খুঁজুন
রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৬ বৈশাখ, ১৪৩৩

দুনীতির মাধ্যমে গড়েছেন টাকার পাহাড়

দুবাই পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা কাজী ফসাল দুনীতির মাধ্যমে গড়েছেন টাকার পাহাড়

ঝালকাঁটি থেকে :
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৪, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ
দুবাই পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা কাজী ফসাল দুনীতির মাধ্যমে গড়েছেন টাকার পাহাড়

ঝালকাঠি প্রতিনিধি : দুবাই পাসপোর্ট ও ভিসা উইয়ং অফিসের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা কাজী ফয়সালকে প্রত্যাহার করার ১৮ দিন পার হলেও তিনি বহাল তবিয়তে অফিস করছেন। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল দুবাই (সংযুক্ত আরব আমিরাত) পাসপোর্ট ও ভিসা উইংয়ে কর্মরত প্রথম সচিব হিসেবে যোগদান করে মোহাম্মদ কাজী ফয়সাল কোটি কোটি টাকা অবৈধভাবে আয় করেছেন। অভিযোগ রয়েছে তাঁর অফিসের পাশেই একটি নির্দিষ্ট দোকান থেকে পাসপোর্টের আবদন করতে বাধ্য করা হয় আবেদনকারীকে। ওই দোকান থেকে তিনি প্রতিমাসে পারসেন্টিজ হিসেবে কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। ওই দোকান ছাড়া অন্য দোকান থেকে আবেদন করলে, তা গ্রহণ করেন না ওই কর্মকর্তা। এছাড়াও গত জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র করার অভিযোগও রয়েছে কাজী ফয়সালের বিরুদ্ধে। দুবাইতে যারা আন্দোলন করেছিলেন, তাদের তালিকা করে পাসপোর্ট বাতিল ও গ্রেপ্তার করানোর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন এই কর্মকর্তা। অবশেষে দুর্নীতিবাজ এই কর্মকর্তাকে দুবাই পাসপোর্ট ও ভিসা উইং অফিস থেকে তাকে প্রত্যাহার করা হয়। কিন্তু অদৃশ্য শক্তির বলে এখনো বহাল তবিয়তে দুর্নীতিবাজ এই কর্মকর্তা। এতে দুবাই প্রবাসী অনেকেই অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
লিখিত অভিযোগে জানা যায়, দুবাই ও উত্তর আমিরাতে অসংখ্য বাংলাদেশী প্রবাসী বসবাস করছেন। দেশের উন্নয়নে রেমিট্যান্স পাঠানোয় সংযুক্ত আরব আমিরাত সবার ওপরে। কিন্তু অসংখ্য প্রবাসীদের জন্য দুবাই পাসপোর্ট ও ভিসা উইং অফিসটি দুর্নীতির কারখানা বানিয়েছেন বাংলাদেশের গোপালগঞ্জের সন্তান প্রথম সচিব মোহাম্মদ কাজী ফয়সাল। দুবাই ও উত্তর আমিরাতের প্রবাসীদের কাছ থেকে পাসপোর্ট ও ভিসা করার কাজে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন দুর্নীতিবাজ এই কর্মকর্তা। শেখ হাসিনার ঘনিষ্টজন হওয়ায় তাঁর দুর্নীতির বিষয়ে এতো দিন কেউ মুখ খুলেনি। গোপালগঞ্জে বাড়ির সুবাদে অদক্ষ এই কর্মকর্তা বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। প্রবাসী বাংলাদেশীরা যখন সেবা নিতে যান, তখন তাঁর সঙ্গে দেখা করে না কাজী ফয়সাল। কখনো দেখা করলে প্রবাসীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন তিনি। তিনি পাসপোর্ট অফিসার হিসেবে নিয়োগ পেলেও সারাক্ষণ ব্যস্ত থাকতেন দুর্নীতি ও আওয়ামী লীগ সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়নে। দুবাই পাসপোর্ট ও ভিসা উইং অফিসকে তিনি আওয়ামী লীগের আরব আমিরাতের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করতেন।
অভিযোগ রয়েছে তিনি যোগদানের পর থেকেই দুবাই পাসপোর্ট অফিসে বাংলাদেশী প্রবাসী যারা পাসপোর্ট ইস্যু করতে যান, তাদের জন্য কাজী ফয়সাল প্রথম শর্ত দিয়েছেন অফিসের পাশেই রাব্বাস নামের একটি টাইপিং সেন্টার থেকে আবেদন করতে হবে। এই টাইপিং সেন্টার থেকে আবেদন না করলে, তাকে অফিসের ভেতরেই প্রবেশ করতে দেওয়া হতো না। সামনের গার্ডকে আগে থেকেই কাগজপত্র চেক করে ডুকাতে বলে রাখেন দুর্নীতিবাজ এই কর্মকর্তা। এ টাইপিং সেন্টার থেকে প্রতিদিন পাঁচ-ছয়শত আবেদন করা হয়। আবেদনকারীকে ৫০-৬০ দিরহাম করে টাইপিং চার্জ দিতে হয়। এই অর্থ থেকে কাজী ফয়সালকে দিতে হয় অর্ধেক টাকা ঘুষ। যার পরিমান প্রতিদিন চার-পাঁচ লাখ টাকা। মাসিক হিসেব অনুযায়ী এর পরিমান দাড়ায় এক কোটিও বেশি টাকা। এছাড়াও অফিসের নানা খ্যাত থেকে দুর্নীতির মাধ্যমে তিনি কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। তিনি প্রবাসী বাংলাদেশীদের সেবা সহজীকরণের কথা বলে শেখ রেহানার নিকট আত্মীয়ের ‘ফসাওয়া গ্লোবাল’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে পাসপোর্ট ও কনস্যুলার সার্ভিসের দায়িত্ব দেন। কিন্তু দুবাই পাসপোর্ট ও ভিসা উইং অফিসে পাসপোর্ট ইস্যুর জন্য পর্যাপ্ত জনবল রয়েছে। তারপরেও রাষ্ট্রীয় অতিগুরুত্বপূর্ণ এই সেবাটি অর্থের বিনিময়ে তিনি বাইরের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে করাতেন। যার বিনিময়ে তিনি ওই প্রতিষ্ঠান থেকে ১৫ কোটি টাকা ঘুষ গ্রহণ করেছেন। কাজী ফয়সাল ২৭ ব্যাচের বিসিএস কর্মকর্তা। গোপালগঞ্জে বাড়ির সুবাদে তিনি দুবাই পাসপোর্ট ও ভিসা উইং অফিসে তদবির করে ঢোকেন। বিগত সরকারের প্রভাব দেখিয়ে গড়েছেন টাকার পাহার। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে বিগত জুলাই-আগস্টে ছাত্র জনতার আন্দোলনেও ষড়যন্ত্র করেছিলেন। গত জুলাই মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমর্থনে বিক্ষোভ হয়। সেই বিক্ষোভ দমনে কাজী ফয়সাল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ওই সময় তিনি আইনশঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গেও যোগাযোগ রাখেন। বিক্ষোভকারীদের তালিকা প্রস্তুত করে দুবাই পুলিশ ও সিআইডিকে সরবরাহ করেন। তাদেরকে রাষ্ট্রদ্রোহী আখ্যা দিয়ে গ্রেপ্তারের জন্য সুপারিশও করেন। যার প্রেক্ষিতে কয়েকশ বাংলাদেশীকে আটক করা হয়। এর মধ্যে ৫৭ জনকে কঠোর শাস্তি দেওয়া হয়। তিনি আন্দোলনকারীদের পাসপোর্ট বাতিলের চেষ্টাও করেন। কিন্তু আন্দোলন তীব্র হওয়ায় তা পরেননি। ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পরে তাঁর বিরুদ্ধে দুবাই ও উত্তর আমিরাতে বসবাসকারী বাংলাদেশী প্রবাসী ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমর্থনকারী সাকিবুল ইসলাম বাংলাদেশ সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষাপটে গত ২২ অক্টোবর তাকে দুবাই পাসপোর্ট ও ভিসা উইং অফিস থেকে প্রত্যাহার করে দেশে ফেরার জন্য নির্দেশ দেন বাংলাদেশ সচিবালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব মিঞা মুহাম্মদ আশরাফ রেজা ফরিদী। এরই প্রেক্ষিতে গত ৩০ অক্টোবর তাকে প্রত্যাহার করে বাংলাদেশ সচিবালয়ের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগে যোগদান করার নির্দেশ দেন উপসচিব আফরোজা আক্তার রিবা। অথচ এই চিঠির ১৮ দিন পার হলেও তিনি বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এখনো তিনি স্বৈরশাসকের দোসড়দের অদৃশ্য শক্তির বলে নিয়মিত অফিস করে ঘুষ বাণিজ্য বহাল রেখেছেন। তাকে অবিলম্বে জরুরী নোটিশ দিয়ে প্রত্যাহার এবং তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূঔশ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন দুবাই ও উত্তর আমিরাতের প্রবাসী বাংলাদেশীরা।
এব্যাপারে তাঁর ব্যবহৃত ফোনে কলা করা হলেও তিনি তা ধরেননি।

ইসলামপুরে পৈত্রিক জমি দখলের অভিযোগ

হোসেন আলি
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৪৫ অপরাহ্ণ
ইসলামপুরে পৈত্রিক জমি দখলের অভিযোগ

Oplus_131072

মোঃ : হোসন শাহ্‌ ইসলামপুর জামালপুর প্রতিনিধিঃ জামালপুরের ইসলামপুরে পৈত্রিক জমি দখলের অভিযোগ। দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত জেড়ে বিরোধ। গ্রাম্য সালিশি রায় অমান্য করে উল্টো হুমকি।

উপজেলা নোয়ারপাড়া ইউনিয়নে পশ্চিম নতুনপাড়া গ্রামের ভুক্তভোগী আতা,খাজা ও মালেক উদ্দিন জানান, পৈত্রিকসূত্রে আবাদি জমি প্রায় ১একর ৮৬শতাংশ অযথাই সৎ ভাই বাদশা ও কুদরত গংরা গত কয়েক বছর ধরে আমাদের সঙ্গে বিরোধ করে আসছে। এবং জোরপূর্বক ভাবে দীর্ঘদিন ধরে জমি দখল করে রেখেছেন। আমাদের পৈত্রিক সূত্রের জমি পাওয়া এবং নিজেদের ক্রয় করা জমি বেদখল করা অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়ভাবে গণ্যমান্য ব্যক্তি বিষয়টি মীমাংসার জন্য অন্তত ১০বার গ্রামের সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তির,ইউপি সদস্যসহ উপস্থিতিতে একটি সালিশ অনুষ্ঠিত হয়। নোয়ারপাড়া মৌজা,আরওআর খতিয়ান নং-১৪১২ ও ১৫৫৯ এবং বিআরএস-৩০১৭,৩০১৮ ও ৩৩২১ নং খতিয়ানের ১৪দাগে পৈত্রিক সূত্রে মালিক খাজাগংরা। দুইপক্ষে কাগজপত্রের ভিত্তিতে খাজা,আতা ও মালেকদের জমির দলিলপত্র স্বচ্ছতা পাওয়া তাদের অংশ হিসাবে ১একর ৮৬শতাংশ জমি শালিশিতে রায় হয়।

​ভুক্তভোগীদের অভিযোগ,বাদশা ও কুদরত হোসেন সালিশি রায় মেনে নিয়ে উল্টো ভুক্তভোগী ও সালিশিতে থাকা গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মুঠোফোনে বিভিন্ন সময়ে হুমকি প্রদান করেন রফিকুল ইসলাম।

স্থানীয় এলাকাবাসী,তুরাপ আলী আকন্দ,ইব্রাহিম আকন্দ ও এশানুর রহমান বলেন,বিবাদীরা প্রভাবশালী এবং তাদের সন্তানরা ভালো চাকরি করার সুবাদে তারা অর্থের দাপট দেখিয়ে অসহায় আতা ও মালেকগং দের পরিবারের তাদের প্রাপ্য জমি থেকে ভয় ভিত্তি দেখায়ে বঞ্চিত করছেন।

এ ব্যাপারে বাদশা ও কুদরত সঙ্গে একাধিক বার মোটফোনে যোগাযোগ করা হলেও তাদের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,ভুক্তভোগী পরিবারদের পক্ষে গ্রামবাসী একত্রিত হয়ে বিবাদীদের এমন অন্যায়ের প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। এবং ভুক্তভোগী পরিবার তারা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন যাতে দ্রুত এই দীর্ঘস্থায়ী সমস্যার সমাধান হয়। এবং প্রকৃত মালিক তাদের জমি ফিরে পান।

হারাগাছ মেট্রো থানার এএসআই পিয়ারুল ইসলাম হত্যা মামলায় আসামির মৃত্যুদন্ড

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
হারাগাছ মেট্রো থানার এএসআই পিয়ারুল ইসলাম হত্যা মামলায় আসামির মৃত্যুদন্ড

 

রংপুর হারাগাছ থানার এএসআই পিয়ারুল ইসলাম হত্যা মামলায় আসামী পারভেজ রহমান পলাশ (২৬) কে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে আদালত।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে রংপুর অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মার্জিয়া খাতুন এ রায় দেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাশ হারাগাছ থানার বাহারকাছনার তেলিপারার জাহিদু ইসলামের ছেলে।

মামলা সুত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর নগরীর সাহেবগঞ্জ এলাকায় মাদকসেবী পলাশের ছুরিকাঘাতে এএসআই পিয়ারুল গুরুতর আহত হয়। পরে তিনি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে হত্যা ও মাদক আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়েরসহ আসামী পারভেজ রহমান পলাশকে গ্রেফতার করে। ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণসহ উভয়পক্ষের আইনজীবিদের যুক্তি-তর্ক শেষে আজ আদালত আসামী পলাশের মৃত্যুদন্ডসহ দশ হাজার টাকা অর্থদন্ডের রায় দেন।

এছাড়া আরও দুটি ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করে আদালত।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর এ এস এম মাহামুদুল করিম (লিটন) জানান, অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমান করতে সক্ষম হওয়ায় আদালত আসামির মৃত্যুদন্ডের রায় দিয়েছেন।

ইসলামপুরে প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষি কার্ড বিতরণ করা হয়

মোঃহোসন শাহ্‌ ফকির ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ণ
ইসলামপুরে প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষি কার্ড বিতরণ করা হয়

 

প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকের হাতে কৃষক কার্ড ও গাছের চারা তুলে দিয়ে  মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষক কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
উদ্বোধনের সময় তিনি স্থানীয় ১৫ জন কিষান–কিষানির হাতে কৃষক কার্ড ও গাছের চারা তুলে দেন।
প্রথম ধাপে সারা দেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় প্রায় ২১ হাজার ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকের মধ্যে এই কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে।
এরই ধারাবাহিতায় জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার গাইবান্ধা ইউনিয়নের কৃষকদের মাঝে কৃষিকার্ড বিতরণ করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মো: ইউসুপ আলীর সভাপতিত্বে
প্রধান অতিথি ছিলেন,  বেসামরিক বিমান পরিবহন  ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী  এম.রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
মূখ্য আলােচক ছিলেন ইসলামপুর আসনের এমপি সুলতান মাহমুদ বাবু।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, জামালপুর সদরের সংসদ সদস্য এড. শাহ ওয়ারেজ আলী মামুন, মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ আসনের এমপি মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, জেলা পরিষদের প্রশাসক সাবেক
স্বাস্থ্য উপমন্ত্রী  সিরাজুল হক,পুলিশ সুপার ফারহানা ইয়াসমিন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ সচিব মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।
কৃষি কার্ড বিতরণ হওয়ায়  সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
কৃষি কার্ডের মাধ্যমে কৃষক, মৎস্যচাষি ও দুগ্ধ খামারিরা নগদ প্রণোদনা, ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সেচসুবিধা, সহজ শর্তে ঋণ, কৃষিবিমাসহ মোট ১০ ধরনের বিশেষ সুবিধা পাবেন।
পেশাজীবী হিসেবে কৃষকের স্বীকৃতি প্রদান, আয় বৃদ্ধি এবং ভর্তুকি বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। আগামী চার বছরে ১ কোটি ৬৫ লাখ কৃষকের হাতে এই কার্ড তুলে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এ কর্মসূচির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৮১ কোটি টাকা।
এ সময় উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ইসলামপুরে পৈত্রিক জমি দখলের অভিযোগ হারাগাছ মেট্রো থানার এএসআই পিয়ারুল ইসলাম হত্যা মামলায় আসামির মৃত্যুদন্ড ইসলামপুরে প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষি কার্ড বিতরণ করা হয় মাদারগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে সেচপাম্প চালকের মৃত্যু'পরিবারে আহাজারি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত