খুঁজুন
সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ২ ভাদ্র, ১৪৩৩

সভাপতি ও সুপারের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দূর্নীতির অভিযোগ, তদন্ত কমিটি মাদ্রাসা পরিদর্শন

আমির হোসেন, ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৪, ৯:৪৯ অপরাহ্ণ
সভাপতি ও সুপারের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দূর্নীতির অভিযোগ, তদন্ত কমিটি মাদ্রাসা পরিদর্শন

আমির হোসেন, ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার সোনারগাও (আরোয়া) হাসানিয়া দাখিল মাদ্রাসার সাবেক সভাপতি মাওলানা আ. রহমান, সুপার মাওলানা আ. সালাম সিকদার ওরফে ইকবাল হোসেন ও ক্বারী সোয়াইব হোসেনের বিরুদ্ধে দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগের পর তদন্ত কর্মকর্তা মাদ্রাসা পরিদর্শন করেছেন।

রবিবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে অভিযোগের বিষয়ে সরেজমিনে যান তদন্ত কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল। এসময় মাদ্রাসার কর্মরত ৯জন শিক্ষক-শিক্ষিকা, ৪জন কর্মচারী, শিক্ষার্থীরা ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। এর আগে চলতি বছরের ২১শে আগষ্ট এলাকাবাসীর পক্ষে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মো. আব্দুল হাকিম সিকদার লিখিতভাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দেন। এঘটনায় উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. মোজাম্মেলকে তদন্ত করে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়।

অভিযোগপত্র থেকে জানাগেছে, মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠার পর ১৯৮৫ সালের ২৫শে নভেম্বর স্থানীয় সোয়াইব হোসেন নামে একজন ব্যক্তি এবতেদায়ী ক্বারী হিসেবে প্রতিষ্ঠানে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। পরে ১৯৮৭ সালের ২০শে নভেম্বর প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত সুপার হন৷ এরপরে ২০০০ সালের ১লা জানুয়ারী হতে ২০০৯ সালের ১লা জানুয়ারী পর্যন্ত তার চাকুরী ছিলো না। তিনি জাল জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে ২০১২ সালের ১৯ এপ্রিল অবৈধভাবে বর্তমান সুপার আ. সালাম সিকদারকে নিয়োগ দেন। এরপরে আ. সালাম সিকদার কমিটি ও মঞ্জুরি ছাড়াই জাল জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে অবৈধভাবে পূনরায় সোয়াইব হোসেনকে নিয়োগ দেন। তাছাড়া প্রতিষ্ঠানটিতে ২০০০ সালের ১লা জানুয়ারি হতে পরবর্তী ২০০৯ সালের ৬ অক্টোবর পর্যন্ত কোন কমিটি ছিলো না। অথচ প্রতিষ্ঠানটিতে তখন ২জন শিক্ষক অবৈধভাবে নিয়োগ প্রদান করেন। ২০১০ সালের ৭ এপ্রিল থেকে ২০১২ সালের ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত মাদ্রসার শিক্ষাবোর্ড কোন কমিটি অনুমোদন দেননি। এরপরে ২ বছরের জন্য কমিটি অনুমোদন দিলেও পরবর্তীতে ২০১৪ সালের ৮ জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ৩০ আগষ্ট পর্যন্ত কোন কমিটি অনুমোদন দেননি। অথচ সুপার আ. সালাম সিকদার তার ভাই মো. আবুল কালামকে সৌদি আরবে থাকা অবস্থায় ২০০৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠানে জুনিয়র মৌলভী পদে মাদ্রাসায় ভুয়া নিয়োগ প্রদান করেন। এছাড়াও ২০১২ সালের ১৯ এপ্রিল সহকারী শিক্ষিকা পদে মোসা. শায়লা পারভীন, সহকারী শিক্ষক পদে মোঃ মাহাবুব হাওলাদার, ও অফিস সহকারী শ্রী তপন কুমারকে নিয়োগ প্রদান করেন। ১০১৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি সহ সুপার পদে মাওলানা আমিনুল ইসলাম, সহকারী মৌলভী পদে মোঃ মাসুম বিল্লাহকে কমিটি ও মঞ্জুরি বিহীন অবস্থায় নিয়োগ প্রদান করেন। এরপর ২০১৬ সালের ৫ আগষ্ট ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী মঞ্জুরি ও কমিটি বিহীন অবস্থায় দপ্তরী পদে মোঃ আলম সিকদার ও নৈশ প্রহরী পদে মোঃ সেলিম সিকদারকে নিয়োগ দেন।

অভিযোগকারী মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মো. আব্দুল হাকিম সিকদার বলেন, ২০০০ সালে সৌদি চলে যায় আবুল কালাম তার নিয়োগ কিভাবে ২০০৪ সালে হয়? মাদ্রাসার নবায়ন এবং কমিটির সভাপতির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরে মঞ্জুরি বিহীন অবস্থায় যেসকল শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তা বাতিলের দাবি জানাই।আমি যতবারই দূর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেই তদন্ত কর্মকর্তা আসবে বলে আমাকে নোটিশ দিয়ে জানায়। আসার পর বলে আজকে সম্পূর্ণ হয়নি কিছু কাগজপত্র বাকি আছে আগামীদিন আসবো পরে আর আমাকে কিছু জানায় না।

অভিযোগ অস্বীকার করে শিক্ষক মো. আবুল কালাম বলেন, ২০০৪ সালে নিয়োগপ্রপ্ত হওয়ার পর আমার বেতন ভাতা বন্ধ ছিলো। জীবন বাঁচার তাগিদে দেশের বাহিরে চলে যাই। এমপিও ভুক্ত হওয়ার ৬ মাস আগে দেশে এসে মাদ্রাসায় যোগদান করি।

অভিযোগ অস্বীকার করে সুপার মাওলানা আ. সালাম সিকদার ওরফে ইকবাল হোসেন বলেন, ২০১২ সালে মাদ্রাসার সুপার পদে নিয়োগ হয়। এরপর তিনি ৪ থেকে ৫টি নিয়োগ দেন। এই নিয়োগের বিরুদ্ধে সকল দপ্তরে মামলা হইছে। সকল মামলার তদন্ত হইছে আমার বিরুদ্ধে আনা সকল দূর্নীতি ও অনিয়ম মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।

অভিযোগ অস্বীকার করে প্রতিষ্ঠানের সাবেক সভাপতি মাওলানা আ. রহমান বলেন, ডিসি, ইউএনও এবং শিক্ষা অফিসারের অনুমতি নিয়ে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ মিথ্যা।

এবিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. মোজাম্মেল বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে মাদ্রাসায় তদন্তের জন্য গিয়ে উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনেছি এবং কাগজপত্র নিয়েছি এসেছি।কিছু কাগজপত্র বাকি আছে সেগুলো দেখে পর্যাচলনা করে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা পরিদর্শন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রীর

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১০:২০ অপরাহ্ণ
রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা পরিদর্শন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রীর

 

রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা এবং রোগী সেবার মানোন্নয়নে তদারকি জোরদার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। হাসপাতালটিকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

রবিবার (১৬ই আগস্ট) বিকালে রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ছয়তলা বিশিষ্ট নতুন আইসোলেশন ভবনের উদ্‌বোধন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও রোগী সেবার মান বাড়াতে তিনি প্রতিমুহূর্তে হাসপাতালের পরিচালক এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের (চডউ) প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলে বিষয়গুলো নজরদারিতে রাখছেন। হাসপাতালটিকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন বলেও জানান।

তিনি জানান, হাসপাতালের লাইটিং ব্যবস্থা ও সিসি ক্যামেরা স্থাপনের বিষয়ে ইতোমধ্যে সভা করা হয়েছে। খুব শীঘ্রই এসব বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রত্যক্ষ অগ্রগতি পরিলক্ষিত হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য রেজেকা সুলতানা ফেন্সী, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. সামসুজ্জামান সামু, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান প্রমুখ।

সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসকের সাথে বাংলাদেশ জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ সুনামগঞ্জ জেলা শাখার নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৩৮ অপরাহ্ণ
সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসকের সাথে বাংলাদেশ জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ সুনামগঞ্জ জেলা শাখার নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : বাংলাদেশ জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ সুনামগঞ্জ জেলা শাখার নেতৃবৃন্দরা জেলা প্রশাসকের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে ফুলের তোড়া দিয়ে অভিনন্দন জানন এবং কোশল বিনিময় করেন।

রোববার দুপুরে বাংলাদেশ জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি পরিমল তালুকদার,সাধারন সম্পাদককুশল রাজ পাল ও যুগ্ম সাধারন সম্পাদক অমর চক্রবর্তীর নেতৃত্বে সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

এ সময় উস্থিত ছিলেন,বাংলাদেশ জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক শিবু পোদ্দার ও সদস্য চন্দন কুমার দাস প্রমুখ।

সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন,বাংলাদেশের অন্যান্য জেলার মধ্যে সুনামগঞ্জ হচ্ছে সম্প্রীতির একটি নিদর্শন। এই জেলায় প্রতিটি ধর্মের মানুষের মাঝে দীর্ঘদিনের যে ভাতৃত্বের বন্ধন রয়েছে সেটা অটুট থাকবে বলে তিনি আশাবদ ব্যক্ত করেন এবং এই সংগঠনের যেকোন কার্যক্রমে জেলা প্রশাসন সহযোগিতা করবে বলে তিনি উপস্থিত নেতৃবৃন্দকে আশ্বস্থ করেন। ##

কুলেন্দু শেখর দাস
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
১৬.০৮.২৬

বড়াইগ্রামে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন ও আলোচনা সভা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
বড়াইগ্রামে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন ও আলোচনা সভা

নাটোর প্রতিনিধি: “রুপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নাটোরের বড়াইগ্রামে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি, মাছের পোনা অবমুক্তকরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে উপজেলা মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালি শেষে উপজেলা পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়। পরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌসের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. আব্দুল আজিজ।
সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মোবাশ্বির হোসেন বিপ্লবের সঞ্চালনায়
বক্তব্য রাখেন, নাটোর জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য মহুয়ানুর কচি, বড়াইগ্রাম উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আব্দুস সালাম মোল্লা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ সজিব আল মারুফ, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নুরে আলম সিদ্দিকী, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মুরাদ হোসেন, সিনিয়র সাংবাদিক আলহাজ্ব মো. সাইফুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের, মৎস্যজীবী ইব্রাহিম হোসেন এবং মৎস্যচাষি আব্দুল কুদ্দুস মজুমদার প্রমুখ।
বক্তারা দেশের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে মৎস্য খাতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন দিক তুলে ধরে, মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশীয় মাছের প্রজাতি সংরক্ষণে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে মৎস্যজীবীদের পক্ষ থেকে সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. আব্দুল আজিজকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। এছাড়া মৎস্য যুব উদ্যোক্তা আসিফ ইকবাল ও মৎস্য উৎপাদক আব্দুল কুদ্দুসকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
এসময় বড়াইগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মৎস্যজীবী, মৎস্যচাষি, সরকারি কর্মকর্তা, সুধীজন এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

মোঃ রেজাউল করিম মৃধা
নাটোর প্রতিনিধি
১৬ই আগষ্ট রবিবার ২০২৬
মোবাইল -০১৭১৩-৭২৪৮৪৫

রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা পরিদর্শন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রীর সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসকের সাথে বাংলাদেশ জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ সুনামগঞ্জ জেলা শাখার নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ বড়াইগ্রামে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন ও আলোচনা সভা ঘাটাইলে ইটভাটায় ডাকাতি: ম্যানেজারকে অচেতন করে ৭ লাখ টাকার মালামাল লুট কুয়াকাটার পর্যটন ব্যবস্থাপনা ও সৌন্দর্যবর্ধনে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান