খুঁজুন
শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

কুড়িগ্রাম সীমান্তে ফেলানী হত্যার ১৫ বছর আজ বিচারের অপেক্ষায় পিতা-মাতা

পাবলিক বাংলা :
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৪৪ পূর্বাহ্ণ
কুড়িগ্রাম সীমান্তে ফেলানী হত্যার ১৫ বছর আজ বিচারের অপেক্ষায় পিতা-মাতা

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর অফিস : কুড়িগ্রাম সীমান্তে কিশোরী ফেলানী হত্যার ১৫ বছর পূর্ণ হলো আজ বুধবার, ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তে বাবার সঙ্গে কাঁটাতারের বেড়া পার হওয়ার সময় বিএসএফ সদস্যের গুলিতে নিহত হন কিশোরী ফেলানী খাতুন। ১৫ বছর ধরে বিচারের অপেক্ষায় আছে নিহতের পরিবার।

জানা যায়, বাংলাদেশের উত্তর সীমান্ত ঘেঁষা কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার রামখানা ইউনিয়নের কলোনীটারি গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন নুরুল ইসলাম নুরু। অভাবের সংসার ছিল তার। সংসারের টানাপোড়েন ঘোচাতে ঘটনার প্রায় ১২ বছর আগে দেড় বছরের ফেলানী কোলে নিয়ে স্ত্রী জাহানারাসহ অবৈধ পথে যান ভারতে। সেখানে বঙ্গাইগাঁও গ্রামে বসবাস শুরু করেন তারা। পরে ইটভাটার কাজ করেন নুরু। জাহানারাও মাঝেমধ্যে শ্রমিকের কাজ করতেন। এরমধ্যে ফেলানী হয়ে যায় ১৩ বছরের কিশোরী। তখন বাংলাদেশে ফেলানীর বিয়ে ঠিক করে পরিবারের লোকজন। বিয়ের জন্য মেয়েকে নিয়ে ২০১১ সালের ৬ জানুয়ারি বঙ্গাইগাও থেকে রওনা দেন বাংলাদেশে বাড়ি উদ্দেশে। আসার সময় মেয়েকে বিয়ের সাজ পড়িয়ে দিয়েছিলেন মা জাহানারা। ওইদিন সন্ধ্যায় সীমান্তে পৌঁছে দালালদের সঙ্গে টাকার বিনিময়ে কাঁটাতার পাড় করে দেওয়ার চুক্তি হয় তাদের। ভারতের অভ্যন্তরে সীমান্তের এক বাড়িতে থাকতে দেন দালালরা।

২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ভোরে কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তে মই বেয়ে প্রথমে কাঁটাতার পাড় হন বাবা নুরুল ইসলাম। এরপর ফেলানী কাঁটাতার পাড় হতে মই বেয়ে উপরে উঠলে ভারতের ১৮১ ব্যাটালিয়নের চৌধুরীহাট ক্যাম্পের বিএসএফের এক সদস্য তাকে কাছ থেকে গুলি করলে কাঁটাতারে ঝুলে পড়ে ফেলানীর নিথর দেহ। প্রায় চার ঘণ্টা পর ফেলানীর মরদেহ কাঁটাতার থেকে নামিয়ে নিয়ে যায় বিএসএফ। ময়নাতদন্ত শেষে একদিন পর বিজিবির মাধ্যমে মরদেহ ফেরত দেয় তারা।

কাঁটাতারেই ঝুলে থাকে দীর্ঘ সাড়ে ৪ ঘণ্টা। এ ঘটনায় বিশ্বব্যাপী তোলপাড় শুরু হলে ২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট ভারতের কোচবিহারে জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্টে ফেলানী হত্যা মামলার বিচার শুরু হয়।

বিএসএফ এর এ কোর্টে সাক্ষি দেন ফেলানীর বাবা নুরল ইসলাম ও মামা হানিফ। ওই বছরের ৬ সেপ্টেম্বর আসামি অমিয় ঘোষকে খালাস দেয় বিএসএফ এর বিশেষ কোর্ট। পরে রায় প্রত্যাখ্যান করে পুনঃবিচারের দাবি জানায় ফেলানীর বাবা। ২০১৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর পুর্নঃবিচার শুরু হলে ১৭ নভেম্বর আবারও আদালতে সাক্ষ্য দেন ফেলানীর বাবা। ২০১৫ সালের ২ জুলাই এ আদালত পুনরায় আত্মস্বীকৃত আসামি অমিয় ঘোষকে খালাস দেয়। রায়ের পরে একই বছর ১৪ জুলাই ভারতের মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চ (মাসুম) ফেলানীর বাবার পক্ষে দেশটির সুপ্রিম কোর্টে রিট পিটিশন করে। ওই বছর ৬ অক্টোবর রিট শুনানি শুরু হয়। ২০১৬, ২০১৭ এবং ২০১৮ সালে কয়েক দফা শুনানি পিছিয়ে যায়। পরে ২০২০ সালের ১৮ মার্চ করোনা শুরুর আগে শুনানির দিন ধার্য হলেও শুনানি হয়নি এখনো।

ফেলানীর বাবা মোঃ নুরুল ইসলাম নুরু বলেন, ‘আমার মেয়ে ফেলানীকে হত্যার ১৫ বছর হয়ে গেলেও আমি আজ অবধি পর্যন্ত বিচার পেলাম না। আমরা এখনো বিচারের অপেক্ষায় আছি। সীমান্তে আরও মানুষের মৃত্যুর খবর শুনতেছি। আমার চোখের সামনে আমার মেয়েকে মেরে ফেলা হয়েছে। আমি জানি সন্তানকে হারানোর বেদনা কতোটা কষ্টের। আমি চাই সীমান্ত হত্যা বন্ধ করা হোক।

তিনি আরও বলেন, সীমান্তে আর কোনো হত্যা দেখতে চাই না। আমার মেয়েকে হত্যার বিচার হলে সীমান্তে আর কোনো মানুষকে হত্যার সাহস পাবে না বিএসএফ। আমার বয়স বাড়তেছে। আমি জীবিত অবস্থায় আমার মেয়েকে হত্যার বিচার দেখতে চাই।

ফেলানীর ছোট ভাই মোঃ আক্কাছ আলী জানায়, আমি যখন ছোট ছিলাম তখন আমার বোনকে হত্যা করা হয়েছে। আমার বোনের হত্যার বিচারের জন্য আমার বাবা মা এখনও কান্না করে। আমি ভাই হিসেবে আমার একটাই দাবি আমার বোনের হত্যার বিচার চাই।

প্রতিবেশী মোঃ শরীফ মিয়া বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছর হয়ে গেলেও এখনও সীমান্তে ফেলানী হত্যার বিচার আমরা পাইনি। যে সরকারই আসুক সর্বপ্রথম যেন ফেলানী হত্যার বিচারটা আগে করা হয়। ১৫ বছর ধরে ফেলানী হত্যার মামলা ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তার বাবা কষ্ট পাচ্ছে। ফেলানী হত্যার বিচার যেন আগে করা হয়।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন, ফেলানীর মৃত্যু বার্ষিকী নিয়ে কোনো কর্মসূচির নির্দেশনা নেই। নির্দেশনা পেলে কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।

ঠাকুরগাঁওয়ে ডলার প্রতারণা, ৫ জন আটক

এম এ সালাম রুবেল ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ৯:৫৫ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ে ডলার প্রতারণা, ৫ জন আটক

 

ঠাকুরগাঁওয়ে ডলার কেনাবেচার নামে প্রতারণার অভিযোগে পাচঁ সদস্যের একটি সংঘবদ্ধ চক্রকে গ্রেপ্তার করেছে ভূল্লী থানা পুলিশ।

শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে  নবগঠিত ভূল্লী উপজেলায় ৫নং শুখানপুকুরী ইউনিয়নের বাং রোড সুইসগেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার কৃতরা হলেন,হলেন মানিক হোসেন (৪৩), হাবিবুর রহমান ওরফে হবি (৪৫), আশরাফুল ইসলাম (৪৭), মনোয়ার হোসেন (৪০) এবং মোখলেছ (৪৮)। তাদের মধ্যে হাবিবুর রহমান ৫ নং শুখানপুকুরী ইউনিয়ন যুবদলের সহ-সভাপতি বলে জানা গেছে।

ভুল্লি থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিদেশি ডলার বিক্রয়ের নামে প্রতারণার উদ্দেশ্যে তারা ওই এলাকায় অবস্থান নিয়েছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী হিসেবে রয়েছেন সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট শাখার অগ্রণী ব্যাংকের ক্যাশিয়ার জুবায়েত জাহিদ (৪৪), একই শাখার পিয়ন আজাহার আলী (৫৪), এবং গোলাম মোস্তফা (৫৫)। তারা সবাই নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলার বাসিন্দা।

ভূল্লী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে বিদেশি ডলার, সাতটি মোবাইল ফোন, নগদ ১৪ হাজার ৫০০ টাকা এবং প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ কিছু ডকুমেন্ট উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রতারণার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত আলামত ও নথিপত্র যাচাই করে চক্রটির অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

রাজারহাটে মায়ের মৃত্যুর পর জানাজা ও দাফনেও বাবাকে ঘরবন্দি করে রাখে সন্তান

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ৮:৩১ অপরাহ্ণ
রাজারহাটে মায়ের মৃত্যুর পর জানাজা ও দাফনেও বাবাকে ঘরবন্দি করে রাখে সন্তান

 

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে উপজেলার এক বৃদ্ধকে দীর্ঘদিন ঘরে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে তার বড় ছেলের বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে মায়ের মৃত্যুর পর জানাজা ও দাফনেও বাবাকে অংশ নিতে না দেওয়ার অভিযোগে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আব্দুল জলিল (৭৫) ও তার স্ত্রী মাহমুদা বেগম-এর পাঁচ সন্তানের মধ্যে বড় ছেলে আব্দুল মোন্নাফের বিরুদ্ধে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বাবাকে দীর্ঘদিন গৃহবন্দি করে রাখার অভিযোগ রয়েছে।

অসুস্থ মাহমুদা বেগমের চিকিৎসার দায়িত্ব নেন তার মেয়েরা। বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ৩ জুন রাতে তিনি মারা যান। পরদিন পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের প্রস্তুতিকালে বড় ছেলে বাধা দেন এবং বাবাকে ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখেন বলে পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন।

পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠলে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় দাফন সম্পন্ন করা হয়। পরে খবর পেয়ে মামুনুর রশীদ-এর নেতৃত্বে রাজারহাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেয়।

পুলিশের হস্তক্ষেপে দীর্ঘদিন ঘরবন্দি থাকা আব্দুল জলিলকে বের করে আনা হয়। দাফনের প্রায় চার ঘণ্টা পর তিনি ও তার ছেলে মিলে মাহমুদা বেগমের কবর জিয়ারত করেন।

স্থানীয়রা এ ঘটনায় পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন। তবে জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও বৃদ্ধকে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগের বিষয়ে পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা ও নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

ঈদে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত পরিবারগুলোর মাঝে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের আর্থিক সহায়তা প্রদান

মান্দা নওগাঁ প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১২:১০ অপরাহ্ণ
ঈদে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত পরিবারগুলোর মাঝে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের আর্থিক সহায়তা প্রদান

ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাড়ি ফেরার পথে গত ২৫ মে ২০২৬ তারিখে টাঙ্গাইলে ট্রাক উল্টে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহত ১০ ও আহত ৫ ক্ষতিগ্রস্ত নিহত ও আহত পরিবারগুলোর মাঝে আজ (০৪ জুন) আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এ্যাড. আতিকুর রহমান, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি। তিনি নিহতদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে বলেন, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো মানবিক ও সামাজিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন অসহায় ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খন্দকার মো. আব্দুর রাকিব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নওগাঁ জেলা শাখার আমির এবং অধ্যক্ষ আব্দুস সবুর, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ-সাধারণ সম্পাদক। তারা দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন এবং সমাজের বিত্তবানদের মানবিক সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মো. নাসির উদ্দীন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন নওগাঁ জেলা শাখার সভাপতি।
এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শ্রমিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীসহ নিহত ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শেষে নিহত ১০ জনের পরিবার এবং আহত ৫ জনের পরিবারের হাতে আর্থিক সহায়তার অর্থ তুলে দেওয়া হয়। উপস্থিত বক্তারা দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য সকলের দোয়া কামনা করেন এবং তাদের পুনর্বাসনে সমাজের সকল স্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।

ঠাকুরগাঁওয়ে ডলার প্রতারণা, ৫ জন আটক রাজারহাটে মায়ের মৃত্যুর পর জানাজা ও দাফনেও বাবাকে ঘরবন্দি করে রাখে সন্তান ঈদে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত পরিবারগুলোর মাঝে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের আর্থিক সহায়তা প্রদান সেনবাগে গ্রাম আদালতের জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত। নোয়াখালীতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে ৩ বাস কাউন্টারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা।