খুঁজুন
শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ১৪ ভাদ্র, ১৪৩৩

সরকারি হাসপাতালের ১গাড়ি ঔষুধ যমুনা নদীতে ফেলার সময় আটক

মোঃ সবুজ সরকার সৌরভ, ঘাটাইল(টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩১ অপরাহ্ণ
সরকারি হাসপাতালের ১গাড়ি ঔষুধ যমুনা নদীতে ফেলার সময় আটক

 

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর সরকারি ঔষুধ যমুনা নদীতে ফেলার সময় আটক করা হয়েছে। ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী এলাকার যমুনা নদীর ঘাটে ট্রাকটি যখন পৌঁছে তখন বুধবার রাত প্রায় ১১টা। ওষুধগুলো নদীতে ফেলার সময় স্থানীয়রা দেখে ফেলে। আটক করা হয় ট্রাক। খবর পেয়ে পুলিশ ওষুধসহ গাড়িটি নিজেদের হেফাজতে নেয়।

স্থানীয়রা জানান, বুধবার রাত ১১টার দিকে একটি মিনি ট্রাক যমুনা নদীর গোবিন্দাসী ঘাটে এসে ভিড়ে। এতরাতে ঘাটে ট্রাকভর্তি মালামাল তাদের সন্দেহ হয়। তারা ট্রাকের কাছে গিয়ে দেখতে পান বিপুল পরিমাণ ওষুধে ঠাসা। পরে তারা পুলিশকে খবর দেন।

স্থানীয়দের ধারণা, হাসপাতালের রোগীদের মধ্যে ওইসব ওষুধ সঠিক সময়ে বিতরণ না কারার ফলে মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেছে। সেগুলো নদীতে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছিল। ট্রাকচালক আজমত আলীর ভাষ্য, বাবুল হোসেন নামে এক ব্যক্তি ঘাটাইল হাসপাতাল থেকে গোবিন্দাসী এলাকায় বস্তাগুলো নিয়ে যাওয়ার জন্য তার ট্রাক ভাড়া করেন। বস্তাগুলোর ভেতরে আসলে কি ছিল তা তিনি জানতেন না।

এদিকে, ঘটনাটি দ্রুত ছড়িয়ে পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে। বিভিন্ন মন্তব্য করে নিজেদের ব্যক্তিগত ওয়ালে পোস্ট দিতে শুরু করেন অনেকে। ঘাটাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সালাম খান আওয়াল লিখেছেন, ‘সরকারি হাসপাতালে রোগীদের ওষুধ না দিয়ে বাহিরে থেকে কিনতে বলে। আর বেশিরভাগ সময় ডাক্তারের লেখা ওষুধ হাসপাতালে থাকে না। অথচ বস্তা বস্তা ওষুধ ফেলে দেয়।’

রেবেকা সুলতানা সেতু নামে একজন লিখেছেন, ‘যমুনা নদীর মাছেরা হয়ত অসুস্থ। তাই, তাদের জন্য ট্রাকভর্তি ওষুধ আর ইনজেকশন পাঠানো হয়েছিল। আপনারা আটক করলেন? মাছের মায়ের অভিশাপ লাগবে আপনাদের।’

ঘাটাইল হাসপাতালের একাধিক কর্মচারীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সম্প্রতি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের ঝটিকা সফর হিসেবে এ হাসপাতাল পরিদর্শন করা কথা ছিল। এজন্য হয়তো মেয়াদোর্ত্তীর্ণ ওষুধগুলো নদীতে ফেলতে নিয়ে গিয়েছিল।

ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু নয়িম মোহাম্মদ সোহেল তাদের গাফিলতির কথা স্বীকার করে বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে।

ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, স্থানীয়দের হাতে আটক হওয়া পিকআপভর্তি ওষুধ ও চালককে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

গাজীপুরের কালীগঞ্জে জামাইয়ের হাতে শ্বশুর খুন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫৮ পূর্বাহ্ণ
গাজীপুরের কালীগঞ্জে জামাইয়ের হাতে শ্বশুর খুন

মুঃ সোহরাব আলী সরকার, কালীগঞ্জ,গাজীপুর প্রতিনিধিঃ গাজীপুরের কালীগঞ্জে পারিবারিক বিরোধের জেরে মেয়ের জামাইয়ের কুড়ালের কোপে আব্দুল মজিদ (৬৫) নামে এক কলা ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট ২০২৬) বিকেলে কালীগঞ্জ উপজেলার জামালপুর বাজারে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

নিহত আব্দুল মজিদ জামালপুর গ্রামের মৃত আলকু মোড়লের ছেলে। অভিযুক্ত মোজাম্মেল জামালপুর মধ্যপাড়া গ্রামের নোয়াব আলীর ছেলে এবং নিহতের মেয়ের জামাই।

নিহতের ছেলে বিল্লাল জানান, প্রায় সাত দিন আগে তার বোন শাহানাজকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেন তার স্বামী মোজাম্মেল। এ ঘটনার জের ধরেই শুক্রবার বিকেলে মোজাম্মেল কথা আছে বলে ফোন করে তার শ্বশুর আব্দুল মজিদকে জামালপুর বাজারে ডেকে নেন।

তিনি আরও জানান, বাজারে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে মোজাম্মেল তার সঙ্গে থাকা একটি ব্রিফকেস থেকে কুড়াল বের করে আব্দুল মজিদের মাথায় কোপ দেন। পরে তিনি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

স্থানীয়রা আব্দুল মজিদকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে জামালপুরের নোভা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মো. জিয়াউর রহমান জানান, মাথার পেছনের দিকে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত অবস্থায় আব্দুল মজিদকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা যায়, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।

কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন জানান, প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ থানায় নেওয়া হয়েছে। মরদেহের ময়নাতদন্ত ও মামলা দায়েরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অভিযুক্ত মোজাম্মেলকে আটকের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।২৮/০৮/২০২৬

৩ হাজার পিছ ইয়াবাসহ কালীগঞ্জের মাদক সম্রাট ঢাকায় গ্রেফতার।

মুঃসোহরাব আলী সরকার কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ //
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩৯ অপরাহ্ণ
৩ হাজার পিছ ইয়াবাসহ কালীগঞ্জের মাদক সম্রাট ঢাকায় গ্রেফতার।

গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ৩ হাজার পিছ ইয়াবাসহ এক মাদক সম্রাটকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত মোঃ জয়নাল আবেদীন ওরফে মিন্টু(৪৭) গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের কলাপাটুয়া গ্রামের ছিদ্দিক মোল্লার পূত্র। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ আকতার হোসেন সাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে গত বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেল আনুমানিক ৪:৪০ মিনিটে গোয়েন্দা পুলিশের মতিঝিল বিভাগের একটি আভিযানিক দল বনানী এলাকার মহাখালী আমতলা থেকে তিতুমীর কলেজগামী সড়কের অ্যাডভান্স নুরানী টাওয়ারের সামনে ফুটপাতে অভিযান চালায়। এ সময় ৩ হাজার পিস ইয়াবাসহ জয়নাল আবেদীন ওরফে মিন্টুকে গ্রেফতার করা হয়।
স্থানীয়রা জানায়, গ্রেফতারকৃত মিন্টু নিজ এলাকায় বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত এবং দলের শীর্ষ নেতার নিকট আত্বীয় পরিচয় দিয়ে এলাকায় মাদক সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরোও বলা হয়েছে, এসময় তার কাছ থেকে এউখ ব্র্যান্ডের এ৮+ মডেলের একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। আসামীর বিরুদ্ধে বনানী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রজু করাসহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন
মুঃ সোহরাব আলী সরকার
০১৫৫৩৩৫৪২৮৪
কালীগঞ্জ, গাজীপুর
২৮/০৮/২৬ইং

মাদারগঞ্জে তালাবদ্ধ ভাঙ্গারির দোকান থেকে মরদেহ উদ্ধার

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ জামালপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩৫ অপরাহ্ণ
মাদারগঞ্জে তালাবদ্ধ ভাঙ্গারির দোকান থেকে মরদেহ উদ্ধার

 

জামালপুরের মাদারগঞ্জে ফকির আলী (৪৫) নামে এক ভাঙ্গারি ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ ।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮ টায় স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে তালাবদ্ধ দোকান থেকে ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী ফকির আলীর মরদেহ উদ্ধার করে মাদারগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ।
সে মাদারগঞ্জ উপজেলার গুনারীতলা ইউনিয়নের জাঙ্গালিয়া পূর্ব পাড়া এলাকার হরমুজ আলী’র ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায় যে সে ভাঙ্গারী ব্যবসা করতো গতরাত ১১ টা থেকে তাকে খোঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। বেলা ১১ টা পর্যন্ত দোকানেই ঘুম পাড়ে। সন্ধার পর স্থানীয়রা দোকানের সামনে দিয়ে যাতায়াতের সময় দোকানের ভিতর থেকে গন্ধ পায়। মুহুর্তে খবর ছড়িয়ে পড়লে শতশত লোকজনের ভীড় জমে।

পুলিশকে খবর দিলে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
স্থানীয় এস এইচ তপন সহ কয়েকজন জানান সে দোকানেই থাকতো রান্না করে নিজেই খাইতো ভাঙ্গারির ব্যবসা করতো। দোকানের ভিতর থেকে গন্ধ আসায় পুলিশ কে খবর দেয় লোকজন এবং পুলিশ এসে তালা কেটে সার্টার খোলে ফকির আলীর মরদেহ উদ্ধার করে।
তার স্ত্রী’র সাথে দীর্ঘদিন যোগাযোগ ছিল না বলে জানা গেছে। তার দুটি ছেলে প্রবাসে থাকে এবং একটি ছেলে ৮ম শ্রেণিতে পড়ে।

এ ব্যাপারে মাদারগঞ্জ মডেল থানার ওসি স্নেহাশিষ রায় জানান যা সিমটম পেলাম গরমে স্ট্রোক করে মারা গেছে। তার ভাঙ্গা
রির দোকানেই রান্না করতো, খাইতো থাকতো তার স্ত্রী’র সাথে সম্পর্ক ভালো ছিল না।
আবেদন পক্রিয়া চলছে।পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।

গাজীপুরের কালীগঞ্জে জামাইয়ের হাতে শ্বশুর খুন ৩ হাজার পিছ ইয়াবাসহ কালীগঞ্জের মাদক সম্রাট ঢাকায় গ্রেফতার। মাদারগঞ্জে তালাবদ্ধ ভাঙ্গারির দোকান থেকে মরদেহ উদ্ধার সরকারি হাসপাতালের ১গাড়ি ঔষুধ যমুনা নদীতে ফেলার সময় আটক মান্দায় ১৯৭১ সালের গণহত্যার ৫৫ বছর,পাকুড়িয়ায় ১২৮ শহীদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি