খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ, ১৪৩৩

দুনীতির মাধ্যমে গড়েছেন টাকার পাহাড়

দুবাই পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা কাজী ফসাল দুনীতির মাধ্যমে গড়েছেন টাকার পাহাড়

ঝালকাঁটি থেকে :
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৪, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ
দুবাই পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা কাজী ফসাল দুনীতির মাধ্যমে গড়েছেন টাকার পাহাড়

ঝালকাঠি প্রতিনিধি : দুবাই পাসপোর্ট ও ভিসা উইয়ং অফিসের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা কাজী ফয়সালকে প্রত্যাহার করার ১৮ দিন পার হলেও তিনি বহাল তবিয়তে অফিস করছেন। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল দুবাই (সংযুক্ত আরব আমিরাত) পাসপোর্ট ও ভিসা উইংয়ে কর্মরত প্রথম সচিব হিসেবে যোগদান করে মোহাম্মদ কাজী ফয়সাল কোটি কোটি টাকা অবৈধভাবে আয় করেছেন। অভিযোগ রয়েছে তাঁর অফিসের পাশেই একটি নির্দিষ্ট দোকান থেকে পাসপোর্টের আবদন করতে বাধ্য করা হয় আবেদনকারীকে। ওই দোকান থেকে তিনি প্রতিমাসে পারসেন্টিজ হিসেবে কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। ওই দোকান ছাড়া অন্য দোকান থেকে আবেদন করলে, তা গ্রহণ করেন না ওই কর্মকর্তা। এছাড়াও গত জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র করার অভিযোগও রয়েছে কাজী ফয়সালের বিরুদ্ধে। দুবাইতে যারা আন্দোলন করেছিলেন, তাদের তালিকা করে পাসপোর্ট বাতিল ও গ্রেপ্তার করানোর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন এই কর্মকর্তা। অবশেষে দুর্নীতিবাজ এই কর্মকর্তাকে দুবাই পাসপোর্ট ও ভিসা উইং অফিস থেকে তাকে প্রত্যাহার করা হয়। কিন্তু অদৃশ্য শক্তির বলে এখনো বহাল তবিয়তে দুর্নীতিবাজ এই কর্মকর্তা। এতে দুবাই প্রবাসী অনেকেই অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
লিখিত অভিযোগে জানা যায়, দুবাই ও উত্তর আমিরাতে অসংখ্য বাংলাদেশী প্রবাসী বসবাস করছেন। দেশের উন্নয়নে রেমিট্যান্স পাঠানোয় সংযুক্ত আরব আমিরাত সবার ওপরে। কিন্তু অসংখ্য প্রবাসীদের জন্য দুবাই পাসপোর্ট ও ভিসা উইং অফিসটি দুর্নীতির কারখানা বানিয়েছেন বাংলাদেশের গোপালগঞ্জের সন্তান প্রথম সচিব মোহাম্মদ কাজী ফয়সাল। দুবাই ও উত্তর আমিরাতের প্রবাসীদের কাছ থেকে পাসপোর্ট ও ভিসা করার কাজে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন দুর্নীতিবাজ এই কর্মকর্তা। শেখ হাসিনার ঘনিষ্টজন হওয়ায় তাঁর দুর্নীতির বিষয়ে এতো দিন কেউ মুখ খুলেনি। গোপালগঞ্জে বাড়ির সুবাদে অদক্ষ এই কর্মকর্তা বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। প্রবাসী বাংলাদেশীরা যখন সেবা নিতে যান, তখন তাঁর সঙ্গে দেখা করে না কাজী ফয়সাল। কখনো দেখা করলে প্রবাসীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন তিনি। তিনি পাসপোর্ট অফিসার হিসেবে নিয়োগ পেলেও সারাক্ষণ ব্যস্ত থাকতেন দুর্নীতি ও আওয়ামী লীগ সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়নে। দুবাই পাসপোর্ট ও ভিসা উইং অফিসকে তিনি আওয়ামী লীগের আরব আমিরাতের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করতেন।
অভিযোগ রয়েছে তিনি যোগদানের পর থেকেই দুবাই পাসপোর্ট অফিসে বাংলাদেশী প্রবাসী যারা পাসপোর্ট ইস্যু করতে যান, তাদের জন্য কাজী ফয়সাল প্রথম শর্ত দিয়েছেন অফিসের পাশেই রাব্বাস নামের একটি টাইপিং সেন্টার থেকে আবেদন করতে হবে। এই টাইপিং সেন্টার থেকে আবেদন না করলে, তাকে অফিসের ভেতরেই প্রবেশ করতে দেওয়া হতো না। সামনের গার্ডকে আগে থেকেই কাগজপত্র চেক করে ডুকাতে বলে রাখেন দুর্নীতিবাজ এই কর্মকর্তা। এ টাইপিং সেন্টার থেকে প্রতিদিন পাঁচ-ছয়শত আবেদন করা হয়। আবেদনকারীকে ৫০-৬০ দিরহাম করে টাইপিং চার্জ দিতে হয়। এই অর্থ থেকে কাজী ফয়সালকে দিতে হয় অর্ধেক টাকা ঘুষ। যার পরিমান প্রতিদিন চার-পাঁচ লাখ টাকা। মাসিক হিসেব অনুযায়ী এর পরিমান দাড়ায় এক কোটিও বেশি টাকা। এছাড়াও অফিসের নানা খ্যাত থেকে দুর্নীতির মাধ্যমে তিনি কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। তিনি প্রবাসী বাংলাদেশীদের সেবা সহজীকরণের কথা বলে শেখ রেহানার নিকট আত্মীয়ের ‘ফসাওয়া গ্লোবাল’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে পাসপোর্ট ও কনস্যুলার সার্ভিসের দায়িত্ব দেন। কিন্তু দুবাই পাসপোর্ট ও ভিসা উইং অফিসে পাসপোর্ট ইস্যুর জন্য পর্যাপ্ত জনবল রয়েছে। তারপরেও রাষ্ট্রীয় অতিগুরুত্বপূর্ণ এই সেবাটি অর্থের বিনিময়ে তিনি বাইরের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে করাতেন। যার বিনিময়ে তিনি ওই প্রতিষ্ঠান থেকে ১৫ কোটি টাকা ঘুষ গ্রহণ করেছেন। কাজী ফয়সাল ২৭ ব্যাচের বিসিএস কর্মকর্তা। গোপালগঞ্জে বাড়ির সুবাদে তিনি দুবাই পাসপোর্ট ও ভিসা উইং অফিসে তদবির করে ঢোকেন। বিগত সরকারের প্রভাব দেখিয়ে গড়েছেন টাকার পাহার। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে বিগত জুলাই-আগস্টে ছাত্র জনতার আন্দোলনেও ষড়যন্ত্র করেছিলেন। গত জুলাই মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমর্থনে বিক্ষোভ হয়। সেই বিক্ষোভ দমনে কাজী ফয়সাল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ওই সময় তিনি আইনশঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গেও যোগাযোগ রাখেন। বিক্ষোভকারীদের তালিকা প্রস্তুত করে দুবাই পুলিশ ও সিআইডিকে সরবরাহ করেন। তাদেরকে রাষ্ট্রদ্রোহী আখ্যা দিয়ে গ্রেপ্তারের জন্য সুপারিশও করেন। যার প্রেক্ষিতে কয়েকশ বাংলাদেশীকে আটক করা হয়। এর মধ্যে ৫৭ জনকে কঠোর শাস্তি দেওয়া হয়। তিনি আন্দোলনকারীদের পাসপোর্ট বাতিলের চেষ্টাও করেন। কিন্তু আন্দোলন তীব্র হওয়ায় তা পরেননি। ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পরে তাঁর বিরুদ্ধে দুবাই ও উত্তর আমিরাতে বসবাসকারী বাংলাদেশী প্রবাসী ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমর্থনকারী সাকিবুল ইসলাম বাংলাদেশ সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষাপটে গত ২২ অক্টোবর তাকে দুবাই পাসপোর্ট ও ভিসা উইং অফিস থেকে প্রত্যাহার করে দেশে ফেরার জন্য নির্দেশ দেন বাংলাদেশ সচিবালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব মিঞা মুহাম্মদ আশরাফ রেজা ফরিদী। এরই প্রেক্ষিতে গত ৩০ অক্টোবর তাকে প্রত্যাহার করে বাংলাদেশ সচিবালয়ের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগে যোগদান করার নির্দেশ দেন উপসচিব আফরোজা আক্তার রিবা। অথচ এই চিঠির ১৮ দিন পার হলেও তিনি বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এখনো তিনি স্বৈরশাসকের দোসড়দের অদৃশ্য শক্তির বলে নিয়মিত অফিস করে ঘুষ বাণিজ্য বহাল রেখেছেন। তাকে অবিলম্বে জরুরী নোটিশ দিয়ে প্রত্যাহার এবং তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূঔশ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন দুবাই ও উত্তর আমিরাতের প্রবাসী বাংলাদেশীরা।
এব্যাপারে তাঁর ব্যবহৃত ফোনে কলা করা হলেও তিনি তা ধরেননি।

চরপুটিমারী ও চরগোয়ালিনী ইউনিয়নের যৌথ উদ্যোগে ১০১ হাত বাইছেল নৌকা পানিতে ভাসলো

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ণ
চরপুটিমারী ও চরগোয়ালিনী ইউনিয়নের যৌথ উদ্যোগে ১০১ হাত বাইছেল নৌকা পানিতে ভাসলো

মোঃ হোসেন শাহ্‌ ফকির ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি: জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার চরপুটিমারী ও চরগোয়ালিনী ইউনিয়নের কান্দারচর ও সাজালের চর এলাকার যৌথ উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী ১০১ হাত আনন্দতরী বাইছেল নৌকা আনুষ্ঠানিকভাবে পানিতে ভাসানো হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ১০১ হাত আনন্দতরী বাইছেল নৌকা পানিতে ভাসানোর শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা বিএনপির সদস্য ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুর রহমান মলিন।

এ সময় দুই ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, নৌকাবাইচপ্রেমী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও বিপুল সংখ্যক দর্শক উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ গ্রামীণ সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই ১০১ হাত দীর্ঘ বাইছেল নৌকা পানিতে ভাসানোর মাধ্যমে এলাকার ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে গ্রামীণ সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে এলাকার সুনাম আরও বৃদ্ধি পাবে।

প্রধান অতিথি হামিদুর রহমান মলিন বলেন, “নৌকাবাইচ শুধু একটি খেলা নয়, এটি বাংলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। চরাঞ্চলের এই ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে নতুন প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করতে হবে। চরপুটিমারী ও চরগোয়ালিনী ইউনিয়নের মানুষের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। ভবিষ্যতেও গ্রামীণ ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে আমি সবসময় পাশে থাকব।”

নৌকাটি পানিতে ভাসানোর সময় উৎসুক জনতার ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। স্থানীয়দের উচ্ছ্বাস ও করতালির মধ্য দিয়ে নৌকাটির শুভ যাত্রা শুরু হয়।

আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতে বিভিন্ন আঞ্চলিক ও জাতীয় নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের লক্ষ্যে নৌকাটি প্রস্তুত করা হয়েছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে স্থানীয়দের স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতা ও অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আলী আকবর, সিরাজ মেম্বার, রমজান আলী, ১১নং চরপুটিমারী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি শহিদুল্লাহ বেপারী, বিএনপি নেতা জয়নাল আবেদীন, চরপুটিমারী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি আরিফুল ইসলাম লেবু ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক নুরনবীসহ চরপুটিমারী ও চরগোয়ালিনী ইউনিয়ন বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

আত্রাই ডাসকো ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

আত্রাই প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
আত্রাই ডাসকো ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় শলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে বিএমজেড এবং নেট্জ বাংলাদেশের সহযোগিতায় ডাসকো ফাউন্ডেশনের অগ্রযাত্রা প্রকল্পের উদ্যোগে রচনা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) বেলা ১১ টায় শলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘‘জলবায়ু পরিবর্তন ও বাংলাদেশের প্রভাব” বিষয়ক রচনা প্রতিযোগিতা এবং “অসহনীয় তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য অপরিকল্পিত নগরায়নই দায়ী” বিষয়ের উপর বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: শহিদুল ইসলাম, ইউনিট ম্যানেজার আব্দুর রউফ মিলন, সহকারী শিক্ষক মো: সাজেদুর রহমান, মো: মামুনুর রশীদ, অনামিকা কর্মকার, বিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট ফোরামের সদস্যগণ ও স্কুলের শতাধিক ছাত্র-ছাত্রীগণ।
অনুষ্ঠানটি সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন প্রকল্পের এ্যাডভোকেসী ফ্যাসিলিটেটর গোলাম রাব্বানী।
শেষে রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী এবং অংশগ্রহণকারীদের সকলকে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

কয়রার ১ নং আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে প্রফেসর আবুল কালাম আজাদকে দেখতে চান এলাকাবাসী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:১৩ পূর্বাহ্ণ
কয়রার ১ নং আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে প্রফেসর আবুল কালাম আজাদকে দেখতে চান এলাকাবাসী

Oplus_131072

মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা উপজেলা প্রতিনিধি:
খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১ নং আমাদী ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন মহলে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক প্রফেসর আবুল কালাম আজাদকে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, সমাজসেবা এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তিনি বর্তমানে খান সাহেব কমরউদ্দীন ডিগ্রি কলেজে অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। শিক্ষকতা পেশায় দায়িত্বশীলতা, সততা ও মানবিক মূল্যবোধের কারণে তিনি শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সাধারণ মানুষের কাছে একজন পরিচিত মুখ।

রাজনৈতিক পরিচয়ের দিক থেকেও তিনি এলাকায় সুপরিচিত। তিনি আমাদী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক (সেক্রেটারি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। স্থানীয়দের মতে, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার পাশাপাশি একজন শিক্ষাবিদ হিসেবে তার গ্রহণযোগ্যতা তাকে সম্ভাব্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে এগিয়ে রাখছে।

এলাকাবাসীর জানান, আমাদী ইউনিয়নে নদীভাঙন, সুপেয় পানির সংকট, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষি, মৎস্য খাত এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। তাদের বিশ্বাস, প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ নির্বাচিত হলে এসব সমস্যা সমাধানে পরিকল্পিতভাবে কাজ করতে পারবেন।

একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “আমরা এমন একজন চেয়ারম্যান চাই, যিনি সৎ, শিক্ষিত, অভিজ্ঞ এবং জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক থাকবেন। প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ দীর্ঘদিন ধরে মানুষের সঙ্গে কাজ করছেন। তাই তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই।”

এ বিষয়ে প্রফেসর আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি সবসময় মানুষের কল্যাণে কাজ করার চেষ্টা করেছি। এলাকার মানুষ যদি আমাকে ভালোবাসা ও সমর্থন দেন এবং ভবিষ্যতে কোনো দায়িত্ব অর্পণ করেন, তাহলে আইন ও নীতিমালার আলোকে সকলকে সঙ্গে নিয়ে আমাদী ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করব। শিক্ষা, স্বচ্ছতা, সুশাসন ও জনসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মানুষের প্রত্যাশা পূরণের চেষ্টা থাকবে।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা, সততা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং উন্নয়নের পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এসব বিষয় বিবেচনায় এনে প্রফেসর আবুল কালাম আজাদের নাম ইতোমধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় আলোচনায় এসেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এখনো কোনো রাজনৈতিক দল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী ঘোষণা করেনি। তবে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা ও মতবিনিময় অব্যাহত রয়েছে।

চরপুটিমারী ও চরগোয়ালিনী ইউনিয়নের যৌথ উদ্যোগে ১০১ হাত বাইছেল নৌকা পানিতে ভাসলো আত্রাই ডাসকো ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত কয়রার ১ নং আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে প্রফেসর আবুল কালাম আজাদকে দেখতে চান এলাকাবাসী কলাপাড়ার শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘পায়রা’র নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি রফিকুল ও সম্পাদক দ্বীপ ঢালী মাদারগঞ্জের বালিজুড়ী বাজারে গিফট কর্নারে অগ্নিকান্ড'১৫ লক্ষ টাকা ক্ষয়ক্ষতির দাবী কর্তৃপক্ষের