খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

ছাতকে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে শতাধিক মৎস্যজীবী পরিবারের ভাগ্য পরিবর্তন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১:০৯ অপরাহ্ণ
ছাতকে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে শতাধিক মৎস্যজীবী পরিবারের ভাগ্য পরিবর্তন

ফজল উদ্দিন, ছাতক প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলায় অবহেলিত মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের দীর্ঘ ৫৪ বছরের বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে ইতিহাসের এক নতুন অধ্যায় রচনা করলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তরিকুল ইসলাম। তাঁর মানবিক ও দূরদর্শী নেতৃত্বে গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্টে সংলগ্ন একটি আধুনিক ও সুসংগঠিত মাছ বাজার স্থাপিত হতে যাচ্ছে, যার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে শতাধিক মৎস্যজীবী পরিবারের ভাগ্য পরিবর্তনের সূচনা হয়েছে। এই উদ্যোগকে স্থানীয়রা দেখছেন দশকের পর দশক ধরে চলমান একটি সমস্যার যুগান্তকারী সমাধান হিসেবে। হাওর-নদী-বিল অধ্যুষিত ছাতক উপজেলায় প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে হাজারো মানুষ মৎস্য শিকারের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। তবে স্বাধীনতার পর থেকে তাদের জন্য একটি নির্দিষ্ট ও স্বাস্থ্যসম্মত বাজার ব্যবস্থার অভাব ছিল প্রকট। ফলে একদিকে যেমন তারা ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন, অন্যদিকে নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মাছ বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছিলেন। এই দীর্ঘদিনের অবহেলার অবসান ঘটাতে কার্যকর ও সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন ইউএনও মো. তরিকুল ইসলাম। গত সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) গোবিন্দগঞ্জে এই আধুনিক মাছ বাজারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। এসময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, মৎস্যজীবী প্রতিনিধি এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

আনন্দঘন ও আবেগঘন পরিবেশে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে ইউএনও তরিকুল ইসলাম বলেন, “মৎস্যজীবীরা আমাদের দেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাদের জীবনমানের উন্নয়ন ও সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করা আমাদের সকলের দায়িত্ব। উপজেলা প্রশাসন তাদের পুনর্বাসনে এবং সকল প্রকার সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ ভূমিকা পালন করবে। এই বাজারটি শুধু একটি অবকাঠামো নয়, এটি মৎস্যজীবী ভাইদের অধিকার ও সম্মানের প্রতীক।” তাঁর এই বক্তব্য উপস্থিত মৎস্যজীবী ও সাধারণ মানুষের হৃদয়ে গভীর রেখাপাত করে এবং করতালির মাধ্যমে সকলে তাকে অভিনন্দন জানান।

স্থানীয়রা মনে করছেন, এই নতুন বাজার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মৎস্যজীবীরা সরাসরি ভোক্তার কাছে ন্যায্যমূল্যে মাছ বিক্রি করতে পারবেন। এর ফলে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বহুলাংশে হ্রাস পাবে এবং জেলে পরিবারগুলোর আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। শুধু তাই নয়, আধুনিক এই বাজারটি গোবিন্দগঞ্জ এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের নতুন কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে, যা এলাকার সামগ্রিক উন্নয়নেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

গোবিন্দগঞ্জ ক্ষুদ্র মৎস্য সমবায় সমিতির সভাপতি নুরুল ইসলাম আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, “আমরা যুগ যুগ ধরে একটি স্থায়ী বাজারের জন্য বিভিন্ন মহলে আবেদন করেছি, কিন্তু কেউ আমাদের দিকে ফিরে তাকায়নি। আজকের ইউএনও স্যার আমাদের দুঃখ বুঝেছেন। তিনি শুধু একজন ইউএনও নন, তিনি আমাদের মতো গরিব মানুষের অভিভাবক। আমরা তার কাছে চিরকৃতজ্ঞ।”
সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান মিয়া বলেন, “আমাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন আজ বাস্তবে রূপ নিতে চলেছে। এই বাজার আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ বদলে দেবে। আমরা ইউএনও তরিকুল ইসলামের এই মহৎ উদ্যোগকে স্বাগত জানাই এবং তার দীর্ঘায়ু কামনা করি।”
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক উপজেলা আমীর মাওলানা জালাল উদ্দিন এলাকার শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১১ নভেম্বর গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থেকে ছাতকে যোগদানের পর থেকেই ইউএনও মো. তরিকুল ইসলাম একের পর এক মানবিক, সামাজিক ও উন্নয়নমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করে চলেছেন। সীমান্তে ‘পুশ-ইন’ হওয়া পরিবারদের মানবিক সহায়তা প্রদান থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার রোধে জনসচেতনতা তৈরির মতো কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি অল্প দিনেই ছাতকবাসীর আস্থা অর্জন করেছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং সরকারি রাজস্ব আদায়েও তিনি স্থাপন করেছেন নতুন মানদণ্ড। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তাঁর নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্ট পুরো উপজেলায় সাড়া ফেলেছে। মাদক, ইজারা বহির্ভূত বালু উত্তোলন, পরিবেশ দূষণ, ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘন এবং সড়ক পরিবহন আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে তিনি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছেন। তাঁর কঠোর পদক্ষেপে ইতোমধ্যে অবৈধ বালু উত্তোলনকারী সিন্ডিকেট এবং মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ জব্দ করার পাশাপাশি সরকারি কোষাগারে রাজস্ব আয়ও বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। তাঁর এ সকল কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষ স্বস্তি প্রকাশ করলেও অসাধু চক্রের চক্ষুশূলে পরিণত হয়েছেন তিনি। তবে সকল ভয়ভীতি ও চাপের ঊর্ধ্বে থেকে তিনি তাঁর দায়িত্ব পালন করে চলেছেন, যা তাকে সাধারণ মানুষের কাছে একজন ‘মানবিক ইউএনও’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। মৎস্যজীবীদের জন্য এই বাজার স্থাপন তাঁর জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মুকুটে আরেকটি উজ্জ্বল পালক যোগ করলো।

নওগাঁয় ডাসকো ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৩দিন ব্যাপী প্রাণিস্বাস্থ্য কর্মীদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

নওগাঁ প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৫:০৭ অপরাহ্ণ
নওগাঁয় ডাসকো ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৩দিন ব্যাপী প্রাণিস্বাস্থ্য কর্মীদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় ডাসকো ফাউন্ডেশনের অগ্রযাত্রা প্রকল্পের আয়োজনে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের কারিগরি সহযোগিতায় ৩দিন ব্যাপী প্রাণিস্বাস্থ্য কর্মীদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রশিক্ষণটি গত ৮ জুন সোমবার শুরু হয়ে ১০ জুন বুধবার শেষ হয়।

প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডাঃ মোঃ আবু আনাছ এবং ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃ তানজিয়া আক্তার।

প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন বিএমজেড এবং নেট্জ বাংলাদেশের সহযোগিতায় ডাসকো ফাউন্ডেশনের অগ্রযাত্রা প্রকল্পের আত্রাই এবং রাণীনগর উপজেলার প্রাণিস্বাস্থ্য কর্মীগণ।

প্রশিক্ষণটিতে উপস্থিত ছিলেন, প্রজেক্ট ম্যানেজার মোঃ আহসান হাবিব মল্লিক, আত্রাই ইউনিট ম্যানেজার আব্দুর রউফ মিলন, এ্যাডভোকেসী ফ্যাসিলিটেটর গোলাম রাব্বানীসহ প্রাণিসম্পদ অফিসের কর্মকর্তাবৃন্দ।

সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে? শীতলকুচিতে আটক হাতীবান্ধার যুবক

সিরাজুল ইসলাম-লালমনিরহাট।
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২:২০ পূর্বাহ্ণ
সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে? শীতলকুচিতে আটক হাতীবান্ধার যুবক

 

ভারতের শীতলকুচি সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশি সন্দেহে এক যুবককে আটক করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। আটক যুবকের নাম নুরুজ্জামান। তিনি লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার মধ্য গড্ডিমারী এলাকার বাসিন্দা এবং শফিকুল ইসলামের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নুরুজ্জামান দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। মঙ্গলবার সকালে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। পরিবারের সদস্যরা ধারণা করেছিলেন, তিনি আশপাশের কোথাও অবস্থান করছেন। কিন্তু দিন গড়িয়ে বিকেলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে তারা জানতে পারেন যে, নুরুজ্জামানকে ভারতের শীতলকুচি এলাকায় বিএসএফ আটক করেছে।
নুরুজ্জামানের বাবা শফিকুল ইসলাম পেশায় একজন কলা বিক্রেতা। তিনি জানান, তার ছেলে মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় মাঝে মধ্যেই বাড়ি থেকে বের হয়ে যেতেন। তবে এবার সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে চলে যাওয়ার ঘটনায় পরিবার গভীর উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে।

 

রংপুর সদর উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরির উদ্বোধন

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ণ
রংপুর সদর উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরির উদ্বোধন

 

রংপুর সদর উপজেলায় জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণ,মেধা বিকাশ ও সুস্থ ধারার সংস্কৃতি চর্চাকে বেগবান করতে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে ‘উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি, রংপুর সদর’। রংপুর সদর উপজেলা পাগলাপীর কলেজ ক্যাম্পাসের পুরাতন লাইব্রেরি ভবনে নবনির্মিত এই পাবলিক লাইব্রেরিটির শুভ উদ্বোধন করা হয়। আজ সোমবার দুপুর ১২টায় লাইব্রেরি প্রাঙ্গণে রংপুর সদর উপজেলা পরিষদের বিশেষ উদ্যোগে ও ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই নতুন দিগন্তের উন্মোচন করা হয়। রংপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফিতা কেটে লাইব্রেরিটির শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন। রংপুর সদর উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার আফতাবুজ্জামানের সুচারু সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেশের গণমাধ্যম, রাজনীতি, প্রশাসন ও শিক্ষা ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের রংপুর সদর উপজেলা শাখার সভাপতি মাহফুজুর রহমান এবং সদর উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মহিউদ্দিন মুখদুমি। বক্তারা বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পাশাপাশি একটি মেধাভিত্তিক সমাজ গঠনে লাইব্রেরির গুরুত্ব তুলে ধরেন। ​রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্বদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহ্ মাসুদ রানা এবং রংপুর সদর উপজেলা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মাজহারুল ইসলাম। তারা প্রত্যেকেই তরুণ প্রজন্মকে মাদকমুক্ত রাখতে এবং সুস্থ মননশীল সমাজ গঠনে বই পড়ার অভ্যাস গড়ার তাগিদ দেন। এছাড়া প্রশাসনিক ও একাডেমিক কর্মকর্তাদের মধ্যে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন রংপুর সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: দুলাল হোসেন, পাগলাপীর স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ জয়নুল আবেদীন এবং পাগলাপীর ডিএস দাখিল মাদ্রাসার সহকারী সুপার শাহজাহান। ​লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে সংহতি প্রকাশ করে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি আব্দুল কাদের,সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল কাদের, বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব রংপুর উপজেলার সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান টিটু, রংপুর সদর উপজেলা জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক প্রভাষক আব্দুল হাদি,হরিদেবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সৈয়দ আব্দুর রাসেল,খলেয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হাসান সাগর,উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান শ্রবন ও যুগ্ম আহবায়ক ফিরোজ কবির। ​এছাড়াও নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা রাখা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের স্থানীয় নেতা শুভ ও কারিমুল ইসলাম নাহিদ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি আব্দুল কাহার, জিয়ারুল ইসলাম জিয়াম,সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিমসহ পাগলাপীর স্কুল ও কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং আশপাশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্ররা।
​অনুষ্ঠানের শেষভাগে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন এই চমৎকার ও যুগোপযোগী উদ্যোগের সফল বাস্তবায়নের জন্য উপজেলা পরিষদকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। উপস্থিত তরুণ ও শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে শিক্ষণীয় বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, “একটি প্রগতিশীল ও আলোকিত সমাজ গঠনে লাইব্রেরির বিকল্প নেই। বর্তমান যুগে তরুণ প্রজন্ম যেভাবে প্রযুক্তির অপব্যবহার ও মোবাইল আসক্তিতে নিমজ্জিত হচ্ছে, তা থেকে তাদের ফিরিয়ে আনতে বইয়ের পাতা অনন্য ভূমিকা রাখতে পারে।” ​তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এই পাবলিক লাইব্রেরি অত্র অঞ্চলের শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের জ্ঞানচর্চার পরিধি বাড়াতে এবং একটি মেধাভিত্তিক প্রজন্ম গড়ে তুলতে বাতিঘর হিসেবে কাজ করবে। জেলা প্রশাসক স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণকে লাইব্রেরিটি নিয়মিত ব্যবহারের আহ্বান জানিয়ে তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।

নওগাঁয় ডাসকো ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৩দিন ব্যাপী প্রাণিস্বাস্থ্য কর্মীদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে? শীতলকুচিতে আটক হাতীবান্ধার যুবক রংপুর সদর উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরির উদ্বোধন চিকিৎসার টাকার অভাবে বিছানায় জুলহাস, বাঁচাতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন রাজারহাটে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবীতে মানববন্ধন