খুঁজুন
রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ২৮ আষাঢ়, ১৪৩৩

সড়ক সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন

নলছিটির খোজাখালি-পুলেরহাট সড়ক সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন

ঝালকাঁটি থেকে :
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৪, ১০:১২ অপরাহ্ণ
নলছিটির খোজাখালি-পুলেরহাট সড়ক সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন

আমির হোসেন, ঝালকাঠি প্রতিনিধি : ঝালকাঠির নলছিটিতে সড়ক সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন করা হয়েছে।রবিবার ১৩ অক্টোবর সকালে নলছিটি দপদপিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের খোজাখালি এলাকায় সড়ক সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।

নলছিটি পৌরসভার খোজাখালি থেকে সুর্যপাশা হয়ে শংকরপাশা পুলেরহাট এবং পুলেরহাট থেকে শংকরপাশা মাধ্যমিক বিদ্যালয় হয়ে কাঠেরপোল পর্যন্ত সড়কের দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সেটি এখন মরনফাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে দাবী এলাকাবাসীর ।দীর্ঘদিন সংস্কার কাজ না হওয়ায় ক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী এ মানববন্ধন আয়োজন করে।

এতে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় ব্যবসায়ী জামাল মোল্লা,নাইম হোসেন, রাকিব মোল্লা,মো:রোকন,মো:রাসেল,ব্যবসায়ী আকাশ তালুকদার,দুর্ঘটনায় আহত ফারুক হাওলাদার,স্থানীয় সমাজকর্মী বালী তাইফুর রহমান তূর্য সহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

এ সময় তারা বলেন দীর্ঘদিন যাবৎ সূর্যপাসা গ্রামটি চরম অবহেলিত। যোগাযোগ ব্যবস্থা একটি সড়ক চলাচলের যোগ্য নেই। যার ফলে বৃদ্ধ গর্ভবতী নারীদের অসুস্থ হলে হাসপাতালে নেয়ারও সুযোগ থাকে না। ঘরে বসে মৃত্যুর প্রহর গোনা ছাড়া আর কোন উপায় থাকে না। অথচ সড়কটি সংস্কারের জন্য অর্থ বরাদ্দ করা হলেও কাজ শুরু করে তা ফেলে রাখা হয়।

ভুক্তভোগী এলাকার বাসিন্দারা অভিযোগ করেন সড়কটির কাজ সম্পূর্ণ না করেই বিল উত্তোলন পড়ে নেয়া হয়েছে। এবং কাজ শুরু করে লাপাত্তা হয়ে গেছেন মূল ঠিকাদার।এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী।প্রায়ই খানাখন্দের কারণে গাড়ি উলটে ঘটছে দুর্ঘটনা।এতে প্রায়ই আহত হচ্ছেন অনেকে।

গত সেপ্টেম্বর মাসের শেষে ফারুক হাওলাদার নামের স্থানীয় এক দিন মজুর রাস্তায় গাড়ি থেকে ছিটকে পরে হাত ভেঙে যায়।এর আগেও বেশ কয়েকজন প্রসূতি নারীকে হাসপাতালে নেয়ার পথে রাস্তার ঝাকুনিতে পথেই সন্তান প্রসব করেন।এতে মা এবং সন্তান দুজনেরই মৃত্যু ঝুকি বেড়ে যায়।তারা দীর্ঘদিন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফেরেন।

বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা উজ্জ্বল হোসেন অভিযোগ করেন আগস্টে তার স্ত্রীর সন্তান প্রসবের ব্যাথা উঠলে একটি এম্বুলেন্স পর্যন্ত রাস্তার দুর্দশার তারা বাড়ি পর্যন্ত নিতে পারেন নি।যেকারণে বাধ্য হয়ে ভ্যানগাড়িতে করে রোগীকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছিল।

প্রবাসী রিয়াজ হোসেন অভিযোগ করেন,তার স্ত্রী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পরার খবরে তিনি কাতার থেকে বাংলাদেশে চলে আসলেও স্ত্রীর জন্য বাড়ি পর্যন্ত একটি এম্বুলেন্স তিনিও নিতে পারেন নি।রাস্তার দুর্দশা বর্ননা করতে গিয়ে ক্ষোভে ফেটে পরেন বক্তারা।

এসময় ঠিকাদারকে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার তাগিদ দিয়ে স্থানীয় সমাজকর্মী বালী তূর্য তার বক্তব্যে দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান।তিনি বলেন মানুষের অর্থ লুটপাট করে আরান আয়েস আর বিলাসিতা মানুষ মেনে নেবে না। এই এলাকার মানুষের কান্না আল্লাহর দরবারে পৌছে যাচ্ছে।জালিম হিসেবে তার কঠোর শাস্তি হবেই হবে।মানুষের জীবন নিয়ে ঠাট্টা তামাশা করাকে এলাকাবাসী মেনে নেবে না।দ্রুত কাজ সম্পন্ন না করা হলে এরপরে তারা আরো কঠোর আন্দোলনের আল্টিমেটাম দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।তারা আরও বলেন দুনিয়ার আদালতে বিচার পাই না,তাই এবার সবাই মিলে এই জালিমদের বিরুদ্ধে আল্লাহর দরবারে সকলে মিলে বিচার দেব।তারা আমাদের জীবনকে বিষিয়ে তুলেছে।জনগণের জন্য আসা বরাদ্দ লুটপাট করে তারা আমোদ ফুর্তি করে বেরাচ্ছেন।
ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধনে ভুক্তভোগী এলাকার প্রায় দুই শতাধিক নারী পুরুষ অংশ নেন।

সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে কর্মচারি কর্মকর্তাদের মানববন্ধন, ঘণ্টাব্যাপী সেবা ব্যাহতের অভিযোগ, ভোগান্তিতে রোগীরা

জনী শেখ, হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ণ
সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে কর্মচারি কর্মকর্তাদের মানববন্ধন, ঘণ্টাব্যাপী সেবা ব্যাহতের অভিযোগ, ভোগান্তিতে রোগীরা

 

দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক চিকিৎসককে ‘স্যার’ বা ‘মহোদয়’ বলে সম্বোধনের বক্তব্য নিয়ে প্রকাশিত সংবাদকে কেন্দ্র করে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নার্সদের উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় প্রায় এক ঘণ্টা চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হওয়ায় রোগীদের দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

আজ বুধবার (৮ জুলাই) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

জানা গেছে, গত ৫ জুলাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে এক সাংবাদিককে ‘স্যার’ বা ‘মহোদয়’ বলে সম্বোধন করতে হবে বলে মন্তব্য করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুহাম্মদ তানভীর হাসনাত রবিন। পরে ‘ইউএনওকে স্যার বললে আমাকেও বলতে হবে’ শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংশ্লিষ্ট একটি অডিওও ছড়িয়ে পড়ে।

এরপর প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে বুধবার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নার্সরা মানববন্ধন করেন। তবে সমালোচকদের অভিযোগ, কর্মকর্তাকে নির্দোষ প্রমাণ ও বিতর্ক সামাল দিতেই এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। মানববন্ধনের সময় চিকিৎসাসেবা আংশিকভাবে ব্যাহত হওয়ায় হাসপাতালে আসা রোগীদের ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন উপস্থিত কয়েকজন সেবাপ্রার্থী।

সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, মফস্বলে কর্মরত সাংবাদিকরা দীর্ঘদিন ধরে পারস্পরিক সম্মান ও পেশাগত সৌজন্যের ভিত্তিতে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কাজ করে আসছেন। অতীতে এ দপ্তরের কোনো কর্মকর্তাই তথ্য বা সাক্ষাৎকার দিতে ‘স্যার’ বা ‘মহোদয়’ বলে সম্বোধন করাকে বাধ্যতামূলক করেননি।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুহাম্মদ তানভীর হাসনাত রবিন মুঠোফোনে গণমাধ্যমকর্মীকে বলেন, “আমি সাক্ষ্য দিতে ঢাকায় অবস্থান করছি। আমাকে মানববন্ধনের একটু আগে না জানানো হয়েছে। এটি আমার নির্দেশে হয়নি।

তিনি অভিযোগের প্রেক্ষিতে বলেন, আমার জানা মতে চিকিৎসাসেবা পুরোপুরি বন্ধ ছিল না। তখন বৃষ্টি হওয়ায় রোগীর উপস্থিতিও কম ছিল। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ হয়েছে বলে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজেদের উদ্যোগে মানববন্ধন করেছেন।”

দিনাজপুরের ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. মো. গোলাম রসুল বলেন মুঠোফোনে গণমাধ্যমকর্মীকে বলেন, “সরকারি কর্মকর্তাকে ‘স্যার’ বা ‘মহোদয়’ বলে সম্বোধন করার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। কে কীভাবে সম্বোধন করবেন, সেটি ব্যক্তিগত বিষয়। তবে মানববন্ধনের বিষয়ে আমাকে কেউ অবহিত করেননি।

মাদারগঞ্জে ৭২ ঘন্টা পর সচল ১৮ পরিবারের যাতায়াতের রাস্তা’ প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা ভুক্তভোগীদের

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ জামালপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪১ অপরাহ্ণ
মাদারগঞ্জে ৭২ ঘন্টা পর সচল ১৮ পরিবারের যাতায়াতের রাস্তা’ প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা ভুক্তভোগীদের

 

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ৭২ ঘন্টা পর উদ্ধার হলো ১৮ পরিবারের যাতায়াতের রাস্তা।
বুধবার দুপুরে মাদারগঞ্জ উপজেলার ৫ নং জোড়খালী ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডে এ ঘটনায় রাস্তা উদ্ধার করে উপজেলা প্রশাসন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে উপজেলার দীঘলকান্দি এলাকায় ১৮ টি পরিবারের যাতায়াতের রাস্তাটি বাশের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে রেখেছিল ওই এলাকার করিমুজ্জামান। ইউএনও অফিসে এরপূর্বে এবং আজ বুধবার সহ দুইবারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি (এসিল্যান্ড) রাসেল দিও অভিযান পরিচালনা করে মুক্ত করে দেয় যাতায়াতের রাস্তা। ভুক্তভোগীদের দাবী জমি নিয়ে কোন বিরোধ নেই। করিমুজ্জামান ইচ্ছাকৃতভাবে হয়রানির জন্য তাদের যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করে রাখে। উভয় পরিবার আত্মীয় স্বজন সম্পর্কে চাচা-ভাতিজা তারা বলে জানা গেছে।
বন্ধ রাস্তা উন্মুক্ত করে দেওয়ায় উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন গোলাপ আকন্দ,
রফিকুল আকন্দ,
ইব্রাহিম আকন্দ,
ইসমাইল আকন্দসহ ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত কে না পাওয়ায় কোন বক্তব্য পাওয়া যায় নি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমন চৌধুরী জানান দুটি অভিযোগ দিয়ে ছিলেন তারা। এসিল্যান্ড সরেজমিনে গিয়ে বন্ধ রাস্তা উন্মুক্ত করে দেয়। ভবিষ্যতে জনদূর্ভোগ এবং হয়রানিমুলক কিছু করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হু হু করে বাড়ছে তিস্তায় পানি

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ১০:৩৮ অপরাহ্ণ
হু হু করে বাড়ছে তিস্তায় পানি

 

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কুড়িগ্রামে দ্রুত বাড়ছে তিস্তা নদীর পানি। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পানির উচ্চতা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় তিস্তার চর ও দ্বীপচরের নিচু এলাকা প্লাবিত হতে শুরু করেছে। এতে নদী-তীরবর্তী ও চরাঞ্চলের মানুষের মধ্যে নতুন করে বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে কুড়িগ্রাম জেলার পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, তিস্তা নদীর কাউনিয়া পয়েন্টে সকাল ৬টায় পানির উচ্চতা ছিল ২৮ দশমিক ৯৬ মিটার। তিন ঘণ্টা পর সকাল ৯টায় তা বেড়ে দাঁড়ায় ২৯ দশমিক ২৮ মিটারে। অর্থাৎ মাত্র তিন ঘণ্টায় নদীর পানি ৩২ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ২১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

একই সময়ে দুধকুমার নদীর পাটেশ্বরী পয়েন্টে পানির স্তর ৩ সেন্টিমিটার এবং ধরলা নদীর তালুকসিমুলবাড়ী পয়েন্টে ৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে কুড়িগ্রাম সেতু পয়েন্টে ধরলা নদীর পানি ১ সেন্টিমিটার কমেছে। অন্যদিকে ব্রহ্মপুত্র নদের চিলমারী পয়েন্টে পানির স্তর অপরিবর্তিত রয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলায় সর্বোচ্চ ১৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ ছাড়া পাটেশ্বরী এলাকায় ৫৪ মিলিমিটার এবং কুড়িগ্রাম সদরে ৫২ দশমিক ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে জেলার নদ-নদীর পানি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

তিস্তা তীরবর্তী কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা চরের বাসিন্দা মোঃ বদিয়ত মিয়া বলেন, ‘পানি বাড়তে থাকায় নিচু এলাকার ফসলি জমি ও বসতভিটায় পানি ঢুকতে শুরু করেছে। এক রাতে এত দ্রুত পানি বাড়তে আগে দেখিনি। যেভাবে পানি বাড়ছে, তাতে আজ রাতেই আরও অনেক এলাকা প্লাবিত হতে পারে।’

কুড়িগ্রাম জেলার চর উন্নয়ন কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাংবাদিক মোঃ সাইয়েদ আহমেদ বাবু বলেন, ‘কুড়িগ্রাম ১৬টি নদ-নদীবেষ্টিত জেলা। একদিকে বন্যা, অন্যদিকে নদীভাঙন। এই দুই দুর্যোগে চরাঞ্চলের মানুষ চরম মানবিক সংকটে পড়েছেন। উন্নত দেশগুলোতে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তরা দ্রুত ক্ষতিপূরণ পেলেও আমাদের দেশে অনেকেই সর্বস্ব হারিয়েও প্রয়োজনীয় সহায়তা পান না।’ তিনি নদীভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বন্যাকবলিত মানুষের জন্য দ্রুত ত্রাণ সহায়তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতি আহ্বান জানান।

কুড়িগ্রাম জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোঃ বেনজির আহমেদ বলেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ২৮৫ টন জিআর চাল, ১ লাখ ৬২ হাজার টাকা এবং ৮০০ প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

কুড়িগ্রাম জেলার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রাকিবুল হাসান বলেন, ‘উজানে ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে জেলার নদ-নদীর পানি বাড়ছে। আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তিস্তাসহ কয়েকটি নদীর পানি বিপৎসীমা স্পর্শ করতে পারে। তাই নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে কর্মচারি কর্মকর্তাদের মানববন্ধন, ঘণ্টাব্যাপী সেবা ব্যাহতের অভিযোগ, ভোগান্তিতে রোগীরা মাদারগঞ্জে ৭২ ঘন্টা পর সচল ১৮ পরিবারের যাতায়াতের রাস্তা' প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা ভুক্তভোগীদের হু হু করে বাড়ছে তিস্তায় পানি কালীগঞ্জে লাইফ কেয়ার টিচার্স এসোসিয়েশনের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ মান্দার কালিগ্রাম সাঁওতাল পল্লীতে শিশুদের মাঝে ক্যাপ ও ফুটবল বিতরণ