খুঁজুন
শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৬ আষাঢ়, ১৪৩৩

বহু অপকর্মের হোতা চাঁদাবাজ মুন্না গ্রেফতার

ওসির কাছ থেকে চাঁদাদাবী, বহু অপকর্মের হোতা চাঁদাবাজ মুন্না গ্রেফতার

সংবাদদাতা প্রেরিত :
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১০:২৯ অপরাহ্ণ
ওসির কাছ থেকে চাঁদাদাবী, বহু অপকর্মের হোতা চাঁদাবাজ মুন্না গ্রেফতার

মো.শাহাদত হোছাইন।। কখনো সাংবাদিক, কখনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সোর্স পরিচয়ে চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা সহ বহু অপকর্মের হোতা মনছুর আলম মুন্নাকে গ্রেফতার করেছে চকরিয়া থানা পুলিশ। চকরিয়া থানার ওসি মনজুর কাদের ভুইয়ার কাছ থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে থানায় চাঁদাবাজি ও দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করা হয়।

ধৃত মনছুর আলম মুন্না (৩০) রামু উপজেলার গর্জনিয়া দক্ষিন বড়বিল গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে ও বর্তমানে কক্সবাজার শহরের ৯নং ওয়ার্ডের পুর্ব ঘোনারপাড়াধীন তার শাশুড়বাড়ীতে ঘরজামাই  হিসেবে থাকে।

২৫ ডিসেম্বর (বুধবার) রাত ১টার সময় কক্সবাজার সদর থানাধীন এলাকা হতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

মামলার এজাহারে জানা যায়, ২৪ ডিসেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টা হতে বিকাল পৌনে ৫টার সময় কথিত সংবাদ কর্মী মনছুর আলম মুন্না নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে তার ব্যবহৃত মোবাইল হতে চকরিয়া থানার ওসি মোঃ মঞ্জুর কাদের ভুইয়া এর ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ

নাম্বারে বানোয়াট, মিথ্যা এবং অবমাননাকর বিভিন্ন কথা উল্লেখ করে একটি সংবাদ প্রস্তুত করতঃ প্রেরন করে। পরবর্তীতে উক্ত মিথ্যা বানোয়াট সংবাদ বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রচার করার ভয় দেখিয়ে কৌশলে চাঁদাদাবী করে। উক্ত ঘটনায় মনছুর আলম মুন্নার বিরুদ্ধে চকরিয়া থানার মামলা নং-৩৮, তারিখ- ২৫/১২/২০২৪ ইং, জিআর-৫২৭/২০২৪, তারিখ- ২৫/১২/২০২৪ ইং ধারা- আইন শৃংখলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন/২০০২ (সংশোধনী/২০১৯) এর ৪(১) দায়ের করা হয়। এই মামলার আসামী চাঁদাবাজ মনছুর আলম মুন্নাকে বুধবার রাত ১টার সময় গ্রেফতার করা হয়।

চকরিয়া থানা পুলিশ জানায়, মনছুর আলম মুন্না একজন পেশাদার চাঁদবাজ। সে একাধিকবার চাঁদাবাজী সহ বিভিন্ন মামলায় কারাবরণ করে। গ্রেফতারকৃত মনছুর আলম মুন্নাকে বুধবার আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, কখনো সাংবাদিক, কখনো আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সোর্স পরিচয়ে চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা সহ বহু অপকর্মের হোতা মনছুর আলম মুন্না। এরআগে চলতি বছর ৩ এপ্রিল র‍্যাবের সোর্স পরিচয়ে ক্রসফায়ার থেকে বাঁচানোর কথা বলে একলাখ টাকা চাঁদা আদায় ও পরে আরো ১লাখ টাকা নেওয়া জন্য হুমকির অভিযোগে পৌরসভার লালদিঘীরপাড় সোনালী ব্যাংকের পাশের গলি থেকে আটক করেছে র‍্যাব-১৫। এ মামলায় সাড়ে ৪ মাস কারাভোগ করে প্রতারক মুন্না। এর আগে সাংবাদিক কর্তৃক দায়েরকৃত পর্ণোগ্রাফি মামলায়ও র্যাব-১৫ আটক করে এবং বহুদিন কারাভোগ করেন।

স্থানীয় সাংবাদিকদের অভিযোগ, সবার কাছে তিনি পরিচিত সাংবাদিক হিসেবে। সবাই যেন বিশ্বাস করে এজন্য বিভিন্ন গণমাধ্যমের নিউজ কপি করে নিয়মিত ফেসবুকে পোষ্ট দেন। কখনো গলায় কার্ড ঝুলিয়ে ছবি তুলেছেন সাংবাদিক প্রমাণে! আবার সাধারণ মানুষের কাছে তিনি পরিচিত ক্ষমতাবান হিসেবে! কেউবা আবার চেনেন র‍্যাব পুলিশের সোর্স হিসেবেও! কিন্তু আসলে তিনি একজন মহাপ্রতারক। মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করাই তার পেশা। এই প্রতারক মনছুর আলম মুন্না এর আগে কক্সবাজার সদর থানা কর্তৃক ১ম বার আটক (ভুয়া সাংবাদিক ও চাঁদাবাজি মামলায়), র্যাব-১৫ কর্তৃক ২য় বার আটক

(পর্ণোগ্রাফি মামলায়), র্যাব-১৫ কর্তৃক ৩য় বার আটক (চাঁদাবাজি মামলায়) ও চকরিয়া থানা কর্তৃক ৪র্থ বার আটক

(চাঁদাবাজি এবং দ্রুত বিচার আইনে মামলা) হয়। এছাড়া পাবলিক কর্তৃক গণধোলাই খেয়েছে বহুবার। র‌্যাব এবং বিভিন্ন সংস্থার সোর্স পরিচয় দিয়ে চাঁদা আদায় ও মাদক ব্যবসা করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে।

গরীবের মুখে হাসি ফোটাতে তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শনে তিন মন্ত্রী

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৭:৩৭ অপরাহ্ণ
গরীবের মুখে হাসি ফোটাতে তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শনে তিন মন্ত্রী

 

দেশের অন্যতম বৃহত্তম ও গুরুত্বপূর্ণ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ এলাকা পরিদর্শন করেছেন বর্তমান সরকারের তিন শীর্ষ নীতি-নির্ধারক।

আজ শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে ব্যারাজ এলাকায় পৌঁছান পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি এবং পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপি।

​সরকারি সফরসূচি অনুযায়ী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী মহোদয়গণ দুপুরে তিস্তা ব্যারাজ ও এর আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখেন। এরপর তারা তিস্তা অবসর হলরুমে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন।

​সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সভায় তিস্তা অববাহিকার দীর্ঘদিনের নদীভাঙন সমস্যা, টেকসই বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নদীশাসন এবং চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা সরকারের এই উচ্চপর্যায়ের সফরকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে তিস্তার ভাঙনে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও সরকারি-বেসরকারি অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়। দীর্ঘদিন ধরে তারা এর স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়ে আসছেন। এই সফর বহুল প্রতীক্ষিত ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা’ বাস্তবায়নের পথকে আরও বেগবান করবে এবং স্থায়ী নদীশাসনের মাধ্যমে তাদের দুঃখের অবসান ঘটবে বলে আশা করছেন তারা।

মান্দায় ধানের হাটে ‘৪১ কেজিতে মণ’, জিম্মি কৃষকেরা

মান্দা উপজেলা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৫:১৮ অপরাহ্ণ
মান্দায় ধানের হাটে ‘৪১ কেজিতে মণ’, জিম্মি কৃষকেরা

দেশের প্রচলিত ওজন পরিমাপের নিয়ম অনুযায়ী ৪০ কেজিতে এক মণ ধান হওয়ার কথা। কিন্তু নওগাঁর মান্দা উপজেলার বিভিন্ন ধানের হাটে সেই নিয়ম যেন কেবল কাগজেই সীমাবদ্ধ। উপজেলার ঐতিহাসিক পাঁজরভাঙ্গা হাটসহ একাধিক বাজারে কৃষকদের বাধ্য করা হচ্ছে প্রতি মণে ৪১ কেজি ধান দিতে। এতে বছরের পর বছর ধরে ওজনে অতিরিক্ত ধান দিয়ে লোকসানের মুখে পড়ছেন হাজারো কৃষক।

সরেজমিনে শুক্রবার উপজেলার ঐতিহাসিক পাঁজরভাঙ্গা হাট ঘুরে দেখা যায়, ভোর থেকেই দূর-দূরান্ত থেকে ভ্যান, ভটভটি ও সাইকেলে করে ধান নিয়ে আসছেন কৃষকেরা। হাটজুড়ে ধানের ব্যাপক আমদানি থাকলেও বিক্রির সময় কৃষকদের পড়তে হচ্ছে এক অঘোষিত নিয়মের মুখে। ব্যবসায়ীরা ৪০ কেজির পরিবর্তে ৪১ কেজিকে এক মণ ধরে ধান কিনছেন। শুধু পাঁজরভাঙ্গা নয়, উপজেলার জোতবাজার ও জোকাহাটের চিত্রও একই রকম।

বর্তমানে হাটে বিভিন্ন জাতের ধান বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে জিরা ধান প্রতি মণ ১ হাজার ৪০০ টাকা, সুবলতা ১ হাজার ৩৪০ টাকা, কাটারি ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং স্বর্ণা-৫ জাতের ধান ১ হাজার ১৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজারে ধানের দাম কম হওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত ওজন দেওয়ার কারণে কৃষকদের ক্ষোভ বাড়ছে।

স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে একটি অসাধু ব্যবসায়ী চক্র সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এই অনিয়ম চালিয়ে আসছে। বিষয়টি সবার জানা থাকলেও কার্যকর তদারকি না থাকায় কৃষকেরা বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত ধান দিতে বাধ্য হচ্ছেন। ফলে প্রতি মণে ১ কেজি করে ধান বেশি দিয়ে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন তারা। বছরের পর বছর ধরে চলা এই প্রকাশ্য ওজন জালিয়াতি বন্ধে এবং কৃষকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভোগী কৃষকেরা।

হাটে ধান বিক্রি করতে আসা কৃষক মো. জহুরুল বলেন, আমি ১২ মণ ধান নিয়ে এসেছিলাম। কিন্তু ৪১ কেজিতে মণ ধরায় ১২ কেজি ধান বেশি চলে গেছে। আমরা অনেক কষ্ট করে ধান উৎপাদন করি। হাটে আনলে ব্যবসায়ীরা বলে ৪০ কেজিতে ধান নেবে না, ৪১ কেজি দিতে হবে। বাধ্য হয়ে আমরা ধান বিক্রি করি।

আরেক কৃষক মো. আজিজার বলেন, ৫ মণ ধান নিয়ে এসেছিলাম। ধানের দামও কম, আবার প্রতি মণে ১ কেজি বেশি দিতে হয়েছে। প্রশাসনের এ বিষয়ে কোনো নজরদারি নেই। আমরা সব দিক থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।

ওজনে অতিরিক্ত ধান নেওয়ার এই প্রকাশ্য অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে হাটের কয়েকজন ধান ব্যবসায়ী বিষয়টি অনিয়ম বলে স্বীকার করলেও, দায় চাপাচ্ছেন দীর্ঘদিনের অভ্যাসের ওপর।

ধান ব্যবসায়ী মো. দেলোয়ার হোসেন ও মো. মেস্তাক বলেন, এই হাটে অনেক আগে থেকেই ৪১ কেজিতে মণ নেওয়া হয়। সবাই এভাবেই নিচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী ৪০ কেজি হলেও বাজারে দীর্ঘদিন ধরে এই পদ্ধতি চলে আসছে।

এ বিষয়ে মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আখতার জাহান সাথী বলেন, হাট-বাজারে ওজন সংক্রান্ত অনিয়ম এবং কৃষক ও ভোক্তাদের প্রতারিত হওয়ার বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি মোবাইল কোর্ট পরিচালনাসহ নিয়মিত তদারকির উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে নওগাঁ-৪ (মান্দা) আসনের সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপু বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী যে কোনো কৃষিপণ্য বা ফলের ক্ষেত্রে ৪০ কেজি মানে ৪০ কেজিই। আইনত বাড়তি বা ‘ঢলন’ নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কৃষকেরা সচেতন হলে এবং প্রশাসন নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করলে এ ধরনের অনিয়ম দ্রুত বন্ধ করা সম্ভব। বাজারমূল্য ওঠানামা করলেও পণ্যের ওজন অবশ্যই সঠিক থাকতে হবে।

গোদাগাড়িতে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রোড শো ও গাছের চারা বিতরণ

গোলাম রাব্বানী :
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ১২:৪৩ অপরাহ্ণ
গোদাগাড়িতে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রোড শো ও গাছের চারা বিতরণ

ডাসকো ফাউন্ডেশন বাস্তবায়িত নেটজ বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের আর্থিক সহযোগিতায় এনগেজ প্রকল্পের বিশ্ব পরিবেশ দিবস 2026 উদযাপন উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার গোদাগাড়ি উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে রোড শো ও গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

গোদাগাড়ি উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা জনাব মরিয়ম আহমেদ মহোদয়ের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার মোঃ আব্দুল মানিক, প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার এ, কে, এম মমিনুল হক, শিক্ষার্থী, সিএসও সদস্য, এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং পরিবেশ সংরক্ষণে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সজ্জিত যানবাহনের সমন্বয়ে ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে গোদাগাড়ি উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা পরিবেশ সুরক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং জলবায়ু সহনশীল কমিউনিটি গঠনের গুরুত্ব তুলে ধরে বক্তব্য প্রদান করেন।
অতিথিবৃন্দ বলেন, পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি সবুজ, নিরাপদ ও জলবায়ু সহনশীল সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
অতিথিবৃন্দ বলেন, পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সবুজ, সুন্দর ও টেকসই পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
এ সময় সিএসও সদস্যদের মাঝে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়। অতিথিগণ উপস্থিত অংশগ্রহণকারীদের হাতে গাছের চারা তুলে দেন এবং প্রত্যেককে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও পরিচর্যার আহ্বান জানান। অতিথি ও উপস্থিত সদস্যগণ ভবিষ্যত সুরক্ষা ও জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় প্রকৃতি হোক অনুপ্রেরণার উৎস আপনি কি একমত স্বাক্ষরিত ব্যানারে সহমত পোষন করে স্বাক্ষর করেন
রোড শোতে ১৬ টি সুসজ্জিত অটোবাইকে সুশীল সমাজের সংগঠনের সদস্যগণ ও এনগেজ প্রকল্পের কর্মীগণ অংশগ্রহণ করে। জলবায়ু অভিযোজন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং দুর্যোগ সহনশীলতা বিষয়ক সচেতনতামূলক ব্যানার, পোস্টার, ফেস্টুন ও স্লোগানে সজ্জিত অটোবাইকগুলো গোদাগাড়ি উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের (গোদাগাড়ি, পাকড়ী, রিশিকুল, গোগ্রাম, মাটিকাটা, দেওপাড়া) এর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও জনবহুল এলাকা প্রদক্ষিণ করে। রোড শো চলাকালে অংশগ্রহণকারীরা পরিবেশ সুরক্ষা, পানি সংরক্ষণ, খরা মোকাবিলা, বৃক্ষরোপণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন বার্তা প্রচার করেন।
কর্মসূচিটি উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয় এবং অংশগ্রহণকারীরা পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু অভিযোজন কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

গরীবের মুখে হাসি ফোটাতে তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শনে তিন মন্ত্রী মান্দায় ধানের হাটে ‘৪১ কেজিতে মণ’, জিম্মি কৃষকেরা গোদাগাড়িতে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রোড শো ও গাছের চারা বিতরণ নওগাঁর সাপাহারে আম আড়ৎদাররা সরকারি আইন না মানায় ক্ষতি গ্রস্ত হচ্ছে আম চাষী ও ব্যাবসায়ী ইসলামপুরে ব্র্যাকের উদ্যোগে কৃষকদের মাঝে মুরগির বাচ্চা, ধানের বীজ, মাছের পোনা ও সবজি বীজ বিতরণ