খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৩১ বৈশাখ, ১৪৩৩

গুরুত্বপূর্ণ পূজামন্ডপ ১৫৭টি

খুলনায় ৭৪০টি পূজামন্ডপের ভেতর গুরুত্বপূর্ণ পূজামন্ডপ ১৫৭টি

খুলনা থেকে :
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৪, ৮:০১ অপরাহ্ণ
খুলনায় ৭৪০টি পূজামন্ডপের ভেতর গুরুত্বপূর্ণ পূজামন্ডপ ১৫৭টি

শহিদুল্লাহ্ আল আজাদ, খুলনা থেকে : খুলনা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে ৮ অক্টোবর শারদীয় দুর্গাপূজার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। খুলনার পুলিশ সাংবাদিক এবং পুলিশ একসঙ্গে কাজ করব। আমাদের কাজের ধরণ ভিন্ন হলেও উদ্দেশ্য কিন্তু এক। পুলিশিং সেবা জনগণের দৌড় গোড়ায় পৌঁছে দিতে প্রস্তুত আছি। পুলিশ সুপার বলেন, এবারের দূর্গা উৎসবে খুলনা জেলা পুলিশের তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ৯৬৫ জন পুলিশ সদস্য কাজ করছেন। সংখ্যা আরও বাড়বে। নিরাপত্তায় ডিবির টিম, থানা পুলিশ, সাইবার মনিটরিং আছে। এছাড়া সাদা পোশাকে এবং যৌথবাহিনীর সঙ্গেও নিরাপত্তায় কাজ করা হচ্ছে। যেখানে যেখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া দরকার সেখানেই নেওয়া হয়েছে। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি জানান, খুলনার ৯ উপজেলায় এবার ৭৪০টি পূজামন্ডপে দূর্গা উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। এসব পূজামন্ডপকে তিন ভাগে ভাগ করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এরমধ্যে অধিক গুরুত্বপূর্ণ পূজামন্ডপ রয়েছে ১৫৭টি। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ ২৪৬টি এবং সাধারণ পূজামন্ডপ ৩৩৭টি। সম্প্রতি দাকোপে মন্ডপে চাঁদা চেয়ে উড়োচিঠি দেওয়ার বিষয়ে পুলিশ সুপার বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি জিডি করা হয়েছে। আমাদের ফোকালপয়েন্ট অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) সুশান্ত সরকার সেখানে গিয়ে কমিটির সঙ্গে কথা বলেছেন। ওই পুজা মন্ডপগুলোকে আমরা অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে নিয়ে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করেছি। তিনি বলেন, আমাদের কোন বিষয়ে কোন আশঙ্কা নেই। আশঙ্কা থাকুক আর নাই থাকুক আমরা সব বিষয়ে সতর্ক আছি। আসন্ন সারদীয় দূর্গা উৎসব সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আমাদের নিরাপত্তা পরিকল্পনা সাজিয়েছি। এসপি বলেন, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ অনেক যাচাই-বাছাই করেই আমাদেরকে পাঠিয়েছেন। এটা আমাদের জন্য একটি গুরু দায়িত্ব। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেওয়ার চেষ্টা করব। এখানে কোন রকম উৎকোচগ্রহণ, দালাল, কারও মাধ্যমে আসা না লাগে সেটি আমি বলে দিয়েছি। ৫ আগস্ট একটি বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। পুলিশ একটা সময়ে ইনএকটিভ ছিল, এখন অনেকটা স্বাভাবিক হয়েছে। উক্ত মতবিনিময় সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) তানভীর আহমদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ক্রাইম এন্ড অপস্ (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত) সুশান্ত সরকার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) আতিকুল ইসলাম এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

নন্দীগ্রামে ছাত্রদল নেতা নবীর শেখের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

আব্দুল আহাদ, নন্দীগ্রাম :
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৯:০৭ অপরাহ্ণ
নন্দীগ্রামে ছাত্রদল নেতা নবীর শেখের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

 

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও দলের নীতি-আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে সাময়িকভাবে বহিষ্কৃত নন্দীগ্রাম উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি নবীর শেখের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছে বগুড়া জেলা ছাত্রদল।গত মঙ্গলবার জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক সোহান ইসলামের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নবীর শেখের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এবং বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সিদ্ধান্ত মোতাবেক তার সাংগঠনিক পদের সাময়িক বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে পুনরায় স্বপদে বহাল করা হয়েছে। বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধান এবং সাধারণ সম্পাদক এম আর হাসান পলাশ এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন। বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের পর নবীর শেখ দলের নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন,দল যে আস্থা ও সুযোগ দিয়েছে, তা রক্ষা করতে আমি সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেবো।

লালমনিরহাটে ঘুমন্ত স্বামীকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, স্ত্রী আটক

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৯:০৩ অপরাহ্ণ
লালমনিরহাটে ঘুমন্ত স্বামীকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, স্ত্রী আটক

 

লালমনিরহাট জেলা শহরের বাবুপাড়া এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে ঘুমন্ত স্বামীর গলায় ছুরি চালিয়ে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে। বুধবার সকালে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গুরুতর আহত যুবক বর্তমানে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আহত যুবকের নাম হৃদয় ইসলাম (২৬)। তিনি লালমনিরহাট শহরের বাবুপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং এরশাদ আলীর ছেলে।
অভিযুক্ত স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস (১৯) আদিতমারী উপজেলার সাপ্টিবাড়ী এলাকার রুহুল কুদ্দুসের মেয়ে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন হৃদয় ইসলাম। এসময় তার স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস ধারালো ছুরি দিয়ে তার গলায় আঘাত করেন। আকস্মিক হামলায় গুরুতর জখম হন হৃদয়। তার আর্তচিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন।
পরে দ্রুত তাকে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, তার শ্বাসনালীতে গভীর ক্ষত হয়েছে এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে অবস্থার অবনতি হয়েছে।
ঘটনার পরপরই উত্তেজিত স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌসকে আটক করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।

আহত হৃদয়ের বাবা এরশাদ আলী জানান, প্রায় দুই বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে হৃদয় ও জান্নাতুলের বিয়ে হয়। বিয়ের প্রথম দিকে তাদের সংসার ভালোভাবেই চলছিল। তবে গত ১৪ থেকে ১৫ মাস ধরে দাম্পত্য কলহ লেগেই ছিল।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, “নানাভাবে আমার ছেলেকে মানসিকভাবে নির্যাতন করত জান্নাতুল। বিষয়টি নিয়ে দুই পরিবারের লোকজন একাধিকবার বসেছিল। কিন্তু কোনো সমাধান হয়নি। বুধবার সকালে আমরা পাশের কক্ষে ছিলাম। হঠাৎ হৃদয়ের চিৎকার শুনে গিয়ে দেখি সে রক্তাক্ত গলা চেপে ধরে আছে, আর তার পাশে ছুরি হাতে দাঁড়িয়ে আছে জান্নাতুল।”

লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. করিম বাদশা বলেন, “আহত যুবকের গলায় গভীর ক্ষত রয়েছে। শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তার অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।”

লালমনিরহাট সদর থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) সাদ আহমেদ জানান, অভিযুক্ত স্ত্রীকে আটক করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

সৈয়দপুরে থানায় বৈঠক করতে গিয়ে আ.লীগ নেত্রী আটক

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৮:৫৮ অপরাহ্ণ
সৈয়দপুরে থানায় বৈঠক করতে গিয়ে আ.লীগ নেত্রী আটক

 

নীলফামারীর সৈয়দপুর থানায় একটি সালিশি বৈঠকে গিয়ে পৌর মহিলা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলার কাজী জাহানারা পারভীনকে আটক করেছে থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার (১২ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে সৈয়দপুর থানায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রাতে একটি সালিশ বৈঠকে অংশ নিতে কাজী জাহানারা বেগম থানায় আসেন। এ সময় সেখানে উপস্থিত মহিলা দলের কয়েকজন নেত্রীর সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা বাকবিতণ্ডায় রূপ নেয়। পরে তিনি থানা থেকে বের হয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে থানার ভেতরেই আটক করে।

আটকের পরও থানায় উপস্থিত মহিলা দলের নেত্রীদের সঙ্গে ফের তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি। এতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে তাকে নীলফামারী সদর থানার একটি মামলায় আটক দেখিয়ে সেখানে নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করে পুলিশ।

বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে পুলিশ ভ্যানে তোলার সময় কাজী জাহানারা বেগম ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, ‘একাত্তরের হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার।’ এ ঘটনায় থানায় উপস্থিত লোকজনের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

ঘটনার পরপরই সৈয়দপুর থানায় তার সমর্থকদের ভিড় জমতে শুরু করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থান নেন।

এ বিষয়ে সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম রেজা জানান, নীলফামারীর একটি মামলায় তাকে আটক করা হয়েছে।

তবে কোন মামলায় তাকে আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি। পরে তাকে নীলফামারী সদর থানায় সোপর্দের জন্য পাঠানো হয়।

নন্দীগ্রামে ছাত্রদল নেতা নবীর শেখের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার লালমনিরহাটে ঘুমন্ত স্বামীকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, স্ত্রী আটক সৈয়দপুরে থানায় বৈঠক করতে গিয়ে আ.লীগ নেত্রী আটক নতুনতারা আয়োজিত ১৬৫তম রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী উৎসব বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত খামারিকে জামাতের পক্ষ থেকে গাভী উপহার