খুঁজুন
শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১৩ আষাঢ়, ১৪৩৩

হাকিমপুরে মালিকানাধীন জমি উদ্ধারে প্রতিপক্ষের বাধা: মিথ্যা মামলা দায়ের ও হয়রানির অভিযোগ

মো. লুৎফর রহমান,হিলি (দিনাজপুর)
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১১:৩২ অপরাহ্ণ
হাকিমপুরে মালিকানাধীন জমি উদ্ধারে প্রতিপক্ষের বাধা: মিথ্যা মামলা দায়ের ও হয়রানির অভিযোগ

দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার দেবখন্ডা গ্রামে জমি সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

গতকাল রোববার (১ মার্চ) উভয় পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন। এ ঘটনায় পুলিশের এসআই মোস্তাফিজুর রহমানের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

জমির পরিমাণ ছিল প্রায় ১৫ একর ৬৫ শতক, যার এস এ মালিক ছিলেন সফুরা খাতুন। ১৯৬৪ সালের ৪ অক্টোবর হেবা ঘোষণার দলিলের মাধ্যমে সফুরা খাতুন তার তিন ছেলের নামে জমি হস্তান্তর করেন, আরএস খতিয়ান অনুযায়ী জমিটি তার ছেলে সামছুদ্দিন নামে প্রকাশিত হয়েছে ২১৯১।

অভিযোগকারী শামীম জানান, রোববার সকাল ৯টার দিকে তার চাচা বদিউজ্জামান, আবুল কালাম এবং তাদের ছেলে জনি ও জুয়েল ভাড়াটে লোক নিয়ে বিরোধপূর্ণ জমিতে চাষাবাদ শুরু করেন। এতে বাধা দিতে গেলে এসআই মোস্তাফিজুর রহমান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তিনি তাদের বাধা দিয়ে প্রতিপক্ষকে জমিতে ধান লাগাতে নির্দেশ দেন বলে অভিযোগ করেন শামীম।

এ সময় তার ভাবী মুক্তা বেগমকে সেখান থেকে আটক করে থানায় নেওয়া হয় এবং তার বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
লুৎফা বেগম বলেন, জমিটি তার শাশুড়ির নামে হলেও তাদের সেখানে যেতে দেওয়া হচ্ছে না।

থানা পুলিশ গভীর রাতে একাধিকবার বাড়িতে এসে ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়ে বলে, জমিতে প্রবেশ করলে জেলে পাঠানো হবে এমন অভিযোগ করেন তিনি। তার দাবি, ইতোমধ্যে তাদের পরিবারের তিনটি সম্পত্তি দখল করা হয়েছে। জমির বিরোধের কারণে তার প্রায় ৯০ বছর বয়সী স্বামী মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী মোহাম্মদ গোলাম আজম জানান, কাজের সময় হাঙ্গামা দেখে তিনি ঘটনাস্থলে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন, জমি চাষ করতে গেলে প্রতিপক্ষ বাধা দিচ্ছে। এ সময় ১০-১৫ জন লোক একটি মাইক্রোবাসযোগে ঘটনাস্থলে আসে। তাদের পরিচয় জানতে চাইলে তারা কোনো উত্তর দেয়নি।

মো. হিমেল অভিযোগ করেন, ঘটনাস্থলে উপস্থিত এসআই মোস্তাফিজুর রহমান প্রতিপক্ষকে জমি চাষের অনুমতি দেন। এ সময় তার মা জমি চাষ করতে নিয়ে আসা মেশিনের সামনে দাঁড়িয়ে বাধা দিলে পুলিশ তাকে তুলে নিয়ে যায়। তিনি বলেন, আমার মায়ের কোনো অপরাধ ছিল না। প্রশ্ন করতেই আমাকেও আটক করার হুমকি দেওয়া হয়।

অন্যদিকে আবুল কালাম আজাদ দাবি করেন, জমিটি দীর্ঘ ৬০ বছর ধরে তাদের দখলে রয়েছে এবং দলিল অনুযায়ী তাদের মালিকানা রয়েছে। তিনি বলেন, জমি নিয়ে মামলা চলমান রয়েছে এবং দিনাজপুর জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসে রিভিউ করা হয়েছে। আগামী ৩ মার্চ এ বিষয়ে শুনানি রয়েছে।

এ বিষয়ে এসআই মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমি কাউকে সমর্থন করিনি। সবাইকে সরে যেতে বলেছি। আদালত বা গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে সমাধান হোক। আমি কাউকে চাষাবাদ করতে বলিনি।

হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের ঘটনায় মুক্তা বেগম নামে এক মহিলাকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় সাতজনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং ২৩/২৬ রুজু করা হয়েছে। আটক মুক্তা বেগমকে সোমবার দুপুরে দিনাজপুর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

থানা সূত্রে আরও জানানো হয়, গভীর রাতে পুলিশ গিয়ে হুমকি দিয়েছে এমন অভিযোগ সঠিক নয়। উভয় পক্ষের মধ্যে পারিবারিকভাবে বিরোধ মীমাংসার চেষ্টা করা হয়েছিল। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে। পুলিশ কাউকে হয়রানি করেনি বলেও দাবি করা হয়।y

জনগনের সন্তুষ্ঠিই আমার সন্তুষ্টি সাধারন মানুষ পাবে ইনসাফ এ,কে,এম ফজলুল হক মিলন এমপি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ৯:১২ অপরাহ্ণ
জনগনের সন্তুষ্ঠিই আমার সন্তুষ্টি সাধারন মানুষ পাবে ইনসাফ এ,কে,এম ফজলুল হক মিলন এমপি

মুঃ সোহরাব আলী সরকার, কালীগঞ্জ গাজীপুর প্রতিনিধি : শিক্ষার মানোন্নয়নে মাধ্যমিক পর্যায়ে অধ্যয়নরত অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের ও দুস্থ নারীদের মাঝে বাইসাইকেল ও সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব এ কে এম ফজলুল হক মিলন এ কথা বলেন।
আজ ২৬/০৬/২০২৬ শুক্রবার কালীগঞ্জ আর আর এন পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়া মাঠে অনুষ্ঠিত হলো শিক্ষার মানোন্নয়নে মাধ্যমিক পর্যায়ে অধ্যয়নরত অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের ও দুস্থ নারীদের মাঝে বাইসাইকেল ও সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠান ২০২৬
অনুষ্ঠানে সভাপত্বি করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ টি এম কামরুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর ৫ থেকে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলন। অনুষ্ঠানটির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার মোঃ রেজাউল হক।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে শিক্ষার গুনগত মানোন্নয়নে কাজের উদাহার হিসাবে আজকের এই আয়োজনের কথা উল্লেখ করেন, তিনি বলেন আমি স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় কর্তৃক বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীর আওতায় বরাদ্দ থেকে যে অর্থ পেয়েছি তা অন্য কোন খাতে খরচ না করে শিক্ষা খাতে খরচ করেছি যাতে দুস্থ অসহায় ছাত্র / ছাত্রীরা সময় মত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকতে পারে যাতে করে তাদের পড়াশোনা কোন ক্ষতি না হয়। অসহায় দরিদ্র নারীরা ঘরে বসে উপার্জন করতে পারে। আমি বিভিন্ন বিদ্যলয়ে ক্রীড়া সামগ্রীর ব্যবস্থা করেছি ভবিষ্যতে আরও করব ইনশাআল্লাহ আমার কাছ থেকে ইনসাফ পাবেন আপনাদের সন্তুষ্টি আমার সন্তুষ্টি।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ,বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ছাত্র/ ছাত্রী শিক্ষকগণ,অভিভাবকবৃন্দ মিডিয়ার সাংবাদিকগণ ও এলাকার সাধারণ জনগন।

গভীর সমুদ্রে নিখোঁজ জেলের মরদেহ উদ্ধার কুয়াকাটায়

কুয়াকাটা ( পটুয়াখলী ) প্রতিনিধি: 
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ণ
গভীর সমুদ্রে নিখোঁজ জেলের মরদেহ উদ্ধার কুয়াকাটায়

 

পটুয়াখালীর মহিপুর থানার গঙ্গামতি উপকূলের গভীর সমুদ্রে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর কুয়াকাটা থেকে এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত জেলে শাহাবুদ্দিন মাঝি (৬০) লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর থানার চর গাছিয়া এলাকার মৃত আমির হোসেনের ছেলে।

জানা গেছে, গত ২৩ জুন ভোর ৫টার দিকে ধূলাসার ইউনিয়নের গঙ্গামতি মৎস্যঘাট থেকে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে গভীর সমুদ্রে যান জেলেরা। সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে হঠাৎ আবহাওয়া খারাপ হয়ে যায়। এ সময় জাল তোলার সময় প্রবল ঢেউয়ের আঘাতে জালাল মুন্সির ট্রলার থেকে শাহাবুদ্দিন মাঝি সমুদ্রে ছিটকে পড়ে তলিয়ে যান।

ঘটনার পর সহকর্মী জেলেরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরে বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হয়।

আজ ( ২৫ জুন ) বৃহস্পতিবার গভীর সমুদ্রে ভাসমান অবস্থায় শাহাবুদ্দিন মাঝির মরদেহ দেখতে পান লেম্বুর বনঘাট এলাকার কয়েকজন জেলে। তারা বিষয়টি স্বজনদের জানালে নিহতের পরিবারের সদস্যরা অন্য একটি নৌকার সহযোগিতায় ঘটনাস্থলে যান। পরে সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে গভীর সমুদ্র থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে উপকূলে নিয়ে আসেন।

খবর পেয়ে স্থানীয় নৌ-পুলিশ, থানা পুলিশ ও টুরিস্ট পুলিশ   ঘটনাস্থলে পৌঁছে আইনগত কার্যক্রম শুরু করেছে।

এ ঘটনায় জেলে পরিবার ও এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দীর্ঘদিন ধরে জীবিকার তাগিদে সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে এমন দুর্ঘটনায় জেলেদের প্রাণহানির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

তিস্তার ৩০ পয়েন্টে তীব্র ভাঙন, বিলীন হচ্ছে ভিটেমাটি ফসলি জমি

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ণ
তিস্তার ৩০ পয়েন্টে তীব্র ভাঙন, বিলীন হচ্ছে ভিটেমাটি ফসলি জমি

 

উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যার আশঙ্কা কিছুটা কমলেও কুড়িগ্রামে এখন নতুন করে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ভয়াবহ নদীভাঙন। কুড়িগ্রাম জেলার ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদের পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয়েছে তীব্র ভাঙন। কুড়িগ্রাম জেলার অন্তত ৩০টি পয়েন্টে নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে মুহূর্তেই নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি ও গাছপালা।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল থেকে কুড়িগ্রাম জেলার নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন নদীর পানি ৫ থেকে ১৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে। তবে পানি কমলেও নিচু এলাকার বিস্তীর্ণ ফসলি জমি এখনো পানির নিচে রয়েছে।

কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের কালির মেলা এলাকার কৃষক মোঃ রব্বানী ও মোঃ রহিউদ্দিন জানান, তিস্তার পানি ঢুকে তাদের এক বিঘা জমির বাদাম ক্ষেত তলিয়ে গেছে। দ্রুত পানি না নামলে পুরো ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের সবজি ও আউশ ধানেরও ব্যাপক ক্ষতির শঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে জানান স্থানীয় কৃষকরা।

এদিকে পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে নদীপারের মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদের তীরবর্তী বিভিন্ন এলাকায় ভাঙনের তীব্রতা বাড়ছে। অনেক পরিবার ঘরবাড়ি হারানোর আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। কোথাও কোথাও ইতোমধ্যে বসতঘর ও আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙনকবলিত মানুষের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে।

কুড়িগ্রাম জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ ময়দুল ইসলাম রনি বলেন, গতকাল থেকে ভারী বৃষ্টিপাত না হওয়ায় নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। স্থানীয়ভাবে নতুন করে অতিবৃষ্টি না হলে আপাতত বন্যার আশঙ্কা নেই।

অন্যদিকে কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, দ্রুত পানি নেমে গেলে নিমজ্জিত ফসলের বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা কম থাকবে। কৃষকদের জমিতে পানি নেমে যাওয়ার পর বিশেষ পরিচর্যা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

নদীবেষ্টিত কুড়িগ্রামের ভাঙনকবলিত মানুষ এখন জরুরি সরকারি সহায়তা ও টেকসই নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।

জনগনের সন্তুষ্ঠিই আমার সন্তুষ্টি সাধারন মানুষ পাবে ইনসাফ এ,কে,এম ফজলুল হক মিলন এমপি গভীর সমুদ্রে নিখোঁজ জেলের মরদেহ উদ্ধার কুয়াকাটায় তিস্তার ৩০ পয়েন্টে তীব্র ভাঙন, বিলীন হচ্ছে ভিটেমাটি ফসলি জমি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এক প্রবাসীর জমি দখলের অভিযোগ উঠেছ, মহিপুরে সংবাদ সম্মেলন গাজীপুরে ডিবি পুলিশের অভিযানে ১২০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার, উদ্ধার কাভার্ড ভ্যান