খুঁজুন
সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ১৬ ভাদ্র, ১৪৩৩

রাজশাহীতে জলবায়ু ও পরিবেশগত ঝুঁকি নিয়ে জেলা পর্যায়ে সংলাপ সভা অনুষ্ঠিত

গোলাম রাব্বানী
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৮:০৯ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে জলবায়ু ও পরিবেশগত ঝুঁকি নিয়ে জেলা পর্যায়ে সংলাপ সভা অনুষ্ঠিত

পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি নিয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের সাথে (৩০ আগস্ট) ইউসেপ বাংলাদেশ হলরুম, পবা রাজশাহীতে জেলা পর্যায়ে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত অবক্ষয়ের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষা, পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং স্থানীয় পর্যায়ে পরিবেশ সংরক্ষণে করণীয় নির্ধারণের লক্ষ্যে রাজশাহীতে জেলা পর্যায়ে একটি সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও নেটজ বাংলাদেশ-এর আর্থিক সহযোগিতায় এবং ডাসকো ফাউন্ডেশন বাস্তবায়িত জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত অবক্ষয়ের জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠির অধিকার সুরক্ষিত করার লক্ষ্যে (এনগেজ)” প্রকল্পের আওতায় এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। সংলাপে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর জনাব মোঃ কবীর হোসেন। রাজশাহী জেলা এবং তানোর ও গোদাগাড়ী উপজেলার বিভিন্ন সুশীল সমাজ সংগঠনের সদস্য, সাংবাদিক এবং পরিবেশবাদী কনটেন্ট ক্রিয়েটররা সংলাপে অংশগ্রহণ করেন।
সংলাপে পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে পরিবেশ সুরক্ষা, দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় চলমান ও পরিকল্পিত বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে অংশগ্রহণকারীদের অবহিত করা হয়।
আলোচনায় রাজশাহী জেলার বিভিন্ন এলাকার পরিবেশগত সমস্যা ও জনগণের অভিজ্ঞতা উঠে আসে। অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, বারণই নদীতে বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য ও শিল্পকারখানার বর্জ্য ফেলার কারণে নদীর পানি দূষিত হচ্ছে, দুগন্ধ সৃষ্টি হচ্ছে এবং মাছসহ জলজ সম্পদ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এর ফলে স্থানীয় মানুষের জীবন যাপন ব্যাহত হচ্ছে।
তানোর এলাকার বিভিন্ন পোল্ট্রি ফার্ম, কোল্ড ষ্টোরেজ ও সংশ্লিষ্ট বর্জ্য ব্যবস্থাপনা থেকে সৃষ্ট দুগর্ন্ধের বিষয়ও সংলাপে গুরুত্বসহকারে তুলে ধরা হয়।
বক্তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এসব দুগর্ন্ধের কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচল ও বসবাসে অসুবিধা হচ্ছে।
পরিবেশবাদী কনটেন্ট ক্রিয়েটররা রাজশাহী জেলার বিভিন্ন এলাকায় ইটভাটার অবস্থান, পরিবেশগত নিয়মকানুনের বাস্তবায়ন এবং জনবসতি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিকটবর্তী ইটভাটার কারণে সৃষ্ট ঝুঁকি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তারা পরিবেশ অধিদপ্তরের নিয়মিত তদারকি ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
গোদাগাড়ী উপজেলার রিশিকুল ইউনিয়নের কয়েকটি পোল্ট্রি ফার্র্ম থেকে সৃষ্ট দুর্গফের বিষয়ও আলোচনায় আসে। সদস্য বলেন, এ ধরনের দূষণের জন্য সাধারণ মানুষ দায়ী না হলেও তারাই এর প্রধান ভুক্তভোগী। এ ক্ষেত্রে পরিবেশ অধিদপ্তরের নজরদারি, অভিযোগ গ্রহণ এবং প্রয়োজনীয়
আইনগত পদক্ষেপের বিষয়ে তিনি জানতে চান।
এছাড়া প্রাণ কোম্পানির বর্জ্য আশপাশের জমি দিয়ে বৃষ্টির পানির সাথে ব্যক্তি মালিকানধিন পুকুরে জমা হয়, ময়লা পানির কারণে মশার উপদ্রব বৃদ্ধি এবং দুন্ধ সৃষ্টি হওয়ার বিষয়ও তুলে ধরা হয়। একইভাবে চান্দুরিয়া ইউনিয়নের অবস্থিত ০২ টি হাটের পাশে পোল্ট্রি ফার্মের বর্জ্যের কারণে বাজার এলাকায় দুর্গফ সৃষ্টি ও জনভোগান্তির কথাও অংশগ্রহণকারীরা উল্লেখ করেন।
সংলাপে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির কার্যকারিতা নিয়েও আলোচনা হয়। অংশগ্রহণকারীরা বলেন, অনেক সময় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গাছ লাগানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে; পরবর্তীতে সেগুলোর পরিচর্যা, সংরক্ষণ ও তদারকি যথাযথভাবে করা হয় না। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত নজরদারি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আহয়ান জানানো হয়।
আলোচনায় কৃষিজমির টপ সয়েল অপসারণ ও বিক্রি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। বক্তারা উল্লেখ করেন, টপ সয়েলের উর্বরতা তৈরিতে দীর্ঘ সময় প্রয়োজন হলেও বিভিন্ন এলাকায় কৃষিজমির উপরিভাগের উর্বর মাটি কেটে বিক্রি করা হচ্ছে। পাশাপাশি কৃষিজমি বা আবাসিক এলাকার আশপাশে অপরিকল্পিতভাবে শিল্পকারখানা স্থাপনের ফলে পরিবেশগত ঝুঁকি বাড়ছে বলেও মত দেওয়া হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ কবীর হোসেন অংশগ্রহণকারীদের উত্থাপিত পরিবেশগত সমস্যাগুলো গুরুত্বসহকারে বিবেচনার আশ্বাস দেন। তিনি পরিবেশ অধিদপ্তরের দায়িত্ব, পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে চলমান কার্যক্রম এবং স্থানীয় পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তর, জনপ্রতিনিধি ও নাগরিক সমাজের সমন্বিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জানান, পরিবেশগত বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী পরিদর্শন, মনিটরিং ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পরিবেশ অধিদপ্তরের হট লাইন নম্বর ৩৩৩৪ সর্ম্পকে অবহিত করেন।

সংলাপের শেষ পর্বে স্থানীয় পরিবেশগত সমস্যা চিহ্নিতকরণ, সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় বৃদ্ধি, পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষের পরিচর্যা নিশ্চিতকরণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় ভবিষ্যৎ যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে মতামত ও সুপারিশ উঠে আসে।
আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের সংলাপের মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠী, সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি পাবে এবং পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের পথ আরও সুগম হবে।

শ্রীমঙ্গলে চোরাইকৃত অটোরিকশার ৪ ব্যাটারি উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ণ
শ্রীমঙ্গলে চোরাইকৃত অটোরিকশার ৪ ব্যাটারি উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২

 

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে চোরাইকৃত অটোরিকশার চারটি ব্যাটারি উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রোববার (৩০ আগস্ট) শ্রীমঙ্গল থানাধীন শাহীবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. ওবায়দুল হক প্রকাশ রিপন (৩০) ও দেওয়ান হাবিবুর রহমান ওরফে আবু (৪৪)।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ আগস্ট উপজেলার ৬নং আশিদ্রোন ইউনিয়নের সুইনগইড় (খাসগাঁও) গ্রামের বশির মিয়ার বাড়ির গ্যারেজ থেকে অটোরিকশার চারটি ব্যাটারি চুরি হয়। এ ঘটনায় বশির মিয়া বাদী হয়ে শ্রীমঙ্গল থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার পর শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ সরকার আবদুল্লাহ আল মামুনের নির্দেশনায় এসআই (নিরস্ত্র) সজীব চৌধুরীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল চুরি  হয়ে যাওয়া ব্যাটারি উদ্ধারে অভিযান চালায়। একপর্যায়ে শাহীবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের হেফাজত থেকে চুরি যাওয়া অটোরিকশার চারটি ব্যাটারি উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তার রিপনের স্থায়ী ঠিকানা হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার রাধাপুর গ্রামে। তিনি বর্তমানে শ্রীমঙ্গল উপজেলার পশ্চিমবাগ, সিন্দুরখান রোড এলাকায় বসবাস করছিলেন। অপর গ্রেপ্তার দেওয়ান হাবিবুর রহমান শ্রীমঙ্গল উপজেলার শাহীবাগ এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ জানিয়েছে, চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

রংপুরে চারজনকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দুই আসামির ডোপ টেস্টের জন্য নমুনা সংগ্রহ

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ণ
রংপুরে চারজনকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দুই আসামির ডোপ টেস্টের জন্য নমুনা সংগ্রহ

 

রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যার মামলায় গ্রেপ্তার দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডোপ টেস্টের জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। রোববার দুপুরে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়ে তাদের প্রস্রাবের নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা (ডিবি) বিভাগের একটি দল কারাগারে গিয়ে এ নমুনা সংগ্রহ করে। এ সময় রংপুর মেডিকেল কলেজের ল্যাবের একজন টেকনোলজিস্ট ও একজন সহকারী উপস্থিত ছিলেন।

রংপুর মেডিকেল কলেজের টেকনোলজিস্ট মোহাম্মদ আশরাফ বলেন, ডোপ টেস্টের জন্য দুই আসামির ইউরিন স্পেসিমেন বা প্রস্রাবের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। নমুনাগুলো পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হবে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও রংপুর মহানগর পুলিশের ডিবির পরিদর্শক জিন্নাত আলী বলেন, আদালত ডোপ টেস্টের আবেদন মঞ্জুর করেছেন। আসামিরা কারাগারে থাকায় সেখানেই তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

রংপুর মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ও ডিবির উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, চার হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর ও স্পর্শকাতর। আসামিদের কারাগার থেকে বাইরে আনা হলে তাদের ওপর হামলা বা যেকোনো সময় মব তৈরি হওয়ার আশঙ্কা ছিল। এ কারণে রংপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের কাছে কারাগারে গিয়ে নমুনা সংগ্রহের জন্য অনুরোধ করা হয়। অনুমতি পাওয়ার পর টেকনোলজিস্ট ও সহকারীকে সঙ্গে নিয়ে কারাগারে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

যেভাবে চারজনকে হত্যা করা হয়েছে
গত শনিবার রাতে রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ার একটি বাসা থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তী এবং মাস্টার্স সম্পন্ন করা মেয়ে আগামী চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য, ইয়াবা সেবনের বিষয়টি দেখে ফেলায় এবং বাধা দেওয়ায় প্রথমে গণপতি চক্রবর্তীকে হত্যা করা হয়। পরে পরিবারের অন্য সদস্যদের শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ঘটনায় দুজন সাক্ষীও আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

সিন্দুরখাঁন ইউনিয়নজুড়ে বালু লুটের মহোৎসব, নদী-খাল বিপর্যয়ের আশঙ্কা

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ
সিন্দুরখাঁন ইউনিয়নজুড়ে বালু লুটের মহোৎসব, নদী-খাল বিপর্যয়ের আশঙ্কা

 

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার সিন্দুরখাঁন ইউনিয়নজুড়ে চলছে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ। ইউনিয়নের বিভিন্ন নদী ও খাল থেকে দিন-রাত বালু তুলে নিয়ে যাচ্ছে একটি চক্র। পরে ট্রাক, ট্রাক্টরসহ বিভিন্ন যানবাহনে করে এসব বালু অন্যত্র বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নদী ও খালের বিভিন্ন পয়েন্টে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে নির্বিচারে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে নদী ও খালের স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি তীরবর্তী এলাকায় ভাঙন দেখা দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এলাকাবাসী জানান, বালু উত্তোলনের কারণে নদী ও খালের তলদেশের স্বাভাবিক গঠন পরিবর্তিত হচ্ছে। কোথাও কোথাও তৈরি হচ্ছে গভীর গর্ত। বর্ষা মৌসুমে এসব স্থানে স্রোতের তীব্রতা বেড়ে গিয়ে নদী ও খালের পাড় ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ‘দিন-রাত নদী ও খাল থেকে বালু তোলা হচ্ছে। এতে পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। বিষয়টি বন্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।’

অভিযোগ রয়েছে, বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতরা প্রভাবশালী হওয়ায় অনেকেই প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে সাহস পান না। স্থানীয়দের দাবি, নদী ও খালের যেসব পয়েন্ট থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে, সেসব এলাকায় দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

সচেতন মহলের দাবি, প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় সিন্দুরখাঁন ইউনিয়নের নদী ও খাল থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান নিশ্চিত করতে হবে।

শ্রীমঙ্গলে চোরাইকৃত অটোরিকশার ৪ ব্যাটারি উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ রংপুরে চারজনকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দুই আসামির ডোপ টেস্টের জন্য নমুনা সংগ্রহ সিন্দুরখাঁন ইউনিয়নজুড়ে বালু লুটের মহোৎসব, নদী-খাল বিপর্যয়ের আশঙ্কা মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলায় চক্রবর্তীসহ পরিবারের ৪ সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে: ত্রাণমন্ত্রী ইসলামপুরে সবুজের বার্তা, উপজেলা সমিতি ঢাকার উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ