খুঁজুন
বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

ঘোড়াশালে বেদে-হরিজন ও বস্তির নারীদের সেলাই প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন

পাবলিক বাংলা :
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৪:১৩ অপরাহ্ণ
ঘোড়াশালে বেদে-হরিজন ও বস্তির নারীদের সেলাই প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন

পলাশ প্রতিনিধি, (নরসিংদী) : নরসিংদীর ঘোড়াশাল পৌরসভার
বেদে, হরিজন ও বস্তি এলাকায় বসবাসরত পিছিয়ে পড়া নারীদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি ও আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে নরসিংদীর ঘোড়াশাল পৌরসভায় সেলাই প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়। বুধবার ৩ ডিসেম্বর সকালে ঘোড়াশাল পৌর সভাকক্ষে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার শুভ উদ্বোধন করেন পলাশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ঘোড়াশাল পৌর প্রশাসক আবুবক্কর সিদ্দিকী।

পৌর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ হাবিব উল্লাহ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ মাছুম ভূইয়া, পৌর উপ-সহকারী প্রকৌশলী লোকনাথ বর্মন, হিসাবরক্ষক মোঃ শহিদুল ইসলামসহ পৌরসভার বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন পৌর সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা মাহাবুব কবির।

এসময় প্রশাসক আবুবক্কর সিদ্দিকী বলেন, “ত্রাণ কিংবা সাময়িক আর্থিক সহায়তা দিয়ে কারও স্থায়ী পরিবর্তন সম্ভব নয়। আমরা চাই পিছিয়ে পড়া এই নারীরা সেলাই প্রশিক্ষণ নিয়ে একজন দক্ষ কারিগর হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করুক, নিজেদের পরিবারের স্বাবলম্বী করে তুলুক।”

বক্তারা বলেন, এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর নারীদের কর্মজীবনে সম্পৃক্ত করবে এবং পরিবারে আর্থিক অবদান রাখার পথ সুগম করবে। এতে তাদের জীবনমান উন্নত হওয়ার পাশাপাশি সমাজেও তারা মর্যাদার সঙ্গে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী, অংশগ্রহণকারী নারীরা ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হবে বলেও জানা গেছে।

সেনবাগে গ্রাম আদালতের জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত।

মোঃ ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ, নোয়াখালী প্রতিনিধি :-
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৯:৫০ অপরাহ্ণ
সেনবাগে গ্রাম আদালতের জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত।

 

গ্রাম আদালতের জন সচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা শীর্ষক কর্মশালা নোয়াখালীর সেনবাগে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার দুপুরে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে পরিষদের হল রুমে কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সেনবাগ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহসিয়া তাবাসসুম। এতে সভাপতিত্ব করেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপজেলা কো অডিনেটর মোঃ মোছলে উদ্দিন।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা খুরশিদ আহম্মদ, সমাজসেবা কর্মকর্তা উপনাস চন্দ্র দাস, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা পম্পা কর, সেনবাগ প্রেস ক্লাবের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর পাটোয়ারী সহ বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা।##

নোয়াখালীতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে ৩ বাস কাউন্টারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা।

মোঃ ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ(রিপন) নোয়াখালী প্রতিনিধি:-
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ
নোয়াখালীতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে ৩ বাস কাউন্টারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা।

 

নোয়াখালীর সেনবাগে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং নির্ধারিত ভাড়ার মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করার অভিযোগে তিনটি যাত্রীবাহী বাস কাউন্টার মালিককে মোট ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহসিয়া তাবাসসুম এ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানকালে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং কাউন্টারে ভাড়ার মূল্যতালিকা না থাকার সত্যতা পাওয়ায় কে কে পরিবহন, শাহী পরিবহন এবং জোনাকি পরিবহন কাউন্টার কে মোট ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, ঈদকে কেন্দ্র করে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। একই সঙ্গে যাত্রীসেবার মান নিশ্চিত করতে পরিবহন কাউন্টারগুলোকে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহসিয়া তাবাসসুম বলেন, যাত্রীদের স্বার্থ রক্ষা এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোনো পরিবহন কর্তৃপক্ষ নিয়ম লঙ্ঘন করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ অভিযানে স্থানীয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত ধ্বংসের মুখে: অবহেলা, অপরিকল্পিত কর্মকাণ্ডে হারাচ্ছে সৈকতের  বেলাভূমি।।

বিশেষ প্রতিনিধি।।
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৯:৪৫ অপরাহ্ণ
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত ধ্বংসের মুখে: অবহেলা, অপরিকল্পিত কর্মকাণ্ডে হারাচ্ছে সৈকতের  বেলাভূমি।।

 

বাংলাদেশের অন্যতম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত আজ নানা সংকটে জর্জরিত। একদিকে উপকূলীয় ভাঙন, অন্যদিকে কিছু অসচেতন মানুষের অবহেলা, দখল ও পরিবেশবিধ্বংসী কর্মকাণ্ডের কারণে দিন দিন সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে সৈকতের বেলাভূমি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সৈকত রক্ষায় বিভিন্ন সময় প্রকল্প ও বরাদ্দের কথা শোনা গেলেও বাস্তবে টেকসই ও দৃশ্যমান উদ্যোগের ঘাটতি রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কুয়াকাটার উপকূল দীর্ঘদিন ধরেই ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, জলোচ্ছ্বাস, উচ্চ জোয়ার এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সৈকতের বিভিন্ন অংশে ভূমিক্ষয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে পর্যটননির্ভর এ অঞ্চলের পরিবেশ ও অর্থনীতি উভয়ই হুমকির মুখে পড়ছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সৈকতের বিভিন্ন এলাকায় ময়লা-আবর্জনা ফেলা,গাছপালা ধ্বংস এবং পরিবেশের প্রতি উদাসীনতার কারণে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। এসব কারণে ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে কুয়াকাটার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্য।

পর্যটননির্ভর এ অঞ্চলের ব্যবসায়ী ও সচেতন মহল মনে করেন, কুয়াকাটাকে রক্ষা করতে হলে শুধু প্রকল্প গ্রহণ নয়, বরং কার্যকর বাস্তবায়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। অন্যথায় ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কুয়াকাটার অপার সৌন্দর্য কেবল স্মৃতিতেই সীমাবদ্ধ হয়ে যেতে পারে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সম্মানিত সাধারণ সম্পাদক জনাব মতিউর রহমান হাওলাদার বলেন,কুয়াকাটা শুধু একটি সমুদ্র সৈকত নয়, এটি দেশের পর্যটন শিল্পের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র। মাননীয় সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেন কুয়াকাটার উন্নয়ন, সৈকত সংরক্ষণ, পরিবেশ রক্ষা এবং পর্যটন শিল্পকে আরও সমৃদ্ধ করতে ইতোমধ্যে বেশ কিছু কার্যকর পদক্ষেপ হাতে নিয়েছেন।

উপকূলীয় ভাঙন প্রতিরোধ, অবকাঠামো উন্নয়ন, পর্যটকদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং কুয়াকাটাকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণ, ব্যবসায়ী, সামাজিক সংগঠন এবং পর্যটকদেরও সচেতন হতে হবে। কুয়াকাটার পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষায় সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমেই কুয়াকাটাকে আরও পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ, আধুনিক ও আকর্ষণীয় পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, চলমান উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়িত হলে কুয়াকাটা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যটন মানচিত্রে আরও গুরুত্বপূর্ণ স্থান করে নেবে এবং পর্যটকদের কাছে একটি বিশ্বমানের সমুদ্রসৈকত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

প্রশ্ন এখন একটাই— কুয়াকাটার প্রকৃত অভিভাবক কে? প্রকৃতি, মানুষ ও পর্যটনের এই অনন্য সম্পদ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, জনপ্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিত উদ্যোগই পারে কুয়াকাটাকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে।
মোহাম্মদ রুমী শরীফ।।
বিশেষ প্রতিনিধি।।
01911145091
3/5/2026

সেনবাগে গ্রাম আদালতের জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত। নোয়াখালীতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে ৩ বাস কাউন্টারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা। কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত ধ্বংসের মুখে: অবহেলা, অপরিকল্পিত কর্মকাণ্ডে হারাচ্ছে সৈকতের  বেলাভূমি।। শ্বশুরবাড়িতে আম পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে জামাইয়ের মৃত্যু আলোকিত ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনে বই পড়ার বিকল্প নেই: প্রাথমিক শিক্ষাস্তরেই প্রয়োজন বই পড়ার অভ্যাস