যশোরের শার্শার কাঠুরিয়া গ্রামে বাবার কোদালের আঘাতে আহত ছেলে বাপ্পি মিয়া (২৫) নামে এক যুবকের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার মহাখালীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
গত শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কাঠুরিয়া গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত হাফেজ বাপ্পি মিয়া শার্শা উপজেলার কাঠুরিয়া গ্রামের চান্দু মিয়ার ছেলে।
নিহতের চাচা আক্তারুজ্জামান বাপ্পি মিয়ার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার দিন বাপ্পির সঙ্গে বাবা চান্দু মিয়ার হাত খরচের টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বাবা, মামা, চাচা ও ভাই মিলে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে বাপ্পিকে রক্তাক্ত করেন।
এসময় বাপ্পি মিয়া গুরুতর আহত হলে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে সেখান থেকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করেন। ঘটনার তিনদিন পর সোমবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাপ্পির মৃত্যু হয়।
নাভারন সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সার্কেল নিশাত আল নাহিয়ান বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত চলছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন। নিহতের বাবা-মাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে শার্শা থানায় আনা হয়েছে।
শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনের নির্বাচনে তিনজন করে মোট ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আজ রবিবার এই দুটি আসনের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আগামীকাল সোমবার থেকে প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারবেন বলে ওই দুই আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন।
শেরপুর-৩ আসনের রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, এই আসনের সাধারণ নির্বাচনে মোট তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
তিনি জানান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী মো. মাহমুদুল হক রুবেল ধানের শীষ প্রতীক এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. মাসুদুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে নির্বাচন করছেন। এছাড়া বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) একজন প্রার্থী কাঁচি প্রতীকে নির্বাচন করছেন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় এই আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মৃত্যুবরণ করায় নির্বাচন বাতিল ঘোষণা করে ইসি।
পরবর্তীতে নির্বাচনের নতুন তফসিল ঘোষণা করে ইসি।
বগুড়া-৬ সংসদীয় আসনের রিটার্নিং অফিসার মো. ফজলুল করিম বলেন, এই আসনের সাধারণ নির্বাচনে মোট তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। রবিবার তাদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, এই আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে মো. রেজাউল করিম বাদশা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মো. আবিদুর রহমান নির্বাচন করছেন।
এছাড়া বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির একজন প্রার্থী ফুলকপি প্রতীক নিয়ে এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
তিনি বলেন, এই আসনে নির্বাচনের পরিবেশ খুবই ভালো আছে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে বিএনপি’র চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচন করে জয়ী হন। কিন্তু সংসদে একই সঙ্গে দুটো আসনের সদস্য থাকার বিধান না থাকায় ঢাকা-১৭ আসনটি রেখে বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন তিনি। এরপর এই আসনটিকে শূন্য ঘোষণা করে নতুন করে তফসিল ঘোষণা করে ইসি।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, বগুড়া-৬ আসনের উপ-নির্বাচন ও শেরপুর-৩ আসনের সাধারণ নির্বাচনে আগামী ৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা হতে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
হাতীবান্ধা প্রকৌশলীর আখতার হোসেনের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে বিনা টেন্ডারে একের পর এক কাজ বাগিয়ে নিচ্ছেন সেই কাজল। এমন অভিযোগ ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে সাধারণ ঠিকাদারদের মাঝে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়,হাতীবান্ধা উপজেলা প্রকৌশলী আখতার হোসেন ২০২৪ সালে হাতীবান্ধা উপজেলা প্রকৌশলী হিসেবে যোগদান করার পর থেকে আজ অবদি পূর্বের ন্যায় ফ্যাসিস্ট সরকারের তালিকাভুক্ত ও নিজের পরিচিত ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে একের পর এক কাজ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় ঠিকাদার কাজলের সাথে গভীর সম্পর্কে আবদ্ধ হয়। এ ঘটনার পর থেকে হাতীবান্ধার উপজেলা প্রশাসনের বিনার টেন্ডার কাজ প্রকৌশলীর মাধ্যমে বাগিয়ে নিচ্ছেন কাজল। এতে মোটা অংকের লেনদেনের কথাও উঠে আসছে।
হাতীবান্ধা উপজেলা প্রকৌশলী মাধ্যমে প্রভাতীর দুইটি কাজ দইখাওয়া বাজার ও সিন্দুর্না হাটের সংস্কার কাজ করছেন। পাশাপাশি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের
হাতীবান্ধা উপজেলার ৩৬ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোট কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা সরবরাহ করেন।
হেনা এন্টারপ্রাইজের পরিচারক কাজল হাতীবান্ধা উপজেলার সিংগিমারী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডে মৃত মনছুর আলী ছেলে।
জানা গেছে,লালমনিরহাট ১ আসনের সংসদ সদস্য সাবেক মোতাহার হোসেনে ছেলে ও হাতীবান্ধা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান সোহাগ ও হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি লিয়াকত হোসেন বাচ্চুর সাথে ঘনিষ্ঠতার কারণে বিগত আওয়ামীলীগের ১৭ বছর হাতীবান্ধা উপজেলা প্রশাসনের সকল প্রকার ঠিকাদারি করে আসছেন। এতে তার হেনা ট্রেডার্স নামে লাইসেন্স টিও ভারী হয়ে ওঠেন। কাজল হোসেন নিজেকে হাতীবান্ধা উপজেলা প্রকৌশলীর একজন কর্মকর্তা পরিচয়ে সকল ঠিকাদারি কাজ সম্পন্ন করেন। পাশাপাশি উপজেলা প্রকৌশলীর সকল প্রকার কাজ বিভিন্ন ইউনিয়নে গিয়ে দেখভাল করেন হাতীবান্ধা প্রকৌশলীর মাধ্যমে। কাজল হোসেন প্রশাসনের বিভিন্ন কাজ পাওয়া ইউএনওর কার্যালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তার সাথেও সখ্যতা গড়ে তোলেন।
হাতীবান্ধা উপজেলার বিভিন্ন সড়ক, ব্রীজ কালভার্ট ও উন্নয়ন প্রকল্প গুলো কাজের গুণগত মান খারাপ। ঠিকাদারদের সাথে আতাত করে উন্নয়ন প্রকল্প কাজগুলো সম্পন্ন করছেন প্রকৌশলী। অপরদিকে হাতীবান্ধা উপজেলার প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও এখনো সেই কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। অপরদিকে হাতীবান্ধা উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন পরিষদের সংস্কারে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার টেন্ডার হলেও প্রথম পক্ষের নাম ঘোষণা করতে আপত্তি করেন উপজেলা প্রকৌশলী আখতার হোসেন। এতেই সন্দেহ সৃষ্টি হয়। প্রথম পক্ষের কাছ থেকে কাজটি নিয়ে প্রকৌশলী অন্য ঠিকাদারদের মাধ্যমে করার বিষয়টি প্রকাশে আসে।
হাতীবান্ধা উপজেলার বিভিন্ন সড়কের কার্পেটিং ও সিলকোড করলেও সম্পূর্ণ হওয়ার এক মাস আগেই তা উঠে যাচ্ছে। এমন অভিযোগ করছে এলাকাবাসীরা।
নাম প্রকাশ না করে কয়েকজন ঠিকাদার বলেন,টেন্ডারের মাধ্যমে কাজ পেলেও এই প্রকৌশলী সবসময় ঠিকাদারদের সাথে দুর্ব্যবহার ও দ্রুত কাজ করার চাপ প্রদান করেন। অপরদিকে কিছু ঠিকাদারের কাজ সম্পন্ন হলেও বিল আটকে রাখেন।
হেনা ট্রেডার্স এর ঠিকাদার কাজল হোসেন বলেন, প্রভাতীর কাজ আমি পাইনি এটি প্রকৌশলীর কাজ। আমি শুধু মিস্ত্রি সাপ্লাই দিয়েছি। প্রকৌশলের সাথে সখ্যতা বিষয়টি তিনি এড়িয়ে গিয়ে বলেন,আমার লাইসেন্স খুবই ভারী রন্টুর লাইসেন্স আমার সাথে পারেনা । সিস্টেমের বাইরে কেউ কাউকে কাজ দিতে পারে না। বিষয়গুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
হাতীবান্ধা উপজেলার প্রকৌশলী আখতার হোসেন বলেন,কোন ঠিকাদার কে কাজ দেওয়ার এখতিয়ার আমার নেই। কাজলের সাথে গভীর সম্পর্কের বিষয়টি এড়িয়ে বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের কাজ গুলো চেয়ারম্যান সাহেবরা কাজলের মাধ্যমে করে থাকেন। এখানে আমার করার কিছুই নেই।
প্রভাতীর কাজ প্রকৌশলী ও এল সি এস করছে। আনিত বিষয়গুলো তিনি ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন। কৌশলী হিসেবে সব জায়গায় আমাকে জবাবদিহি করতে হয়।
এ বিষয়ে হাতীবান্ধা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আফরিন হক বলেন, ঠিকাদার কাজল সাহেব কিভাবে কাজগুলো পান সে বিষয়গুলোর আমরা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
আসন্ন ঈদযাত্রায় গণপরিবহনে তেল নিয়ে সংকট হবে না এবং ভাড়া বাড়বে না বলে জানিয়েছেন সড়ক, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ব্যক্তিগত পরিবহনের ক্ষেত্রে রেশনিং ব্যবস্থা থাকবে কি না সে বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
আজ শুক্রবার (১৪ মার্চ) সকালে রাজধানী ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা জানান।
রবিউল আলম বলেন, ‘তেলের কোনো সমস্যা হবে না। তেলের দাম বাড়বে না। বিশেষ করে গণপরিবহনে যতটুকু তেল প্রয়োজন, ১৫ মার্চ থেকে অবাধে পাবে সেটা নিশ্চিত করা হয়েছে। জ্বালানিমন্ত্রী আমাকে নিশ্চিত করেছেন। ফলে ভাড়া বাড়ছে না। আর তেল সংক্রান্ত দুর্ভোগ হওয়ার সম্ভাবনা আমি দেখছি না।’
ব্যক্তিগত পরিবহনের ক্ষেত্রে কী ব্যবস্থা থাকবে— প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ওটা বিবেচনা করা হচ্ছে। আমার মনে হয়, ১৫ তারিখের পর থেকে রেশনিং ব্যবস্থা এভাবে থাকবে কি না তা পুনর্বিবেচনা করা হবে।’
সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, ‘কিছু না কিছু সীমাবদ্ধতা চলে আসে…বড় একটা সংকট, আমরা এখনো তো সংকট থেকে বের হতে পারিনি। আশঙ্কা আছে, সংকটের মধ্যে আছি, আমাদের সক্ষমতা দিয়ে আমরা মোকাবিলা করতে চাচ্ছি। একটা সংকট যখন হয়, সবাইকে একটু স্যাক্রিফাইস তো করতেই হবে! নিশ্চয়ই জনগণকেও কিছু না কিছু তো করতে হয়।’
রেলে বড় ধরনের শিডিউল বিপর্যয় হওয়ার সুযোগ নেই জানিয়ে তিনি বলেন, ‘৮৫ থেকে ৮৭টি লোকোমোটিভ যদি আমরা অ্যারেঞ্জ করতে পারি, তাহলে শিডিউল বিপর্যয়ের কোনো সম্ভাবনা আশা করি এই ব্যবস্থাপনায় থাকবে না। ইতোমধ্যে আমরা ৭৮টি লোকোমোটিভ যুক্ত করতে পেরেছি। আরও দুই দিনের মধ্যে কয়েকটি লোকোমোটিভ যদি যুক্ত হয়ে যায়, কোচের সংখ্যা যা বাড়িয়েছি, স্পেশাল ট্রেনের সংখ্যা যা বাড়িয়েছি, চাপ থাকলেও আমরা ম্যানেজ করতে পারব।’
রবিউল আলম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী রেল সেবা বা রেল যোগাযোগ যুগোপযোগী করে, মনোরম পরিবেশে, স্বচ্ছন্দে অল্প সময়ে অধিক দূরত্বে যাওয়ার জন্য জনবান্ধব করতে চান, জনপ্রিয় করতে চান। সে ব্যাপারে তার নির্দেশনা আছে। সেভাবে আমরা কাজ করছি। আশা করছি, রেল যোগাযোগ ব্যবস্থাপনার একটা আমূল পরিবর্তন আপনারা দেখবেন।’
‘রেল, সড়ক এবং নৌ, সব জায়গায় এবার দেখবেন, আগে যে ব্যবস্থাপনা ছিল তার মধ্যে থেকে বেশ কিছুটা পরিবর্তন আমরা আনতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের এই সেবা অথবা যোগাযোগ ব্যবস্থাপনার সাথে যারা জড়িত, তারা বেশ তৎপর এবং সক্ষমতার মধ্যে সর্বাত্মকভাবে কাজ করছে। ফলে খুব বেশি এবার আশঙ্কা আমি দেখছি না। আমি মনে করছি, স্বস্তির মাধ্যমে মানুষের ঈদযাত্রাটা নিশ্চিত হবে,’ যোগ করেন তিনি।
সড়ক পরিবহনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘মিটার গেজে আমরা প্রায় ১২৪টি কোচ যুক্ত করেছি, আরও ১৪টির মতো যুক্ত করেছি ব্রড গেজে। স্পেশাল ট্রেন আরও প্রায় পাঁচ জোড়ার মতো আমরা যুক্ত করতে সক্ষম হয়েছি। সব কিছু মিলিয়ে আমাদের যে সক্ষমতা আছে, ২৬ থেকে ৪২ হাজার মানুষকে আমরা এই সেবাটা দিতে পারব, যাত্রাটা নিশ্চিত করতে পারব। শেষ মুহূর্তে কিছু চাপ হয়। অনেকে যেকোনো মূল্যে ছাদে উঠে যেতে চান। আমরা নিবৃত করার চেষ্টা করছি, ওঠার সব ব্যবস্থা বন্ধ করছি। তারপরও এমন হয়ে যায় শেষ মুহূর্তে যে, অনেক সময় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। সে যেকোনো মূল্যে বাসায় পৌঁছাতে চায়।’
রবিউল আলম বলেন, ‘আমার জানামতে সোয়া কোটি থেকে দেড় কোটি মানুষ মাত্র দুই থেকে তিন দিনে ঢাকা শহর থেকে বাইরে যাবে। পৃথিবীর কোনো শহরে এই অল্প সময়ের মধ্যে এত লোকের বাইরে যাওয়ার দৃষ্টান্ত নেই। সে রকম একটা পরিস্থিতি আমাদের মোকাবিলা করতে হয়। ব্যবস্থাপনা যতটুকু আছে, তার খুব ঘাটতি নেই, কিন্তু ট্রেনের কোচ-বাস-লঞ্চ প্রয়োজন। যেসব পরিবহন ইতোমধ্যে এখানে চলছে, সেটা অনেক পুরনো। আরও নতুন কোচ দরকার। সে জায়গায় আমরা আরও কোচ যুক্ত করা, বাস ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলাসহ একটা মানসম্মত বাস সার্ভিস নিশ্চিত করার ব্যাপারে কাজ করছি।’
‘ঢাকা-সিলেট সড়কে ছয় লেনের কাজ চলছে। অন্তত দুটি লেনে অবাধে গাড়ি যেতে পারবে। গাড়ির গতি কম হবে, কিন্তু গাড়ি কোথাও থামবে না সে ব্যবস্থাপনা আমরা নিশ্চিত করেছি। সড়ক যোগাযোগের ওখানে আমরা পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিয়েছি। সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আমি আবারও বলতে চাই, যা সক্ষমতা আছে, যা জনবল আছে, যা করা সম্ভব তার সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে,’ যোগ করেন তিনি।
আপনার মতামত লিখুন