খুঁজুন
সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন, ১৪৩২

মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন বিষয়ে উপজেলায় এগিয়ে যাচ্ছে রামপুর উচ্চ বিদ্যালয়

মোহাম্মদ সেলিম, স্টাফ রিপোর্টার ময়মনসিংহ :
প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ২:২৩ অপরাহ্ণ
মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন বিষয়ে উপজেলায়  এগিয়ে যাচ্ছে রামপুর উচ্চ বিদ্যালয়

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় শিক্ষা, শৃঙ্খলা ও মূল্যবোধ গঠনে নির্ভরযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে জেলা পর্যায়ে সুনামের সাথে পরিচিতি লাভ করেছে রামপুর উচ্চ বিদ্যালয় । ১৯৯৪ সালের ১ জানুয়ারি স্থাপিত হওয়ার পর থেকে

এই বিদ্যালয়টি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা প্রদান করে আসছে। প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন মৃত নূর জামাল। তিনি ১৯৯৪ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন ফারুক রেজাউল ইসলাম। ১.১৫ একর জমিতে গড়ে উঠা বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ২৭ জন শিক্ষক কর্মচারী মিলে মিশে শিক্ষার মান উন্নয়নে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।
শিক্ষকবৃন্দরা নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করছেন, যাতে তারা পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের পাশাপাশি , একজন ভালো মানুষ হিসেবেও গড়ে উঠতে পারে।
রামপুর উচ্চ বিদ্যালয়টিতে বর্তমান প্রধান শিক্ষক ফারুক রেজাউল ইসলাম গত ১০ ফেব্রুয়ারি২০১৬ সালে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকে তার নেতৃত্বে সকল শিক্ষক কর্মচারীদের সার্বিক সহযোগিতায় কেবল একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, এটি এলাকায় বর্তমানে উচ্চ পর্যায়ে সু-নামের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিচিত । বিদ্যালয়টি ২০২৩ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, শ্রেষ্ঠ শ্রেণী শিক্ষক, শ্রেষ্ঠ স্কাউট শিক্ষক, শ্রেষ্ঠ স্কাউট দল ও শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী হিসেবে গড়ে উঠেছে। ২০২৬ সালে উপজেলার গন্ডি পেরিয়ে ময়মনসিংহ জেলায় শ্রেষ্ঠ মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছেন রামপুর উচ্চ বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টি খেলাধুলায় ও সহ পাঠ্যক্রমিক কার্যবলিতে বিভিন্ন পুরস্কার সহ বিভিন্ন দিবসে অংশ গ্রহণ করে পুরস্কারসহ শ্রেষ্ঠ পুরস্কার পেয়ে থাকেন। এছাড়া জাতীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠিত নজরুল জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে রামপুর উচ্চ বিদ্যালয় স্কাউট দলের দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে ৭২২জন শিক্ষার্থী শিক্ষা গ্রহণ করছে। এখান থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে বহু শিক্ষার্থী সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। রামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফারুক রেজাউল ইসলাম বলেন, এই প্রতিষ্ঠানটি টিকে উচ্চপর্যায়ে পরিচিতি লাভ করার জন্য
শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই প্রতিষ্ঠানটি আরও এগিয়ে যাবে—এটাই এলাকাবাসীর প্রত্যাশা।

কুয়াকাটায় ইয়াবা সেবনে বাধা, হোটেল মালিককে পিটিয়ে পা থেঁতলে দিল সন্ত্রাসীরা

মেহেদী হাসান সোহাগ-কুয়াকাটা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৫:০৩ পূর্বাহ্ণ
কুয়াকাটায় ইয়াবা সেবনে বাধা, হোটেল মালিককে পিটিয়ে পা থেঁতলে দিল সন্ত্রাসীরা

কুয়াকাটায় ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ায় এক আবাসিক হোটেল মালিককে নির্মমভাবে পিটিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (১ মার্চ) সন্ধ্যায় কুয়াকাটা পাঞ্জুপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত ব্যক্তি লোকমান মৃধা, হোটেল কুয়াকাটা প্যালেস-এর মালিক।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাখাইন মহিলা মার্কেটের ঝিনুক ব্যবসায়ী রাসেল খান ও মিরাজ নামের দুই ব্যক্তি তার হোটেলে নিয়মিত ইয়াবা সেবন করতেন।

এতে বাধা দেওয়ায় তারা লোকমান মৃধার ওপর হামলা চালায়।

হামলাকারী রাসেল ও মিরাজ যুবদলের রাজনীতির সাথে জড়িত বলে স্থানীয়ভাবে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, হামলাকারীরা লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে তার দুই পা থেঁতলে দেয়।

তার চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুয়াকাটার ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যায়।

চিকিৎসক জানান, সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে আনা হয়।

প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

বর্তমানে তার অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানা গেছে।

আহতের মেয়ে সাজেদা বেগম অভিযোগ করে বলেন, রাসেল খান ও মিরাজ নিয়মিত আমার বাবার হোটেলে গিয়ে ইয়াবা সেবন করতেন।

বাবা বাধা দেওয়ায় তারা পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর করেছে আমার বাবা এখন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।

অভিযুক্তদের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহব্বত খান বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রকৃতির অপরূপ লীলাভূমি গজনী অবকাশ পর্যটন কেন্দ্র।

জুবায়ের আহমেদ রাসেল (স্টাফ রিপোর্টার)
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৫:০০ পূর্বাহ্ণ
প্রকৃতির অপরূপ লীলাভূমি গজনী অবকাশ পর্যটন কেন্দ্র।

শেরপুর জেলা সদর থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পাদদেশে ঝিনাইগাতী উপজেলার গারো পাহাড়ের পাদদেশে গড়ে উঠেছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাভূমি গজনী ব্রিটিশ আমল থেকেই পিকনিকট স্পট হিসেবে পরিচিত। মনোরম পাহাড়ি শোভামন্ডিত গজনী অবকাশ কেন্দ্রে একটি প্রাচীন বটগাছের পূর্বদিকে প্রায় ২ শত ফুট উঁচু পাহাড়ের চূড়ায় নির্মাণ করা হয়েছে দ্বিতল অবকাশ ভবন। ওই প্রাচীন বটগাছের বিশাল গোল চত্বরটি শান বাঁধানো। শান বাঁধানো সেই বিশাল বটগাছটির ছায়ায় চারপাশে দলবদ্ধভাবে আনন্দ আড্ডায় মেতে ওঠে পিকনিক দলগুলো। গারো, কোট, হাজং বানাই, ডালু ও হদি উপজাতি অধ্যুষিত গারো পাহাড়ের পাদদেশে স্বচ্ছ-সুনীল জলের লেক ও দিগন্ত ছোঁয়া সবুজ বনানীর মাঝে শেরপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গড়ে তোলা গজনী অবকাশ কেন্দ্রে রয়েছে ৬ কক্ষ বিশিষ্ট উন্নতমানের দ্বিতল রেষ্ট হাউজ।

গজনী অবকাশ কেন্দ্রে কি আছে
গজনীর প্রবেশমুখে দেখা যায় মৎস্যকন্যা যার নাম দেয়া হয়েছে জলপরী। এছাড়া আছে ডাইনাসোরের প্রতিকৃতি, ড্রাগন টানেল, দণ্ডায়মান জিরাফ, পদ্ম সিঁড়ি, লেক ভিউ পেন্টাগন, হাতির প্রতিকৃতি, স্মৃতিসৌধ, গারো মা ভিলেজ, কৃত্রিম জলপ্রপাত, কাজী নজরুল ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিফলক অন্যতম। এর মধ্যে গারো মা ভিলেজে লেগেছে নতুনত্বের ছোঁয়া। এখানে মাশরুম ছাতার নিচে বসে পাহাড়ের ঢালে আদিবাসীদের জীবনযাত্রা, দিগন্তজোড়া ধান ক্ষেত ও পাহাড়ি জনপদের ভিন্ন জীবনমান উপভোগ করা যায়।

সমতল ভূমি থেকে গজনী অবকাশ ভবনে উঠানামা করার জন্য পাহাড় কেটে তৈরী করা হয়েছে দু’শতাধিক সিঁড়িসহ আকর্ষণীয় আঁকাবাঁকা ‘পদ্মসিঁড়ি’। ‘পদ্মসিঁড়ি’র পাশেই গজারী বনে কাব্য প্রেমীদের জন্য কবিতাঙ্গনের গাছে গাছে ঝোলানো আছে প্রকৃতি নির্ভর রচিত কবিতা। লেকের পানির উপর ভাসমান সুদৃশ্য দ্বিতল জিহান অবসর কেন্দ্র ছাড়াও লেকের মাঝে কৃত্রিম দ্বীপ ও দ্বীপের উপর লেকভিউ পেন্টাগন। দ্বীপে যাতায়াতের জন্য রয়েছে স্টিল রোপের ওপর নির্মিত দোদুল্যমান সেতু। কৃত্রিম লেকে নৌ বিহারের জন্য রয়েছে বিদেশী ‘প্যাডেল বোট’ আর আকর্ষণীয় ‘ময়ূরপংঙ্খী নাও’।

সুউচ্চ শীর্ষ পাহাড় চূড়ায় নির্মিত হয়েছে আধুনিক স্থাপত্য রীতিতে ৬৪ ফুট উচ্চতা সম্পন্ন নয়নকাড়া সাইট ভিউ টাওয়ার। এই টাওয়ার চূড়ায় উঠে দাড়ালে চারদিকে শুধু দেখা যায় ধূসর, আকাশী ও সবুজের মিতালী। এই ওয়াচ টাওয়ারের প্রবেশমূল্য ১০ টাকা।

গজনী অবকাশ কেন্দ্রে প্রবেশ পথের রাস্তার পূর্ব পার্শ্বে সৃষ্ট ঘোড়ার খুরের ন্যায় ক্রিসেন্ট লেকের তীর থেকে পশ্চিমে অবস্থিত অন্য আকেটি লেকের তীরে যাওয়ার জন্য পাহাড় ও রাস্তার তলদেশে খনন করা হয়েছে রোমঞ্চকর সুড়ঙ্গ পথ ‘পাতালপুরী’। ক্রিসেন্ট লেকের মাঝখানে নির্মিত হয়েছে জলপ্রপাত ‘নির্ঝর’। হ্রদ পেরিয়ে পশ্চিম পাহাড়ে যেতে চোখে পড়বে বর্ণিল সংযোগ সেতু ‘রংধনু’। এছাড়া পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে শেরপুরের জলো প্রশাসক মোঃ নাসিরুজ্জামানের প্রচেষ্টায় নির্মিত হয়েছে সুউচ্চ কৃত্রিম জলপ্রপাত ‘গজনী পবিত্র কুন্ডু’।

ছোট পরিসরের চিড়িয়াখানায় রয়েছে মেছো বাঘ, অজগর সাপ, হরিণ, ভাল্লুকসহ প্রায় ৪০ প্রজাতির প্রাণী।

গজনী অবকাশ কেন্দ্র এর টিকেট মূল্য
গজনী অবকাশে প্রবেশমূল্য বাস-ট্রাক ৫০০ টাকা, মাইক্রোবাস-পিক-আপ ভ্যানের জন্য ২০০ টাকা। জনপ্রতি প্রবেশমূল্য ১০ টাকা দিতে হয়।

গজনী অবকাশ কেন্দ্র যাওয়ার উপায়
রাজধানী ঢাকা থেকে সরাসরি সড়ক পথে সাড়ে ৪ থেকে ৫ ঘন্টায় গজনী অবকাশ কেন্দ্র পৌঁছানো যায়। উত্তরবঙ্গ থেকে টাঙ্গাইল-জামালপুর হয়েও আসতে পারেন সড়ক পথে। ঢাকার মহাখালি থেকে ড্রিমল্যান্ড বাসে শেরপুর আসা যায়। ভাড়া ৩০০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে। মহাখালী থেকে দুপুর ২টায় ছাড়ে এসিবাস। ভাড়া ৩৫০টাকা। এছাড়া ঢাকা বঙ্গবন্ধু জাতীয় ষ্টেডিয়াম ৪ নং গেইট থেকে সরাসরি বিকাল ৩-৪টায় শিল্প ও বণিক সমিতির গাড়ী ঝিনাইগাতীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। ভাড়া ৩০০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে।

শেরপুর শহর থেকে গজনীর দূরত্ব মাত্র ৩০ কিলোমিটার। শেরপুর থেকে লোকাল বাস,টেম্পু, সিএনজি অথবা রিক্সায় গজনী অবকাশ কেন্দ্রে যাওয়া যায়। শেরপুর থেকে বাসে গজনী অবকাশ কেন্দ্রে যেতে লাগবে ৫০ থেকে ৭০ টাকা। আর সিএনজি দিয়ে যেতে লাগবে ৩০০ টাকা।

ঢাকা থেকে সরাসরি মাইক্রোবাস অথবা প্রাইভেট কারে গজনী অবকাশ যেতে পারেন। ঢাকা থেকে নিজস্ব বাহনে মাত্র সাড়ে তিন থেকে চার ঘন্টায় ঝিনাইগাতীর গজনী অবকাশে আসা যায়।

বালু পাচারের অভিযোগে সালমান নামে এক যুবককে কারাদণ্ড প্রদান ।

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে জুবায়ের আহমেদ রাসেল স্টাফ রিপোর্টার :-
প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ১১:৩০ অপরাহ্ণ
বালু পাচারের অভিযোগে সালমান নামে এক যুবককে  কারাদণ্ড প্রদান ।

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে অভিনব কৌশলে বালু পাচারের অভিযোগে সালমান (২৪) নামে এক যুবককে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। রবিবার (১মার্চ) দুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অনিন্দিতা রানী ভৌমিক এ দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে,উপজেলার নকশী এলাকা থেকে পুরাতন টিনের ছাউনি দিয়ে কৌশলে বালু পাচারের সময় বনকর্মীরা সালমানকে একটি ট্রলি সহ আটক করেন। পরে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০–এর ১১ ধারা লঙ্ঘন এবং একই আইনের ১৫(১) ধারা অনুযায়ী ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত সালমান শ্রীবরদী উপজেলার খামারিয়া পাড়া এলাকার চান্দু বাদশার ছেলে। রায় ঘোষণার পর তাকে থানা পুলিশের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল আমীন, রাংটিয়া রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক এসবি তানভীর আহমেদ ইমন,গজনী বিট কর্মকর্তা সালেহীন নেওয়াজ খানসহ বন বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, অবৈধ বালু উত্তোলন ও পাচার রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কুয়াকাটায় ইয়াবা সেবনে বাধা, হোটেল মালিককে পিটিয়ে পা থেঁতলে দিল সন্ত্রাসীরা প্রকৃতির অপরূপ লীলাভূমি গজনী অবকাশ পর্যটন কেন্দ্র। বালু পাচারের অভিযোগে সালমান নামে এক যুবককে কারাদণ্ড প্রদান । হামলার জবাবে দফায় দফায় ইসরাইলে মিসাইল ছুড়ছে ইরান । প্রেসক্লাবের উদ্যোগে সাংবাদিক সোরহাব হোসেনের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত