খুঁজুন
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১ বৈশাখ, ১৪৩৩

স্কুলের বার্ষিক অনুষ্ঠান শেষ করে আসার পথে সড়ক দুর্ঘটনা শিশু নিহত

পাবলিক বাংলা :
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:০৩ অপরাহ্ণ
স্কুলের বার্ষিক অনুষ্ঠান শেষ করে আসার পথে সড়ক দুর্ঘটনা শিশু নিহত

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর অফিস : সকালে স্কুলের বার্ষিক অনুষ্ঠানে অংশ নেয় দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী মার্জিয়া আক্তার(৮)। সারাদিন হাসি মুখে সহপাঠী ও শিক্ষকদের সাথে আনন্দের সাথে সময় কাটিয়েছে। অনুষ্ঠান শেষে স্কুলে মধ্যাহ্ন ভোজ না করে খাবারের প্যাকেট নিয়ে চাচার সাথে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিলছিল সে। স্কুলের শিক্ষকদের বলেছিল বাড়িতে ছোট ভাই আছে, আমি তার সাথে বসে খাবো। কিন্তু কে জানতো সারাদিন হাসি খুশি থাকা মার্জিয়ার মুখটি এক মুহুর্তে নিস্তব্ধ হয়ে যাবে।

নীলফামারীতে দ্রুতগতির ট্রাকের ধাক্কায় নিহত হয় স্কুল শিক্ষার্থী মার্জিয়া। বৃহস্পতিবার(২০ নভেম্বর) দুপুরে জেলা সদরের টুপামারী ইউনিয়নের বাইপাস সড়কের মোড়লের ডাঙ্গা জেলা মডেল মসজিদের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মার্জিয়া সদর উপজেলার টুপামারী ইউনিয়নের পীরের মাজার শাহ পাড়া এলাকার মোস্তাকিম শাহের মেয়ে ও শহরের মমতাজ মেমোরিয়াল স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী।

এদিকে সড়ক দুর্ঘটনায় কন্যাকে হারিয়ে তার পোশাক হাতে নিয়ে পাগলের মতো কাঁদছেন পিতা মোস্তাকিম।

স্কুলের শিক্ষক ও ঘটনাস্থলের প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ (বৃহস্পতিবার) স্কুলের বার্ষিক অনুষ্ঠানে অংশ নেয় ছোট্ট মার্জিয়া। অনুষ্টানে সে নৃত্য পরিবেশনও করে। দুপুরে অনুষ্ঠান শেষে চাচা হাসু শাহের সঙ্গে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে মডেল মসজিদের সামনে তার পানির পিপাসা লাগে। রাস্তা থেকে নিরাপদ দুরত্বে মোটরসাইকেলে মার্জিয়াকে বসিয়ে রেখে কাছের হোটেল থেকে পানি আনতে যান চাচা। ঠিক সেই মুহূর্তে দ্রুতগতির একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়ানো মোটরসাইকেলটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায় মার্জিয়া।

দুর্ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা ট্রাকটি আটক করে ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে তোলে।

মোড়লের ডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা সাদ্দাম হোসেন বলেন, মেয়েটি আমার মেয়ে সিনথিয়ার সঙ্গে একই বিদ্যালয়ে একই শ্রেণিতে পড়ে। আজকের বার্ষিক অনুষ্ঠানে আমার মেয়েসহ এক সঙ্গে তারা নৃত্য দিয়েছে। কে জানতো কিছুক্ষণ পরে তার মৃত্যুর খবর শুনতে হবে।

নিহত মার্জিয়া চাচা হাসু শাহ বলেন, মোড়লের ডাঙ্গার কাছাকাছি পৌছালে আমার ভাতিজি মার্জিয়ার পানির পিপাসা পায়। রাস্তা থেকে নিরাপদ দুরত্বে মোটরসাইকেলে মার্জিয়াকে বসিয়ে রেখে আমি পানি নিতে যাচ্ছিলাম, মুহুর্তের মধ্যে ট্রাকটি এসে মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম.আর সাঈদ বলেন, দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা ট্রাকটি আটক করে। তবে চালক ও লেপার পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ট্রাকটি থানায় নিতে চাইলে উৎসুক জনতা গাড়িটি নিজেদের হেফাজতে রাখে। কিছুক্ষণ পর তারা ট্রাকটি ভেঙ্গে আগুন লাগিয়ে দেয়।

যুবককে থাপ্পর দিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিন্দার ঝড়

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:১৫ অপরাহ্ণ
যুবককে থাপ্পর দিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিন্দার ঝড়

 

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে ফুয়েল কার্ডের ছবির সঙ্গে চেহারার মিল না থাকায় এক মোটর সাইকেল গ্যারেজ কর্মচারীকে চপেটাঘাত করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আক্তার জাহানের বিরুদ্ধে। বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের চাপারহাট বাজারের ‘লুবানা ফিলিং স্টেশনে’ এ ঘটনা ঘটে। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলাজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চাপারহাট কলেজের সহকারী অধ্যাপক গোলক চন্দ্র অসুস্থ থাকায় তার মোটরসাইকেলে তেল নিতে হিমশিম খাচ্ছিলেন। পরে তিনি গ্যারেজ মালিক প্রদীপের সহায়তা চাইলে, প্রদীপ তার কর্মচারী নদীকে (১৮) ফুয়েল কার্ডসহ তেল নেওয়ার জন্য লাইনে পাঠান। নদী যখন লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন, তখন সেখানে তদারকিতে থাকা কালীগঞ্জ ইউএনও শামীমা আক্তার জাহান তার হাতের কার্ডটি পরীক্ষা করেন। কার্ডের ছবির সঙ্গে নদীর চেহারার মিল না থাকায় কোনো কিছু জিজ্ঞাসা না করেই ইউএনও তাকে চপেটাঘাত করেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

এ ঘটনায় উপস্থিত স্থানীয় জনতা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের তোপের মুখে ইউএনও বিষয়টি পুনরায় খতিয়ে দেখেন। পরবর্তীতে অসুস্থ কলেজ শিক্ষকের মোটরসাইকেল ও ফুয়েল কার্ডের সত্যতা প্রমাণিত হলে প্রায় ঘণ্টাখানেক পর ওই যুবককে ছেড়ে দেওয়া হয়।

অভিযোগকারী নদী বলেন, “আমি গ্যারেজ মেকানিক। মালিকের কথায় অসুস্থ এক শিক্ষকের কার্ড ও টাকা নিয়ে তেল নিতে লাইনে দাঁড়িয়েছিলাম। ইউএনও কার্ড চেক করার সময় কোনো কথা না বলেই আমাকে কয়েকটি থাপ্পড় মারেন। আমি কোনো অন্যায় করিনি, বিনা অপরাধে আমাকে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আক্তার জাহান চপেটাঘাতের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, “আমি শুধু তার গাড়ির চাবি নিয়েছিলাম, গায়ে হাত তুলিনি। সম্ভবত তার কাছে সঠিক কার্ড ছিল না। নিয়ম না মেনে লাইনে দাঁড়ানোর কারণে চাবি নিয়ে পরে অফিসে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছিল। পরবর্তীতে তার অভিভাবকরা এলে চাবি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

শেরপুরে ৮৩৫ লিটার ডিজেল জব্দ, ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৪৪ পূর্বাহ্ণ
শেরপুরে ৮৩৫ লিটার ডিজেল জব্দ, ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

Oplus_131072

জুবায়ের আহমেদ রাসেল : শেরপুর সদর উপজেলার বাবর ফিলিং স্টেশন থেকে অবৈধভাবে মজুদের উদ্দেশ্যে নেওয়ার সময় ৮৩৫ লিটার ডিজেল জব্দ করেছে পুলিশ। এ সময় একটি ব্যাটারিচালিত অটোভ্যানসহ চারটি ড্রাম তেল জব্দ করা হয়। ঘটনায় ফিলিং স্টেশনের দুই কর্মচারীকে আটক করা হলেও পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা আদায়ের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দিবাগত রাত প্রায় ১২টার দিকে বাবর ফিলিং স্টেশন থেকে একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যানে করে চারটি ড্রামে প্রায় ৮৩৫ লিটার ডিজেল নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এ সময় শেরপুর সদর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ভ্যানসহ তেল জব্দ করে এবং ফিলিং স্টেশনের দুই কর্মচারীকে আটক করে। আটকরা হলেন সদর উপজেলার ছয়ঘড়িপাড়া গ্রামের শাজাহান আলীর ছেলে রবিন এবং গৌরীপুর এলাকার হরমুজ আলীর ছেলে জিয়াউর রহমান।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে শেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (এনডিসি) রাজিব সরকারের নেতৃত্বে বাবর ফিলিং স্টেশনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় আগের রাতে জব্দ করা তেল ও আটক দুই কর্মচারীকে সেখানে নেওয়া হয়। পরে অবৈধভাবে তেল মজুদের উদ্দেশ্যে বহনের অপরাধে বাবর ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। ফিলিং স্টেশনের দায়িত্বে থাকা ফজলুল হকের নামে এই জরিমানা আরোপ করা হয়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫২ ধারায় এ দণ্ড দেওয়া হয়।

শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা বলেন, গত রাতে চার ড্রাম তেলসহ একটি ভ্যান আটক করা হয়েছে। পরে সেগুলো ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমের জন্য ফিলিং স্টেশনে নেওয়া হয়। আদালত বাবর ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে। এছাড়া জব্দকৃত তেল খোলা বাজারে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, জরিমানা পরিশোধের পর আটক রবিন ও জিয়াউর রহমানকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

শেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (এনডিসি) রাজিব সরকার বলেন, বাবর ফিলিং স্টেশনে অবৈধ তেল মজুদের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এতে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি জব্দকৃত ৮৩৫ লিটার ডিজেল উন্মুক্তভাবে বিক্রি করে ৯৬ হাজার ৪২৫ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অবৈধভাবে জ্বালানি মজুদ ও বিক্রির বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ধামইরহাটে প্রেস ক্লাবের সভাপতি মালেকের উপর হামলা

নওগাঁ প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩৮ অপরাহ্ণ
ধামইরহাটে প্রেস ক্লাবের সভাপতি মালেকের উপর হামলা

নওগাঁর ধামইরহাটে উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি এম এ মালেকের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে ন্যাশনাল পেট্রোল পাম্পে তেল পাচারের গুঞ্জনের সংবাদ প্রচারের জন্য গেলে সেখানে তাকে এলোপাতাড়ী মারপিট করা করে স্থানীয় পাম্পের পেটোয়া বাহিনী, ভাংচুর করা হয় মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়েছে ৪০ হাজারের অধিক টাকা। এই ঘটনায় ধামইরহাট থানায় মামলা দায়ের করেছে উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি এম এ মালেক। উপজেলার এই সিনিয়র সাংবাদিকের গায়ে হামলার প্রতিবাদে ফুসে ওঠে ধামইরহাটের সাংবাদিক সমাজ, তীব্র প্রতিবাদে সরগড়ম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।

জানা গেছে, ধামইরহাট পুর্ব বাজারে ন্যাশনাল পেট্রোলিয়াম এন্ড ফিলিং স্টেশনে তেলবাহী লড়িতে পাম্প মালিক কর্তৃক কিছু তেল রেখেই তা অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে এমন খবরের গুঞ্জনে ও স্থানীয়দের আহবানে ২২ এপ্রিল সকাল ৮ টায় ঘটনাস্থলে ছুটে যান দৈনিক ভোরের দর্পন ও সকালের সময়ের ধামইরহাট প্রতিনিধি ও উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক এম এ মালেক। সেখানে স্থানীয়দের বক্তব্য প্রচার করছিলেন তিনি। এ সময় পাম্পের পেটোয়া বাহিনী বড় চকগোপাল গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে আবু সুফিয়ান পান্না সাংবাদিক এম এ মালেকের উপর চড়াও হয়ে কিল-ঘুষি মারতে থাকে, এক পর্যায়ে হামলাকারি পান্নার নেতৃত্বে আরও ৮/৯ জন তাকে এলোপাতাড়ী ভাবে মারপিট করে সাংবাদিকের মোবাইল ফোন ভেঙ্গে দেয় ও তার কাছে থাকা প্রায় অর্ধ লক্ষ টাকাও ছিনিয়ে নেয় হামলাকারীরা।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ধামইরহাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে দেন। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী এম এ মালেক বাদী হয়ে  ধামইরহাট থানায়  এজাহার দায়ের করেন।

ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মিন্টু রহমান বলেন সাংবাদিকের উপর হামলার ঘটনা দুঃখজনক। ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে ।

যুবককে থাপ্পর দিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিন্দার ঝড় শেরপুরে ৮৩৫ লিটার ডিজেল জব্দ, ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা ধামইরহাটে প্রেস ক্লাবের সভাপতি মালেকের উপর হামলা নওগাঁর আত্রাই স্কুল পর্যায়ে রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত শেরপুরে ৮৩৫ লিটার ডিজেল জব্দ, ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা