খুঁজুন
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২২ ভাদ্র, ১৪৩৩

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) গুলিতে বাংলাদেশি কৃষক আহত ভারতীয় নাগরিক আটক

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) গুলিতে বাংলাদেশি কৃষক আহত ভারতীয় নাগরিক আটক

 

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে বাংলাদেশি কৃষক মিজানুর রহমান মিজান (২০) আহত হয়েছেন। আজ সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর উত্তেজিত এলাকাবাসী সীমান্তের ওপাশ থেকে ভারতীয় কৃষক সহদেব বর্মণকে (৪০) দুটি গরুসহ বাংলাদেশের ভেতরে ধরে নিয়ে আসে। এ ঘটনায় সীমান্তে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। সীমান্তের শূন্যরেখায় অসংখ্য বিএসএফ সদস্য অবস্থান নিয়েছেন। এতে সীমান্তের কাছাকাছি এলাকার বসতবাড়ির নারীরা বাড়িঘর ছেড়ে শিশুদের নিয়ে নিরাপদ স্থানে অবস্থান নিয়েছেন।

আহত মিজান গাটিয়ারভিটা গ্রামের ডাঙারবাড়ী এলাকার মফিজুল ইসলামের ছেলে।

অন্যদিকে সহদেব বর্মণ ভারতের কোচবিহারের কুচলিবাড়ী থানার ৯৪ ফুলকাডাবরী এলাকার হরেন্দ্র নাথ বর্মণের ছেলে।

বিজিবি, সীমান্ত সূত্র ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, ভারতের কোচবিহার রাজ্যের কুচলিবাড়ী থানার ফুলকাডাবরী গ্রামের ডাঙিরটারী সীমান্তের বাংলাদেশ-ভারত প্রধান পিলার ৮২৬ নম্বরের ১ নম্বর উপপিলার-সংলগ্ন শূন্যরেখার অপর দিকে বাংলাদেশের লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার পাটগ্রাম সদর ইউনিয়নের গাটিয়ারভিটা গ্রামের ডাঙারবাড়ী এলাকা। এই পিলারের ভারতীয় কাঁটাতারের বেড়ার বাইরে শূন্যরেখার দুই দিকের নিজেদের জমি চাষাবাদ করেন উভয় দেশের কৃষকেরা। আজ সকালে নিজেদের ভুট্টাখেতে পরিচর্যার পাশাপাশি ঘাস আনতে যান কৃষক মিজান।

এ সময় ভারতের মেখলিগঞ্জ ৯৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের গোমতি ক্যাম্পের টহল দলের একজন সদস্য মিজানকে ডেকে একটি ভুট্টার মোচা দেখতে চান। মিজান ভুট্টার মোচাটি দেওয়ার সময় পাশে থাকা অপর একজন বিএসএফ সদস্য তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি করেন। এতে মিজানের ডান কাঁধে গুলি লাগে। অল্পের জন্য বেঁচে যাওয়া মিজান হামাগুড়ি দিয়ে ভুট্টাখেত হয়ে আসার সময় স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে রংপুরে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ঘটনার পর এলাকাবাসী উত্তেজিত হয়ে পাশাপাশি এলাকার বাংলাদেশ-ভারত প্রধান পিলার ৮২৮ নম্বরের ৩ থেকে ৪ নম্বর উপপিলার-সংলগ্ন শূন্যরেখার জমি চাষাবাদ করতে থাকা ভারতীয় কৃষক সহদেব বর্মণকে দুটি গরুসহ বাংলাদেশের ভেতরে ধরে নিয়ে আসে। এ ঘটনার পরপরই শূন্যরেখার প্রায় ২ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে অসংখ্য বিএসএফের সদস্য অস্ত্র হাতে অবস্থান নেন। এতে সীমান্তে আতঙ্ক ও উত্তেজনা দেখা দেয়।

খবর পেয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৬১-এর (তিস্তা-২) ধবলসুতি ক্যাম্পের নায়েব সুবেদার বাদশা মিয়া বিএসএফের ওই ক্যাম্পের কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ঘটনার প্রায় দুই ঘণ্টা পর উভয় ক্যাম্পের কমান্ডার ঘটনাস্থলে গিয়ে কথা বলেন। সুবেদার বাদশা মিয়া এ ব্যাপারে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের বিস্তারিত জানাতে রাজি হননি। ভারতীয় নাগরিক সহদেব বর্তমানে ধবলসুতি বিজিবির হেফাজতে রয়েছেন।

বিজিবি জানিয়েছে, দুপুর থেকে বিকেলের মধ্যে বিএসএফ-বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

বিজিবির ৬১-এর (তিস্তা-২) অধিনায়ক লে. কর্নেল সৈয়দ ফজলে মুনিমের সঙ্গে কথা বলতে একাধিকবার মোবাইল ফোনে কল দিলেও কোনো সাড়া মেলেনি।

বিজিবির ৬১-এর (তিস্তা-২) সহকারী পরিচালক (এডি) মেজর আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘ঘটনা শুনেছি। আমরা পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি। পতাকা বৈঠকের পর বিস্তারিত বলতে পারব।

রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা পুড়িয়ে দিল ২৫ লক্ষ টাকার প্রাইভেট কার গাড়ি।

মাহামুদুল হাসান রনি মাদারীপুর প্রতিনিধি,
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ণ
রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা পুড়িয়ে দিল ২৫ লক্ষ টাকার প্রাইভেট কার গাড়ি।

 

আন্তর্জাতিক ইসলামিক বক্তা কামরুল ইসলাম সাঈদ আনসারীর ছোট ভাইর প্রাইভেট কারে অগ্নিসংযোগ।

টেকেরহাটে পীরের বাড়িতে গ্যারেজে রাখা প্রাইভেটকারে অগ্নিসংযোগ, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার টেকেরহাটে গ্যারেজে রাখা একটি প্রাইভেটকারে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এতে গাড়িটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায় , ৬ সেপ্টম্বর ২০২৬, শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে টেকেরহাটের পীর সাহেব মরহুম দেলোয়ার হোসেন আনসারীর বাড়ির গ্যারেজে থাকা তার ছোট ছেলে আসাদ আনসারীর প্রাইভেটকারে দুর্বৃত্তরা অগ্নিসংযোগ করে।

আসাদ আনসারী,আন্তর্জাতিক ইসলামিক বক্তা কামরুল ইসলাম সাঈদ আনসারীর ছোট ভাই।

আগুনে গাড়িটির বিভিন্ন অংশ পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

কারা এবং কী কারণে গাড়িটিতে অগ্নিসংযোগ করেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

রাজৈর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে মহিলা দলের কমিটি গঠন। সভাপতি মাতোয়ারা, সাধারণ সম্পাদক সোনিয়া বেগম

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩১ অপরাহ্ণ
কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে মহিলা দলের কমিটি গঠন। সভাপতি মাতোয়ারা, সাধারণ সম্পাদক সোনিয়া বেগম

কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে মাতোয়ারা বেগমকে সভাপতি এবং সোনিয়া বেগমকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে।

কমিটি গঠন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুয়াকাটা পৌর মহিলা দলের সভাপতি হামিদা বেগম।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল আজিজ মুসল্লী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান হাওলাদার। এছাড়া সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন ঘরামীসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় বক্তারা বলেন, নতুন কমিটির মাধ্যমে ২ নম্বর ওয়ার্ডে মহিলা দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। পাশাপাশি দলের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি, তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততা বাড়ানো এবং দলীয় কর্মকাণ্ডকে আরও সুসংগঠিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

নবনির্বাচিত সভাপতি মাতোয়ারা বেগম ও সাধারণ সম্পাদক সোনিয়া বেগম দলীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, আগামী দিনে ওয়ার্ড পর্যায়ে মহিলা দলের কার্যক্রম আরও শক্তিশালী ও সক্রিয়ভাবে পরিচালনা করা হবে।

কালীগঞ্জে পরিবার পরিকল্পনা সেবায় সংকট, প্রশ্নের মুখে সরবরাহ ব্যবস্থা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৬ অপরাহ্ণ
কালীগঞ্জে পরিবার পরিকল্পনা সেবায় সংকট, প্রশ্নের মুখে সরবরাহ ব্যবস্থা

মুঃ সোহরাব আলী সরকার, কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা ( ফ্যামেলী প্লানিং ) সেবার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও উপকরণের সংকট দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ, প্রশ্নের মুখে সরবরাহ ব্যবস্থা। সেবা নিতে আসা প্রত্যন্ত এলাকার নিম্ন আয়ের মানুষসহ অনেকেই কাঙ্খিত পরিবার পরিকল্পনা (ফ্যামেলী প্লানিং) সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সরঞ্জামের সংকটে প্রয়োজনীয় উপকরণ না পেয়ে তারা বেসরকারি ক্লিনিক কিংবা ফার্মেসির ওপর নির্ভর করতে বাধ্য হচ্ছেন।
স্থানীয় সেবা প্রার্থীদের অভিযোগ, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কার্যক্রমের আওতায় বিভিন্ন ধরনের সেবা নিতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে অনেকে প্রয়োজনীয় সামগ্রী না পাওয়ায় তাদের ফিরে যেতে হচ্ছে। বিশেষ করে দরিদ্র ও নি¤œআয়ের মানুষের জন্য সরকারী স্বাস্থ্যকেন্দ্রের এসব সেবা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও সরঞ্জাম সংকট তাদের দুর্ভোগ আরোও বাড়িয়ে দিয়েছে।
সেবা প্রার্থী উত্তর সোম এলাকার আলমগীর হোসেন বলেন, সরকারী হাসপাতালে নিজ পরিবারের জন্য কম খরচে পরিবার পরিকল্পনা সেবা পাওয়ার আশায় এখানে আসি। কিন্তু বিনা মূল্যে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম বা উপকরণ না থাকায় গত তিন মাস যাবৎ কাঙ্খিত সেবা পাচ্ছে না। ফলে সময় ও অর্থ দুটোই ব্যয় হচ্ছে।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, পরিবার পরিকল্পনা সেবা মানুষের মৌলিক স্বাস্থ্যসেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পরিবার পরিকল্পনা সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও উপকরণের পর্যাপ্ত মজুত থাকা জরুরী। সরবরাহ ব্যবস্থায় ঘাটতি থাকলে মাঠ পর্যায়ের পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমও ব্যাহত হবে। যদি দীর্ঘ সময় এমন পরিস্থিতি হয় তাহলে জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রবণতা হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই সরঞ্জাম সংকটের প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করে মজুত পর্যালোচনা ও সেবা কার্যক্রম তদারকির মাধ্যমে দ্রুত প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ নিশ্চিত করা ও ভোগান্তি কমানোর দাবি জানান তারা।
উল্লেখ যে, চলতি বছরে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে আসেন স্বাস্থ্য মন্ত্রী। এসময় কয়েকজন চিকিৎসককে কর্মস্থলে অনুপস্থিত পায় এবং স্বাস্থ্যসেবার বিভিন্ন ত্রুটি ও অনিয়মও মন্ত্রীর নজরে আসে।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক হোসনেয়ারা বেগম সরঞ্জাম সংকটের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, গত ২/৩ মাস যাবৎ সকল প্রকার জন্মনিয়ন্ত্রণ সরঞ্জাম মহিলাদের জন্য পিল, পূরুষদের কনডমসহ ইমপ্ল্যান্ট ও আইইউডি কার্যক্রমের সংকট বিদ্যমান।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোছাঃ নাহিদা খাতুনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেনি। পরে হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে একটি ক্ষুদেবার্তা পাঠিয়েও তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায় নি।
গাজীপুর জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপ পরিচালক আবু তাহের মো. সানাউল্লাহ নূরী মুঠোফোনে প্রতিবেদককে বলেন, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয় থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ না দেয়ায় এরকম জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আগামী অক্টোবরে অর্থ বরাদ্দ দেয়ার কথা রয়েছে। অর্থ বরাদ্দ দিলে প্রযোজনীয় সরঞ্জামাদী সরবরাহ করা হবে।
সেবা প্রত্যাশীদের প্রশ্ন, সরকারী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পরিবার পরিকল্পনা সেবার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম থাকবে না কেন? সরঞ্জামাদী নিয়মিত সরবরাহ ও মজুত ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি থাকলে এর দায়ভার কে নেবে? শুধু কাগজে-কলমে নয় পরিবার পরিকল্পনা সেবার প্রয়োজনীয় সকল উপকরণ নিশ্চিত করে বাস্তবে সেবা পৌঁছে দেওয়া হোক।

রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা পুড়িয়ে দিল ২৫ লক্ষ টাকার প্রাইভেট কার গাড়ি। কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে মহিলা দলের কমিটি গঠন। সভাপতি মাতোয়ারা, সাধারণ সম্পাদক সোনিয়া বেগম কালীগঞ্জে পরিবার পরিকল্পনা সেবায় সংকট, প্রশ্নের মুখে সরবরাহ ব্যবস্থা পতিত ১০০ বিঘা জমিতে মাছ চাষ, বছরে লাভ ৫০ লাখ টাকা মান্দায় আন্তঃক্লাব ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল জোকাহাট ফুটবল একাদশ চ্যাম্পিয়ন