খুঁজুন
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২২ ভাদ্র, ১৪৩৩

ভোটকেন্দ্রে নির্বিঘ্নে ভোট দেয়া নিশ্চিত করার জন্য অথোরটি চাইলেন: আইজিপি

পাবলিক বাংলা :
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
ভোটকেন্দ্রে নির্বিঘ্নে ভোট দেয়া নিশ্চিত করার জন্য অথোরটি চাইলেন: আইজিপি

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর : পুলিশের প্রাইমেসি প্রতিষ্ঠার জন্য ভোটকেন্দ্রে নির্বিঘ্নে ভোট দেয়া নিশ্চিত করার জন্য অথোরটি চাইলেন পুলিশের আইজিপি বাহারুল আলম। তার দাবি , গ্রেফতার করলে যদি থানা ঘেরাও করে বসে থাকেন তাহলে আমার অথরোটি কোথায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বলেছেন, যদি অন্যায় করি তাহলে ধরেন আমাকে। কিন্তু ন্যায় কাজটা আমাকে করতে দেন।
শনিবার ( ১০ জানুয়ারী) বেলা সোয়া তিনটায় রংপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এই মন্তব্য করেন তিনি। এসময় তার সাথে ছিলেন রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি আমিনুল ইসলাম,মহানগর পুলিশ কমিশনার মজিদ আলী, রংপুর পুলিশ সুপার মারুফাত হোসাইনসহ পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
ভোট দেয়ার নির্বিঘ্ন পরিবেশ তৈরিতে পুলিশ কতটুকু এগুলো-সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে আইজিপি বলেন, আমি পুলিশের প্রাইমেসি প্রতিষ্ঠার জন্য ভোট কেন্দ্রে শৃঙখলা রাখার জন্য, নির্বিঘ্নে ভোট দেয়ার জন্য যে পরিবেশ তৈরি করতে হবে, তার জন্য তো আপনি আমাকে অথোরিটি দিবেন? এখন এরেস্ট করলে আপনি ঘেরাও দিয়ে বসে থাকবেন, যে থানা থেকে তাকে ছাড়তে হবে? তাহলে তো আই ডুনট হেভি অথোরিটি? আমি এটা চাই সবার কাছে। আপনাদের কাছ থেকে এটা চাই। যদি অন্যায় করি তাহলে ধরেন আমাকে। কিন্তু ন্যায় কাজটা আমাকে করতে দেন।
ডেভিল হাট-২ অপারেশনে বাঁধা পাওয়ার প্রসঙ্গ টেনে আইজিপি বলেন, ‘আমরা ১৩ ডিসেম্বর থেকে অপারেশন ডেভিল হান্ট- ফেুজ টু শুরু করেছি। এ ব্যাপারে আমাদের অনেক সমালোচনাও আছে। অনেক রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, অনেক প্রার্থী তারা বলছেন যে আপনার পুলিশ আমার কর্মীকে এরেস্ট করেছে। আমি নির্বাচনে কাজ করতে পারছি না। আমরা চেস্টা করছি যতটা সম্ভব অবজেকটিভিলি কাজ করতে। যিনি প্রটেনশিয়ালি একজন রিসকি থ্রেট, যিনি প্রটেনশিয়াল থ্রেট, ফরদি দিস ইলেকশন । আমরা চেস্টা করছি। তাকে আইনের আওতায় আনতে। তাকে গ্রেফতার করতে অথবা যদি কারো নামে মামলা থাকে এবং তিনি অপরাধী । বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন থেকে উদ্ভুত মামলায় অনেক নাম দেয়া হয়েছে। যাদের অনেকেই ঘটনার সাথে জড়িত ছিলেন না। তাদের আমরা রিলিফ দেয়ার চেস্টা করছি। সব থেকে বড় যেটা বিষয় সেটা হলো আপনাদের দেশবাসির সমর্থন চাই। এই পুলিশ তাদের মনোবলকে আপনারা সমর্থন দিয়ে উচু রাখবেন।
পুলিশের খোয়া যাওয়া এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের প্রশ্নে আইজিপি বলেন,পুলিশের খোয়া গেছে ৫ হাজার ৫০০রও বেশি অস্ত্র। এর মধ্যে এখনও ১ হাজার ৩৩০ টি অস্ত্র উদ্ধার করা সম্ভব হয় নি। ইন ডজনস, মানে শত শত আমরা উদ্ধার করতে পারছি না। একটা দুইটা করে উদ্ধার হচ্ছে। এই সময়ের মধ্যে যে এটা আমরা পুরোটা উদ্ধার করে ফেলতে পারবো। সেটা হয়তো বা সম্ভব হবে না। এর বাইরেও অনেক অবৈধ অস্ত্র আসছে। সেগুলোও উদ্ধার করা হচ্ছে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে আজ ( ১০ জানুয়ারী) পর্যন্ত ২৫১ টি দেশি-বিদেশি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। একটু একটু করে হচ্ছে। আপনাদের কাছ থেকেও অনেক খবর পেয়ে আমরা সেটা করছি। এটা অব্যাহত থাকবে।
প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন ও ঝুঁকিপূর্ন কেন্দ্রে পুলিশের বডি ক্যামেরা ক্রয় প্রসঙ্গে আইজিপি বলেন, আমরা চেস্টা করছি, সরকার এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় তারা যেন প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করেন, আমি যেটা শুনতে পেয়েছি যে সেটা তারা চেস্টা করছেন। হয়তোবা হয়ে যাবে। এর অতিরিক্ত আমরা যে গুরুত্বপুর্ন ঝুঁকিপুর্ন কেন্দ্র ৮ হাজার এবং মধ্যম ধরণের ঝুঁকিপূর্ন ১৬ হাজার কেন্দ্রে মোট ২৪ হাজার কেন্দ্রের পুলিশের কাছে আমরা বডি ক্যাম দেয়ার একটা উদ্যোগ নিয়েছি। স্ব স্ব জেলার এসপি সাহেবরা বডি ক্যামগুলো কিনছেন এবং জেলা পর্যায়ে এর ওপরেও প্রশিক্ষণ চলছে। আমাদের সব চেস্টাই একটি নির্বিঘ্ সুস্ঠু ভোটের পরিবেশ তৈরি করা।
বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম ইলেকশনের বিষয়ে পুলিশকে ট্রেনিং দেয়ার কারণ উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, ‘ আমাদের নানামুখি তৎপরতা আছে আমরা পুলিশকে এক ধরণের প্রশিক্ষণ দিচ্ছি। এই ইলেকশনটাকে কেন্দ্র করে। বাংলাদেশের ইতিহাসে ইলেকশন করার জন্য কখনও পুলিশকে প্রশিক্ষণ দিতে হয় নি। কারণ এর আগের ১৫ বছরে অনেক পুলিশ নতুনভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন। এবং আগের পনের বছরের যে ইলেকশনগুলো ওনারা দেখেছেন। সেগুলোর ওপরে মানুষের আস্থা নাই। সেকারণে নির্বাচনে কিভাবে কাজ করতে হবে সে নিয়ে সকল পুলিশের স্বচ্ছ ধারণা ছিল না। সেটা আমরা চেস্টা করেছি এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ১ লাখ ৫০ হাজার পুলিশ সদস্যকে আমরা প্রশিক্ষণ দেয়ার টার্গেট নিয়েছি। গতকাল ( ৮ জানুয়ারী) পর্যন্ত আমরা ১ লাখ ৩৩ হাজার জনকে সেটা আমরা দিতে পেরেছি। আগামী ২০ তারিখের মধ্যে সবাইকে প্রশিক্ষণ দিয়ে সমাপ্ত করতে পারবো।

এর আগে তিনি সেখানকার শৈলি ভবনে রংপুর মহানগর পুলিশ কল্যাণ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। পরে পুলিশে মেসে পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে নির্বাচন নিয়ে বৈঠক শেষে পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে নির্বাচন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে মহিলা দলের কমিটি গঠন। সভাপতি মাতোয়ারা, সাধারণ সম্পাদক সোনিয়া বেগম

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩১ অপরাহ্ণ
কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে মহিলা দলের কমিটি গঠন। সভাপতি মাতোয়ারা, সাধারণ সম্পাদক সোনিয়া বেগম

কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে মাতোয়ারা বেগমকে সভাপতি এবং সোনিয়া বেগমকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে।

কমিটি গঠন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুয়াকাটা পৌর মহিলা দলের সভাপতি হামিদা বেগম।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল আজিজ মুসল্লী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান হাওলাদার। এছাড়া সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন ঘরামীসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় বক্তারা বলেন, নতুন কমিটির মাধ্যমে ২ নম্বর ওয়ার্ডে মহিলা দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। পাশাপাশি দলের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি, তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততা বাড়ানো এবং দলীয় কর্মকাণ্ডকে আরও সুসংগঠিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

নবনির্বাচিত সভাপতি মাতোয়ারা বেগম ও সাধারণ সম্পাদক সোনিয়া বেগম দলীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, আগামী দিনে ওয়ার্ড পর্যায়ে মহিলা দলের কার্যক্রম আরও শক্তিশালী ও সক্রিয়ভাবে পরিচালনা করা হবে।

কালীগঞ্জে পরিবার পরিকল্পনা সেবায় সংকট, প্রশ্নের মুখে সরবরাহ ব্যবস্থা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৬ অপরাহ্ণ
কালীগঞ্জে পরিবার পরিকল্পনা সেবায় সংকট, প্রশ্নের মুখে সরবরাহ ব্যবস্থা

মুঃ সোহরাব আলী সরকার, কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা ( ফ্যামেলী প্লানিং ) সেবার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও উপকরণের সংকট দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ, প্রশ্নের মুখে সরবরাহ ব্যবস্থা। সেবা নিতে আসা প্রত্যন্ত এলাকার নিম্ন আয়ের মানুষসহ অনেকেই কাঙ্খিত পরিবার পরিকল্পনা (ফ্যামেলী প্লানিং) সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সরঞ্জামের সংকটে প্রয়োজনীয় উপকরণ না পেয়ে তারা বেসরকারি ক্লিনিক কিংবা ফার্মেসির ওপর নির্ভর করতে বাধ্য হচ্ছেন।
স্থানীয় সেবা প্রার্থীদের অভিযোগ, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কার্যক্রমের আওতায় বিভিন্ন ধরনের সেবা নিতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে অনেকে প্রয়োজনীয় সামগ্রী না পাওয়ায় তাদের ফিরে যেতে হচ্ছে। বিশেষ করে দরিদ্র ও নি¤œআয়ের মানুষের জন্য সরকারী স্বাস্থ্যকেন্দ্রের এসব সেবা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও সরঞ্জাম সংকট তাদের দুর্ভোগ আরোও বাড়িয়ে দিয়েছে।
সেবা প্রার্থী উত্তর সোম এলাকার আলমগীর হোসেন বলেন, সরকারী হাসপাতালে নিজ পরিবারের জন্য কম খরচে পরিবার পরিকল্পনা সেবা পাওয়ার আশায় এখানে আসি। কিন্তু বিনা মূল্যে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম বা উপকরণ না থাকায় গত তিন মাস যাবৎ কাঙ্খিত সেবা পাচ্ছে না। ফলে সময় ও অর্থ দুটোই ব্যয় হচ্ছে।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, পরিবার পরিকল্পনা সেবা মানুষের মৌলিক স্বাস্থ্যসেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পরিবার পরিকল্পনা সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও উপকরণের পর্যাপ্ত মজুত থাকা জরুরী। সরবরাহ ব্যবস্থায় ঘাটতি থাকলে মাঠ পর্যায়ের পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমও ব্যাহত হবে। যদি দীর্ঘ সময় এমন পরিস্থিতি হয় তাহলে জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রবণতা হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই সরঞ্জাম সংকটের প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করে মজুত পর্যালোচনা ও সেবা কার্যক্রম তদারকির মাধ্যমে দ্রুত প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ নিশ্চিত করা ও ভোগান্তি কমানোর দাবি জানান তারা।
উল্লেখ যে, চলতি বছরে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে আসেন স্বাস্থ্য মন্ত্রী। এসময় কয়েকজন চিকিৎসককে কর্মস্থলে অনুপস্থিত পায় এবং স্বাস্থ্যসেবার বিভিন্ন ত্রুটি ও অনিয়মও মন্ত্রীর নজরে আসে।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক হোসনেয়ারা বেগম সরঞ্জাম সংকটের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, গত ২/৩ মাস যাবৎ সকল প্রকার জন্মনিয়ন্ত্রণ সরঞ্জাম মহিলাদের জন্য পিল, পূরুষদের কনডমসহ ইমপ্ল্যান্ট ও আইইউডি কার্যক্রমের সংকট বিদ্যমান।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোছাঃ নাহিদা খাতুনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেনি। পরে হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে একটি ক্ষুদেবার্তা পাঠিয়েও তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায় নি।
গাজীপুর জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপ পরিচালক আবু তাহের মো. সানাউল্লাহ নূরী মুঠোফোনে প্রতিবেদককে বলেন, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয় থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ না দেয়ায় এরকম জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আগামী অক্টোবরে অর্থ বরাদ্দ দেয়ার কথা রয়েছে। অর্থ বরাদ্দ দিলে প্রযোজনীয় সরঞ্জামাদী সরবরাহ করা হবে।
সেবা প্রত্যাশীদের প্রশ্ন, সরকারী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পরিবার পরিকল্পনা সেবার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম থাকবে না কেন? সরঞ্জামাদী নিয়মিত সরবরাহ ও মজুত ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি থাকলে এর দায়ভার কে নেবে? শুধু কাগজে-কলমে নয় পরিবার পরিকল্পনা সেবার প্রয়োজনীয় সকল উপকরণ নিশ্চিত করে বাস্তবে সেবা পৌঁছে দেওয়া হোক।

পতিত ১০০ বিঘা জমিতে মাছ চাষ, বছরে লাভ ৫০ লাখ টাকা

প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
পতিত ১০০ বিঘা জমিতে মাছ চাষ, বছরে লাভ ৫০ লাখ টাকা

নওগাঁর মান্দা উপজেলার কাঁশোপাড়া ইউনিয়নের আন্দারিয়াপাড়া গ্রামের প্রায় ১০০ বিঘা পতিত জমিতে মাছ চাষ করে বছরে প্রায় ৫০ লাখ টাকা লাভ করছেন ছাইদুর রহমান মোল্লা।

নিচু জমি হওয়ায় বছরের অধিকাংশ সময় পানিতে ডুবে থাকত এসব জমি। ধান কাটার পর জমিগুলো অনাবাদি পড়ে থাকলেও সেই জমিতেই মাছ চাষ করে সাফল্য দেখিয়েছেন তিনি।

মাছ চাষের পাশাপাশি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ছাইদুর রহমান মোল্লা ইটভাটার ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত। বছরের ছয় মাস ইটভাটার ব্যবসা এবং বাকি ছয় মাস মাছ চাষ করে ব্যস্ত সময় কাটে তাঁর। মাছ চাষে সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে এবার জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁকে সফল মৎস্য চাষির পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আন্দারিয়াপাড়া গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকার জমিগুলো নিচু হওয়ায় বৈশাখ মাসে ধান কাটার পর বর্ষার পানি জমে যায়। ফলে এসব জমিতে বছরের অধিকাংশ সময় আর কোনো ফসল চাষ করা সম্ভব হতো না। দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা এসব অনাবাদি জমিকে কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেন ছাইদুর রহমান মোল্লা। পর্যায়ক্রমে প্রায় ১০০ বিঘা জমিতে মাছ চাষ শুরু করেন তিনি।

বর্তমানে এসব জলাবদ্ধ ও নিচু জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করা হচ্ছে। মাছ বিক্রি করে প্রতিবছর ভালো আয় হচ্ছে তাঁর। সব খরচ বাদ দিয়ে বছরে প্রায় ৫০ লাখ টাকা লাভ করেন বলে জানান ছাইদুর রহমান মোল্লা।

ছাইদুর রহমান মোল্লা বলেন, ‘যেসব জমি বছরের অধিকাংশ সময় পানিতে ডুবে থাকত এবং কোনো কাজে আসত না, সেসব জমিকে মাছ চাষের আওতায় এনে ভালো ফল পেয়েছি। ইটভাটার ব্যবসা ছয় মাস করি, আর ছয় মাস মাছ চাষের পেছনে সময় দিই। মাছ চাষে লাভের পাশাপাশি অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগও হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘উপজেলা প্রশাসনের কাছ থেকে সফল মৎস্য চাষির পুরস্কার পাওয়ায় আমি আরও উৎসাহিত হয়েছি। আমার এই উদ্যোগ দেখে এলাকার অনেক তরুণ মাছ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।’
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, একসময় বছরের পর বছর পড়ে থাকা এসব নিচু জমি এখন মাছের খামারে পরিণত হয়েছে। ছাইদুর রহমানের সাফল্য দেখে এলাকার তরুণদের মধ্যেও মাছ চাষে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। অনেকেই তাঁর কাছ থেকে মাছ চাষের পদ্ধতি ও খরচ-লাভের হিসাব সম্পর্কে পরামর্শ নিচ্ছেন।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দীপঙ্কর পাল বলেন এ ধরনের অনাবাদি ও জলাবদ্ধ জমিকে মাছ চাষের আওতায় এনে আরও বেশি কর্মসংস্থান ও আয় সৃষ্টি করা সম্ভব, ছাইদুর রহমান মোল্লার উদ্যোগটি শুধু একজন উদ্যোক্তার সাফল্য নয়, বছরের অধিকাংশ সময় অনাবাদি পড়ে থাকা নিচু জমিকে কীভাবে অর্থনৈতিক সম্পদে পরিণত করা যায়—তারও একটি দৃষ্টান্ত।

তাঁর সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে স্থানীয় তরুণরা মাছ চাষে এগিয়ে এলে এলাকার অর্থনীতিতে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে মহিলা দলের কমিটি গঠন। সভাপতি মাতোয়ারা, সাধারণ সম্পাদক সোনিয়া বেগম কালীগঞ্জে পরিবার পরিকল্পনা সেবায় সংকট, প্রশ্নের মুখে সরবরাহ ব্যবস্থা পতিত ১০০ বিঘা জমিতে মাছ চাষ, বছরে লাভ ৫০ লাখ টাকা মান্দায় আন্তঃক্লাব ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল জোকাহাট ফুটবল একাদশ চ্যাম্পিয়ন সাপাহারে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা