খুঁজুন
রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১৫ ভাদ্র, ১৪৩৩

সংরক্ষিত মহিলা আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী নিলুফা ইয়াছমিন খান

মোঃ সবুজ সরকার সৌরভ, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি। 
প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ৩:০৬ অপরাহ্ণ
সংরক্ষিত মহিলা আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী   নিলুফা ইয়াছমিন খান

তীয়তাবাদী রাজনীতির সুদীর্ঘ ঐতিহ্যবাহী পরিবারে জন্ম নেওয়া মোসাঃ নিলুফা ইয়াছমিন খান আজ টাঙ্গাইলের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক পরিচিত ও সম্মানিত নাম। ৩০ জুন ১৯৬৫ সালে টাঙ্গাইল জেলায় জন্মগ্রহণ করা এই সাহসী নারী ছোটবেলা থেকেই আদর্শ, নীতি ও দলীয় চেতনায় বেড়ে উঠেছেন। তাঁর পিতা মৃত হবিবুর রহমান খান ছিলেন শ্রমিক আন্দোলনের একজন সংগঠক ও বাংলাদেশ সড়ক শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এবং টাঙ্গাইল জেলা সড়ক পরিবহন ফেডারেশন ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক। সেই পরিবারেই জাতীয়তাবাদী রাজনীতির বীজ বপন হয় যা পরবর্তীতে নিলুফা ইয়াছমিন খানের জীবনদর্শনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে।

পারিবারিকভাবে রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক পরিবেশে বেড়ে ওঠা নিলুফা ইয়াছমিন খান শিক্ষা জীবন সম্পন্ন করেন রাজাফৈর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৮১ সালে এসএসসি এবং ফুলবাড়িয়া মহাবিদ্যালয় থেকে ১৯৯৬ সালে এইচএসসি পাসের মাধ্যমে। ব্যক্তিজীবনে তিনি মোঃ জয়নাল আবেদীনের সহধর্মিণী। তবে সংসার ও সামাজিক দায়বদ্ধতার পাশাপাশি রাজনৈতিক অঙ্গনে তাঁর সক্রিয় উপস্থিতিই তাঁকে আলাদা মর্যাদা দিয়েছে।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল, টাঙ্গাইল জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে ২০১০ সালে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। পরবর্তীতে ২০১২, ২০১৭ এবং ২০২৩ সালে ধারাবাহিকভাবে জেলা মহিলা দলের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতা। একইসঙ্গে তিনি জেলা বিএনপির সদস্য এবং আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে দলীয় কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন।
দলের কঠিন সময় রাজনৈতিক প্রতিকূলতা ও আন্দোলন সংগ্রামের দিনগুলোতে তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। দলের কর্মসূচি বাস্তবায়নে নারী কর্মীদের সংগঠিত করতে এবং জাতীয়তাবাদী আদর্শকে তৃণমূল পর্যন্ত পৌঁছে দিতে তাঁর নিরলস পরিশ্রম দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস। রাজনৈতিক অঙ্গনে তাঁর পরিচিতি একজন নিবেদিতপ্রাণ ত্যাগী ও সাহসী নেত্রী হিসেবে।
শুধু রাজনীতিতেই নয়, সামাজিক ও পেশাগত ক্ষেত্রেও তিনি রেখেছেন উল্লেখযোগ্য অবদান। ঘাটাইল উপজেলার শ্রেষ্ঠ নারী উদ্যোক্তা হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া নিলুফা ইয়াছমিন খান টাঙ্গাইল জেলা বাস-কোচ মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত প্রথম নারী সদস্য। এছাড়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটিতে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সারা দেশের প্রথম নারী সদস্য হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। তিনি টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলে তাঁর দৃঢ় অবস্থানের পেছনে রয়েছে একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবার। তাঁর বড় ভাই লুৎফর রহমান খান আজাদ, বর্তমান সংসদ সদস্য, টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের প্রতিনিধি। তিনি চারবারের সংসদ সদস্য ও তিনবারের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এমন রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের ধারাবাহিকতায় নিলুফা ইয়াছমিন খানও নিজেকে গড়ে তুলেছেন জাতীয়তাবাদী রাজনীতির পরীক্ষিত সৈনিক হিসেবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত মহিলা আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে তাঁর নাম ইতোমধ্যে দলীয় অঙ্গনে আলোচনায় রয়েছে। দলীয় নেতাকর্মীদের বিশ্বাস, দীর্ঘদিনের ত্যাগ, সাংগঠনিক দক্ষতা ও আদর্শিক দৃঢ়তার কারণে তিনি সংরক্ষিত আসনের জন্য যোগ্য প্রার্থী। নারী নেতৃত্ব বিকাশে তাঁর ভূমিকা এবং দলের জন্য আত্মত্যাগ তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা মর্যাদা দিয়েছে।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বিশ্বাস বেতকা গ্রামে স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানায় বসবাসকারী এই নেত্রী সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। সামাজিক-মানবিক কর্মকাণ্ডে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ স্থানীয় জনগণের আস্থা অর্জনে সহায়ক হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জাতীয়তাবাদী আদর্শে বেড়ে ওঠা, পরিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্য এবং নিজস্ব সাংগঠনিক দক্ষতার সমন্বয়ে মোসাঃ নিলুফা ইয়াছমিন খান সংরক্ষিত মহিলা আসনে বিএনপির জন্য একটি শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য মুখ হতে পারেন।
দলের দুঃসময়ে পাশে থাকা, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা এবং নারী সংগঠনকে সুসংগঠিত করার মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। এখন সময় এসেছে জাতীয় সংসদের মঞ্চে তাঁর নেতৃত্বকে তুলে ধরার এমন প্রত্যাশাই করছেন দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। জাতীয়তাবাদী চেতনায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এই নারী নেত্রীর সামনে নতুন এক রাজনৈতিক অধ্যায়ের দুয়ার খুলতে যাচ্ছে বলেই মনে করছেন অনেকে।

মাদারগঞ্জে ক্যাসিনো সম্রাট রাফি’র বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ জামালপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৫৩ অপরাহ্ণ
মাদারগঞ্জে ক্যাসিনো সম্রাট রাফি’র বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন

জামালপুরের মাদারগঞ্জে ক্যাসিনো সম্রাট রাফি’র বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার বেলা ১১ টায় মাদারগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস মোড়ে মানববন্ধন এবং পৌর বাস টার্মিনাল থেকে থানা মোড় পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে শত শত বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেয়।

মাদক ব্যবসায়ী এবং মাদারগঞ্জের ক্যাসিনো সম্রাট,কুখ্যাত সন্ত্রাসী ‘র বিচারের দাবিতে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বজলুর রশিদ সরকার, থানামোড় ব্যবসায়ী ফোরাম নেতা ফারুক আহমেদ, জুয়েল মন্ডল,শাকিল, জাহানারা বেগম সহ অনেকে।

বক্তারা মাদক ও ক্যাসিনো সম্রাট রাফি কে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবী জানান।

মাদারগঞ্জে রুপসী নামে নারীকে গলায় উড়না পেচিঁয়ে হত্যা- ধারণা পুলিশের’ সেচপাম্প থেকে মরদেহ উদ্ধার 

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ  জামালপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৫১ অপরাহ্ণ
মাদারগঞ্জে রুপসী নামে নারীকে গলায় উড়না পেচিঁয়ে হত্যা- ধারণা পুলিশের’ সেচপাম্প থেকে মরদেহ উদ্ধার 

জামালপুরের মাদারগঞ্জে সেচপাম্প থেকে রুপসী নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার সকালে মাদারগঞ্জ উপজেলার ১ নং চরপাকেরদহ এলাকার আব্দুল হান্নান এর সেচপাম্প এর ভিতর নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সে মাদারগঞ্জ উপজেলার ঘোনাপাড়া এলাকার ছাইর উদ্দিনের মেয়ে রুপসী আক্তার (১৬)।  ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মাদারগঞ্জ সার্কেল মোস্তাফিজুর রহমান ভুঞা ও অফিসার ইনচার্জ ওসি স্নেহাশিষ রায় সহ সঙ্গীয় ফোর্স।

স্থানীয়রা জানান ঘোনাপাড়া এলাকার হান্নানের মোটরচালিত সেচপাম্পের ভিতর এক নারীর মরদেহ দেখে এক কৃষক।  সে তার জমিতে সার বুনতে এসে সেচপাম্পের ভিতরে মরদেহ দেখে।

স্থানীয় আব্দুর রশিদ জানান সকালে জানতে পারি সেচপাম্প ঘরে নারীর মরদেহ। সেখানে কয়েকজনের সাথে  এসে দেখি মোটরচালিত সেচপাম্পে নারীর মরদেহ।  কয়েকজন চিনতে পেরে বলে এটা ছাইর উদ্দিনের মেয়ে রুপসী।  আমি বিষয়টি থানায় অবগত করি থানা থেকে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

নিহতের বাবা ছাইরউদ্দিন জানান গতকাল রাত সাড়ে ৯ টা থেকে বাড়ী থেকে নিখোঁজ। আমরা খোঁজাখুজি করেছি পায়নি।  ভাবছিলাম রাগ করে হয়তো কোন আত্মীয়ের বাড়ীতে গিয়ে আছে আসবেই।   সকালে জানতে পারি সেচপাম্প ঘরে আমার মেয়ের মরদেহ। শোনার পরেই আমার পায়ের নিচে মাটি নেই।

মাদারগঞ্জ সার্কেল এএসপি মোস্তাফিজুর রহমান ভুঞা জানান চরপাকেরদহের ঘোনাপাড়া এলাকার মোটরচালিত সেচপাম্প ঘর থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটা হত্যা।  মরদেহ সুরতহাল করে মর্গে পাঠানো হবে। মামলা পক্রিয়াধীন আছে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রংপুরে চার হত্যা হত্যাকাণ্ডের আইনি লড়াই না করার ঘোষণা দিয়েছেন রংপুর আইনজীবী সমিতি

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ
রংপুরে চার হত্যা হত্যাকাণ্ডের আইনি লড়াই না করার ঘোষণা দিয়েছেন রংপুর আইনজীবী সমিতি

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চার সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আসামীদের পক্ষে আইনি লড়াই না করার ঘোষণা দিয়েছেন রংপুর আইনজীবী সমিতি।

শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০ টায় আইনজীবী সমিতি ভবন চার হত্যাকাণ্ড নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন আইনজীবী সমিতির পক্ষে সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফতাব উদ্দিন।

তিনি বলেন, রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনাটি নিকৃষ্টতম ঘটনা। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমরা কয়েকজন সরকারি আইনজীবীসহ রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসককে সাথে নিয়ে ঘটনাস্থল ইতিমধ্যে পরিদর্শন করেছি।আমরা আইনজীবী সমিতির পক্ষে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কে বলতে চাই, আপনাদের পাশেই রয়েছি । আইনগত সব ধরণের সহায়তা আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে দেওয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ পরিবারের চারজনের লাশ উদ্ধারের পর পুলিশ দুইজনকে আটক করেছে এবং তাদের দেওয়া তথ্য মতে লুণ্ঠিত গহনা উদ্ধার হয়েছে। আটক দুইজন ইতিমধ্যে ১৬৪ ধারায় আদালতে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। পুলিশি তৎপরতা, সাংবাদিকগণের সহযোগিতায় এখন পর্যন্ত পুলিশের তদন্ত এবং কার্যক্রম সঠিক পথেই আছে বলে আমরা মনে করছি।

রংপুর আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফতাব উদ্দিন বলেন, এই হত্যাকান্ড নিয়ে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা রকমের গুজব ও গল্প সাজিয়ে প্রচার করছেন। কেউ কেউ এটাকে রাজনৈতিক করনের প্রচারণা চালানোর চেষ্টা করছেন। আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে অনুরোধ এই হত্যাকান্ড নিয়ে কেউ রাজনীতি করবেন না। কোন প্রকার গুজব ছড়াবেন না।

তিনি বলেন, আইনজীবী সমিতির সদস্যদের আলোচনা সাপেক্ষে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চার সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আসামীদের পক্ষে আইনি লড়াই না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পক্ষে রয়েছি এবং তাদের সবধরনের আইনি লড়াইয়ে আমরা তাদের পাশে আছি। এসময় তিনি এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে সাংবাদিকদের সঠিক তথ্য তুলে ধরার আহবান জানান।

এসময় রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব এডভোকেট মাহফুজ উন নবী ডন, রংপুর আইনজীবী সমিতির অ্যাডভোকেট সাহেদ কামাল ইবনে খতিব, জামায়াতের আইনজীবী এডভোকেট কাওছার আলীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মাদারগঞ্জে ক্যাসিনো সম্রাট রাফি'র বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন মাদারগঞ্জে রুপসী নামে নারীকে গলায় উড়না পেচিঁয়ে হত্যা- ধারণা পুলিশের' সেচপাম্প থেকে মরদেহ উদ্ধার  রংপুরে চার হত্যা হত্যাকাণ্ডের আইনি লড়াই না করার ঘোষণা দিয়েছেন রংপুর আইনজীবী সমিতি গাজীপুরের কালীগঞ্জে জামাইয়ের হাতে শ্বশুর খুন ৩ হাজার পিছ ইয়াবাসহ কালীগঞ্জের মাদক সম্রাট ঢাকায় গ্রেফতার।