খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ৮ শ্রাবণ, ১৪৩৩

সিলেট বিএনপি নেতার সেল্ডারে রাহেলা রমরমা ডিজিটাল দেহব্যবসা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৮:১৮ অপরাহ্ণ
সিলেট বিএনপি নেতার সেল্ডারে রাহেলা রমরমা ডিজিটাল দেহব্যবসা

সিলেট প্রতিনিধি: সিলেটের বিমানবন্দর থানাধীন দোপাগুল এলাকায় এক ভয়াবহ ডিজিটাল অপরাধ ও প্রতারণা চক্রের সন্ধান পাওয়া গেছে। প্রেমের অভিনয়, নগ্ন ভিডিও কল এবং বিয়ে করার প্রলোভন দেখিয়ে ইউরোপ প্রবাসী যুবকদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রাহেলা আক্তার নামে এক তরুণী ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে।

চাঞ্চল্যকর এই চক্রের সাথে জড়িত স্বয়ং মেয়ের মা এবং তার মামারা। এই ঘটনা ধামাচাপা দিতে এবং তথ্য সংগ্রহ করতে যাওয়া সাংবাদিককে প্রাণে মারার ও মামলার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক প্রভাবশালী নেতার বিরুদ্ধে

যেভাবে পাতা হয় এই নীল ফাঁদ

অনুসন্ধানে জানা যায়, দোপাগুল গ্রামের বাসিন্দা আনু বেগমের মেয়ে রাহেলা আক্তার মূলত ইউরোপ প্রবাসী সহজ-সরল ছেলেদের টার্গেট করে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। প্রবাসী ছেলেদের আকর্ষিত করতে রাহেলা ভিডিও কলে সম্পূর্ণ বিবস্ত্র হয়ে কথা বলেন এবং যৌন উত্তেজনামূলক কর্মকাণ্ড প্রদর্শন করেন। যার অসংখ্য স্থিরচিত্র ও ভিডিও ফুটেজ বর্তমানে সাংবাদিকদের হাতে সংরক্ষিত রয়েছে।

সূত্র বলছে,
রাহেলা এই কাজগুলো করেন তার মা আনু বেগম এবং মামা আক্তার হোসেন ও কয়সর আহমদের সরাসরি ছত্রছায়ায়। প্রবাসী যুবকদের বিশ্বাস অর্জনের জন্য রাহেলার মা ও মামারা ওই ছেলেদের ‘জামাই’ বা ‘দামান’ সম্বোধন করে কথা বলেন। কিন্তু যখনই কোনো যুবক বিয়ের প্রস্তাব দেন বা টাকা দেওয়া বন্ধ করে দেন, তখনই তাকে ব্লক করে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় এই প্রতারক চক্র।

এলাকাবাসীর ভাষ্য

দোপাগুল এলাকার একাধিক বাসিন্দার সাথে কথা বলে জানা গেছে, এই পরিবারের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তারা আগে থেকেই অবগত। এলাকাবাসী বিভিন্ন সময় চাপ দিলেও কোনো পরিবর্তন আসেনি। উল্টো তারা আড়ালে অনলাইন দেহ ব্যবসা ও ব্ল্যাকমেইল চালিয়ে যাচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

এই নগ্ন প্রতারণার বিষয়ে তথ্য জানতে রাহেলার মামা কয়সর আহমদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। কিছুক্ষণ পরেই নিজেকে সিলেট জেলা তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সদস্য দাবি করা মামুন আহমদ নামে এক ব্যক্তি সাংবাদিককে ফোন করেন। তিনি অত্যন্ত অকথ্য ভাষায় সাংবাদিককে গালিগালাজ করেন এবং যে পত্রিকায় সাংবাদিক কর্মরত সেই পত্রিকা নিয়েও তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেন।

কথিত এই নেতা ফোনে ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করে বলেন, “তুমি আমাকে চেনো না? আমার নাম বললে সিলেটের বড় বড় নেতারা চেনে।” এক পর্যায়ে তিনি সাংবাদিককে নানাভাবে হয়রানি, মিথ্যা মামলা ও প্রাণনাশের হুমকি দেন।

সংশ্লিষ্ট মহলের উদ্বেগ
ভুক্তভোগী সাংবাদিক জানিয়েছেন, তিনি কেবল অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং সতর্ক করার জন্য ফোন করেছিলেন। কিন্তু অপরাধী চক্র এবং তাদের মদদদাতা নেতার মারমুখী আচরণ ও হুমকি তাকে নিরাপত্তাহীনতায় ফেলেছে। এ ঘটনায় তিনি আইনের আশ্রয় নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

প্রশ্ন উঠেছে, একজন রাজনৈতিক নেতার ছত্রছায়ায় কীভাবে একটি পরিবার দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসীদের ইজ্জত ও অর্থ নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে? এই কথিত নেতা কি কেবল রাজনৈতিক পাওয়ার দেখাচ্ছেন, নাকি তিনিও এই অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ভাগীদার? তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।

প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছে এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীরা।

আমাদী ইউনিয়নে মিষ্টি বিতরণ নিয়ে মারামারি, পরে সালিসে সমাধান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৭:২৭ পূর্বাহ্ণ
আমাদী ইউনিয়নে মিষ্টি বিতরণ নিয়ে মারামারি, পরে সালিসে সমাধান

মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা উপজেলা প্রতিনিধি:- খুলনার কয়রা উপজেলার আমাদী ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে রসমলাই বিতরণকে কেন্দ্র করে হিসাব সহকারী ও গ্রাম পুলিশের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার বিকেল চারটার দিকে ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে এ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে।
পরিষদ সূত্র জানায়, বিকেলে ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে গ্রাম পুলিশ প্রসেনজিত পরিষদের কর্মচারীদের মধ্যে রসমলাই বিতরণ করছিলেন। এ সময় হিসাব সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর কু-ু ও প্রসেনজিতের মধ্যে সামান্য কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও মারামারিতে রূপ নেয়। এতে গ্রাম পুলিশ প্রসেনজিৎ আহত হন।
ঘটনার আকস্মিকতায় পুরো ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে উদ্যোগ নেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যরা। তাঁদের হস্তক্ষেপে পরিষদের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতিতে এক জরুরি বৈঠকে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে মীমাংসা করে দেওয়া হয়। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ শান্ত রয়েছে।

বিভ্রান্তিকর তথ্য অপপ্রচার ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে এবং, জাতীয় সংরক্ষণ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৭:১৭ পূর্বাহ্ণ
বিভ্রান্তিকর তথ্য অপপ্রচার ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে এবং, জাতীয় সংরক্ষণ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, জামালপুর প্রতিনিধি : জামালপুরের মাদারগঞ্জে সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচারের প্রতিরোধে এবং অনলাইন জুয়া প্রতিরোধ, জাতীয় সংরক্ষণ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার খরকা হল রুমে আলোচনা সভায় উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা সুমন চৌধুরী সভাপতিত্বে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামালপুর -৩ আসনের মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল এমপি।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্নেহাশীস রায়, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সুস্মিতা দত্ত, মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মুঞ্জুর কাদের বাবুল খান, পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল গফুর ও সাধারণ সম্পাদক খালেদ মাসুদ তালুকদার সোহেল, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল মান্নান চেয়ারম্যান, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা শাহ মোহাম্মদ মজনু ফকির,বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর নুর লাল মাষ্টার ,জুলাই যোদ্ধা সিয়াম প্রমুখ। এ সময় কর্মকর্তাবৃন্দ,ইমাম,মুয়াজ্জিন,শিক্ষক,কাজী সহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যে বলেন, ‘রাজনীতিবিদ, জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও দেশবাসী—আমাদের প্রত্যেককে স্ব-স্ব অবস্থান থেকে সামাজিক মূল্যবোধ ধরে রেখে নতুন দিনের বাংলাদেশ গঠনে এগিয়ে যেতে হবে।'”

ঘাটাইলে ধর্ষণের অভিযোগে একজন আটক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৭:১৪ পূর্বাহ্ণ
ঘাটাইলে ধর্ষণের অভিযোগে একজন আটক

মোঃ সবুজ সরকার সৌরভ, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি।। টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে আট বছরের এক শিশু কন্যাকে প্রলোভন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে ধ/র্ষ/ণের অভিযোগে সানোয়ার (৫২) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গত ৫ জুলাই রাতে উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নে এ ম/র্মা/ন্তিক ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুটির মা বাদী হয়ে ঘাটাইল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেফতারকৃত সানোয়ার উপজেলার শালিয়াবহ বটচালা গ্রামের কচরুলের ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত সানোয়ারের সাথে শিশুটির বাবা-মায়ের একই ইটভাটায় কাজ করার সূত্রে পূর্বপরিচয় ছিল। গত ৫ জুলাই রাত সাড়ে আটটার দিকে শিশুটিকে কয়েল কেনার জন্য স্থানীয় দোকানে পাঠানো হয়। দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পথে সানোয়ার শিশুটির পথরোধ করে কৌশলে পাশের একটি আমবাগানে নিয়ে যায়। সেখানে মুখ চেপে ধরে শিশুটিকে জোরপূর্বক ধ/র্ষ/ণ করা হয়।

ধ/র্ষ/ণের পর শিশুটি কান্না শুরু করলে অভিযুক্ত তাকে একটি ৫০০ টাকার নোট দিয়ে ঘটনাটি কাউকে না জানানোর হুমকি দেয়। পরবর্তীতে শিশুটি বাড়ি ফেরার সময় সানোয়ার সেই ৫০০ টাকাও আবার জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়।

শিশুটির পরিবার জানায়, ঘটনার পর ভুক্তভোগী বাড়িতে এসে বিস্তারিত জানালে বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানানো হয়। তারা সালিশের মাধ্যমে বিচারের আশ্বাস দিয়ে দিন পার করতে থাকেন। পরবর্তীতে সালিশে কোনো সুরাহা না পেয়ে এবং বিচার না পেয়ে অবশেষে নিরূপায় হয়ে থানায় গিয়ে এজাহার দায়ের করেন তারা। স্থানীয়দের আশ্বাসে কালক্ষেপণ হওয়ায় এজাহার দায়ে কিছুটা বিলম্ব হয় বলে জানায় পরিবারটি।

আজ ২১ জুলাই (মঙ্গলবার) বিকালে অভিযুক্ত সানোয়ারকে গ্রেফতার করে ঘাটাইল থানা পুলিশ।

আমাদী ইউনিয়নে মিষ্টি বিতরণ নিয়ে মারামারি, পরে সালিসে সমাধান বিভ্রান্তিকর তথ্য অপপ্রচার ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে এবং, জাতীয় সংরক্ষণ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঘাটাইলে ধর্ষণের অভিযোগে একজন আটক মাদারগঞ্জ উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটির কেন্দ্রীয় কমিটিতে এম এ সালাম রুবেল