খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

রূপসায় নেহালপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পবাসী নদী ভাঙ্গনে আতংকিত 

শেখ শহিদুল্লাহ্ আল্ আজাদ, খুলনা থেকে :
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ২:৩৭ অপরাহ্ণ
রূপসায় নেহালপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পবাসী নদী ভাঙ্গনে আতংকিত 

Oplus_131072

শহিদুল্লাহ্ আল আজাদ. খুলনা প্রতিনিধি : খুলনা জেলায় রূপসা উপজেলার ৩নং নৈহাটি ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড নেহালপুর ও দেবীপুর এলাকায় আঠারোবেঁকী নদীর পাশে গড়ে উঠা আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধিবাসিরা  নদী ভাঙ্গনের ফলে চরম আতংকে দিনযাপন করছে। এ দিকে আশ্রয়ণ প্রকল্প ২ এর আওতায় প্রথম ধাপে:-২৩টি ও দ্বিতীয় ধাপে ৩৯ টি মোট ৬২ টি ঘর। উক্ত ঘর পেয়ে খুশিতে আত্মহারা সহায় সম্বলহীন মানুষগুলি, সহায় সম্বলহীন মানুষ উপহারের ঘরে বসবাসের পাশাপাশি নদীর পাশ দিয়ে গড়ে তুলছেন কৃষি খামার, এখান থেকে নানা রকম সবজি চাষের মাধ্যমে নিজেদের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি সে সকল সবজি বাজারে বিক্রয় করে ও অর্জন করেছে মুনাফা। এখানে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি রয়েছে দুই টি সুবর্ণ নাগরিক.(প্রতিবন্ধী) পরিবার ও বসবাস করে আসছে সকলে, ঘর পেয়ে সুখে শান্তিতে বসবাস করলেও তাদের আতংক শুধু নদী ভাঙ্গন নিয়ে যেন দিনদিন বেড়েই চলেছে। প্রতিদিনই নদী গর্ভে বিলীন হচ্ছে আশ্রয়ণ প্রকল্পে থাকা মানুষ গুলির কৃষি জমি এবং কৃষি জমি শেষ হলেই চলাচলের রাস্তা এবং রাস্তা শেষ হলেই নদী গর্ভে বিলীন হওয়ার আশংকায় সম্বলহীন মানুষের জমিসহ ঘর। রূপসায় নেহালপুর আশ্রয় প্রকল্পে থাকা সুবর্ণ নাগরিকের পরিবারসহ সাধারণ মানুষের কাছে তাঁদের অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে তাঁরা বলেন, আমাদের বসবাসের জন্য নির্দিষ্ট স্থান ছিলোনা যেখানে আমরা বা আমাদের পরিবার নিয়ে বসবাস করতে পারতাম, সরকারি ভাবে আমাদের বিনামূল্যে প্রদান করেছেন এই স্থানী বাসস্থান। তবে নদী ভাঙ্গনের ফলে আবারও হারানোর পথে আশ্রয়ণ প্রকল্পে বসবাসের জন্য জমি সহ ঘর। ঘর তৈরির সময় আঠারোবেঁকী নদী ভাঙ্গনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড বালুর বস্তা ফেলে অস্থায়ী বাঁধ তৈরি করেন, যা আশ্রয়ণ প্রকল্পে থাকা ৬২ ঘরের তিন ভাগের একভাগ। এ দিকে বাকি দুই ভাগ ভাঙ্গন রোধে রূপসার ৩নং নৈহাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের মাধ্যমে গাবগাছ ও টিন দিয়ে অস্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছিল, নদী ভাঙ্গনের ফলে অনেক আগেই বিলীন হয়েছে সে বাঁধ। এখন পানি উন্নয়ন বোর্ডের বালুর বস্তুা দিয়ে যে বাঁধ দেওয়া হয়েছিল তা অধিকাংশ স্থান নদী গর্বে বিলীন হয়েছে। প্রায় প্রতিদিনই আঠারোবেঁকী নদীর পাশে আশ্রয়ণ প্রকল্পের কৃষি জমি বড় বড় আকারে ভাঙ্গনের ফলে বিলীন হতে শুরু করেছে। এ দিকে নদী ভাঙ্গনের ফলে দিনদিন এগিয়ে আসছে আশ্রয়ণ প্রকল্পে থাকা অসহায় সহায় সম্বলহীন মানুষের ঘরের দিকে। নদী ভাঙ্গনের ফলে যে কোন সময় আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরগুলো বিলীন হতে পারে আঠারোবেঁকী নদী গর্ভে, সকল সময় আতংকিত রয়েছেন, নেহালপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পবাসী। আমরা সকল সময় আতংকিত, কখন না জানি জমি সহ ঘর আমাদের শেষ আশ্রয়স্হল ও নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। তাঁরা আরও বলেন, আমরা রূপসা উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে খুলনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছে আবেদন করে আসছি। আমাদের জোরদাবী নদী ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ সহ  উপযুক্ত ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হয়। আমরা যাতে পরিবার নিয়ে এখানে সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারি।

সেনবাগে গ্রাম আদালতের জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত।

মোঃ ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ, নোয়াখালী প্রতিনিধি :-
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৯:৫০ অপরাহ্ণ
সেনবাগে গ্রাম আদালতের জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত।

 

গ্রাম আদালতের জন সচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা শীর্ষক কর্মশালা নোয়াখালীর সেনবাগে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার দুপুরে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে পরিষদের হল রুমে কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সেনবাগ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহসিয়া তাবাসসুম। এতে সভাপতিত্ব করেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপজেলা কো অডিনেটর মোঃ মোছলে উদ্দিন।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা খুরশিদ আহম্মদ, সমাজসেবা কর্মকর্তা উপনাস চন্দ্র দাস, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা পম্পা কর, সেনবাগ প্রেস ক্লাবের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর পাটোয়ারী সহ বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা।##

নোয়াখালীতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে ৩ বাস কাউন্টারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা।

মোঃ ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ(রিপন) নোয়াখালী প্রতিনিধি:-
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ
নোয়াখালীতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে ৩ বাস কাউন্টারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা।

 

নোয়াখালীর সেনবাগে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং নির্ধারিত ভাড়ার মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করার অভিযোগে তিনটি যাত্রীবাহী বাস কাউন্টার মালিককে মোট ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহসিয়া তাবাসসুম এ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানকালে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং কাউন্টারে ভাড়ার মূল্যতালিকা না থাকার সত্যতা পাওয়ায় কে কে পরিবহন, শাহী পরিবহন এবং জোনাকি পরিবহন কাউন্টার কে মোট ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, ঈদকে কেন্দ্র করে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। একই সঙ্গে যাত্রীসেবার মান নিশ্চিত করতে পরিবহন কাউন্টারগুলোকে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহসিয়া তাবাসসুম বলেন, যাত্রীদের স্বার্থ রক্ষা এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোনো পরিবহন কর্তৃপক্ষ নিয়ম লঙ্ঘন করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ অভিযানে স্থানীয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত ধ্বংসের মুখে: অবহেলা, অপরিকল্পিত কর্মকাণ্ডে হারাচ্ছে সৈকতের  বেলাভূমি।।

বিশেষ প্রতিনিধি।।
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৯:৪৫ অপরাহ্ণ
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত ধ্বংসের মুখে: অবহেলা, অপরিকল্পিত কর্মকাণ্ডে হারাচ্ছে সৈকতের  বেলাভূমি।।

 

বাংলাদেশের অন্যতম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত আজ নানা সংকটে জর্জরিত। একদিকে উপকূলীয় ভাঙন, অন্যদিকে কিছু অসচেতন মানুষের অবহেলা, দখল ও পরিবেশবিধ্বংসী কর্মকাণ্ডের কারণে দিন দিন সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে সৈকতের বেলাভূমি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সৈকত রক্ষায় বিভিন্ন সময় প্রকল্প ও বরাদ্দের কথা শোনা গেলেও বাস্তবে টেকসই ও দৃশ্যমান উদ্যোগের ঘাটতি রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কুয়াকাটার উপকূল দীর্ঘদিন ধরেই ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, জলোচ্ছ্বাস, উচ্চ জোয়ার এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সৈকতের বিভিন্ন অংশে ভূমিক্ষয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে পর্যটননির্ভর এ অঞ্চলের পরিবেশ ও অর্থনীতি উভয়ই হুমকির মুখে পড়ছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সৈকতের বিভিন্ন এলাকায় ময়লা-আবর্জনা ফেলা,গাছপালা ধ্বংস এবং পরিবেশের প্রতি উদাসীনতার কারণে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। এসব কারণে ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে কুয়াকাটার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্য।

পর্যটননির্ভর এ অঞ্চলের ব্যবসায়ী ও সচেতন মহল মনে করেন, কুয়াকাটাকে রক্ষা করতে হলে শুধু প্রকল্প গ্রহণ নয়, বরং কার্যকর বাস্তবায়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। অন্যথায় ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কুয়াকাটার অপার সৌন্দর্য কেবল স্মৃতিতেই সীমাবদ্ধ হয়ে যেতে পারে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সম্মানিত সাধারণ সম্পাদক জনাব মতিউর রহমান হাওলাদার বলেন,কুয়াকাটা শুধু একটি সমুদ্র সৈকত নয়, এটি দেশের পর্যটন শিল্পের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র। মাননীয় সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেন কুয়াকাটার উন্নয়ন, সৈকত সংরক্ষণ, পরিবেশ রক্ষা এবং পর্যটন শিল্পকে আরও সমৃদ্ধ করতে ইতোমধ্যে বেশ কিছু কার্যকর পদক্ষেপ হাতে নিয়েছেন।

উপকূলীয় ভাঙন প্রতিরোধ, অবকাঠামো উন্নয়ন, পর্যটকদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং কুয়াকাটাকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণ, ব্যবসায়ী, সামাজিক সংগঠন এবং পর্যটকদেরও সচেতন হতে হবে। কুয়াকাটার পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষায় সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমেই কুয়াকাটাকে আরও পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ, আধুনিক ও আকর্ষণীয় পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, চলমান উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়িত হলে কুয়াকাটা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যটন মানচিত্রে আরও গুরুত্বপূর্ণ স্থান করে নেবে এবং পর্যটকদের কাছে একটি বিশ্বমানের সমুদ্রসৈকত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

প্রশ্ন এখন একটাই— কুয়াকাটার প্রকৃত অভিভাবক কে? প্রকৃতি, মানুষ ও পর্যটনের এই অনন্য সম্পদ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, জনপ্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিত উদ্যোগই পারে কুয়াকাটাকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে।
মোহাম্মদ রুমী শরীফ।।
বিশেষ প্রতিনিধি।।
01911145091
3/5/2026

সেনবাগে গ্রাম আদালতের জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত। নোয়াখালীতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে ৩ বাস কাউন্টারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা। কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত ধ্বংসের মুখে: অবহেলা, অপরিকল্পিত কর্মকাণ্ডে হারাচ্ছে সৈকতের  বেলাভূমি।। শ্বশুরবাড়িতে আম পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে জামাইয়ের মৃত্যু আলোকিত ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনে বই পড়ার বিকল্প নেই: প্রাথমিক শিক্ষাস্তরেই প্রয়োজন বই পড়ার অভ্যাস