খুঁজুন
শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১৩ আষাঢ়, ১৪৩৩

সংবাদ প্রকাশের জেরে গঙ্গাচড়ায় সাংবাদিকের বাড়িতে হামলা, আহত ৩

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ৯:৩৫ অপরাহ্ণ
সংবাদ প্রকাশের জেরে গঙ্গাচড়ায় সাংবাদিকের বাড়িতে হামলা, আহত ৩

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে এক সাংবাদিকের বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে সাংবাদিকের পরিবারের তিন সদস্য আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ৬ জনের নাম উল্লেখসহ মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী মোঃ রিয়াদুন্নবী, জাতীয় দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রতিনিধি। তিনি জানান, তিস্তা নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিষয়ে গত ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে একটি প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকেই একটি চক্র তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং তাকে ও তার পরিবারকে হুমকি দিয়ে আসছিল।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ মার্চ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সাংবাদিক বাড়ির বাইরে থাকাকালে একদল ব্যক্তি লাঠি, দা ও লোহার রডসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় তার বাবা মোঃ ইলিয়াছ আলী, মা মোছাঃ মোসলেমা বেগম (৪৭) ও ফুফু কোকিলা বেগম (৪৫) প্রতিবাদ করলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে তারা আহত হন।
অভিযোগে বলা হয়, হামলার সময় কোকিলা বেগমকে লক্ষ্য করে আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর জখম হন। এক পর্যায়ে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করা হয় এবং শ্লীলতাহানির ঘটনাও ঘটে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করেন। কোকিলা বেগমকে গঙ্গাচড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে এবং অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।
এ সময় হামলাকারীরা বাড়ির টিনের বেড়া ও গেট ভাঙচুর করে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করে এবং ভবিষ্যতে সংবাদ প্রকাশ করলে প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন—মোঃ তাজু মিয়া (৩৬), মোঃ রাজু মিয়া (৩২), মোঃ আজিবর রহমান (৩০), রিপন মিয়া (২৭) (তাদের পিতা মোঃ আলেফ উদ্দিন) এবং মোঃ আলেফ উদ্দিন (৬৩)ও তাজমিনা বেগম। তারা সবাই দক্ষিণ কোলকোন্দ এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা বালু ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং তাদের বিরুদ্ধে গঙ্গাচড়া মডেল থানায় পূর্বেও মামলা রয়েছে।
বিশেষ করে সাংবাদিকের বাবার মাথা, কাঁধ ও পিঠে উপর্যুপরি আঘাত করে গুরুতর আহত করা হয়।একই সঙ্গে পুনরায় এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ করলে সাংবাদিককে হত্যা, হাত-পা ভেঙে দেওয়া ও বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়।
ঘটনার পর সাংবাদিক রিয়াদুন্নবী গঙ্গাচড়া মডেল থানায় ৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে একটি এজাহার দায়ের করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা সোহেল রানা বলেন, এ ধরনের ঘটনা এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। আমরা চাই, প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনুক, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন দুঃসাহস দেখাতে না পারে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য হুমায়ূন কবির লাল কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, এই বালু ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে এবং তারা একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী চক্রে পরিণত হয়েছে। তারা শুধু পরিবেশ ধ্বংসই করছে না, বরং মানুষের জানমালের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখানো, হামলা ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া তাদের নিয়মিত কাজে পরিণত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন,একজন সাংবাদিক সত্য তুলে ধরায় তার পরিবারের ওপর এভাবে হামলা চালানো প্রমাণ করে তারা কতটা বেপরোয়া ও আইনকে তোয়াক্কা করে না। এসব সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে।
গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রেসক্লাব এর সাধারণ সম্পাদক কমল কান্ত রায় বলেন,এই হামলার মাধ্যমে একটি মহল সাংবাদিকদের ভয় দেখিয়ে সত্য প্রকাশ বন্ধ করতে চাচ্ছে। কিন্তু আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই— কোনো হুমকি বা হামলায় সাংবাদিকরা পিছপা হবে না। সত্যের পথে আমরা অটল থাকব। তিনি আরও বলেন,সাংবাদিক ও তাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব। আমরা অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।
গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল আলীম প্রামানিক বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এটি স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর সরাসরি আঘাত। একজন সাংবাদিক সত্য প্রকাশ করায় তার পরিবারের ওপর এভাবে নৃশংস হামলা চালানো চরম নিন্দনীয়। আমরা এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জোর দাবি জানাচ্ছি।তিনি আরও বলেন, যদি দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় আনা না হয়, তাহলে গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রেসক্লাব কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।

গঙ্গাচড়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর ছবুর বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং দ্রুত তদন্তপূর্বক জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ ও সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। তারা অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

জনগনের সন্তুষ্ঠিই আমার সন্তুষ্টি সাধারন মানুষ পাবে ইনসাফ এ,কে,এম ফজলুল হক মিলন এমপি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ৯:১২ অপরাহ্ণ
জনগনের সন্তুষ্ঠিই আমার সন্তুষ্টি সাধারন মানুষ পাবে ইনসাফ এ,কে,এম ফজলুল হক মিলন এমপি

মুঃ সোহরাব আলী সরকার, কালীগঞ্জ গাজীপুর প্রতিনিধি : শিক্ষার মানোন্নয়নে মাধ্যমিক পর্যায়ে অধ্যয়নরত অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের ও দুস্থ নারীদের মাঝে বাইসাইকেল ও সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব এ কে এম ফজলুল হক মিলন এ কথা বলেন।
আজ ২৬/০৬/২০২৬ শুক্রবার কালীগঞ্জ আর আর এন পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়া মাঠে অনুষ্ঠিত হলো শিক্ষার মানোন্নয়নে মাধ্যমিক পর্যায়ে অধ্যয়নরত অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের ও দুস্থ নারীদের মাঝে বাইসাইকেল ও সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠান ২০২৬
অনুষ্ঠানে সভাপত্বি করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ টি এম কামরুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর ৫ থেকে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলন। অনুষ্ঠানটির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার মোঃ রেজাউল হক।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে শিক্ষার গুনগত মানোন্নয়নে কাজের উদাহার হিসাবে আজকের এই আয়োজনের কথা উল্লেখ করেন, তিনি বলেন আমি স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় কর্তৃক বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীর আওতায় বরাদ্দ থেকে যে অর্থ পেয়েছি তা অন্য কোন খাতে খরচ না করে শিক্ষা খাতে খরচ করেছি যাতে দুস্থ অসহায় ছাত্র / ছাত্রীরা সময় মত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকতে পারে যাতে করে তাদের পড়াশোনা কোন ক্ষতি না হয়। অসহায় দরিদ্র নারীরা ঘরে বসে উপার্জন করতে পারে। আমি বিভিন্ন বিদ্যলয়ে ক্রীড়া সামগ্রীর ব্যবস্থা করেছি ভবিষ্যতে আরও করব ইনশাআল্লাহ আমার কাছ থেকে ইনসাফ পাবেন আপনাদের সন্তুষ্টি আমার সন্তুষ্টি।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ,বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ছাত্র/ ছাত্রী শিক্ষকগণ,অভিভাবকবৃন্দ মিডিয়ার সাংবাদিকগণ ও এলাকার সাধারণ জনগন।

গভীর সমুদ্রে নিখোঁজ জেলের মরদেহ উদ্ধার কুয়াকাটায়

কুয়াকাটা ( পটুয়াখলী ) প্রতিনিধি: 
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ণ
গভীর সমুদ্রে নিখোঁজ জেলের মরদেহ উদ্ধার কুয়াকাটায়

 

পটুয়াখালীর মহিপুর থানার গঙ্গামতি উপকূলের গভীর সমুদ্রে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর কুয়াকাটা থেকে এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত জেলে শাহাবুদ্দিন মাঝি (৬০) লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর থানার চর গাছিয়া এলাকার মৃত আমির হোসেনের ছেলে।

জানা গেছে, গত ২৩ জুন ভোর ৫টার দিকে ধূলাসার ইউনিয়নের গঙ্গামতি মৎস্যঘাট থেকে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে গভীর সমুদ্রে যান জেলেরা। সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে হঠাৎ আবহাওয়া খারাপ হয়ে যায়। এ সময় জাল তোলার সময় প্রবল ঢেউয়ের আঘাতে জালাল মুন্সির ট্রলার থেকে শাহাবুদ্দিন মাঝি সমুদ্রে ছিটকে পড়ে তলিয়ে যান।

ঘটনার পর সহকর্মী জেলেরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরে বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হয়।

আজ ( ২৫ জুন ) বৃহস্পতিবার গভীর সমুদ্রে ভাসমান অবস্থায় শাহাবুদ্দিন মাঝির মরদেহ দেখতে পান লেম্বুর বনঘাট এলাকার কয়েকজন জেলে। তারা বিষয়টি স্বজনদের জানালে নিহতের পরিবারের সদস্যরা অন্য একটি নৌকার সহযোগিতায় ঘটনাস্থলে যান। পরে সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে গভীর সমুদ্র থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে উপকূলে নিয়ে আসেন।

খবর পেয়ে স্থানীয় নৌ-পুলিশ, থানা পুলিশ ও টুরিস্ট পুলিশ   ঘটনাস্থলে পৌঁছে আইনগত কার্যক্রম শুরু করেছে।

এ ঘটনায় জেলে পরিবার ও এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দীর্ঘদিন ধরে জীবিকার তাগিদে সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে এমন দুর্ঘটনায় জেলেদের প্রাণহানির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

তিস্তার ৩০ পয়েন্টে তীব্র ভাঙন, বিলীন হচ্ছে ভিটেমাটি ফসলি জমি

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ণ
তিস্তার ৩০ পয়েন্টে তীব্র ভাঙন, বিলীন হচ্ছে ভিটেমাটি ফসলি জমি

 

উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যার আশঙ্কা কিছুটা কমলেও কুড়িগ্রামে এখন নতুন করে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ভয়াবহ নদীভাঙন। কুড়িগ্রাম জেলার ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদের পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয়েছে তীব্র ভাঙন। কুড়িগ্রাম জেলার অন্তত ৩০টি পয়েন্টে নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে মুহূর্তেই নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি ও গাছপালা।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল থেকে কুড়িগ্রাম জেলার নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন নদীর পানি ৫ থেকে ১৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে। তবে পানি কমলেও নিচু এলাকার বিস্তীর্ণ ফসলি জমি এখনো পানির নিচে রয়েছে।

কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের কালির মেলা এলাকার কৃষক মোঃ রব্বানী ও মোঃ রহিউদ্দিন জানান, তিস্তার পানি ঢুকে তাদের এক বিঘা জমির বাদাম ক্ষেত তলিয়ে গেছে। দ্রুত পানি না নামলে পুরো ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের সবজি ও আউশ ধানেরও ব্যাপক ক্ষতির শঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে জানান স্থানীয় কৃষকরা।

এদিকে পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে নদীপারের মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদের তীরবর্তী বিভিন্ন এলাকায় ভাঙনের তীব্রতা বাড়ছে। অনেক পরিবার ঘরবাড়ি হারানোর আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। কোথাও কোথাও ইতোমধ্যে বসতঘর ও আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙনকবলিত মানুষের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে।

কুড়িগ্রাম জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ ময়দুল ইসলাম রনি বলেন, গতকাল থেকে ভারী বৃষ্টিপাত না হওয়ায় নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। স্থানীয়ভাবে নতুন করে অতিবৃষ্টি না হলে আপাতত বন্যার আশঙ্কা নেই।

অন্যদিকে কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, দ্রুত পানি নেমে গেলে নিমজ্জিত ফসলের বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা কম থাকবে। কৃষকদের জমিতে পানি নেমে যাওয়ার পর বিশেষ পরিচর্যা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

নদীবেষ্টিত কুড়িগ্রামের ভাঙনকবলিত মানুষ এখন জরুরি সরকারি সহায়তা ও টেকসই নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।

জনগনের সন্তুষ্ঠিই আমার সন্তুষ্টি সাধারন মানুষ পাবে ইনসাফ এ,কে,এম ফজলুল হক মিলন এমপি গভীর সমুদ্রে নিখোঁজ জেলের মরদেহ উদ্ধার কুয়াকাটায় তিস্তার ৩০ পয়েন্টে তীব্র ভাঙন, বিলীন হচ্ছে ভিটেমাটি ফসলি জমি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এক প্রবাসীর জমি দখলের অভিযোগ উঠেছ, মহিপুরে সংবাদ সম্মেলন গাজীপুরে ডিবি পুলিশের অভিযানে ১২০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার, উদ্ধার কাভার্ড ভ্যান