খুঁজুন
বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৯ বৈশাখ, ১৪৩৩

নলছিটিতে স্টেম এডুকেশন ও ইনোভেশন বিষয়ক কর্মশালা

আমির হোসেন, ঝালকাঠি থেকে :
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৮:৩৫ অপরাহ্ণ
নলছিটিতে স্টেম এডুকেশন ও ইনোভেশন বিষয়ক কর্মশালা

আমির হোসেন, ঝালকাঠি প্রতিনিধি : ঝালকাঠির নলছিটিতে আয়োজিত হল স্কুল ভিত্তিক স্টেম (বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত) এডুকেশন ও ইনোভেশন বিষয়ক বিশেষ কর্মশালা বৃহস্পতিবার (২৬সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় নলছিটি সরকারি মার্চেন্টস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ক অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।

ওয়ার্কশপে উপজেলার পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে দুই শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এরমধ্যে নারী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য।

ওয়ার্কশপের মূল উদ্দেশ্য ছিল স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান চর্চায় আগ্রহী করে তোলা এবং তাদের উদ্ভাবনী দক্ষতা বিকাশে সহায়তা করা।অনুষ্ঠানটি সেভ দ্য চিলড্রেনের আয়োজনে “ইনভেস্ট ইন ওমেন আইডিয়া চ্যালেঞ্জ ২০২৪”-এ জাতীয় পর্যায়ে বিজয়ী দল টিম স্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। যা নারী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মুরাদ আলী, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আনোয়ার আজিম, সরকারি নলছিটি মার্চেন্স মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ খায়রুল বাশার রানাও নান্দিকাঠী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিমা আক্তার।
বক্তারা টিম স্টেমকে এমন একটি প্রগতিশীল ও বিজ্ঞানভিত্তিক আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানান। ভবিষ্যতে এ ধরনের ওয়ার্কশপ আয়োজন ও সম্প্রসারণের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ওয়ার্কশপে স্বাগত বক্তব্য রাখেন টিম স্টেমের ক্যাম্পেইন কো-অর্ডিনেটরও তারুণ্যের নলছিটির কনভেনর মোঃ খালেদ সাইফুল্লাহ। তিনি বলেন, “স্টেম এডুকেশনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নিজেদের প্রস্তুত করতে পারবে। বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান চর্চার মাধ্যমে একটি বিজ্ঞানমনস্ক প্রজন্ম তৈরি হবে। যারা ভবিষ্যতে সমাজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ওয়ার্কশপটি সঞ্চালনা করেন টিম স্টেমের টিম লিডার নুসরাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন টিম স্টেমের মিডিয়া কো-অর্ডিনেটর জান্নাতুল ফেরদৌস নিসা, ট্রেজারার জান্নাতও ইভেন্ট কো-অর্ডিনেটর মেহেরাব হোসেন রিফাত।

ওয়ার্কশপের সমাপনী বক্তব্যে ইভেন্ট কো-অর্ডিনেটর মেহেরাব হোসেন রিফাত স্থানীয় যুব সংগঠন তারুণ্যের নলছিটিকে বিশেষ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, “তারুণ্যের নলছিটি তাদের ভলান্টিয়ারিং সাপোর্ট এবং লোকাল সাপোর্ট দিয়ে আমাদের আয়োজনকে সফল করতে অসামান্য ভূমিকা রেখেছে। তাদের এই সহায়তা ছাড়া আয়োজনটি এত সুন্দরভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হতো না।”

প্রশিক্ষক হিসেবে বরিশাল থেকে যুক্ত হন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত আবু সুফিয়ান শেখ, প্রোগ্রামার রাফিয়া ইসলাম এবং সুমাইয়া ইসলাম তিশা। তারা শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনী প্রকল্পের উপর গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেন, স্লাইড প্রেজেন্টেশন প্রদর্শন করেন যা শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তাধারার বিকাশে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

ওয়ার্কশপ শেষে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে সার্টিফিকেট ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অতিথিরা আয়োজকদের এই সফল উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের আরও আয়োজনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

একসঙ্গে জন্ম নেয়া তিন বোন এসএসসি পরিক্ষায় অংশ গ্রহণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৫৮ অপরাহ্ণ
একসঙ্গে জন্ম নেয়া তিন বোন এসএসসি পরিক্ষায় অংশ গ্রহণ

 

একই দিনে জন্ম, একই ছন্দে বেড়ে ওঠা—আর এবার জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাতেও একসঙ্গে অংশ নিলেন তিন বোন।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালন্দর গ্রামের স্বপ্নীল বর্মন, স্বর্ণালী বর্মন ও সেঁজুতি বর্মন ২০০৯ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর একসঙ্গে জন্ম নেয়। ছোটবেলা থেকে একসঙ্গে পড়াশোনা আর বেড়ে ওঠা এই তিন বোন মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে একসঙ্গেই।
তাদের বাবা ঠান্ডারাম বর্মন ও মা ময়না রানী সেন। চার সন্তানের এই পরিবারে বড় মেয়ে মৃদুলা বর্মন ও ছোট ছেলে প্রদ্যুৎ বর্মনের পাশাপাশি এই তিন বোনই পরিবারের মূল আকর্ষণ।
সোমবার তাদের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, তিনজনই শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। পড়ার টেবিলে পাশাপাশি বসে মনোযোগ দিয়ে পড়ছে তারা—লক্ষ্য একটাই, ভালো ফলাফল করে বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণ করা।
তিন বোন জানায়, ছোটবেলা থেকেই তারা একসঙ্গে পড়াশোনা করছে। প্রথমে একটি কিন্ডারগার্টেনে ভর্তি হয়ে পরে স্থানীয় আরাজী কৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ে। সেখানে শিক্ষক-সহপাঠীদের জন্য তাদের আলাদা করে চেনা ছিল বেশ কঠিন।
২০১৮ সালে স্বপ্নীল ও স্বর্ণালী ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তি হয়, পরে একই বিদ্যালয়ে ভর্তি হয় সেঁজুতি। তিনজনই একই শিফটে পড়লেও স্বর্ণালীকে পড়তে হয়েছে আলাদা শাখায়। এবার তারা বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।

পড়াশোনায় তিনজনই মনোযোগী এবং বরাবরই ভালো ফল করে এসেছে। তবে পছন্দের বিষয়ে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে—স্বপ্নীলের প্রিয় জীববিজ্ঞান ও বাংলা সাহিত্য, স্বর্ণালীর জীববিজ্ঞান ও রসায়ন, আর সেঁজুতির পছন্দ জীববিজ্ঞান। খাবারের ক্ষেত্রে তিনজনেরই প্রিয় বিরিয়ানি, যদিও অন্যান্য খাবারে ভিন্নতা আছে। পোশাকে আগে একরকম হলেও এখন আলাদা পছন্দ তৈরি হয়েছে। থ্রি-পিস তাদের সবার প্রিয়, আর বিশেষ আয়োজনে শাড়ি পরতে ভালোবাসে।

পড়াশোনার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও সক্রিয় তারা। তিনজনই বেতারের ঠাকুরগাঁও কেন্দ্রের তালিকাভুক্ত শিশুশিল্পী এবং দেশাত্মবোধক গান গাইতে পছন্দ করে। অবসর সময়ে উপন্যাস ও সায়েন্স ফিকশন বই পড়া, গান শোনা ও গাওয়া—এসবই তাদের প্রিয় সময় কাটানোর মাধ্যম।
ভবিষ্যৎ নিয়ে তাদের স্বপ্নও আলাদা। স্বপ্নীল চায় বিসিএস ক্যাডার হতে, স্বর্ণালীর লক্ষ্য চিকিৎসক হওয়া এবং সেঁজুতি হতে চায় শিক্ষক।
তাদের জীবনযাপনও অনেকটাই একসঙ্গে—একই ঘরে থাকা, একসঙ্গে স্কুলে যাওয়া, পড়াশোনা করা ও খেলাধুলা। ছোটখাটো ঝগড়া হলেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না, মুহূর্তেই মিল হয়ে যায়।
বিদ্যালয়ের শিক্ষক তাপস দেবনাথ জানান, একই ইউনিফর্মে তাদের আলাদা করা অনেক সময় কঠিন হয়ে যেত, তাই মাঝে মাঝে আলাদা চিহ্ন ব্যবহার করতে হতো।

মা ময়না রানী সেন বলেন, একসঙ্গে তিন মেয়েকে বড় করা সহজ ছিল না, তবে তাদের ভালোবাসা সব কষ্ট ভুলিয়ে দেয়।
বাবা ঠান্ডারাম বর্মন বলেন, প্রথমে যমজ সন্তান হবে ভেবেছিলেন, কিন্তু তিন মেয়ে হওয়ায় দুশ্চিন্তা ছিল। এখন তাদের সাফল্যে গর্ব অনুভব করেন এবং তাদের জন্য সর্বোচ্চ দিতে চান।
তিন বোন একসঙ্গে সবার দোয়ায় তারা ভালো ফল করে মা-বাবার মুখ উজ্জ্বল করতে চান।

নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যা, চারজন পুলিশ হেফাজতে

নওগাঁ প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৪৪ অপরাহ্ণ
নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যা, চারজন পুলিশ হেফাজতে
নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল সোমবার গভীর রাতে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে হত্যাকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে। নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
নিহতরা হলেন, বাহাদুরপুর গ্রামের নমির উদ্দিনের ছেলে হাবিবুর রহমান (৩২) তাঁর স্ত্রী পপি সুলতানা (২৫), ছেলে পারভেজ (৯) এবং মেয়ে সাদিয়া আক্তার (৩)।এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহত হাবিবুরের বাবা নমির উদ্দিন (৭০), বোন ডালিমা বেগম (৪৫) ও শিরিনা বেগম (৪০) এবং ভাগনে সবুজ রানাকে (২৫) হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, হত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে এটি পারিবারিক বিরোধের জেরে ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, বাড়ির দরজা-জানালা অক্ষত থাকায় ধারণা করা হচ্ছে, হত্যাকারীরা পরিবারের পরিচিত কেউ হতে পারেন।
এদিকে আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন রাজশাহী রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি শামীম আহমেদ ও নওগাঁর পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম। এ সময় র‌্যাব, সিআইডি ও পিবিআইসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় বাসিন্দা বলছেন, ভোর ৬টার দিকে এ ঘটনা জানাজানি হয়। বাড়ির সদর দরজাসহ সব জানালা-দরজা অক্ষত রয়েছে। তাহলে হত্যাকারীরা কীভাবে ভেতরে প্রবেশ করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। পারিপাশি^কতা দেখে তারা ধারণা করছেন নিজেদের লোকেরাই এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন।
সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, হাবিবুর রহমানের মরদেহ ঘরের বিছানায় পড়ে ছিল। অন্য একটি ঘরে পাওয়া যায় তাঁর ছেলে ও মেয়ের লাশ। বাড়ির আঙিনায় পড়ে ছিল পপি সুলতানার মরদেহ। ঘটনাটি জানাজানি হয় ভোরের দিকে, যখন হাবিবুরের বাবার চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় স্বজনদের আহাজারিতে এলাকার বাতাস ভারী হয়ে উঠে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে ফাঁসির দাবি করেন তারা।
নিহত হাবিবুর রহমানের প্রতিবেশী খলিলুর রহমান বলেন, হাবিবুর স্ত্রী-সন্তানসহ তার বাবা নমির উদ্দিনকে নিয়ে বাড়িতে বসবাস করেন। রাতের কোন সময় এ ঘটনা ঘটেছে কিছুই বলতে পারছি না। রাতে কোনো চিৎকার চেঁচামেচিও শোনা যায়নি। সকাল ৬টার দিকে তাঁর বাবার চিৎকারের পর এলাকার লোকজন জানতে পারেন।নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, জমিজমা নিয়ে পারিবারিক বিরোধ দীর্ঘদিন ধরে চলছিল। নমির উদ্দিন প্রত্যেক মেয়েকে ১০ কাঠা করে সম্পত্তি দিয়ে অবশিষ্ট সম্পত্তি হাবিবুরের নামে লিখে দেন। এনিয়ে বোনদের সঙ্গে ভাই হাবিবুরের বিরোধ সৃষ্টি হয়।
হাবিবুরের স্ত্রীর মামা আবুল কালাম আজাদ দাবি করেন, ঈদের আগে একবার খাবারের সঙ্গে কিছু মিশিয়ে তাঁদের অচেতন করার ঘটনাও ঘটেছিল, যা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হতে পারে।
নিহত পপি সুলতানার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
নিহত পপি সুলতানার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
এ প্রসঙ্গে নওগাঁ পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘এটি ডাকাতির ঘটনা নয়। অন্য কোনো কারণে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে বলে মনে হচ্ছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
নিয়ামতপুরে চার খুনের মামলায় গ্রেফতার ৩ একসঙ্গে জন্ম নেয়া তিন বোন এসএসসি পরিক্ষায় অংশ গ্রহণ নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যা, চারজন পুলিশ হেফাজতে রংপুরে সিজারের পর পেটে কাপড় রেখে সেলাইয়ের অভিযোগ আত্রাই স্কুল পর্যায়ে রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত