খুঁজুন
সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন, ১৪৩২

যথাযোগ্য মর্যাদায় রংপুরে মহান বিজয় দিবস পালিত

পাবলিক বাংলা :
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৯:৪৬ অপরাহ্ণ
যথাযোগ্য মর্যাদায় রংপুরে মহান বিজয় দিবস পালিত

রিয়াজুল হক সাগর. রংপুর : রংপুরে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) দিবসের প্রথম প্রহরে রংপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুস্পার্ঘ্য অর্পন করে শ্রদ্ধা নিবেদন করে, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, এনসিপি, জাসদ, বাসদ, রংপুর প্রেসক্লাব, বাংলার চোখ সামাজিক সাংষ্কৃতিক সংগঠনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সামাজিক-সাংষ্কৃতিক ও পেশাজীবি সংগঠন। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করে, রংপুর বিভাগীয় প্রশাসন, রংপুর সিটি কর্পোরেশন, রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, জেলা পরিষদসহ বিভিন্ন সরকারী প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবি সংগঠন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন বেসরকারী দপ্তর। এরপর সকাল ৯টায় রংপুর স্টেডিয়ামে শিক্ষার্থীদের সমাবেশ, কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে পরিবেশিত হয়। সকাল সাড়ে ১১টায় রংপুর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেয় প্রশাসন। এরপর বেলা সাড়ে ১২টায় রংপুর জিলা স্কুল মাঠে তিন দিনব্যাপী বিজয় মেলার উদ্বোধন করা হয়। এছাড়া দিবসকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন বিষয়ক ভিত্তিক প্রতিযোগিতা, সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠান, জেলা-উপজেলা পর্যায়ে ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, হা-ডু-ডু খেলা, মসজিদ-মন্দির ও ধর্মীয় উপাসনালয়ে দোয়া ও বিশেষ প্রার্থনা এবং হাসপাতাল, এতিমখানা, কারাগার, পথশিশু পূর্ণবাসনকেন্দ্র, প্রতিবন্ধী কল্যাণ কেন্দ্র, বৃদ্ধাশ্রম, ভবঘুরে প্রতিষ্ঠান ও শিশু দিবাযতœ কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশ করে জেলা প্রশাসন।

সেনাবাহিনীর দু’দিনব্যাপী উৎসব : সেনাবাহিনী রংপুর এরিয়া সদর দপ্তরের পৃষ্ঠপোষকতায় দুই দিনব্যাপী মহান বিজয় দিবস উদযাপন হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে শ্বাশত বাংলা মুক্তিযুদ্ধের জাদুঘর প্রাঙ্গনে ক্যান্টপাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ ও দি মিলেনিয়াম স্টারস স্কুল এন্ড কলেজের ব্যবস্থাপনায় আয়োজনের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, ৬৬ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি, এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মোহাম্মদ কামরুল হাসান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ক্যান্টপাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম আজম চৌধুরী, অধ্যক্ষ কর্ণেল মোঃ আহসানুল কবীরসহ অন্যরা। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এ সময় সেনাবাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাকরা উপস্থিত ছিলেন।

রাজনৈতিক দলের বিজয় র‌্যালী : মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলনের উদ্যোগে বিজয় র‌্যালী হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে নগরীর সিটি পার্ক মার্কেট থেকে ইসলামী আন্দোলন মহানগরের সেক্রেটারী, রংপুর-৩ সদর আসনে দলীয় মনোনিত প্রার্থী আমিরুজ্জামান পিয়ালের নেতৃত্বে বিজয় র‌্যালীটি বের হয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় বৈষম্যমুক্ত রাষ্ট্র গড়তে যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচনের আহ্বান জানানো হয়। দুপুরে নগরীর শাপলা চত্ত্বরস্থ জামায়াতের দলীয় কার্যালয় থেকে বিজয় র‌্যালী বের করা হয়। এতে নেতৃত্ব দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদের সদস্য, রংপুর-৩ সদর আসনে দলীয় মনোনিত প্রার্থী মাহবুবার রহমান বেলাল ও মহানগর জামায়াতের আমির এটিএম আজম খান। মহানগর জামায়াতের ৩৩টি ওয়ার্ড জামায়াতসহ ছাত্র শিবিরের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে বিজয় র‌্যালীটি নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এরপর নগরীর জুলাই চত্ত্বরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে নেতৃবৃন্দরা ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে সকলকে চাঁদাবাজ, দূর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

এদিকে দুপুরে নগরীতে বিজয় র‌্যালী করেছে মহানগর বিএনপি। সংগঠনের আহ্বায়ক, রংপুর-৩ সদর আসনে দলীয় মনোনিত প্রার্থী সামসুজ্জামান সামু’র নেতৃত্বে বিজয় র‌্যালীটি গ্রান্ড হোটেল মোড়স্থ দলীয় কার্যালয় থেকে বের হয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে টাউন হলে গিয়ে শেষ হয়। এতে মহানগর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ৫ শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন। এ সময় নেতৃবৃন্দরা বলেন, জনগণের ভোটে আগামী দিনে রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরাসহ সংরক্ষণ করবে। সেই সাথে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব অক্ষুন্ন রাখতে কাজ করবে।

কুয়াকাটায় ইয়াবা সেবনে বাধা, হোটেল মালিককে পিটিয়ে পা থেঁতলে দিল সন্ত্রাসীরা

মেহেদী হাসান সোহাগ-কুয়াকাটা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৫:০৩ পূর্বাহ্ণ
কুয়াকাটায় ইয়াবা সেবনে বাধা, হোটেল মালিককে পিটিয়ে পা থেঁতলে দিল সন্ত্রাসীরা

কুয়াকাটায় ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ায় এক আবাসিক হোটেল মালিককে নির্মমভাবে পিটিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (১ মার্চ) সন্ধ্যায় কুয়াকাটা পাঞ্জুপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত ব্যক্তি লোকমান মৃধা, হোটেল কুয়াকাটা প্যালেস-এর মালিক।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাখাইন মহিলা মার্কেটের ঝিনুক ব্যবসায়ী রাসেল খান ও মিরাজ নামের দুই ব্যক্তি তার হোটেলে নিয়মিত ইয়াবা সেবন করতেন।

এতে বাধা দেওয়ায় তারা লোকমান মৃধার ওপর হামলা চালায়।

হামলাকারী রাসেল ও মিরাজ যুবদলের রাজনীতির সাথে জড়িত বলে স্থানীয়ভাবে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, হামলাকারীরা লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে তার দুই পা থেঁতলে দেয়।

তার চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুয়াকাটার ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যায়।

চিকিৎসক জানান, সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে আনা হয়।

প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

বর্তমানে তার অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানা গেছে।

আহতের মেয়ে সাজেদা বেগম অভিযোগ করে বলেন, রাসেল খান ও মিরাজ নিয়মিত আমার বাবার হোটেলে গিয়ে ইয়াবা সেবন করতেন।

বাবা বাধা দেওয়ায় তারা পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর করেছে আমার বাবা এখন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।

অভিযুক্তদের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহব্বত খান বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রকৃতির অপরূপ লীলাভূমি গজনী অবকাশ পর্যটন কেন্দ্র।

জুবায়ের আহমেদ রাসেল (স্টাফ রিপোর্টার)
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৫:০০ পূর্বাহ্ণ
প্রকৃতির অপরূপ লীলাভূমি গজনী অবকাশ পর্যটন কেন্দ্র।

শেরপুর জেলা সদর থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পাদদেশে ঝিনাইগাতী উপজেলার গারো পাহাড়ের পাদদেশে গড়ে উঠেছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাভূমি গজনী ব্রিটিশ আমল থেকেই পিকনিকট স্পট হিসেবে পরিচিত। মনোরম পাহাড়ি শোভামন্ডিত গজনী অবকাশ কেন্দ্রে একটি প্রাচীন বটগাছের পূর্বদিকে প্রায় ২ শত ফুট উঁচু পাহাড়ের চূড়ায় নির্মাণ করা হয়েছে দ্বিতল অবকাশ ভবন। ওই প্রাচীন বটগাছের বিশাল গোল চত্বরটি শান বাঁধানো। শান বাঁধানো সেই বিশাল বটগাছটির ছায়ায় চারপাশে দলবদ্ধভাবে আনন্দ আড্ডায় মেতে ওঠে পিকনিক দলগুলো। গারো, কোট, হাজং বানাই, ডালু ও হদি উপজাতি অধ্যুষিত গারো পাহাড়ের পাদদেশে স্বচ্ছ-সুনীল জলের লেক ও দিগন্ত ছোঁয়া সবুজ বনানীর মাঝে শেরপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গড়ে তোলা গজনী অবকাশ কেন্দ্রে রয়েছে ৬ কক্ষ বিশিষ্ট উন্নতমানের দ্বিতল রেষ্ট হাউজ।

গজনী অবকাশ কেন্দ্রে কি আছে
গজনীর প্রবেশমুখে দেখা যায় মৎস্যকন্যা যার নাম দেয়া হয়েছে জলপরী। এছাড়া আছে ডাইনাসোরের প্রতিকৃতি, ড্রাগন টানেল, দণ্ডায়মান জিরাফ, পদ্ম সিঁড়ি, লেক ভিউ পেন্টাগন, হাতির প্রতিকৃতি, স্মৃতিসৌধ, গারো মা ভিলেজ, কৃত্রিম জলপ্রপাত, কাজী নজরুল ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিফলক অন্যতম। এর মধ্যে গারো মা ভিলেজে লেগেছে নতুনত্বের ছোঁয়া। এখানে মাশরুম ছাতার নিচে বসে পাহাড়ের ঢালে আদিবাসীদের জীবনযাত্রা, দিগন্তজোড়া ধান ক্ষেত ও পাহাড়ি জনপদের ভিন্ন জীবনমান উপভোগ করা যায়।

সমতল ভূমি থেকে গজনী অবকাশ ভবনে উঠানামা করার জন্য পাহাড় কেটে তৈরী করা হয়েছে দু’শতাধিক সিঁড়িসহ আকর্ষণীয় আঁকাবাঁকা ‘পদ্মসিঁড়ি’। ‘পদ্মসিঁড়ি’র পাশেই গজারী বনে কাব্য প্রেমীদের জন্য কবিতাঙ্গনের গাছে গাছে ঝোলানো আছে প্রকৃতি নির্ভর রচিত কবিতা। লেকের পানির উপর ভাসমান সুদৃশ্য দ্বিতল জিহান অবসর কেন্দ্র ছাড়াও লেকের মাঝে কৃত্রিম দ্বীপ ও দ্বীপের উপর লেকভিউ পেন্টাগন। দ্বীপে যাতায়াতের জন্য রয়েছে স্টিল রোপের ওপর নির্মিত দোদুল্যমান সেতু। কৃত্রিম লেকে নৌ বিহারের জন্য রয়েছে বিদেশী ‘প্যাডেল বোট’ আর আকর্ষণীয় ‘ময়ূরপংঙ্খী নাও’।

সুউচ্চ শীর্ষ পাহাড় চূড়ায় নির্মিত হয়েছে আধুনিক স্থাপত্য রীতিতে ৬৪ ফুট উচ্চতা সম্পন্ন নয়নকাড়া সাইট ভিউ টাওয়ার। এই টাওয়ার চূড়ায় উঠে দাড়ালে চারদিকে শুধু দেখা যায় ধূসর, আকাশী ও সবুজের মিতালী। এই ওয়াচ টাওয়ারের প্রবেশমূল্য ১০ টাকা।

গজনী অবকাশ কেন্দ্রে প্রবেশ পথের রাস্তার পূর্ব পার্শ্বে সৃষ্ট ঘোড়ার খুরের ন্যায় ক্রিসেন্ট লেকের তীর থেকে পশ্চিমে অবস্থিত অন্য আকেটি লেকের তীরে যাওয়ার জন্য পাহাড় ও রাস্তার তলদেশে খনন করা হয়েছে রোমঞ্চকর সুড়ঙ্গ পথ ‘পাতালপুরী’। ক্রিসেন্ট লেকের মাঝখানে নির্মিত হয়েছে জলপ্রপাত ‘নির্ঝর’। হ্রদ পেরিয়ে পশ্চিম পাহাড়ে যেতে চোখে পড়বে বর্ণিল সংযোগ সেতু ‘রংধনু’। এছাড়া পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে শেরপুরের জলো প্রশাসক মোঃ নাসিরুজ্জামানের প্রচেষ্টায় নির্মিত হয়েছে সুউচ্চ কৃত্রিম জলপ্রপাত ‘গজনী পবিত্র কুন্ডু’।

ছোট পরিসরের চিড়িয়াখানায় রয়েছে মেছো বাঘ, অজগর সাপ, হরিণ, ভাল্লুকসহ প্রায় ৪০ প্রজাতির প্রাণী।

গজনী অবকাশ কেন্দ্র এর টিকেট মূল্য
গজনী অবকাশে প্রবেশমূল্য বাস-ট্রাক ৫০০ টাকা, মাইক্রোবাস-পিক-আপ ভ্যানের জন্য ২০০ টাকা। জনপ্রতি প্রবেশমূল্য ১০ টাকা দিতে হয়।

গজনী অবকাশ কেন্দ্র যাওয়ার উপায়
রাজধানী ঢাকা থেকে সরাসরি সড়ক পথে সাড়ে ৪ থেকে ৫ ঘন্টায় গজনী অবকাশ কেন্দ্র পৌঁছানো যায়। উত্তরবঙ্গ থেকে টাঙ্গাইল-জামালপুর হয়েও আসতে পারেন সড়ক পথে। ঢাকার মহাখালি থেকে ড্রিমল্যান্ড বাসে শেরপুর আসা যায়। ভাড়া ৩০০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে। মহাখালী থেকে দুপুর ২টায় ছাড়ে এসিবাস। ভাড়া ৩৫০টাকা। এছাড়া ঢাকা বঙ্গবন্ধু জাতীয় ষ্টেডিয়াম ৪ নং গেইট থেকে সরাসরি বিকাল ৩-৪টায় শিল্প ও বণিক সমিতির গাড়ী ঝিনাইগাতীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। ভাড়া ৩০০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে।

শেরপুর শহর থেকে গজনীর দূরত্ব মাত্র ৩০ কিলোমিটার। শেরপুর থেকে লোকাল বাস,টেম্পু, সিএনজি অথবা রিক্সায় গজনী অবকাশ কেন্দ্রে যাওয়া যায়। শেরপুর থেকে বাসে গজনী অবকাশ কেন্দ্রে যেতে লাগবে ৫০ থেকে ৭০ টাকা। আর সিএনজি দিয়ে যেতে লাগবে ৩০০ টাকা।

ঢাকা থেকে সরাসরি মাইক্রোবাস অথবা প্রাইভেট কারে গজনী অবকাশ যেতে পারেন। ঢাকা থেকে নিজস্ব বাহনে মাত্র সাড়ে তিন থেকে চার ঘন্টায় ঝিনাইগাতীর গজনী অবকাশে আসা যায়।

বালু পাচারের অভিযোগে সালমান নামে এক যুবককে কারাদণ্ড প্রদান ।

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে জুবায়ের আহমেদ রাসেল স্টাফ রিপোর্টার :-
প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ১১:৩০ অপরাহ্ণ
বালু পাচারের অভিযোগে সালমান নামে এক যুবককে  কারাদণ্ড প্রদান ।

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে অভিনব কৌশলে বালু পাচারের অভিযোগে সালমান (২৪) নামে এক যুবককে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। রবিবার (১মার্চ) দুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অনিন্দিতা রানী ভৌমিক এ দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে,উপজেলার নকশী এলাকা থেকে পুরাতন টিনের ছাউনি দিয়ে কৌশলে বালু পাচারের সময় বনকর্মীরা সালমানকে একটি ট্রলি সহ আটক করেন। পরে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০–এর ১১ ধারা লঙ্ঘন এবং একই আইনের ১৫(১) ধারা অনুযায়ী ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত সালমান শ্রীবরদী উপজেলার খামারিয়া পাড়া এলাকার চান্দু বাদশার ছেলে। রায় ঘোষণার পর তাকে থানা পুলিশের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল আমীন, রাংটিয়া রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক এসবি তানভীর আহমেদ ইমন,গজনী বিট কর্মকর্তা সালেহীন নেওয়াজ খানসহ বন বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, অবৈধ বালু উত্তোলন ও পাচার রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কুয়াকাটায় ইয়াবা সেবনে বাধা, হোটেল মালিককে পিটিয়ে পা থেঁতলে দিল সন্ত্রাসীরা প্রকৃতির অপরূপ লীলাভূমি গজনী অবকাশ পর্যটন কেন্দ্র। বালু পাচারের অভিযোগে সালমান নামে এক যুবককে কারাদণ্ড প্রদান । হামলার জবাবে দফায় দফায় ইসরাইলে মিসাইল ছুড়ছে ইরান । প্রেসক্লাবের উদ্যোগে সাংবাদিক সোরহাব হোসেনের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত