলার দীঘলকান্দি এলাকায় ১৮ টি পরিবারের যাতায়াতের রাস্তাটি বাশের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে রেখেছিল ওই এলাকার করিমুজ্জামান। ইউএনও অফিসে এরপূর্বে এবং আজ বুধবার সহ দুইবারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি (এসিল্যান্ড) রাসেল দিও অভিযান পরিচালনা করে মুক্ত করে দেয় যাতায়াতের রাস্তা। ভুক্তভোগীদের দাবী জমি নিয়ে কোন বিরোধ নেই। করিমুজ্জামান ইচ্ছাকৃতভাবে হয়রানির জন্য তাদের যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করে রাখে। উভয় পরিবার আত্মীয় স্বজন সম্পর্কে চাচা-ভাতিজা তারা বলে জানা গেছে।
বন্ধ রাস্তা উন্মুক্ত করে দেওয়ায় উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন গোলাপ আকন্দ,
রফিকুল আকন্দ,
ইব্রাহিম আকন্দ,
ইসমাইল আকন্দসহ ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত কে না পাওয়ায় কোন বক্তব্য পাওয়া যায় নি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমন চৌধুরী জানান দুটি অভিযোগ দিয়ে ছিলেন তারা। এসিল্যান্ড সরেজমিনে গিয়ে বন্ধ রাস্তা উন্মুক্ত করে দেয়। ভবিষ্যতে জনদূর্ভোগ এবং হয়রানিমুলক কিছু করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হু হু করে বাড়ছে তিস্তায় পানি

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ১০:৩৮ অপরাহ্ণ
হু হু করে বাড়ছে তিস্তায় পানি

 

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কুড়িগ্রামে দ্রুত বাড়ছে তিস্তা নদীর পানি। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পানির উচ্চতা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় তিস্তার চর ও দ্বীপচরের নিচু এলাকা প্লাবিত হতে শুরু করেছে। এতে নদী-তীরবর্তী ও চরাঞ্চলের মানুষের মধ্যে নতুন করে বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে কুড়িগ্রাম জেলার পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, তিস্তা নদীর কাউনিয়া পয়েন্টে সকাল ৬টায় পানির উচ্চতা ছিল ২৮ দশমিক ৯৬ মিটার। তিন ঘণ্টা পর সকাল ৯টায় তা বেড়ে দাঁড়ায় ২৯ দশমিক ২৮ মিটারে। অর্থাৎ মাত্র তিন ঘণ্টায় নদীর পানি ৩২ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ২১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

একই সময়ে দুধকুমার নদীর পাটেশ্বরী পয়েন্টে পানির স্তর ৩ সেন্টিমিটার এবং ধরলা নদীর তালুকসিমুলবাড়ী পয়েন্টে ৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে কুড়িগ্রাম সেতু পয়েন্টে ধরলা নদীর পানি ১ সেন্টিমিটার কমেছে। অন্যদিকে ব্রহ্মপুত্র নদের চিলমারী পয়েন্টে পানির স্তর অপরিবর্তিত রয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলায় সর্বোচ্চ ১৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ ছাড়া পাটেশ্বরী এলাকায় ৫৪ মিলিমিটার এবং কুড়িগ্রাম সদরে ৫২ দশমিক ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে জেলার নদ-নদীর পানি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

তিস্তা তীরবর্তী কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা চরের বাসিন্দা মোঃ বদিয়ত মিয়া বলেন, ‘পানি বাড়তে থাকায় নিচু এলাকার ফসলি জমি ও বসতভিটায় পানি ঢুকতে শুরু করেছে। এক রাতে এত দ্রুত পানি বাড়তে আগে দেখিনি। যেভাবে পানি বাড়ছে, তাতে আজ রাতেই আরও অনেক এলাকা প্লাবিত হতে পারে।’

কুড়িগ্রাম জেলার চর উন্নয়ন কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাংবাদিক মোঃ সাইয়েদ আহমেদ বাবু বলেন, ‘কুড়িগ্রাম ১৬টি নদ-নদীবেষ্টিত জেলা। একদিকে বন্যা, অন্যদিকে নদীভাঙন। এই দুই দুর্যোগে চরাঞ্চলের মানুষ চরম মানবিক সংকটে পড়েছেন। উন্নত দেশগুলোতে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তরা দ্রুত ক্ষতিপূরণ পেলেও আমাদের দেশে অনেকেই সর্বস্ব হারিয়েও প্রয়োজনীয় সহায়তা পান না।’ তিনি নদীভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বন্যাকবলিত মানুষের জন্য দ্রুত ত্রাণ সহায়তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতি আহ্বান জানান।

কুড়িগ্রাম জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোঃ বেনজির আহমেদ বলেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ২৮৫ টন জিআর চাল, ১ লাখ ৬২ হাজার টাকা এবং ৮০০ প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

কুড়িগ্রাম জেলার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রাকিবুল হাসান বলেন, ‘উজানে ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে জেলার নদ-নদীর পানি বাড়ছে। আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তিস্তাসহ কয়েকটি নদীর পানি বিপৎসীমা স্পর্শ করতে পারে। তাই নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে কর্মচারি কর্মকর্তাদের মানববন্ধন, ঘণ্টাব্যাপী সেবা ব্যাহতের অভিযোগ, ভোগান্তিতে রোগীরা মাদারগঞ্জে ৭২ ঘন্টা পর সচল ১৮ পরিবারের যাতায়াতের রাস্তা' প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা ভুক্তভোগীদের হু হু করে বাড়ছে তিস্তায় পানি কালীগঞ্জে লাইফ কেয়ার টিচার্স এসোসিয়েশনের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ মান্দার কালিগ্রাম সাঁওতাল পল্লীতে শিশুদের মাঝে ক্যাপ ও ফুটবল বিতরণ