ভাড়া রিকশা নিয়া কঠোর পরিশ্রম করে জীবিকা নির্বাহ করতে হয়
মোঃ হোসেন শাহ্ ফকির- ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধিঃ ইসলামপুর পৌর শহরে রিকশাচালকরা তারা প্রতিদিন ভাড় রিকশা নিয়া। কঠোর পরিশ্রম করে জীবিকা নির্বাহ করতে দেখাযা এবং তাদের পরিবারকে সমর্থন করতে। রিকশাচালক হওয়ার সবচেয়ে বড় কষ্টের মধ্যে দিয়ে, একটি হলো- তাদের শারীরিক চাপ। জনাকীর্ণ রাস্তা দিয়ে ভারী রিকশা টানা, ফেলে। আরেকটি চ্যালেঞ্জ হলো প্রতিদিন রিক্সা ভাড়া দিতে হয় নভেম্বর (২৪) রবিবার রাত ১০ টা সময় সরজমিনে দেখা যা পাটনিপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে একজন রিকশা চালাক, খন্জন শেখ বলে আমি ২০ বছর বয়সে রিক্সা হ্যান্ডেল ধরি এখন আমার বয়স ৭০ বছর রিক্সার উপরে আমার জীবন যাপন তাই আর কতদিন বাঁচবো এইভাবে আমাদের চলতে হবে, জালাম প্রতিবন্ধী চালক বলে আমি ব্যাটারি রিক্সা দিয়ে প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা ইনকাম করি এই টাকার মধ্যে রিক্সা মালিকের দিতে হয় ১৮০ টাকা তারপরে পরিবার জন্য চাল ডাল কিনতে হয় এই দিয়ে মোটামুটি বউ বাচ্চা নিয়ে খেতে পারি। মঙ্গল চালক বলে চোখ থাকেতেই অন্ধ ছোটবেলা বাবা মা লেখাপড়া করার জন্য স্কুলে ভর্তি করে দিয়েছিল কিন্তু ভাগ্যের পরিবর্তন কারণে আমার আর লেখাপড়া হয়নি এখন শেষ বয়সে ভাড়া রিকশা চালাতে হয়েছে কিন্তু দ্রব্যমূল্য যে পরিমাণ বৃদ্ধি হয়েছে তাতে ৩০০ টাকা দিয়ে সংসার চালানোর খুবই কষ্টকর। তাদের উপার্জন করা কম আয়। অনেক রিকশাচালক দারিদ্র্যের মধ্যে জীবনযাপন করে এবং জীবনযাপনের জন্য সংগ্রাম করে।
তাদের পরিবারকে খাওয়ানো এবং মৌলিক প্রয়োজনীয়তার ও যথেষ্ট অর্থ উপার্জনের জন্য দীর্ঘ সময় পরিশ্রম করতে হয়। এটি তাদের প্রিয়জনের জন্য একটি কঠিন ও চাপপূর্ণ জীবন। সূর্যোদয়ের আগে তাদের দিন শুরু করে এবং গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করে,তাদের ঘনবসতিপূর্ণ এবং দূষিত রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে হয় প্রচন্ড গরম বা বৃষ্টিতে। রিকশাচালকদের দুর্দশা একটি দুঃখজনক বাস্তবতা। যারা রাস্তা দিয়ে যায়, তাদের দ্বারা অনেক সময় তারা উপেক্ষা এবং অবহেলিত হয়। সাশ্রয়ী মূল্যের পরিবহণ সরবরাহে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে সঙ্গে আচরণ করা হয়। অনেক রিকশাচালক কঠিন পরিস্থিাতিতে দীর্ঘ সময় কাজ করতে বাধ্য হয় খুব কম পারিশ্রমিকে। রিকশাচালকরা বৈষম্য ও শোষণের শিকার হন।
তারা প্রায়ই যাত্রীদের দ্বারা নির্যাতিত হয় এবং তাদের এটি তাদের নিজেদের এবং পরিবারের ভরণপোষণ কঠিন করে তোলে।
অনেক কষ্টের সম্মুখীন হওয়া সত্ত্বেও অনেক রিকশাচালক নিজের এবং তাদের পরিবারের জন্য বড় স্বপ্ন থাকে।
রিকশা গ্যারেজ মালিক শাজাহান বলে আমার কাছে একজন চালাক এসে বলেন ভাই আমার কোন কর্ম নাই তাই আমাকে একটি রিকশা কিনে দিবেন আমি আশ্বস্ত করে কয়েকদিন পরে কিনে দিবো একটি রিকশা কিনে এরপর থেকে আমার গ্যারেজে কয়েকটি রিকশা সংযোগ হয় এতে আমাদের কোন ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে কিছু সহযোগিতা পেলে আরো কর্মহীন চালকদের পাশে দাঁড়াতে পারতাম।
এ ছাড়া তাদের পিঠে ব্যথা, জয়েন্টের সমস্যা এবং অন্যান্য স্বাস্থা সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি। রিকশাচালকরা আহত ও দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে রয়েছেন। তারা বেপরোয়া চালক ও অনিরাপদ রাস্তার অবস্থাসহ রাস্তায় অনেক বিপদের সম্মুখীন হয়। তারা প্রায়শই দুর্ঘটনায় জড়িত থাকে, যা গুরুতর আহত এবং কখনো কখনো মৃতু্যর দিকে নিয়ে যায়। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রিকশাচালকরা তাদের সম্প্রদায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।


আপনার মতামত লিখুন