নাটোরের বড়াইগ্রামে সেনাবাহিনী ও মৎস্য বিভাগের যৌথ অভিযানে মাছ ধরার ২৩ টি চায়না দুয়ারি ও ৭ টি কারেন্ট জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
আজ ৬ই আগষ্ট বুধবার বড়াইগ্রাম উপজেলার আটঘরিয়া স্লুইসগেট এলাকায় বড়াল নদী হতে এসব জাল জব্দ করা হয়।
এ অভিযানে বড়াইগ্রাম উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো: মুরাদ হোসেন প্রামানিক, বাগাতিপাড়া উপজেলাা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এস. এম. মাহমুদুল হাসান সহ সেনাবাহিনী উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অসাধু মৎস্য আহরণকারীরা তাদের জাল ফেলে দ্রুত পালিয়ে যায়। তখন এলাকাবাসীদের সহযোগিতায় জালগুলো উদ্ধার করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
জামালপুরের মাদারগঞ্জে ক্যাসিনো সম্রাট রাফি’র বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার বেলা ১১ টায় মাদারগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস মোড়ে মানববন্ধন এবং পৌর বাস টার্মিনাল থেকে থানা মোড় পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে শত শত বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেয়।
মাদক ব্যবসায়ী এবং মাদারগঞ্জের ক্যাসিনো সম্রাট,কুখ্যাত সন্ত্রাসী ‘র বিচারের দাবিতে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বজলুর রশিদ সরকার, থানামোড় ব্যবসায়ী ফোরাম নেতা ফারুক আহমেদ, জুয়েল মন্ডল,শাকিল, জাহানারা বেগম সহ অনেকে।
বক্তারা মাদক ও ক্যাসিনো সম্রাট রাফি কে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবী জানান।
জামালপুরের মাদারগঞ্জে সেচপাম্প থেকে রুপসী নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার সকালে মাদারগঞ্জ উপজেলার ১ নং চরপাকেরদহ এলাকার আব্দুল হান্নান এর সেচপাম্প এর ভিতর নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সে মাদারগঞ্জ উপজেলার ঘোনাপাড়া এলাকার ছাইর উদ্দিনের মেয়ে রুপসী আক্তার (১৬)। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মাদারগঞ্জ সার্কেল মোস্তাফিজুর রহমান ভুঞা ও অফিসার ইনচার্জ ওসি স্নেহাশিষ রায় সহ সঙ্গীয় ফোর্স।
স্থানীয়রা জানান ঘোনাপাড়া এলাকার হান্নানের মোটরচালিত সেচপাম্পের ভিতর এক নারীর মরদেহ দেখে এক কৃষক। সে তার জমিতে সার বুনতে এসে সেচপাম্পের ভিতরে মরদেহ দেখে।
স্থানীয় আব্দুর রশিদ জানান সকালে জানতে পারি সেচপাম্প ঘরে নারীর মরদেহ। সেখানে কয়েকজনের সাথে এসে দেখি মোটরচালিত সেচপাম্পে নারীর মরদেহ। কয়েকজন চিনতে পেরে বলে এটা ছাইর উদ্দিনের মেয়ে রুপসী। আমি বিষয়টি থানায় অবগত করি থানা থেকে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
নিহতের বাবা ছাইরউদ্দিন জানান গতকাল রাত সাড়ে ৯ টা থেকে বাড়ী থেকে নিখোঁজ। আমরা খোঁজাখুজি করেছি পায়নি। ভাবছিলাম রাগ করে হয়তো কোন আত্মীয়ের বাড়ীতে গিয়ে আছে আসবেই। সকালে জানতে পারি সেচপাম্প ঘরে আমার মেয়ের মরদেহ। শোনার পরেই আমার পায়ের নিচে মাটি নেই।
মাদারগঞ্জ সার্কেল এএসপি মোস্তাফিজুর রহমান ভুঞা জানান চরপাকেরদহের ঘোনাপাড়া এলাকার মোটরচালিত সেচপাম্প ঘর থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটা হত্যা। মরদেহ সুরতহাল করে মর্গে পাঠানো হবে। মামলা পক্রিয়াধীন আছে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চার সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আসামীদের পক্ষে আইনি লড়াই না করার ঘোষণা দিয়েছেন রংপুর আইনজীবী সমিতি।
শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০ টায় আইনজীবী সমিতি ভবন চার হত্যাকাণ্ড নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন আইনজীবী সমিতির পক্ষে সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফতাব উদ্দিন।
তিনি বলেন, রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনাটি নিকৃষ্টতম ঘটনা। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমরা কয়েকজন সরকারি আইনজীবীসহ রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসককে সাথে নিয়ে ঘটনাস্থল ইতিমধ্যে পরিদর্শন করেছি।আমরা আইনজীবী সমিতির পক্ষে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কে বলতে চাই, আপনাদের পাশেই রয়েছি । আইনগত সব ধরণের সহায়তা আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে দেওয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ পরিবারের চারজনের লাশ উদ্ধারের পর পুলিশ দুইজনকে আটক করেছে এবং তাদের দেওয়া তথ্য মতে লুণ্ঠিত গহনা উদ্ধার হয়েছে। আটক দুইজন ইতিমধ্যে ১৬৪ ধারায় আদালতে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। পুলিশি তৎপরতা, সাংবাদিকগণের সহযোগিতায় এখন পর্যন্ত পুলিশের তদন্ত এবং কার্যক্রম সঠিক পথেই আছে বলে আমরা মনে করছি।
রংপুর আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফতাব উদ্দিন বলেন, এই হত্যাকান্ড নিয়ে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা রকমের গুজব ও গল্প সাজিয়ে প্রচার করছেন। কেউ কেউ এটাকে রাজনৈতিক করনের প্রচারণা চালানোর চেষ্টা করছেন। আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে অনুরোধ এই হত্যাকান্ড নিয়ে কেউ রাজনীতি করবেন না। কোন প্রকার গুজব ছড়াবেন না।
তিনি বলেন, আইনজীবী সমিতির সদস্যদের আলোচনা সাপেক্ষে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চার সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আসামীদের পক্ষে আইনি লড়াই না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পক্ষে রয়েছি এবং তাদের সবধরনের আইনি লড়াইয়ে আমরা তাদের পাশে আছি। এসময় তিনি এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে সাংবাদিকদের সঠিক তথ্য তুলে ধরার আহবান জানান।
এসময় রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব এডভোকেট মাহফুজ উন নবী ডন, রংপুর আইনজীবী সমিতির অ্যাডভোকেট সাহেদ কামাল ইবনে খতিব, জামায়াতের আইনজীবী এডভোকেট কাওছার আলীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আপনার মতামত লিখুন