দৈনিক আজকের বিজনেস বাংলাদেশ পত্রিকার হাতীবান্ধা উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক’ ছোট সাজু ভাইয়ের উপর অত’র্কিত ভাবে হামলার তীব্র নি’ন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
সেই সাথে দ্রুত হা’মলাকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত’মূলক শা’স্তির দাবি জানাই।
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, জামালপুর প্রতিনিধি : জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় মাদারগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমন চৌধুরী সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মাদারগঞ্জ মডেল থানা ওসি স্নেহাশিষ রায়, মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপি সভাপতি এডভোকেট মঞ্জুর কাদের বাবুল খান ও সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান আকন্দ রতন, পৌর বিএনপি সভাপতি আব্দুল গফুর, পল্লী বিদ্যুৎ এর ডিজিএম সৈয়দা ফারজানা ইয়াসমিন, প্রাণি সম্পদ অফিসার ডাঃ মোঃ আতিকুর রহমান , চরপাকেরদহ ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক তৌফিকুল ইসলাম খালেক, সিধুলী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক রহুল আমিন, মাদারগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মির্জা হুমায়ুন কবির, মাদারগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ও সাধারণ সম্পাদক রফিকুল বারী প্রমূখ। এ সময় এসিল্যান্ড রাসেল দিও সহ মাদারগঞ্জ উপজেলা বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় আইনশৃংখলা পরিস্থতি স্বাভাবিক রাখা, মানুষদের গ্রাম আদালতমূখী করার জন্য সচেতনতা বাড়াতে হবে, মাদক নির্মূলে যার যার অবস্থান থেকে সচেতন থাকতে হবে এবং পুলিশ প্রশাসন কে সহযোগিতা করতে হবে এরকম বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
প্রখর রোদ ও বৃষ্টির সময় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার লক্ষ্যে নওগাঁর মান্দা উপজেলার ১০ নম্বর নুরুল্যাবাদ ইউনিয়নের নিখিড়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্যাপ বিতরণ করেছেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাহবুব আলম।
মঙ্গলবার (৩০ জুন ২০২৬) সকাল ১১টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীর হাতে ক্যাপ তুলে দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার উৎসাহ বাড়াতে বিদ্যালয়ের ছেলেদের জন্য একটি ফুটবলও উপহার দেওয়া হয়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীপ্তি রাণী পালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে মাহবুব আলম বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপুর পরামর্শে শিশুদের স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্যের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি জানান, পর্যায়ক্রমে ১০ নম্বর নুরুল্যাবাদ ইউনিয়নের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝেও ক্যাপ বিতরণ করা হবে।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ, ইউনিয়ন বিএনপির নেতা মোতাহার হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় স্থানীয়রা শিক্ষার্থীদের কল্যাণে গৃহীত এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনসেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
আর্টিসানাল ট্রলিং বোট।
সরকারি নিষেধাজ্ঞা ও আইন অমান্য করে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর, আলীপুর, কুয়াকাটা ও আশাখালী মৎস্য বন্দর সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে অবাধে চলছে অবৈধ ও রূপান্তরিত ‘আর্টিসানাল ট্রলিং বোটের’ তাণ্ডব। নিষিদ্ধ অতি ক্ষুদ্র ফাঁসের জাল এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে নির্বিচারে মাছের পোনা, রেণু, ডিমওয়ালা মা মাছ, কাঁকড়া, চিংড়ির পোনা এবং সামুদ্রিক প্রাণীর খাদ্য ধ্বংস করায় সমুদ্রের প্রাকৃতিক প্রজনন ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের উৎপাদন আশঙ্কাজনক হারে কমে যাওয়ায় জীবিকা সংকটে পড়েছেন উপকূলীয় অঞ্চলের হাজার হাজার প্রান্তিক জেলে।
স্থানীয় জেলে ও মৎস্য সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মহিপুর-আলীপুর অঞ্চলে গত বছর প্রায় ৪০ থেকে ৪৫টি রূপান্তরিত ট্রলিং বোট সক্রিয় ছিল। চলতি বছরে সেই সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৬০টিতে পৌঁছেছে। প্রতিনিয়ত নতুন নতুন কাঠের ট্রলারকে অবৈধভাবে ট্রলিং বোটে রূপান্তর করা হচ্ছে। দ্রুত অধিক মুনাফার আশায় একটি সাধারণ ট্রলারকে ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে ট্রলিং বোটে রূপান্তর করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী এসব বড় ট্রলিং বোটের গভীর সমুদ্রে মাছ শিকার করার কথা থাকলেও বাস্তবে তারা উপকূলীয় অগভীর জলসীমায় প্রবেশ করে মাছ শিকার করছে। স্থানীয় মৎস্যজীবীরা জানান, অনেক সময় এসব বোট উপকূল থেকে কয়েক নটিক্যাল মাইলের মধ্যেই জাল ফেলে। ফলে উপকূলীয় প্রজনন ক্ষেত্র ও মাছের অভয়াশ্রমগুলো সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
আর্টিসানাল ট্রলিং বোট। ছবি : সময়ের আলো
সরকারি নিষেধাজ্ঞা ও আইন অমান্য করে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর, আলীপুর, কুয়াকাটা ও আশাখালী মৎস্য বন্দর সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে অবাধে চলছে অবৈধ ও রূপান্তরিত ‘আর্টিসানাল ট্রলিং বোটের’ তাণ্ডব। নিষিদ্ধ অতি ক্ষুদ্র ফাঁসের জাল এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে নির্বিচারে মাছের পোনা, রেণু, ডিমওয়ালা মা মাছ, কাঁকড়া, চিংড়ির পোনা এবং সামুদ্রিক প্রাণীর খাদ্য ধ্বংস করায় সমুদ্রের প্রাকৃতিক প্রজনন ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের উৎপাদন আশঙ্কাজনক হারে কমে যাওয়ায় জীবিকা সংকটে পড়েছেন উপকূলীয় অঞ্চলের হাজার হাজার প্রান্তিক জেলে।
স্থানীয় জেলে ও মৎস্য সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মহিপুর-আলীপুর অঞ্চলে গত বছর প্রায় ৪০ থেকে ৪৫টি রূপান্তরিত ট্রলিং বোট সক্রিয় ছিল। চলতি বছরে সেই সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৬০টিতে পৌঁছেছে। প্রতিনিয়ত নতুন নতুন কাঠের ট্রলারকে অবৈধভাবে ট্রলিং বোটে রূপান্তর করা হচ্ছে। দ্রুত অধিক মুনাফার আশায় একটি সাধারণ ট্রলারকে ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে ট্রলিং বোটে রূপান্তর করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী এসব বড় ট্রলিং বোটের গভীর সমুদ্রে মাছ শিকার করার কথা থাকলেও বাস্তবে তারা উপকূলীয় অগভীর জলসীমায় প্রবেশ করে মাছ শিকার করছে। স্থানীয় মৎস্যজীবীরা জানান, অনেক সময় এসব বোট উপকূল থেকে কয়েক নটিক্যাল মাইলের মধ্যেই জাল ফেলে। ফলে উপকূলীয় প্রজনন ক্ষেত্র ও মাছের অভয়াশ্রমগুলো সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রলিং বোটে ব্যবহৃত ‘বটম ট্রলিং’ পদ্ধতি সমুদ্রের তলদেশের পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। ভারী জাল সমুদ্রের তলদেশ ঘষে ঘষে প্রবাল, সামুদ্রিক ঘাস, শামুক-ঝিনুকের আবাসস্থল এবং বিভিন্ন অণুজীবের বাস্তুতন্ত্র ধ্বংস করে দেয়। এতে সামুদ্রিক খাদ্যশৃঙ্খল ভেঙে পড়ে এবং দীর্ঘমেয়াদে মাছের প্রজনন ও উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।
এছাড়া এসব ট্রলিং বোটে ফিস ফাইন্ডার, জিপিএস, রাডার, ইকো সাউন্ডার, উইঞ্চ মেশিনসহ আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। যার ফলে মাছের ঝাঁক সহজেই শনাক্ত করে ব্যাপক হারে আহরণ করা সম্ভব হচ্ছে। এতে ছোট নৌকা ও সাধারণ ট্রলারনির্ভর জেলেরা প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছেন না।
মহিপুর ও আলীপুর বন্দরের সাধারণ জেলেরা অভিযোগ করে বলেন, বড় ট্রলিং বোটগুলো প্রায়ই তাদের জালের ওপর দিয়ে চলে যায়। এতে লাখ লাখ টাকার জাল ছিঁড়ে যায় এবং ক্ষতির মুখে পড়েন ক্ষুদ্র জেলেরা। অনেক ক্ষেত্রে প্রতিবাদ করলে হুমকি-ধমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনাও ঘটে।
মহিপুরের জেলে আনোয়ার হোসেন বলেন, আমরা দিনের পর দিন সমুদ্রে গিয়ে মাছ না পেয়ে খালি হাতে ফিরে আসি। অথচ কিছু প্রভাবশালী ট্রলার মালিক অবৈধ ট্রলিংয়ের মাধ্যমে সাগরের মাছ ও পোনা নিধন করছে। প্রশাসন চাইলে একদিনেই এসব বন্ধ করতে পারে।
জেলে আবুল কাশেম বলেন, ছোট মাছ বড় হওয়ার আগেই ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। লাখ লাখ রেণু প্রতিদিন নিধন হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে জেলেদের মাছ ধরার মতো কিছুই থাকবে না।
মৎস্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তন, সমুদ্র দূষণ এবং অবৈধ ট্রলিং—এই তিনটি কারণে সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ বর্তমানে চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। বিশেষ করে ডিমওয়ালা মা মাছ ও পোনা নিধনের ফলে মাছের প্রাকৃতিক পুনরুৎপাদন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এর ফলে শুধু ইলিশ নয়, লাক্ষা, পোয়া, রূপচাঁদা, চিংড়িসহ বিভিন্ন অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ মাছের উৎপাদন কমে যেতে পারে। একই সঙ্গে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, রফতানি আয় এবং নীল অর্থনীতির সম্ভাবনাও হুমকির মুখে পড়বে।
জেলেদের অভিযোগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তা এবং নৌ পুলিশের একটি অংশের পরোক্ষ সুবিধার কারণেই বছরের পর বছর এসব অবৈধ ট্রলার প্রকাশ্যে সাগরে মাছ শিকার করছে। তবে এই অভিযোগের পক্ষে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
মহিপুর মৎস্য আড়ৎ মালিক সমিতির সহ-সভাপতি রাজু আহমেদ রাজা বলেন, অবৈধ ট্রলিং বন্ধে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে কিন্তু এতে তেমন কোনো ফল হয়নি। বরঞ্চ আগের তুলনায় দিন দিন বাড়ছে। প্রশাসনের কঠোর নজরদারি না থাকলে এটি বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনায় নেই।
এ বিষয়ে ফিশারিজ কর্মকর্তা বখতিয়ার আহমেদ বলেন, অবৈধ জালের কারণে ডিমওয়ালা মাছ ও পোনা নিধন হচ্ছে। ফলে মাছের উৎপাদন কমে যাচ্ছে এবং মৎস্যসম্পদ হুমকির মুখে পড়ছে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, জীববৈচিত্র্য ও লাখো মানুষ
আপনার মতামত লিখুন