খুঁজুন
সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

অপসারণের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

চাটখিলে মাদ্রাসার শিক্ষক অপসারণের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

নোয়াখালী থেকে :
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৪, ৮:৩৫ পূর্বাহ্ণ
চাটখিলে মাদ্রাসার শিক্ষক অপসারণের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক : নোয়াখালী জেলার চাটখিল থানার ঐতিহ্যবাহী মাদ্রাসা মল্লিকার দিঘীরপাড় ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষক হুমায়ূন কবির দেওয়ানকে অপসারণের দাবী জানিয়েছে মাদ্রাসার সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) মাদ্রাসায় অঙ্গনে সংবাদ সন্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। সংবাদ সন্মেলন শেষে সমস্যা সমাধানের জন্য শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসা প্রধান ও স্থানীয় প্রশাসন (ইউএনও) বরাবর ১১ দফা দাবী সংবলিত একটি স্মারকলিপি ও অভিযোগপত্র প্রদান করে।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, অভিযুক্ত মাদ্রাসার শিক্ষক হুমায়ূন কবির দেওয়ান ছিল স্বৈরাচারী সরকারের দোসর ও সুবিধাভোগী। বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে ২০০৯ সালে মাদ্রাসার আরেক শিক্ষক মাওলানা ইয়াসিন আহমদকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে হুমায়ুন কবির দেওয়ান, আবু তাহের মাস্টারসহ স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাদের যোগসাজশে চাটখিল থানায় একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে। উক্ত মামলার বাদী ছিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ জনাব মাওলানা আব্দুল মান্নান।

সংবাদ সন্মেলনে শিক্ষার্থীদের উপর হওয়া নির্যাতন নিয়ে বলেন, বিগত ২০১৯ সালে ইসমাইল রাফি নামের এক মাদ্রাসার ছাত্রকে ছাত্রলীগ নেতা সবুজ ও জসিম তুলে নিয়ে গিয়ে মারধর করে। ঐ ছাত্রকে তুলে নিয়ে যেতে সাহায্য করে শিক্ষক হুমায়ূন কবির দেওয়ান। তাকে মারার জন্য হুমায়ূন কবির দেওয়ানসহ স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও ছাত্রলীগ আগে থেকেই পরিকল্পনা করে রাখে। এ ছাড়া বিভিন্ন সময় নানা রকম অনিয়ম করার জন্য রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যাবহার, ছাত্র ছাত্রীদের অকারনে রাজাকার গালি দেওয়ার অভিযোগও তার বিরুদ্ধে রয়েছে।

ছাত্ররা আরও বলেন, যে দেশ স্বৈরাচারমুক্ত হলেও তার দোসররা এখনও স্বপদে বহাল রয়ে গেছে। দেশে স্থিতিশীলতা আনতে হলে, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হলে প্রতিটা যায়গায় ঘাপটি মেরে বসে থাকা স্বৈরাচারের দোসরদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। সেজন্য ছাত্র শিক্ষক নির্যাতনের সুষ্ঠু বিচার ও শিক্ষক হুমায়ূন কবির দেওয়ানের অপসারনের দাবি জানাই।

এসময় গত কয়েক বছরে মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল ও শিক্ষক হুমায়ুন কবির দেওয়ানের সহযোগিতায় শিবির সন্দেহে ছাত্রলীগের হাতে নির্যাতিত হওয়া শিক্ষার্থীরা বক্তব্য রাখেন।

সাপাহারে সরকারি আশ্রয়ন প্রকল্পের বসতবাড়িতে হামলা ও ভাংচুর

সাপাহার নওগাঁ প্রতিনিধিঃ
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ৮:৩৩ অপরাহ্ণ
সাপাহারে সরকারি আশ্রয়ন প্রকল্পের বসতবাড়িতে হামলা ও ভাংচুর

নওগাঁর সাপাহারে সরকারি আশ্রয়ন প্রকল্পের বসতবাড়িতে হামলা ও ভাংচুর এর অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে উপজেলার চন্দুরা, আশ্রয়ন গ্রামে বসবাসকারী মোহাম্মদ আলী এর পুত্র আরিফ বিল্লাহ (২৮)।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আশ্রয়ন প্রকল্পের মাঝখানে একটি খাসপুকুর আশ্রয়ন বাসি সরকারিভাবে ইজারা পাওয়ায়, তাদেরকে সেখান থেকে উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে গত ২৪ মে রোববার দুপুর ১২ টার দিকে হামলা চালিয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে সাপাহার উপজেলা তিলনা ইউনিয়নের চন্দুরা গ্রামের মৃত লুৎফর রহমানের পুত্র খয়বর আলী (৪০), আব্দুস সাত্তার এর পুত্র রফিকুল ইসলাম রুবেল (৩৫), জামাল উদ্দিন (৬৫) পিতা অজ্ঞাত, মৃত বাক্স এর পুত্র হারুন (৫০) আব্দুল গফুর(৫০) পিতা অজ্ঞাত, মৃত মোতালেব এর পুত্র মোকলেস (৪০), মৃত্যু রায়হান এর পুত্র আলহাজ্ব জুয়েল (৪২), হেলাল হোসেন (৩৬) পিতা অজ্ঞাত, মোঃ জিল্লুর রহমানের পুত্র করিম (৪০), কিনা মন্ডলের পুত্র ফজলু ৪৫ সহ আরো নাম না জানা ১৫ থেকে ২০ জন দুর্বৃত্ত ব্যক্তিরা এ হামলা চালিয়েছে এ সময় আশ্রয়ন প্রকল্পে বসবাসকারী দেলোয়ার বাধা প্রদান করিলে তাকে মেরে রক্তাক্ত যক্ষম করে। এবং ১৭ টি বসত বাড়ির মধ্যে ১০টি বাড়ির দরজা ও ঘরের টিন ভাঙচুর করে দুর্বৃত্তরা, এই ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চলের সৃষ্টি করিলেও আশ্রয়ন বাসির প্রতি সহযোগিতায় কেউ এগিয়ে আসেনি বলে দাবি করে বসবাসকারীরা।
প্রতিপক্ষের হারুনের সাথে কথা হলে বিষয়টি অস্বীকার করেন। তবে পুকুরটি বিষয়ে আপোষ নিষ্পত্তির কথা চলছে বলে জানান।
এ বিষয়ে সাপাহার থানা অফিসার ইনচার্জ ওসির সাথে কথা হলে তিনি বলেন এ বিষয়ে আমার জানা নাই অভিযোগের বাদী কে আমার কাছে পাঠিয়ে দিন।

নওগাঁর মান্দায় গাঁজার গাছসহ গ্রেফতার ১

মান্দা উপজেলা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ৫:৫২ অপরাহ্ণ
নওগাঁর মান্দায় গাঁজার গাছসহ গ্রেফতার ১

নওগাঁর মান্দা উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে গাঁজা গাছসহ নিতাই কুমার মন্ডল (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তিনি উপজেলার রামনগর গ্রামের নন্দ কুমারের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, মান্দা উপজেলার রামনগর গ্রামের একটি কচুক্ষেতের মধ্যে গোপনে গাঁজা গাছ রোপণ করে পরিচর্যা করা হচ্ছে।

সংবাদের সত্যতা যাচাই করে অভিযান পরিচালনা করলে অভিযানে অংশ নেওয়া টিম নিতাই কুমার মন্ডলকে গ্রেফতার করে। এ সময় স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে তার কচুক্ষেত থেকে একটি গাঁজা গাছ উদ্ধার ও জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত গাঁজা গাছটির ওজন প্রায় ২ কেজি ৫০০ গ্রাম বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত নিতাই কুমার মন্ডলের বিরুদ্ধে মান্দা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

রংপুর মেডিকেলে রোগীদের ছুটি দিয়ে তালাবদ্ধ কিডনি ওয়ার্ড, চিকিৎসাবিহীন রোগীরা

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ণ
রংপুর মেডিকেলে রোগীদের ছুটি দিয়ে তালাবদ্ধ কিডনি ওয়ার্ড, চিকিৎসাবিহীন রোগীরা

 

হাসপাতাল হলো মানুষের শেষ আশ্রয়ের জায়গা, যেখানে ঈদের আনন্দও ম্লান হয়ে যায় মুমূর্ষু রোগীদের সেবায়। কিন্তু রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের (রমেক) চিত্রটি সম্পূর্ণ উল্টো। ঈদ উদযাপনের অজুহাতে সেখানে চিকিৎসাধীন রোগীদের ‘বাধ্যতামূলক ছুটি’ দিয়ে খোদ কিডনি (নেফ্রোলজি) ওয়ার্ডেই তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন চিকিৎসক ও নার্সরা। গত চার দিন ধরে বন্ধ থাকা এই ওয়ার্ডের কারণে রংপুর অঞ্চলের কিডনি রোগীদের জীবনে নেমে এসেছে চরম অনিশ্চয়তা।

শনিবার (৩০ মে) সকালে সরেজমিনে হাসপাতালের ৪০ নম্বর কিডনি ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায় এক অবিশ্বাস্য দৃশ্য। হাসপাতালের প্রধান ফটকটি ভেতর থেকে বন্ধ। দীর্ঘ অপেক্ষার পর ভেতর থেকে এক নার্স ইশারায় জানিয়ে দিলেন, “বড় স্যারদের আদেশে ওয়ার্ড বন্ধ, কোনো রোগী নেই।” অথচ ভেতরের জানালা দিয়ে দেখা গেল, সারি সারি শয্যা শূন্য পড়ে আছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত সোমবার (২৫ মে) পর্যন্ত এই ওয়ার্ডে ১৮ জন গুরুতর অসুস্থ রোগী ভর্তি ছিলেন। কিন্তু ঈদের দোহাই দিয়ে তাদের একপ্রকার জোর করেই হাসপাতাল ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে। এমনকি আগামী ১ জুনের আগে নতুন কোনো রোগী ভর্তি না করার মৌখিক নির্দেশনাও দিয়ে রেখেছেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা।

একই ছাদের নিচে কিডনি ওয়ার্ড তালাবদ্ধ থাকলেও পাশের ডায়ালাইসিস ইউনিটটি খোলা রয়েছে। সেখানে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন তিন শিফটে ৬২ জন রোগীকে ডায়ালাইসিস দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু উদ্বেগের বিষয় হলো, ডায়ালাইসিস চলাকালীন কোনো রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়লে তাকে জরুরি চিকিৎসা দেওয়ার মতো কোনো ব্যবস্থা নেই, কারণ মূল কিডনি ওয়ার্ডটি বন্ধ। এই অবস্থাকে ‘পুরোপুরি অমানবিক’ বলে মন্তব্য করেছেন খোদ ডায়ালাইসিস ইউনিটের এক কর্মকর্তা।

দূর-দূরান্ত থেকে আসা রোগীরা এসে দেখছেন হাসপাতালের দরজায় তালা। গাইবান্ধা থেকে আসা রোগী রুহুল আমিন আক্ষেপ করে জানান, চিকিৎসা না পেয়ে তিনি এখন বাধ্য হয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সরকারি হাসপাতালে এসে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হবেন তা তিনি কল্পনাও করেননি।

এই নজিরবিহীন ঘটনার বিষয়ে জানতে কিডনি বিভাগের বিভাগীয় প্রধানসহ কোনো চিকিৎসককে কর্মস্থলে পাওয়া যায়নি। হাসপাতালের বর্তমান দায়িত্বে থাকা উপ-পরিচালক ডা. আব্দুল মোকাদ্দেমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি দায়সারাভাবে জানান, বিষয়টি তার জানা নেই এবং তিনি খোঁজ নিয়ে দেখবেন।

একটি পূর্ণাঙ্গ সরকারি হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিভাগ এভাবে উৎসবের নামে বন্ধ করে দেওয়া চিকিৎসাবিজ্ঞানের নীতি ও মানবিকতার চরম লঙ্ঘন বলে মনে করছেন ভুক্তভোগী ও সাধারণ মানুষ। দ্রুত এই ওয়ার্ড খুলে দিয়ে সেবা নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে সর্বত্র।

সাপাহারে সরকারি আশ্রয়ন প্রকল্পের বসতবাড়িতে হামলা ও ভাংচুর নওগাঁর মান্দায় গাঁজার গাছসহ গ্রেফতার ১ রংপুর মেডিকেলে রোগীদের ছুটি দিয়ে তালাবদ্ধ কিডনি ওয়ার্ড, চিকিৎসাবিহীন রোগীরা সেনবাগে লটারিতে লাখপতি ২ ও স্বপ্নের বাজারে ৯অসহায় মানুষ বিজয়ী। হাজারো পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত, বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ।।