খুঁজুন
শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

কালীগঞ্জে কেঁচো সার প্রকল্পে দুর্নীতি, কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ লুটের অভিযোগ

পাবলিক বাংলা :
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৫, ৬:৫৯ অপরাহ্ণ
কালীগঞ্জে কেঁচো সার প্রকল্পে দুর্নীতি, কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ লুটের অভিযোগ

মুঃ সোহরাব আলী সরকার, কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ গাজীপুরের কালীগঞ্জে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে অনাবাদী পতিত জমি ও বসতবাড়ীর আঙ্গিনায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপনের লক্ষে কমিউনিটি বেইজ ভার্মিকম্পোস্ট বা কেঁচো সার উৎপাদন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ লুটের অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পের অনিয়মে সরাসরি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জড়িত রয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় কৃষকদের।
প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের মাঝে কেঁচো সার উৎপাদনে উপজেলায় ১২ টি প্রকল্প রয়েছে। জাঙ্গালিয়া ইউনিয়নে ১১ টি এবং মোক্তারপুর ইউনিয়নে রয়েছে একটি প্রকল্প।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রস্তাবিত ভাংতি বিবরনী সূত্রে জানা যায়, প্রতিটি প্রকল্পের জন্য চারি ৪ হাজার টাকা, ভার্মিকম্পোস্ট হাউজ ১০ হাজার টাকা, আমদানীকৃত কেঁচো ১০ হাজার টাকা, টিন ১৫ হাজার টাকা, কাঠ,বাশ,সিমেন্টের খুটি ও স্ক্রু বাবাদ ১৫ হাজার টাকা, পলিব্যাগ ৫ হাজার টাকা, পলিব্যাগ সিলিং মেশিন দুটি ৬ হাজার টাকা, সাইনবোর্ড ১৫ শত টাকা এবং আনুষাঙ্গিক ৩ হাজার ৫শত টাকাসহ মোট ৭০ হাজার টাকা ব্যয় ধরা রয়েছে। যাহা ১২ প্রকল্পের জন্য মোট ৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা সরকারী বরাদ্দ রয়েছে।
২৭ ফুট দৈর্ঘ ও ৮ ফিট প্রস্থ বিশিষ্ট এক চালা টিনের শেড তৈরির জন্য কাঠ, বাশ, সিমেন্টের খুটি, স্ক্রুসহ অন্যান্য খরচ বাবদ ১৫ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকলে ১২ প্রকল্পে এক লাখ ৮০ হাজার কোন হদিশ নেই। শেড তৈরিতে কোন বরাদ্দ নেই বলে কৃষকদের নিজ খরচে শেড তৈরি করতে বলে কৃষি কর্মকর্তা ফারজানা। এতে প্রতি কৃষককে নিজ অর্থায়নে গুনতে হয়েছে প্রায় ২০ হাজার টাকা। ঘরের চাল নির্মানের জন্য ১৫ হাজার টাকা বরাদ্দের ১২ টি প্রকল্পের বিপরীতে এক লাখ ৮০ হাজার টাকার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম বিতরণের কথা থাকলেও, তা পায়নি কৃষকরা। এই পরিমান অর্থ প্রকল্প শুরুর আগেই লুট করে সেই কৃষি কর্মকর্তা।
কেঁচো সার উৎপাদন প্রকল্পের কৃষকদের কাছে জানতে চাইলে জাঙ্গালিয়া ইউনিয়নের আজমতপুরের কুলথুন এলাকার কৃষক আব্দুছ সাত্তার, দেওতলা এলাকার ফকির মোস্তফা ও আজমতপুর এলাকার মো. মোস্তফা খান প্রতিবেদককে বলেন, প্রকল্পে ধার্যকৃত কাঠ,বাশ,সিমেন্টের খুটি ও স্ক্রু বাবাদ ১৫ হাজার টাকা কৃষি অফিস খরচ করেনি। আমরা নিজ অর্থে ঘরের কাজ করতে হয়েছে। বাকি প্রকল্পে একই অবস্থা করেছে। তারা আমাদের ঠকিয়েছে।
ঘর বা শেড নির্মানে ঠিকাদার নিয়োগে রয়েছে ব্যাপক দুর্নীতি ও ঘাপলা। কোন নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে দরপত্র বা কোটেশন ছাড়াই স্থানীয় সার ব্যবসায়ী কৃষি কর্মকর্তার ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত সোহেল এন্টারপ্রাইজ এর রমিজকে কাজ পাইয়ে দিয়েছে। তার মাধ্যমেই যত অনিয়ম ও দুর্নীতি করে যাচ্ছে সেই কর্মকর্তা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক কৃষি কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, খরচের বিষয়ে ম্যাডাম আমাদেরকে কিছু বলেন না। একাই তিনি সকল সিদ্ধান্ত নেন। শুধুমাত্র প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি ও কাজ দেখাশোনা করা ছাড়া আমাদের কোন দায়িত্ব নেই। তাছাড়া কোন খাতে কত টাকা বরাদ্দ বা কিভাবে খরচ হচ্ছে তা আমাদের অজানা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফারজানা তাসলিম ২০২০ইং সাল হতে অদ্যাবধি পর্যন্ত একই কর্মস্থলে অবস্থান করার কারনে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নিতির মাধ্যমে সে রামরাজত্ব কায়েম করেছে বলে মনে করেন স্থানীয়রা। অবিলম্বে তার বদলীর দাবী জানান তারা।
অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কৃষকদের নিজের টাকা দিয়ে ঘর বা শেড নির্মান করা হয়েছে। বরাদ্দকৃত টাকায় প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না। তাই কৃষকদের নিজ অর্থে শেড নির্মানের কাজ করতে বলা হয়েছে। তবে এই খাতে বরাদ্দকৃত এক লাখ ৮০ হাজার টাকা কোন কাজে ব্যয় করেছেন তার কোন সদুত্তর তিনি দিতে পারেন নি। একাধিক ঠিকাদারের মাধ্যমে মৌখিক দরপত্র কথা বললেও অন্য ঠিকাদারদের নাম ঠিকানা সম্পর্কে কোন তাৎক্ষণিক ব্যাখা দিতে পারে নি।
এলাকার সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কৃষি উন্নয়নমূলক প্রকল্পে এ ধরনের দুর্নীতি সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেছে। সরাসরি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সম্পৃক্ততা, প্রকল্পের তদারকিতে প্রত্যক্ষ ভ‚মিকা থাকায় অনিয়মের বিষয়টি এতদিন গোপন থাকে। তারা দ্রত তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা মনে করেন দুর্নীতির মাধ্যমে প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের সরকারি সহায়তা হরণ করা হয়েছে। তারা প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও জড়িত ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
গাজীপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম খান বলেন, অভিযোগের বিষয়ে জানতে পেরেছি। সরেজমিন পরিদর্শন করব। তবে আর্থিক খাদ থেকে টাকা সরানোর কোন সুযোগ নেই।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ঢাকা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক ড. মোঃ জাকির হোসেন মুঠোফোনে বলেন, আর্থিক অনিয়মের বিষয়ে জেলার কর্মকর্তার সাথে কথা বলব। কৃষি কর্মকর্তা দুষি প্রমানিত হলে তার বিরুদ্ধে যথাযত ব্যবস্থা গ্রহন করতে বলব।
২১/১০/২৫ইং

নন্দীগ্রামে ছাত্রদল নেতা নবীর শেখের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

আব্দুল আহাদ, নন্দীগ্রাম :
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৯:০৭ অপরাহ্ণ
নন্দীগ্রামে ছাত্রদল নেতা নবীর শেখের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

 

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও দলের নীতি-আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে সাময়িকভাবে বহিষ্কৃত নন্দীগ্রাম উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি নবীর শেখের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছে বগুড়া জেলা ছাত্রদল।গত মঙ্গলবার জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক সোহান ইসলামের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নবীর শেখের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এবং বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সিদ্ধান্ত মোতাবেক তার সাংগঠনিক পদের সাময়িক বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে পুনরায় স্বপদে বহাল করা হয়েছে। বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধান এবং সাধারণ সম্পাদক এম আর হাসান পলাশ এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন। বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের পর নবীর শেখ দলের নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন,দল যে আস্থা ও সুযোগ দিয়েছে, তা রক্ষা করতে আমি সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেবো।

লালমনিরহাটে ঘুমন্ত স্বামীকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, স্ত্রী আটক

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৯:০৩ অপরাহ্ণ
লালমনিরহাটে ঘুমন্ত স্বামীকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, স্ত্রী আটক

 

লালমনিরহাট জেলা শহরের বাবুপাড়া এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে ঘুমন্ত স্বামীর গলায় ছুরি চালিয়ে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে। বুধবার সকালে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গুরুতর আহত যুবক বর্তমানে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আহত যুবকের নাম হৃদয় ইসলাম (২৬)। তিনি লালমনিরহাট শহরের বাবুপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং এরশাদ আলীর ছেলে।
অভিযুক্ত স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস (১৯) আদিতমারী উপজেলার সাপ্টিবাড়ী এলাকার রুহুল কুদ্দুসের মেয়ে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন হৃদয় ইসলাম। এসময় তার স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস ধারালো ছুরি দিয়ে তার গলায় আঘাত করেন। আকস্মিক হামলায় গুরুতর জখম হন হৃদয়। তার আর্তচিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন।
পরে দ্রুত তাকে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, তার শ্বাসনালীতে গভীর ক্ষত হয়েছে এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে অবস্থার অবনতি হয়েছে।
ঘটনার পরপরই উত্তেজিত স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌসকে আটক করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।

আহত হৃদয়ের বাবা এরশাদ আলী জানান, প্রায় দুই বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে হৃদয় ও জান্নাতুলের বিয়ে হয়। বিয়ের প্রথম দিকে তাদের সংসার ভালোভাবেই চলছিল। তবে গত ১৪ থেকে ১৫ মাস ধরে দাম্পত্য কলহ লেগেই ছিল।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, “নানাভাবে আমার ছেলেকে মানসিকভাবে নির্যাতন করত জান্নাতুল। বিষয়টি নিয়ে দুই পরিবারের লোকজন একাধিকবার বসেছিল। কিন্তু কোনো সমাধান হয়নি। বুধবার সকালে আমরা পাশের কক্ষে ছিলাম। হঠাৎ হৃদয়ের চিৎকার শুনে গিয়ে দেখি সে রক্তাক্ত গলা চেপে ধরে আছে, আর তার পাশে ছুরি হাতে দাঁড়িয়ে আছে জান্নাতুল।”

লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. করিম বাদশা বলেন, “আহত যুবকের গলায় গভীর ক্ষত রয়েছে। শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তার অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।”

লালমনিরহাট সদর থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) সাদ আহমেদ জানান, অভিযুক্ত স্ত্রীকে আটক করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

সৈয়দপুরে থানায় বৈঠক করতে গিয়ে আ.লীগ নেত্রী আটক

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৮:৫৮ অপরাহ্ণ
সৈয়দপুরে থানায় বৈঠক করতে গিয়ে আ.লীগ নেত্রী আটক

 

নীলফামারীর সৈয়দপুর থানায় একটি সালিশি বৈঠকে গিয়ে পৌর মহিলা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলার কাজী জাহানারা পারভীনকে আটক করেছে থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার (১২ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে সৈয়দপুর থানায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রাতে একটি সালিশ বৈঠকে অংশ নিতে কাজী জাহানারা বেগম থানায় আসেন। এ সময় সেখানে উপস্থিত মহিলা দলের কয়েকজন নেত্রীর সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা বাকবিতণ্ডায় রূপ নেয়। পরে তিনি থানা থেকে বের হয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে থানার ভেতরেই আটক করে।

আটকের পরও থানায় উপস্থিত মহিলা দলের নেত্রীদের সঙ্গে ফের তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি। এতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে তাকে নীলফামারী সদর থানার একটি মামলায় আটক দেখিয়ে সেখানে নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করে পুলিশ।

বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে পুলিশ ভ্যানে তোলার সময় কাজী জাহানারা বেগম ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, ‘একাত্তরের হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার।’ এ ঘটনায় থানায় উপস্থিত লোকজনের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

ঘটনার পরপরই সৈয়দপুর থানায় তার সমর্থকদের ভিড় জমতে শুরু করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থান নেন।

এ বিষয়ে সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম রেজা জানান, নীলফামারীর একটি মামলায় তাকে আটক করা হয়েছে।

তবে কোন মামলায় তাকে আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি। পরে তাকে নীলফামারী সদর থানায় সোপর্দের জন্য পাঠানো হয়।

নন্দীগ্রামে ছাত্রদল নেতা নবীর শেখের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার লালমনিরহাটে ঘুমন্ত স্বামীকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, স্ত্রী আটক সৈয়দপুরে থানায় বৈঠক করতে গিয়ে আ.লীগ নেত্রী আটক নতুনতারা আয়োজিত ১৬৫তম রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী উৎসব বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত খামারিকে জামাতের পক্ষ থেকে গাভী উপহার