খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ৮ শ্রাবণ, ১৪৩৩

৩০কেজি গাঁজাসহ আটক এক, ৭ কেজি দিয়ে মামলা!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৮:৩৫ অপরাহ্ণ
৩০কেজি গাঁজাসহ আটক এক, ৭ কেজি দিয়ে মামলা!

Oplus_131072

মোঃ রেজাউল করিম মৃধা, নাটোর প্রতিনিধি: নাটোরের বড়াইগ্রামে ৩০কেজি গাঁজাসহ সায়েম(৩৪) নামের একজন কাভার্ডভ্যান চালককে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (০২ সেপ্টেম্বর) রাত্রি আনুমানিক দেড়টার দিকে উপজেলার মাঝগাও ইউনিয়নের ছাতিয়ানগাছা থেকে তাকে আটক করা হয়। ঐ সময় অপর অজ্ঞাত দুই মাদক ব্যবসায়ী পালিয়ে যায়। আটক সায়েম লালমনিরহাট জেলার সিংগাদার গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী নজরুল ইসলাম, মুস্তাক হোসেন, আসাদুল সহ কয়েকজন জানান, রাত্রি আনুমানিক সাড়ে বারোটার দিকে একটি নীল রঙের কাভার্ডভ্যান থামিয়ে ছাতিয়ানগাছা মোল্লাপাড়া মোড়ে ওই গাড়ি থেকে একটি বস্তা নামাতে দেখে । এলাকাবাসীরা চোর সন্দেহে ধাওয়া দিলে তারা বস্তা ফেলে দুইজন পালিয়ে যায়। এসময় গাড়ীর চালক পালাতে না পারায় গ্রামবাসীদের হাতে আটক হয়। পরে পুলিশে খবর দিলে বনপাড়া তদন্ত কেন্দ্রের এসআই আব্দুর রাজ্জাক সঙ্গীয় ফোর্স সহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রায় ৩০ কেজি গাঁজা ও বহনকারী কাভার্ডভ্যান (ঢাকা মেট্রো-ন-২৩-৩৬৯৬) সহ ওই চালককে গ্রেফতার করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা আরো জানান, ধাওয়া খেয়ে আরো দুই ব্যক্তি পালিয়ে যায়, পুলিশ আসার পরে দেখা যায় বস্তা ভর্তি ১৩ প্যাকেট ও একটি ব্যাগের মধ্যে গাঁজা বোঝাই ছিল,আনুমানিক ওজন ২৮ থেকে ৩০ কেজি হবে। এসময় গণমাধ্যম কর্মীদের খবর দিতে চাইলে এবং কাভার্ডভ্যানে আরো গাঁজা আছে কিনা দেখতে চাইলে এসআই আব্দুর রাজ্জাক এলাকাবাসীর উপর চড়াও হন।
এ ঘটনায় ৭কেজি গাঁজা জব্দ দেখিয়ে অজ্ঞাত দুইজনসহ তিন জনকে আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এলাকার সুশীল সমাজ।
প্রকৃত ঘটনা এবং উদ্ধারকৃত গাঁজার পরিমাণ জানতে এসআই আব্দুর রাজ্জাক এর মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নাই।
এ বিষয়ে বড়াইগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম সারোয়ার হোসেন জানান, গতরাতে কর্তব্যরত অফিসার ৭ কেজি গাঁজা ও একটি কাভার্ড ভ্যানসহ একজনকে থানায় সপর্দ করে এবং পলাতক অজ্ঞাত দুই ব্যক্তি সহ তিনজনের নামে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। কিন্তু প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা মতে প্রায় ৩০ কেজি গাঁজা কিভাবে ৭ কেজি হলো ? এমন প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, থানায় ১৪ প্যাকেটে ৭ কেজি গাঁজা পেয়েছি , সেই অনুসারে মামলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৯ আগষ্ট উপজেলার রাজাপুর থেকে ৫ কেজি গাঁজাসহ একজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন এলাকাবাসী। পরে থানায় পৌঁছানোর পূর্বেই তা ৫০ গ্রাম হয়ে যায়। অন্যদিকে ২৮/৩০ কেজি গাঁজা হয়ে যায় ৭ কেজি, এ যেন এক “গাঁজার ভুতুড়ে কান্ড। উক্ত ঘটনায় এলাকাবাসী সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে বিচার দাবি করেছেন।

আমাদী ইউনিয়নে মিষ্টি বিতরণ নিয়ে মারামারি, পরে সালিসে সমাধান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৭:২৭ পূর্বাহ্ণ
আমাদী ইউনিয়নে মিষ্টি বিতরণ নিয়ে মারামারি, পরে সালিসে সমাধান

মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা উপজেলা প্রতিনিধি:- খুলনার কয়রা উপজেলার আমাদী ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে রসমলাই বিতরণকে কেন্দ্র করে হিসাব সহকারী ও গ্রাম পুলিশের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার বিকেল চারটার দিকে ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে এ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে।
পরিষদ সূত্র জানায়, বিকেলে ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে গ্রাম পুলিশ প্রসেনজিত পরিষদের কর্মচারীদের মধ্যে রসমলাই বিতরণ করছিলেন। এ সময় হিসাব সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর কু-ু ও প্রসেনজিতের মধ্যে সামান্য কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও মারামারিতে রূপ নেয়। এতে গ্রাম পুলিশ প্রসেনজিৎ আহত হন।
ঘটনার আকস্মিকতায় পুরো ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে উদ্যোগ নেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যরা। তাঁদের হস্তক্ষেপে পরিষদের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতিতে এক জরুরি বৈঠকে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে মীমাংসা করে দেওয়া হয়। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ শান্ত রয়েছে।

বিভ্রান্তিকর তথ্য অপপ্রচার ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে এবং, জাতীয় সংরক্ষণ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৭:১৭ পূর্বাহ্ণ
বিভ্রান্তিকর তথ্য অপপ্রচার ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে এবং, জাতীয় সংরক্ষণ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, জামালপুর প্রতিনিধি : জামালপুরের মাদারগঞ্জে সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচারের প্রতিরোধে এবং অনলাইন জুয়া প্রতিরোধ, জাতীয় সংরক্ষণ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার খরকা হল রুমে আলোচনা সভায় উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা সুমন চৌধুরী সভাপতিত্বে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামালপুর -৩ আসনের মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল এমপি।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্নেহাশীস রায়, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সুস্মিতা দত্ত, মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মুঞ্জুর কাদের বাবুল খান, পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল গফুর ও সাধারণ সম্পাদক খালেদ মাসুদ তালুকদার সোহেল, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল মান্নান চেয়ারম্যান, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা শাহ মোহাম্মদ মজনু ফকির,বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর নুর লাল মাষ্টার ,জুলাই যোদ্ধা সিয়াম প্রমুখ। এ সময় কর্মকর্তাবৃন্দ,ইমাম,মুয়াজ্জিন,শিক্ষক,কাজী সহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যে বলেন, ‘রাজনীতিবিদ, জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও দেশবাসী—আমাদের প্রত্যেককে স্ব-স্ব অবস্থান থেকে সামাজিক মূল্যবোধ ধরে রেখে নতুন দিনের বাংলাদেশ গঠনে এগিয়ে যেতে হবে।'”

ঘাটাইলে ধর্ষণের অভিযোগে একজন আটক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৭:১৪ পূর্বাহ্ণ
ঘাটাইলে ধর্ষণের অভিযোগে একজন আটক

মোঃ সবুজ সরকার সৌরভ, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি।। টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে আট বছরের এক শিশু কন্যাকে প্রলোভন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে ধ/র্ষ/ণের অভিযোগে সানোয়ার (৫২) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গত ৫ জুলাই রাতে উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নে এ ম/র্মা/ন্তিক ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুটির মা বাদী হয়ে ঘাটাইল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেফতারকৃত সানোয়ার উপজেলার শালিয়াবহ বটচালা গ্রামের কচরুলের ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত সানোয়ারের সাথে শিশুটির বাবা-মায়ের একই ইটভাটায় কাজ করার সূত্রে পূর্বপরিচয় ছিল। গত ৫ জুলাই রাত সাড়ে আটটার দিকে শিশুটিকে কয়েল কেনার জন্য স্থানীয় দোকানে পাঠানো হয়। দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পথে সানোয়ার শিশুটির পথরোধ করে কৌশলে পাশের একটি আমবাগানে নিয়ে যায়। সেখানে মুখ চেপে ধরে শিশুটিকে জোরপূর্বক ধ/র্ষ/ণ করা হয়।

ধ/র্ষ/ণের পর শিশুটি কান্না শুরু করলে অভিযুক্ত তাকে একটি ৫০০ টাকার নোট দিয়ে ঘটনাটি কাউকে না জানানোর হুমকি দেয়। পরবর্তীতে শিশুটি বাড়ি ফেরার সময় সানোয়ার সেই ৫০০ টাকাও আবার জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়।

শিশুটির পরিবার জানায়, ঘটনার পর ভুক্তভোগী বাড়িতে এসে বিস্তারিত জানালে বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানানো হয়। তারা সালিশের মাধ্যমে বিচারের আশ্বাস দিয়ে দিন পার করতে থাকেন। পরবর্তীতে সালিশে কোনো সুরাহা না পেয়ে এবং বিচার না পেয়ে অবশেষে নিরূপায় হয়ে থানায় গিয়ে এজাহার দায়ের করেন তারা। স্থানীয়দের আশ্বাসে কালক্ষেপণ হওয়ায় এজাহার দায়ে কিছুটা বিলম্ব হয় বলে জানায় পরিবারটি।

আজ ২১ জুলাই (মঙ্গলবার) বিকালে অভিযুক্ত সানোয়ারকে গ্রেফতার করে ঘাটাইল থানা পুলিশ।

আমাদী ইউনিয়নে মিষ্টি বিতরণ নিয়ে মারামারি, পরে সালিসে সমাধান বিভ্রান্তিকর তথ্য অপপ্রচার ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে এবং, জাতীয় সংরক্ষণ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঘাটাইলে ধর্ষণের অভিযোগে একজন আটক মাদারগঞ্জ উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটির কেন্দ্রীয় কমিটিতে এম এ সালাম রুবেল