মোঃ হোসেন শাহ্ ফকির ইসলামপুর প্রতিনিধি:
জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার নোয়ারপাড়া ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা বারী মন্ডলের জানাজায় নামাজ আলহাজ্ব ময়েজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ কানায় কানায় মুসল্লিগণ পূর্ণ হয় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ইসলামপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল বারী মণ্ডলের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় সম্মান ও যথাযথ মর্যাদায় অনুষ্ঠিত এ জানাজায় স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, আত্মীয়-স্বজন ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেন। পরে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে তাঁর সাহসিকতা ও জনকল্যাণে অবদানের কথা স্মরণ করে উপস্থিত ব্যক্তিরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ডাসকো ফাউন্ডেশন বাস্তবায়িত নেটজ বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের আর্থিক সহযোগিতায় এনগেজ প্রকল্পের বিশ্ব পরিবেশ দিবস 2026 উদযাপন উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার গোদাগাড়ি উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে রোড শো ও গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
গোদাগাড়ি উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা জনাব মরিয়ম আহমেদ মহোদয়ের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার মোঃ আব্দুল মানিক, প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার এ, কে, এম মমিনুল হক, শিক্ষার্থী, সিএসও সদস্য, এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং পরিবেশ সংরক্ষণে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সজ্জিত যানবাহনের সমন্বয়ে ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে গোদাগাড়ি উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা পরিবেশ সুরক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং জলবায়ু সহনশীল কমিউনিটি গঠনের গুরুত্ব তুলে ধরে বক্তব্য প্রদান করেন।
অতিথিবৃন্দ বলেন, পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি সবুজ, নিরাপদ ও জলবায়ু সহনশীল সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
অতিথিবৃন্দ বলেন, পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সবুজ, সুন্দর ও টেকসই পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
এ সময় সিএসও সদস্যদের মাঝে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়। অতিথিগণ উপস্থিত অংশগ্রহণকারীদের হাতে গাছের চারা তুলে দেন এবং প্রত্যেককে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও পরিচর্যার আহ্বান জানান। অতিথি ও উপস্থিত সদস্যগণ ভবিষ্যত সুরক্ষা ও জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় প্রকৃতি হোক অনুপ্রেরণার উৎস আপনি কি একমত স্বাক্ষরিত ব্যানারে সহমত পোষন করে স্বাক্ষর করেন
রোড শোতে ১৬ টি সুসজ্জিত অটোবাইকে সুশীল সমাজের সংগঠনের সদস্যগণ ও এনগেজ প্রকল্পের কর্মীগণ অংশগ্রহণ করে। জলবায়ু অভিযোজন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং দুর্যোগ সহনশীলতা বিষয়ক সচেতনতামূলক ব্যানার, পোস্টার, ফেস্টুন ও স্লোগানে সজ্জিত অটোবাইকগুলো গোদাগাড়ি উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের (গোদাগাড়ি, পাকড়ী, রিশিকুল, গোগ্রাম, মাটিকাটা, দেওপাড়া) এর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও জনবহুল এলাকা প্রদক্ষিণ করে। রোড শো চলাকালে অংশগ্রহণকারীরা পরিবেশ সুরক্ষা, পানি সংরক্ষণ, খরা মোকাবিলা, বৃক্ষরোপণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন বার্তা প্রচার করেন।
কর্মসূচিটি উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয় এবং অংশগ্রহণকারীরা পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু অভিযোজন কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
নওগাঁ সাপাহার আম আড়ৎদার সরকারি নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে নিজেরা আইন তৈরি করে ব্যাবসা করছে।
নওগাঁ আমের রাজধানী খ্যাত সাপাহার উপজেলায় চলছে, আম আড়ৎদারদের নিজের তৈরি আইনে ব্যাবসা,তোয়াক্কা করে না সরকারি নিয়ম নীতি। এতে ক্ষতি গ্রস্ত হচ্ছে আম চাষী ও ব্যাবসায়ী।আম চাষীদের কাছ থেকে মাপ নিচ্ছেন ৫২ কেজিতে এক মন।এ যেন এক মঘের মূল্লুক,সাপাহার আম আড়ৎদার ব্যাবসায়ী সমবায় সমিতির লিঃ নামে এক সংগঠনের নেতাদের নির্ধারিত নিয়মের বাহিরে যাওয়ার কাহারো সুযোগ নাই। সাপারের আম আড়ৎ গুলে ঘুরে একই চিত্র দেখা যায়।
আম আড়ৎদার সমিতির সভাপতি কার্তিক শাহাকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন এবিষয়ে আমি কিছুই জানিনা,আপনি সাঃসম্পাদক মোঃইমাম হোসেন রিফাতের সাথে কথা বলেন। আম সমিতির সাঃসম্পাদক ইমাম হোসেন রিফাতের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি তার অফিসে, একঘন্টা অপেক্ষা করতে বলে, তিনি ৩ ঘন্টা পরে তার অফিসে সাক্ষাৎ দেন। তাকে ৫২ কেজিতে একমনের প্রশ্ন করা হলে তিনি রাগান্বিত হয়ে বলেন, আম চাষিরা যদি দিয়ে খুশি থাকে সাংবাদিকের এত সমস্যা এবং জ্বলে কেন?
আরও বলেন, চাপাই সহ সব জায়গায় এই মাপ চলছে। তিনি আরও জানান এটা পচনশীল কাঁচা মাল এবং ২ টা ক্যারেটের ওজন ৪ কেজি, এর বেশি তিনি উত্তর না দিয়ে অফিস ত্যাগ করে চলে যান। সেখান থেকে আমের আড়ৎতে গিয়ে একটা ক্যারেট ওজন করে দেখা যায় ১,২৫ কেজি তাহলে ২ টা ক্যারেটের ওজন আসে ২,৫ কেজি কিন্তু আম সমিতির সাঃসম্পাদক ইমাম হোসেন রিফাত বলেছেন যা মিথ্যা কথা ৪ কেজি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, সাঃসম্পাদক রিফাতের আচরনে সাধারণ আম ব্যাবসায়ী মূখ খুলতে পারবে না, তিনি যা বলবেন সকল আম ব্যাবসায়ী মানতে বাধ্য। এবিষয়ে সাপাহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোমানা রিয়াজের সাথে সাক্ষাৎ করতে গিয়ে দেখা যয়, তিনি মিটিং করছেন, বেশ কিছু সময় অপেক্ষা করে, তিনি ব্যাস্ত থাকায় কথা বলা সম্ভব হয়নি। পরদিন ১৭/৬/২৬ ইং তারিখে নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করার লক্ষ্যে কয়েক বারে হোয়াটসঅ্যাপ ও সরাসরি মোবাইল ফোনে প্রায় ১৩ বার ফোন করে রিচিভ না করলে তাঁহার হোয়াটসঅ্যাপ এ ম্যাসেস দিলে তিনি লিখে পাঠান আমি ব্যাস্ত আছি লিখে পাঠান।
সাপাহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোমানা রিয়াজ কে বিস্তারিত লিখে পাঠানোর পর আজও কোন উত্তর মিলে নাই। পরবর্তী সময়ে ট্রাপিক জাম ও নিরাপত্তার বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল এসপি)শ্যামলী রানীর সাথে কথা বলে জানা যায়, নওগাঁ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম এর সরাসরি নির্দেশনায় ওসি সাপাহার থানা মোঃ মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে থানা পুলিশ, দিন রাত ২৪ ঘন্টা নিরাপত্তা ও ট্রাপিক নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করছেন।সাপাহারের পার্শবর্তী উপজেলা পোরসা নোচনাহারে দেখা গেল ভিন্ন চিত্র।
সেখানে ৪০ কেজিতে একমন, নোচনাহার আম আড়ৎদার সমিতির সভাপতি মোঃজিয়াউর রহমান বলেন এখানে সরকারি নিয়মের বাহিরে আমরা কোন কাজ করি নাই এবং করবো না।সেখানে ঢাকা বাদামতলী পাইকার ও খুচরা আম বিক্রেতাকে জিজ্ঞেস করে জানাযায়, ৪০ কেজিতে আড়ৎদার ক্রয় করে এবং ৪০ কেজিতে বিক্রয় করে, এতে উভয় লাভবান। যার ফলে সাপাহার আমের আড়ৎ থেকে পোরসা উপজেলায় নোচনাহার আম কিনতে যেমন ব্যাবসায়ী স্বাচ্ছন্দ বোধ করে তেমনি আম চাষীরা খুব খুশি।
গ্রামীণ অর্থনীতিকে গতিশীল করা এবং পুষ্টি চাহিদা পূরণে জামালপুরের ইসলামপুরে কৃষক পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে মুরগির বাচ্চা, ধানের বীজ, মাছের পোনা ও বিভিন্ন ধরনের সবজি বীজ বিতরণ করেছে ব্র্যাক।
বুধবার (১৮ জুন) ব্র্যাক ইসলামপুর এলাকা অফিসের উদ্যোগে এ বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ইসলামপুর এলাকার ব্যবস্থাপক মোছা. কাজুলী খাতুন, ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. রেজাউল করিম খান এবং ব্র্যাক ইসলামপুর এলাকা অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
এ কর্মসূচির আওতায় কৃষক পরিবারের প্রত্যেককে ১০টি করে মুরগির বাচ্চা, ১ কেজি ধানের বীজ, মাছ চাষের জন্য মাছের পোনা এবং বিভিন্ন প্রজাতির সবজি বীজ বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এ কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষক পরিবারের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের আয় বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করাই ব্র্যাকের লক্ষ্য। মুরগি পালন, মাছ চাষ ও সবজি উৎপাদনের মাধ্যমে পরিবারগুলো স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি পুষ্টিকর খাদ্যের প্রাপ্যতাও বৃদ্ধি পাবে।
বক্তারা আরও জানান, পর্যায়ক্রমে আরও অধিকসংখ্যক কৃষককে এ কর্মসূচির আওতায় এনে একই ধরনের সহায়তা প্রদান করা হবে।
এ সময় উপকারভোগী কৃষকরা ব্র্যাকের এ মহতী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
আপনার মতামত লিখুন