খুঁজুন
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২২ ভাদ্র, ১৪৩৩

ঈদযাত্রায় গণপরিবহনে তেল সংকট হবে না : সড়কমন্ত্রী

জুবায়ের আহমেদ রাসেল :
প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ৪:৪৫ অপরাহ্ণ
ঈদযাত্রায় গণপরিবহনে তেল সংকট হবে না : সড়কমন্ত্রী

আসন্ন ঈদযাত্রায় গণপরিবহনে তেল নিয়ে সংকট হবে না এবং ভাড়া বাড়বে না বলে জানিয়েছেন সড়ক, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ব্যক্তিগত পরিবহনের ক্ষেত্রে রেশনিং ব্যবস্থা থাকবে কি না সে বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

আজ শুক্রবার (১৪ মার্চ) সকালে রাজধানী ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা জানান।

রবিউল আলম বলেন, ‘তেলের কোনো সমস্যা হবে না। তেলের দাম বাড়বে না। বিশেষ করে গণপরিবহনে যতটুকু তেল প্রয়োজন, ১৫ মার্চ থেকে অবাধে পাবে সেটা নিশ্চিত করা হয়েছে। জ্বালানিমন্ত্রী আমাকে নিশ্চিত করেছেন। ফলে ভাড়া বাড়ছে না। আর তেল সংক্রান্ত দুর্ভোগ হওয়ার সম্ভাবনা আমি দেখছি না।’

ব্যক্তিগত পরিবহনের ক্ষেত্রে কী ব্যবস্থা থাকবে— প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ওটা বিবেচনা করা হচ্ছে। আমার মনে হয়, ১৫ তারিখের পর থেকে রেশনিং ব্যবস্থা এভাবে থাকবে কি না তা পুনর্বিবেচনা করা হবে।’

সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, ‘কিছু না কিছু সীমাবদ্ধতা চলে আসে…বড় একটা সংকট, আমরা এখনো তো সংকট থেকে বের হতে পারিনি। আশঙ্কা আছে, সংকটের মধ্যে আছি, আমাদের সক্ষমতা দিয়ে আমরা মোকাবিলা করতে চাচ্ছি। একটা সংকট যখন হয়, সবাইকে একটু স্যাক্রিফাইস তো করতেই হবে! নিশ্চয়ই জনগণকেও কিছু না কিছু তো করতে হয়।’

রেলে বড় ধরনের শিডিউল বিপর্যয় হওয়ার সুযোগ নেই জানিয়ে তিনি বলেন, ‘৮৫ থেকে ৮৭টি লোকোমোটিভ যদি আমরা অ্যারেঞ্জ করতে পারি, তাহলে শিডিউল বিপর্যয়ের কোনো সম্ভাবনা আশা করি এই ব্যবস্থাপনায় থাকবে না। ইতোমধ্যে আমরা ৭৮টি লোকোমোটিভ যুক্ত করতে পেরেছি। আরও দুই দিনের মধ্যে কয়েকটি লোকোমোটিভ যদি যুক্ত হয়ে যায়, কোচের সংখ্যা যা বাড়িয়েছি, স্পেশাল ট্রেনের সংখ্যা যা বাড়িয়েছি, চাপ থাকলেও আমরা ম্যানেজ করতে পারব।’

রবিউল আলম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী রেল সেবা বা রেল যোগাযোগ যুগোপযোগী করে, মনোরম পরিবেশে, স্বচ্ছন্দে অল্প সময়ে অধিক দূরত্বে যাওয়ার জন্য জনবান্ধব করতে চান, জনপ্রিয় করতে চান। সে ব্যাপারে তার নির্দেশনা আছে। সেভাবে আমরা কাজ করছি। আশা করছি, রেল যোগাযোগ ব্যবস্থাপনার একটা আমূল পরিবর্তন আপনারা দেখবেন।’

‘রেল, সড়ক এবং নৌ, সব জায়গায় এবার দেখবেন, আগে যে ব্যবস্থাপনা ছিল তার মধ্যে থেকে বেশ কিছুটা পরিবর্তন আমরা আনতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের এই সেবা অথবা যোগাযোগ ব্যবস্থাপনার সাথে যারা জড়িত, তারা বেশ তৎপর এবং সক্ষমতার মধ্যে সর্বাত্মকভাবে কাজ করছে। ফলে খুব বেশি এবার আশঙ্কা আমি দেখছি না। আমি মনে করছি, স্বস্তির মাধ্যমে মানুষের ঈদযাত্রাটা নিশ্চিত হবে,’ যোগ করেন তিনি।

সড়ক পরিবহনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘মিটার গেজে আমরা প্রায় ১২৪টি কোচ যুক্ত করেছি, আরও ১৪টির মতো যুক্ত করেছি ব্রড গেজে। স্পেশাল ট্রেন আরও প্রায় পাঁচ জোড়ার মতো আমরা যুক্ত করতে সক্ষম হয়েছি। সব কিছু মিলিয়ে আমাদের যে সক্ষমতা আছে, ২৬ থেকে ৪২ হাজার মানুষকে আমরা এই সেবাটা দিতে পারব, যাত্রাটা নিশ্চিত করতে পারব। শেষ মুহূর্তে কিছু চাপ হয়। অনেকে যেকোনো মূল্যে ছাদে উঠে যেতে চান। আমরা নিবৃত করার চেষ্টা করছি, ওঠার সব ব্যবস্থা বন্ধ করছি। তারপরও এমন হয়ে যায় শেষ মুহূর্তে যে, অনেক সময় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। সে যেকোনো মূল্যে বাসায় পৌঁছাতে চায়।’

রবিউল আলম বলেন, ‘আমার জানামতে সোয়া কোটি থেকে দেড় কোটি মানুষ মাত্র দুই থেকে তিন দিনে ঢাকা শহর থেকে বাইরে যাবে। পৃথিবীর কোনো শহরে এই অল্প সময়ের মধ্যে এত লোকের বাইরে যাওয়ার দৃষ্টান্ত নেই। সে রকম একটা পরিস্থিতি আমাদের মোকাবিলা করতে হয়। ব্যবস্থাপনা যতটুকু আছে, তার খুব ঘাটতি নেই, কিন্তু ট্রেনের কোচ-বাস-লঞ্চ প্রয়োজন। যেসব পরিবহন ইতোমধ্যে এখানে চলছে, সেটা অনেক পুরনো। আরও নতুন কোচ দরকার। সে জায়গায় আমরা আরও কোচ যুক্ত করা, বাস ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলাসহ একটা মানসম্মত বাস সার্ভিস নিশ্চিত করার ব্যাপারে কাজ করছি।’

‘ঢাকা-সিলেট সড়কে ছয় লেনের কাজ চলছে। অন্তত দুটি লেনে অবাধে গাড়ি যেতে পারবে। গাড়ির গতি কম হবে, কিন্তু গাড়ি কোথাও থামবে না সে ব্যবস্থাপনা আমরা নিশ্চিত করেছি। সড়ক যোগাযোগের ওখানে আমরা পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিয়েছি। সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আমি আবারও বলতে চাই, যা সক্ষমতা আছে, যা জনবল আছে, যা করা সম্ভব তার সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে,’ যোগ করেন তিনি।

কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে মহিলা দলের কমিটি গঠন। সভাপতি মাতোয়ারা, সাধারণ সম্পাদক সোনিয়া বেগম

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩১ অপরাহ্ণ
কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে মহিলা দলের কমিটি গঠন। সভাপতি মাতোয়ারা, সাধারণ সম্পাদক সোনিয়া বেগম

কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে মাতোয়ারা বেগমকে সভাপতি এবং সোনিয়া বেগমকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে।

কমিটি গঠন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুয়াকাটা পৌর মহিলা দলের সভাপতি হামিদা বেগম।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল আজিজ মুসল্লী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান হাওলাদার। এছাড়া সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন ঘরামীসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় বক্তারা বলেন, নতুন কমিটির মাধ্যমে ২ নম্বর ওয়ার্ডে মহিলা দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। পাশাপাশি দলের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি, তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততা বাড়ানো এবং দলীয় কর্মকাণ্ডকে আরও সুসংগঠিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

নবনির্বাচিত সভাপতি মাতোয়ারা বেগম ও সাধারণ সম্পাদক সোনিয়া বেগম দলীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, আগামী দিনে ওয়ার্ড পর্যায়ে মহিলা দলের কার্যক্রম আরও শক্তিশালী ও সক্রিয়ভাবে পরিচালনা করা হবে।

কালীগঞ্জে পরিবার পরিকল্পনা সেবায় সংকট, প্রশ্নের মুখে সরবরাহ ব্যবস্থা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৬ অপরাহ্ণ
কালীগঞ্জে পরিবার পরিকল্পনা সেবায় সংকট, প্রশ্নের মুখে সরবরাহ ব্যবস্থা

মুঃ সোহরাব আলী সরকার, কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা ( ফ্যামেলী প্লানিং ) সেবার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও উপকরণের সংকট দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ, প্রশ্নের মুখে সরবরাহ ব্যবস্থা। সেবা নিতে আসা প্রত্যন্ত এলাকার নিম্ন আয়ের মানুষসহ অনেকেই কাঙ্খিত পরিবার পরিকল্পনা (ফ্যামেলী প্লানিং) সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সরঞ্জামের সংকটে প্রয়োজনীয় উপকরণ না পেয়ে তারা বেসরকারি ক্লিনিক কিংবা ফার্মেসির ওপর নির্ভর করতে বাধ্য হচ্ছেন।
স্থানীয় সেবা প্রার্থীদের অভিযোগ, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কার্যক্রমের আওতায় বিভিন্ন ধরনের সেবা নিতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে অনেকে প্রয়োজনীয় সামগ্রী না পাওয়ায় তাদের ফিরে যেতে হচ্ছে। বিশেষ করে দরিদ্র ও নি¤œআয়ের মানুষের জন্য সরকারী স্বাস্থ্যকেন্দ্রের এসব সেবা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও সরঞ্জাম সংকট তাদের দুর্ভোগ আরোও বাড়িয়ে দিয়েছে।
সেবা প্রার্থী উত্তর সোম এলাকার আলমগীর হোসেন বলেন, সরকারী হাসপাতালে নিজ পরিবারের জন্য কম খরচে পরিবার পরিকল্পনা সেবা পাওয়ার আশায় এখানে আসি। কিন্তু বিনা মূল্যে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম বা উপকরণ না থাকায় গত তিন মাস যাবৎ কাঙ্খিত সেবা পাচ্ছে না। ফলে সময় ও অর্থ দুটোই ব্যয় হচ্ছে।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, পরিবার পরিকল্পনা সেবা মানুষের মৌলিক স্বাস্থ্যসেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পরিবার পরিকল্পনা সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও উপকরণের পর্যাপ্ত মজুত থাকা জরুরী। সরবরাহ ব্যবস্থায় ঘাটতি থাকলে মাঠ পর্যায়ের পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমও ব্যাহত হবে। যদি দীর্ঘ সময় এমন পরিস্থিতি হয় তাহলে জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রবণতা হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই সরঞ্জাম সংকটের প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করে মজুত পর্যালোচনা ও সেবা কার্যক্রম তদারকির মাধ্যমে দ্রুত প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ নিশ্চিত করা ও ভোগান্তি কমানোর দাবি জানান তারা।
উল্লেখ যে, চলতি বছরে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে আসেন স্বাস্থ্য মন্ত্রী। এসময় কয়েকজন চিকিৎসককে কর্মস্থলে অনুপস্থিত পায় এবং স্বাস্থ্যসেবার বিভিন্ন ত্রুটি ও অনিয়মও মন্ত্রীর নজরে আসে।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক হোসনেয়ারা বেগম সরঞ্জাম সংকটের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, গত ২/৩ মাস যাবৎ সকল প্রকার জন্মনিয়ন্ত্রণ সরঞ্জাম মহিলাদের জন্য পিল, পূরুষদের কনডমসহ ইমপ্ল্যান্ট ও আইইউডি কার্যক্রমের সংকট বিদ্যমান।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোছাঃ নাহিদা খাতুনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেনি। পরে হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে একটি ক্ষুদেবার্তা পাঠিয়েও তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায় নি।
গাজীপুর জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপ পরিচালক আবু তাহের মো. সানাউল্লাহ নূরী মুঠোফোনে প্রতিবেদককে বলেন, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয় থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ না দেয়ায় এরকম জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আগামী অক্টোবরে অর্থ বরাদ্দ দেয়ার কথা রয়েছে। অর্থ বরাদ্দ দিলে প্রযোজনীয় সরঞ্জামাদী সরবরাহ করা হবে।
সেবা প্রত্যাশীদের প্রশ্ন, সরকারী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পরিবার পরিকল্পনা সেবার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম থাকবে না কেন? সরঞ্জামাদী নিয়মিত সরবরাহ ও মজুত ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি থাকলে এর দায়ভার কে নেবে? শুধু কাগজে-কলমে নয় পরিবার পরিকল্পনা সেবার প্রয়োজনীয় সকল উপকরণ নিশ্চিত করে বাস্তবে সেবা পৌঁছে দেওয়া হোক।

পতিত ১০০ বিঘা জমিতে মাছ চাষ, বছরে লাভ ৫০ লাখ টাকা

প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
পতিত ১০০ বিঘা জমিতে মাছ চাষ, বছরে লাভ ৫০ লাখ টাকা

নওগাঁর মান্দা উপজেলার কাঁশোপাড়া ইউনিয়নের আন্দারিয়াপাড়া গ্রামের প্রায় ১০০ বিঘা পতিত জমিতে মাছ চাষ করে বছরে প্রায় ৫০ লাখ টাকা লাভ করছেন ছাইদুর রহমান মোল্লা।

নিচু জমি হওয়ায় বছরের অধিকাংশ সময় পানিতে ডুবে থাকত এসব জমি। ধান কাটার পর জমিগুলো অনাবাদি পড়ে থাকলেও সেই জমিতেই মাছ চাষ করে সাফল্য দেখিয়েছেন তিনি।

মাছ চাষের পাশাপাশি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ছাইদুর রহমান মোল্লা ইটভাটার ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত। বছরের ছয় মাস ইটভাটার ব্যবসা এবং বাকি ছয় মাস মাছ চাষ করে ব্যস্ত সময় কাটে তাঁর। মাছ চাষে সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে এবার জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁকে সফল মৎস্য চাষির পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আন্দারিয়াপাড়া গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকার জমিগুলো নিচু হওয়ায় বৈশাখ মাসে ধান কাটার পর বর্ষার পানি জমে যায়। ফলে এসব জমিতে বছরের অধিকাংশ সময় আর কোনো ফসল চাষ করা সম্ভব হতো না। দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা এসব অনাবাদি জমিকে কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেন ছাইদুর রহমান মোল্লা। পর্যায়ক্রমে প্রায় ১০০ বিঘা জমিতে মাছ চাষ শুরু করেন তিনি।

বর্তমানে এসব জলাবদ্ধ ও নিচু জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করা হচ্ছে। মাছ বিক্রি করে প্রতিবছর ভালো আয় হচ্ছে তাঁর। সব খরচ বাদ দিয়ে বছরে প্রায় ৫০ লাখ টাকা লাভ করেন বলে জানান ছাইদুর রহমান মোল্লা।

ছাইদুর রহমান মোল্লা বলেন, ‘যেসব জমি বছরের অধিকাংশ সময় পানিতে ডুবে থাকত এবং কোনো কাজে আসত না, সেসব জমিকে মাছ চাষের আওতায় এনে ভালো ফল পেয়েছি। ইটভাটার ব্যবসা ছয় মাস করি, আর ছয় মাস মাছ চাষের পেছনে সময় দিই। মাছ চাষে লাভের পাশাপাশি অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগও হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘উপজেলা প্রশাসনের কাছ থেকে সফল মৎস্য চাষির পুরস্কার পাওয়ায় আমি আরও উৎসাহিত হয়েছি। আমার এই উদ্যোগ দেখে এলাকার অনেক তরুণ মাছ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।’
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, একসময় বছরের পর বছর পড়ে থাকা এসব নিচু জমি এখন মাছের খামারে পরিণত হয়েছে। ছাইদুর রহমানের সাফল্য দেখে এলাকার তরুণদের মধ্যেও মাছ চাষে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। অনেকেই তাঁর কাছ থেকে মাছ চাষের পদ্ধতি ও খরচ-লাভের হিসাব সম্পর্কে পরামর্শ নিচ্ছেন।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দীপঙ্কর পাল বলেন এ ধরনের অনাবাদি ও জলাবদ্ধ জমিকে মাছ চাষের আওতায় এনে আরও বেশি কর্মসংস্থান ও আয় সৃষ্টি করা সম্ভব, ছাইদুর রহমান মোল্লার উদ্যোগটি শুধু একজন উদ্যোক্তার সাফল্য নয়, বছরের অধিকাংশ সময় অনাবাদি পড়ে থাকা নিচু জমিকে কীভাবে অর্থনৈতিক সম্পদে পরিণত করা যায়—তারও একটি দৃষ্টান্ত।

তাঁর সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে স্থানীয় তরুণরা মাছ চাষে এগিয়ে এলে এলাকার অর্থনীতিতে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে মহিলা দলের কমিটি গঠন। সভাপতি মাতোয়ারা, সাধারণ সম্পাদক সোনিয়া বেগম কালীগঞ্জে পরিবার পরিকল্পনা সেবায় সংকট, প্রশ্নের মুখে সরবরাহ ব্যবস্থা পতিত ১০০ বিঘা জমিতে মাছ চাষ, বছরে লাভ ৫০ লাখ টাকা মান্দায় আন্তঃক্লাব ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল জোকাহাট ফুটবল একাদশ চ্যাম্পিয়ন সাপাহারে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা