খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ, ১৪৩৩

দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ

ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তার নার্সের বিরুদ্ধে রোগীদের সাথে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ

ছাতক প্রতিনিধি :
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ
ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তার নার্সের বিরুদ্ধে রোগীদের সাথে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ

Oplus_131072

ছাতক প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক রোগীকে স্বাস্থ্য সেবা না দিয়ে অশুভ আচরণ ও দূর্ব্যবহার এর অভিযোগ পাওয়া গেছে। দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকার ছাতক প্রতিনিধি মোঃ লুৎফুর রহমান শাওন শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বরাবরে একখানা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২১ সেপ্টেম্বর‘২৪ রাতে পেটে ব্যথা নিয়ে ছাতক পৌরসভার ০৪ নং ওয়ার্ডের গণক্ষাই আবাসিক এলাকার বাসিন্দা দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকার ছাতক প্রতিনিধি মোঃ লুৎফুর রহমান শাওন ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য গেলে জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ মহসিন ০২ টি ইনজেকশন লিখে দেন। বাহিরের ফার্মেসি থেকে ইনজেকশন ক্রয় করে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ইনজেকশন পুষ করার জন্য রুবেল নামের একজন স্টাফ এর মোবাইল নাম্বার দেন। রুবেল কে ফোন দেওয়ার ২০ মিনিট পরে এসে রুবেল ইনজেকশন পুষ করেন। ইনজেকশন পুষ করার পর পেটের ব্যথা না কমায় কর্তব্যরত চিকিৎসক হাসপাতালের নতুন বিল্ডিংয়ের ৪র্থ তলায় পুরুষ ওয়ার্ডে ভর্তি প্রদান করেন। ওয়ার্ডে গিয়ে কর্তব্যরত নার্স, আয়া বা ওয়ার্ড বয় কাউকে খুঁজে পাওয়া যায় নি, তাহারা সরকারী ডিউটি রেখে দরজা বন্ধ করে ঘুমাচ্ছিলেন। তখন রুগির সাথে থাকা তাহার ছোটভাই মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান সেই রুমের দরজায় অনেক ডাকা-ডাকির পর দরজা খুলে এতো ডাকা-ডাকি করছেন কেনো কারণ জানতে চান। তাদের পরনে মেডিকেলের নির্ধারিত নার্সের পোষাক না থাকায় তাদেরকে চিনতে না পেরে ডিউটিতে কে আছেন জিজ্ঞেস করলে তাহারা ক্ষেপে গিয়ে অশুভ আচরণ ও দূর্ব্যবহার করেন এবং তাহারা বলেন মাসিকে খোঁজে বাহির করে সিট নিতে। ঐ সময় মাসিও ৪র্থ তলার নার্সদের ডিউটি রুমে ঘুমাচ্ছিলেন। অনেক ডাকা-ডাকির পর মাসি ঘুম থেকে উঠে রোগী বিছানার ব্যবস্থা করে দেন। ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায় অধিকাংশ ফ্যান লাইট নষ্ট। ওয়ার্ডে ভর্তির পর স্যালাইন ইনজেকশন পুষ করে ডিউটিতে থাকা নার্স, আয়া পুনরায় সেই রুমে গিয়ে ঘুমিয়ে পরেন। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঘন্টা খানেক পর পেটে ব্যাথা আরো বাড়লে ঘুমিয়ে থাকা নার্সের রুমে গিয়ে অনেক ডাকা-ডাকির পর তাদের সাড়া শব্দ না পেয়ে কর্তব্যরত ডাক্তারের খোঁজে জরুরি বিভাগে গিয়েও কোনো ডাক্তার বা কর্তব্যরত কাউকে খোঁজে না পেয়ে নিরুপায় হয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য উক্ত হাসপাতাল থেকে তাহারা চলে যান। ভিকটিম জানান আমি পেটে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর মেডিকেল থেকে তাহাকে কোনো ধরনের ঔষধ দেওয়া হয় নি। অথচ সরকার প্রতি মাসে লক্ষ লক্ষ টাকার ঔষধ বরাদ্দ দেয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভর্তি রোগীদের কাছ থেকে জানা যায়, প্রতিদিন রাত ১২ টা হওয়ার পরেই ডিউটিতে থাকা ডাক্তার,নার্স,আয়া কাউকে খোঁজে পাওয়া যায় না। হাসপাতালে কর্তব্যরত নার্সদের বিরুদ্ধে রোগীদের সাথে অশুভ আচরণ ও দূর্ব্যবহার, ডেলিভারী রোগীদের স্বজন থেকে মিষ্টি খাওয়ার নামে মোটা অংকের টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডাক্তার সাইদুর রহমান অভিযোগ প্রাপ্তির বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রাজীব চক্রবর্তীর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি জরুরি একটি মিটিংয়ে ঢাকায় আছি অভিযোগের বিষয়টি আরএমও আমার হোয়াটসআপে দিয়েছেন। বিয়টি খুবই দুঃখজনক, ঢাকা থেকে ফিরে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

চরপুটিমারী ও চরগোয়ালিনী ইউনিয়নের যৌথ উদ্যোগে ১০১ হাত বাইছেল নৌকা পানিতে ভাসলো

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ণ
চরপুটিমারী ও চরগোয়ালিনী ইউনিয়নের যৌথ উদ্যোগে ১০১ হাত বাইছেল নৌকা পানিতে ভাসলো

মোঃ হোসেন শাহ্‌ ফকির ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি: জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার চরপুটিমারী ও চরগোয়ালিনী ইউনিয়নের কান্দারচর ও সাজালের চর এলাকার যৌথ উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী ১০১ হাত আনন্দতরী বাইছেল নৌকা আনুষ্ঠানিকভাবে পানিতে ভাসানো হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ১০১ হাত আনন্দতরী বাইছেল নৌকা পানিতে ভাসানোর শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা বিএনপির সদস্য ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুর রহমান মলিন।

এ সময় দুই ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, নৌকাবাইচপ্রেমী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও বিপুল সংখ্যক দর্শক উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ গ্রামীণ সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই ১০১ হাত দীর্ঘ বাইছেল নৌকা পানিতে ভাসানোর মাধ্যমে এলাকার ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে গ্রামীণ সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে এলাকার সুনাম আরও বৃদ্ধি পাবে।

প্রধান অতিথি হামিদুর রহমান মলিন বলেন, “নৌকাবাইচ শুধু একটি খেলা নয়, এটি বাংলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। চরাঞ্চলের এই ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে নতুন প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করতে হবে। চরপুটিমারী ও চরগোয়ালিনী ইউনিয়নের মানুষের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। ভবিষ্যতেও গ্রামীণ ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে আমি সবসময় পাশে থাকব।”

নৌকাটি পানিতে ভাসানোর সময় উৎসুক জনতার ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। স্থানীয়দের উচ্ছ্বাস ও করতালির মধ্য দিয়ে নৌকাটির শুভ যাত্রা শুরু হয়।

আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতে বিভিন্ন আঞ্চলিক ও জাতীয় নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের লক্ষ্যে নৌকাটি প্রস্তুত করা হয়েছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে স্থানীয়দের স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতা ও অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আলী আকবর, সিরাজ মেম্বার, রমজান আলী, ১১নং চরপুটিমারী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি শহিদুল্লাহ বেপারী, বিএনপি নেতা জয়নাল আবেদীন, চরপুটিমারী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি আরিফুল ইসলাম লেবু ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক নুরনবীসহ চরপুটিমারী ও চরগোয়ালিনী ইউনিয়ন বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

আত্রাই ডাসকো ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

আত্রাই প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
আত্রাই ডাসকো ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় শলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে বিএমজেড এবং নেট্জ বাংলাদেশের সহযোগিতায় ডাসকো ফাউন্ডেশনের অগ্রযাত্রা প্রকল্পের উদ্যোগে রচনা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) বেলা ১১ টায় শলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘‘জলবায়ু পরিবর্তন ও বাংলাদেশের প্রভাব” বিষয়ক রচনা প্রতিযোগিতা এবং “অসহনীয় তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য অপরিকল্পিত নগরায়নই দায়ী” বিষয়ের উপর বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: শহিদুল ইসলাম, ইউনিট ম্যানেজার আব্দুর রউফ মিলন, সহকারী শিক্ষক মো: সাজেদুর রহমান, মো: মামুনুর রশীদ, অনামিকা কর্মকার, বিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট ফোরামের সদস্যগণ ও স্কুলের শতাধিক ছাত্র-ছাত্রীগণ।
অনুষ্ঠানটি সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন প্রকল্পের এ্যাডভোকেসী ফ্যাসিলিটেটর গোলাম রাব্বানী।
শেষে রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী এবং অংশগ্রহণকারীদের সকলকে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

কয়রার ১ নং আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে প্রফেসর আবুল কালাম আজাদকে দেখতে চান এলাকাবাসী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:১৩ পূর্বাহ্ণ
কয়রার ১ নং আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে প্রফেসর আবুল কালাম আজাদকে দেখতে চান এলাকাবাসী

Oplus_131072

মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা উপজেলা প্রতিনিধি:
খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১ নং আমাদী ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন মহলে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক প্রফেসর আবুল কালাম আজাদকে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, সমাজসেবা এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তিনি বর্তমানে খান সাহেব কমরউদ্দীন ডিগ্রি কলেজে অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। শিক্ষকতা পেশায় দায়িত্বশীলতা, সততা ও মানবিক মূল্যবোধের কারণে তিনি শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সাধারণ মানুষের কাছে একজন পরিচিত মুখ।

রাজনৈতিক পরিচয়ের দিক থেকেও তিনি এলাকায় সুপরিচিত। তিনি আমাদী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক (সেক্রেটারি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। স্থানীয়দের মতে, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার পাশাপাশি একজন শিক্ষাবিদ হিসেবে তার গ্রহণযোগ্যতা তাকে সম্ভাব্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে এগিয়ে রাখছে।

এলাকাবাসীর জানান, আমাদী ইউনিয়নে নদীভাঙন, সুপেয় পানির সংকট, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষি, মৎস্য খাত এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। তাদের বিশ্বাস, প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ নির্বাচিত হলে এসব সমস্যা সমাধানে পরিকল্পিতভাবে কাজ করতে পারবেন।

একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “আমরা এমন একজন চেয়ারম্যান চাই, যিনি সৎ, শিক্ষিত, অভিজ্ঞ এবং জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক থাকবেন। প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ দীর্ঘদিন ধরে মানুষের সঙ্গে কাজ করছেন। তাই তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই।”

এ বিষয়ে প্রফেসর আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি সবসময় মানুষের কল্যাণে কাজ করার চেষ্টা করেছি। এলাকার মানুষ যদি আমাকে ভালোবাসা ও সমর্থন দেন এবং ভবিষ্যতে কোনো দায়িত্ব অর্পণ করেন, তাহলে আইন ও নীতিমালার আলোকে সকলকে সঙ্গে নিয়ে আমাদী ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করব। শিক্ষা, স্বচ্ছতা, সুশাসন ও জনসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মানুষের প্রত্যাশা পূরণের চেষ্টা থাকবে।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা, সততা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং উন্নয়নের পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এসব বিষয় বিবেচনায় এনে প্রফেসর আবুল কালাম আজাদের নাম ইতোমধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় আলোচনায় এসেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এখনো কোনো রাজনৈতিক দল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী ঘোষণা করেনি। তবে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা ও মতবিনিময় অব্যাহত রয়েছে।

চরপুটিমারী ও চরগোয়ালিনী ইউনিয়নের যৌথ উদ্যোগে ১০১ হাত বাইছেল নৌকা পানিতে ভাসলো আত্রাই ডাসকো ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত কয়রার ১ নং আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে প্রফেসর আবুল কালাম আজাদকে দেখতে চান এলাকাবাসী কলাপাড়ার শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘পায়রা’র নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি রফিকুল ও সম্পাদক দ্বীপ ঢালী মাদারগঞ্জের বালিজুড়ী বাজারে গিফট কর্নারে অগ্নিকান্ড'১৫ লক্ষ টাকা ক্ষয়ক্ষতির দাবী কর্তৃপক্ষের