খুঁজুন
রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১৩ বৈশাখ, ১৪৩৩

রাজা-রানীকে দেখতে রংপুর চিড়িয়াখানায় ভিড়

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:১২ পূর্বাহ্ণ
রাজা-রানীকে দেখতে রংপুর চিড়িয়াখানায় ভিড়

রংপুর চিড়িয়াখানায় রয়েল বেঙ্গল টাইগার রোমিও জুলিয়েট দম্পতির ঘরে জন্ম নিয়েছে দুই শাবক। যাদের নাম রাখা হয়েছে রাজা-রানী। জন্মের তিন মাস পর আনুষ্ঠানিকভাবে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। আর এই দুই শাবককে দেখতে প্রতিদিনই বাড়ছে দর্শনার্থীদের ভিড়।

চিড়িয়াখানা সূত্রে জানা যায়, দেশের দুটি সরকারি চিড়িয়াখানার মধ্যে রংপুর চিড়িয়াখানাটি অন্যতম। এখানে প্রজননের জন্য আবহাওয়া উপযোগী হওয়ায় বিভিন্ন দুর্লভ প্রজাতির প্রাণীর বংশ বৃদ্ধি হয় এই রংপুর চিড়িয়াখানায়। রংপুর চিড়িয়াখানায় বাঘ, ভালুক, সিংহ, হরিণ ও জলহস্তিসহ নানা প্রজাতির পাখির বংশবৃদ্ধি হয়েছে ইতোমধ্যে।

কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, রংপুর চিড়িয়াখানায় ১৯৯১ সালে উন্মুক্ত হওয়ার পর থেকে কয়েকটি শাবক জন্ম নিয়েছে। জন্ম নেওয়া শাবকদের ঢাকা চিড়িয়াখানাসহ বেশ কয়েকটি দেশে উপহার হিসেবে পাঠানো হয়েছে।

রয়েল বেঙ্গল টাইগার রোমিও জুলিয়েট দম্পতির ঘর আলো করে তিন মাস আগে দুটি শাবক জন্ম নেয়। শাবক দুটির নাম রাখা হয়েছে রাজা ও রানী। জন্মের পর থেকে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের দুই শাবককে বিশেষ যতেœর সাথে দেখভাল করে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। শাবক দুটি যাতে নিরিবিলিভাবে মায়ের দুগ্ধ পান করতে পারে সে জন্য মা জুলিয়েটের সাথে আলাদা করে রাখা হয়। এসময় বাবা রোমিওকে আলাদাভাবে রাখা এই তিন মাস। তাদের খুবই যতেœর সাথে এবং গুরুত্বের সাথে চিকিৎসা সেবাও প্রদান করা হয়। এভাবেই নিবিড় পরিচর্যার মধ্য দিয়ে ৩ মাস অতিবাহিত হবার পর ২১ ডিসেম্বর রোববার থেকে শাবক দুটিকে তাদের বাবা-মায়ের সঙ্গে একসঙ্গে দেওয়া হয়।

এদিকে, রয়েল বেঙ্গল টাইগার রোমিও জুলিয়েট দম্পতির দুই শাবককে দেখতে রংপুর চিড়িয়াখানায় বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে দর্শনার্থীদের উপচে ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। শীতকে উপেক্ষা করে বিভিন্ন এলাকা থেকে বাবা-মায়ের সঙ্গে শিশুরা এসেছে শাবককে একনজর দেখতে। সন্তানদের নিয়ে বাঘের শাবকদের দেখতে এসেছেন অসংখ্য বাবা-মা। শাবক দুটির জন্য আগের থেকে কয়েকগুণ বেড়েছে দর্শনার্থী। বড় খাঁচায় বাবা মাকে একসঙ্গে পেয়ে রাজা-রানীও বেশ আনন্দিত। শাবক দুটির ছোটাছুটি ও মা বাবার সাথে খুনসুটি বেশ উপভোগ করছে দর্শনার্থীরা। বাঘের বাচ্চা দেখতে এসে খুশি শিশুরা। নাদুস-নুদুস বাঘের শাবক দুটি বিনোদনের যেন খোরাক হয়ে উঠেছে দর্শনার্থীদের।

কুড়িগ্রাম থেকে বাঘের শাবক দেখতে আসা শারমিন আক্তার জানান, তিনি তার দুই মেয়েকে নিয়ে বাঘের শাবক দুটিকে দেখতে এসেছেন। খাঁচার মধ্যে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের দুটি শাবক দেখে খুবই ভালো লাগছে বলে জানান তিনি। মেয়েরাও খুশি। তবে শাবক দুটিকে ভালোভাবে লালন পালন, পরিচর্যার মাধ্যমে বড় করে রংপুরেই রাখবে কর্তৃপক্ষ এমন অনুরোধও করেছেন তিনি। একইভাবে পীরগঞ্জ থেকে রেজাউল করিম মানিক এসেছেন বাঘের শাবক দুটিকে দেখতে দুই ছেলে মেয়ে কে নিয়ে। বাঘের শাবক দেখে খুবই আনন্দিত তার ছেলে মেয়ে।

রংপুর নগরীর কামাল কাছনা এলাকার ফরহাদ হোসেন এসেছেন পরিবারের সবাইকে নিয়ে। বাঘের বাচ্চাকে দেখে ভালোই লাগছে। বাচ্চা দুটির খুনসুটি তাদের বেশি ভালো লাগছে বলে জানান তিনি। ফরহাদ হোসেনের মতো শাবক দুটিকে দেখতে এসেছেন সদ্য বিবাহিত বৌ কে নিয়ে মুলাটোল নজরুল চত্তর এলাকার কামরুল হাসান । তিনিও আনন্দিত শাবক দুটিকে দেখে।

রংপুর চিড়িয়াখানার ইজারাদার হজরত আলী জানান, আল্লাহর অশেষ রহমতে বাঘের বাচ্চা দুটি ভালো আছে। তাদের বিশেষ যতœ নেওয়া হচ্ছে। বাঘের বাচ্চা দুটিকে দেখার জন্য প্রচণ্ড শীতকে উপেক্ষা করে দর্শনার্থীরা আসছেন। দর্শনার্থীদের জন্য পশু পাখি দিয়ে কীভাবে আরো সমৃদ্ধ করা যায়, সেই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে কিউরেটর। আশা করছি অল্প দিনের মধ্যে জিরাফ আনা চিড়িয়াখানায়।

রংপুর চিড়িয়াখানার চিকিৎসক ডা: শাহাদত হোসেন বলেন, রয়েল বেঙ্গল টাইগার দম্পতি এর আগেও দুবার গর্ভবতী হয়েছিল কিন্তু মিসকারেজ হওয়ায় বাচ্চা নষ্ট হয়েছে। এ জন্য এবারে বিশেষভাবে যতœ নেওয়া হয়। নিয়মিত পরিচর্যা করা হয়। যার ফলে দুটি শাবকের জন্ম দিয়েছে দম্পতি। আলহামদুলিল্লাহ শাবক দুটি ভালো আছে। শীতকাল হওয়ায় আলাদা করে যতœ নেওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য, রংপুর চিড়িয়াখানাটি ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও তা ১৯৯১ সালে উন্মুক্ত করা হয়। উন্মুক্তের সময় ২৩ প্রজাতির প্রাণী প্রদর্শন করা হয়েছিল। বর্তমানে চিড়িয়াখানায় ২৭ প্রজাতির প্রায় আড়াইশ প্রাণী রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে সুন্দরবনের বেঙ্গল টাইগার, সিংহ, গন্ডার, জলহস্তী, হরিণ, বানর, চিতাবাঘ, ভালুক, কুমির, অজগর, কচ্ছপ, ময়না, টিয়া, ময়ূর, কাকাতুয়া, কবুতর, বকসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখি।

ইসলামপুর জ্বালানির জন্য হাহাকার ক্ষোভে ফেটে পড়ছে সাধারণ মানুষ

​মোঃ হোসেন শাহ্‌ ফকির জামালপুরঃ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২০ অপরাহ্ণ
ইসলামপুর জ্বালানির জন্য হাহাকার ক্ষোভে ফেটে পড়ছে সাধারণ মানুষ

 

তীব্র বিদ্যুৎ সংকট আর জ্বালানি তেলের হাহাকারে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জামালপুরের ইসলামপুর জনজীবন। গত কয়েকদিন ধরে চলমান এই চরম অচলাবস্থায় স্থবির হয়ে পড়েছে ব্যবসা-বাণিজ্য কৃষি এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কাজকর্ম।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানির হাজারো বিক্ষুব্ধ মানুষ। অন্ধকারে ডুবছে জনপদ।

​স্থানীয়দের অভিযোগ,বেশ কয়েক দিন ধরে হোমিও ওষধের মতো ২৪ ঘণ্টার তিন ফুটা করে পল্লী বিদ্যুতের দেখা মিলছে। প্রচণ্ড গরমে জনজীবন যখন ওষ্ঠাগত তখন দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ না থাকায় শিশু ও বৃদ্ধরা চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছেন। বিশেষ করে রাতের বেলা দীর্ঘ সময় লোডশেডিংয়ের কারণে পুরো উপজেলা এক ভুতুড়ে অন্ধকারে নিমজ্জিত থাকছে। জ্বালানি সংকটে স্থবিরতা বিদ্যুতের পাশাপাশি জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। পাম্প গুলোতে তেলের জন্য দীর্ঘ লাইন দেখা গেলেও মিলছে না পর্যাপ্ত ডিজেল বা পেট্রোল ও অকটেন। ডিজেল এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে পৌরশহরে বিভিন্ন অটোরাইস মিল,ইটের ভাটা গুলোতে ও পরিবহন খাতে। জ্বালানির পেট্রোল ও অকটেন অভাবে শিক্ষক,সাংবাদিক ও বিভিন্ন ব্যবসায়ী। বিদ্যুৎ সংকট করনে রাস্তায় যানবাহন কমে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রী ও অফিসগামী মানুষ। এছাড়াও কৃষিও ব্যবসায় ধস; বিদ্যুৎ ও ডিজেলের অভাবে সেচ পাম্প বন্ধ থাকায় ফসলি জমি শুকিয়ে যাচ্ছে।

চাউল কল মালিক সমিতি সভাপতি হাজী নজরুল ইসলাম মিষ্টার বলেন, বিদ্যুৎ সংকটে কারনে উপজেলা বিভিন্ন ইউনিয়নে রাইসমিলসহ ব্যবসায়ীরা জেনারেটর চালিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সচল রাখা এখন অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে,ফলে প্রতিদিন লোকসানের পাল্লা ভারী হচ্ছে।এখন ডিজেলও পাওয়া যাচ্ছেনা।

​এক ভুক্তভোগী বলেন,আমরা বিল দিয়েও বিদ্যুৎ পাচ্ছি না। তেলের অভাবে গাড়ি চলে না দোকান ও চলে না। আমরা এভাবে আর কতদিন অন্ধকারের মধ্যে থাকব?জামালপুর জেলা অন্য উপজেলা আমাদের মতে ভুক্তভোগী না।

​এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুৎ দেওয়ানগঞ্জ ও চলতি দায়িত্ব ইসলামপুর ডিজিএম নিরাপদ দাস যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিদ্যুৎ সরবরাহ ঘাটতির কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলায় ১৮ মেগাওয়াট প্রয়োজন কিন্তু ুআমরা পাচ্ছি ৪ থেকে ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। দ্রুত সমস্যা সমাধানের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা চলছে বলে তারা আশ্বাস দিয়েছেন।

রংপুরে রাস্তা সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৪১ অপরাহ্ণ
রংপুরে রাস্তা সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন

 

রংপুর মহানগরীর জাহাজ কোম্পানি মোড় থেকে সাতমাথা পর্যন্ত সড়ক দ্রুত সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) বেলা ১১ টায় নগরীর জাহাজ কোম্পানি মোড়ে এই মানববন্ধনের আয়োজন করে মহানগর নাগরিক কমিটি। মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ নেন।
এ সময় বক্তব্য রাখেন মহানগর নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব পলাশ কান্তি নাগ, স্থানীয় ব্যবসায়ী পার্থ বোস, জাহাজ কোম্পানির শপিং কমপ্লেক্স দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রিপন ইসলাম, জিএল রায় রোড ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সেলিম চৌধুরী, নাগরিক কমিটির সদস্য
মাহফুজুর রহমান প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, জাহাজ কোম্পানি থেকে সাতমাথা রাস্তা সংস্কারের জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে বারবার আল্টিমেটাম দেয়ার পরেও প্রায় দুই বছরের কাছাকাছি হতে চলছে রাস্তার কোনো দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়নি। বাজেট পাশ হয়েছে মর্মে বিভিন্ন কথা শোনা গেছে গত দিনগুলোতে এবং আজ, কাল করে আশানরূপ কোনো কাজ দৃশ্যমান হয়নি৷
বক্তাদের আরো অভিযোগ , দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়লেও সিটি কর্পোরেশন পুনঃনির্মাণ কিংবা সংস্কারে কোন উদ্যোগ নিচ্ছে না। ফলে এই রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী প্রতিদিন পঞ্চাশ হাজারেরও বেশি মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্বহীনতার অভিযোগ তুলেছেন তারা। এ সময় নতুন প্রশাসকের কাছে দ্রুত রাস্তাটি পুনঃনির্মাণের কাজ শুরুর দাবিও জানান তারা।

তবে সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আজম আলী জানিয়েছেন, ওই রাস্তাটি পুনঃনির্মাণের টেন্ডার হয়েছে। এখন অ্যাসেসমেন্ট এর কাজ চলছে। দ্রুতই রাস্তাটি পুননির্মাণে কার্যাদেশ দেয়া হবে এবং কাজ শুরু হবে।

সেনবাগে বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণ ও সড়ক সংস্কারের উদ্বোধন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৩৮ অপরাহ্ণ
সেনবাগে বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণ ও সড়ক সংস্কারের উদ্বোধন

মোঃ ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ (রিপন), নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালীর সেনবাগের ৫নং অর্জুনতলা ইউপি’র ইদিলপুর গ্রামে শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃত্তি পরীক্ষা–২০২৫ এর পুরস্কার ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে ইদিলপুর ভূঁইয়া রোডের পুনঃসংস্কার কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে।
আজ শনিবার ২৫ এপ্রিল ইদিলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালী-০২ (সেনবাগ- সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য ও
বীরমুক্তিযোদ্ধা জনাব জয়নুল আবদিন ফারুক।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, টপস্টার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বৃত্তি পরীক্ষার প্রধান পৃষ্ঠপোষক লায়ন সৈয়দ হারুন এমজেএফ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কয়েকবারের শ্রেষ্ঠ করদাতা, এফবিসিসিআই’র সদস্য ও বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুট অ্যাসোসিয়েশনের সহ- সভাপতি আবদুল্লাহ আল মামুন, সেনবাগ উপজেলা প্রকৌশলী তামিম বিন জাহিদ এবং সেনবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল বাশার।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,ব্যবসায়ী বাহার উল্যাহ বাহার, নুরুন্নবী বাচ্চু, সাহাদাত হোসেন খান সাধন মেম্বার, হারুনুর রশিদ, ছানা উল্লাহ,কামরুল হাসান তুহিন, নুর নবী রাজু ও ইমরান হোসেন স্বপনসহ অনেকেই।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন- লায়ন মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন এবং সঞ্চালনা করেন আমিন উল্লাহ আকরাম।

বক্তারা শিক্ষার মানোন্নয়ন ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে এ ধরনের বৃত্তি কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
আয়োজকরা জানান, গত ২৬ বছর ধরে এ বৃত্তি কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হয়ে আসছে। অনুষ্ঠান শেষে কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার ও সনদ বিতরণ করা হয়।

ইসলামপুর জ্বালানির জন্য হাহাকার ক্ষোভে ফেটে পড়ছে সাধারণ মানুষ রংপুরে রাস্তা সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন সেনবাগে বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণ ও সড়ক সংস্কারের উদ্বোধন শেরপুরে দিনে ১০-১৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীনতায় বিপর্যস্ত জনজীবন,কৃষি খাত হিলি স্থলন্দর পরির্শন করেছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ