রোববার (২৯ ডিসেম্বর ) দুপুরে উপজেলা কুলকাঠি ইউনিয়নের সরই গ্রামে রিয়াজ ইট ভাটায় অভিযানে নেতৃত্ব দেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট শাখার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়জুন্নেছা আক্তার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠি জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আনজুমান নেছা।
জানা গেছে, পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্দেশনা অমান্য করে ছাড়পত্র ছাড়া সরই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে ফসলি জমির ওপর ভাটা তৈরি করে ইট পোড়ানো হচ্ছিল। অবৈধ ইটভাটার বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযোগ দেন স্কুল কতৃপক্ষ ও স্থানীয়রা।পরে অবৈধ ইট ভাটাটি ভেকু দিয়ে ভেঙে ফায়ার সার্ভিস সদস্যদের মাধ্যমে পানি দিয়ে আগুন নেভানো হয়।
ঝালকাঠি জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আনজুমান নেছা জানান, অভিযোগ পেয়ে আমরা অভিযান চালিয়েছি।এই ভাটাটি বন্ধ ছিলো পুনরায় আবার চালু করা হয়েছে এছাড়া কোন ছাড়পত্র ছিলো না। মালিককে যেহেতু পাওয়া যায়নি তাই বন্ধের জন্য নোটিশ পাঠানো হবে।আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মোঃ হোসেন শাহ্ ফকির ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি: জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার চরপুটিমারী ও চরগোয়ালিনী ইউনিয়নের কান্দারচর ও সাজালের চর এলাকার যৌথ উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী ১০১ হাত আনন্দতরী বাইছেল নৌকা আনুষ্ঠানিকভাবে পানিতে ভাসানো হয়েছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ১০১ হাত আনন্দতরী বাইছেল নৌকা পানিতে ভাসানোর শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা বিএনপির সদস্য ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুর রহমান মলিন।
এ সময় দুই ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, নৌকাবাইচপ্রেমী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও বিপুল সংখ্যক দর্শক উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ গ্রামীণ সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই ১০১ হাত দীর্ঘ বাইছেল নৌকা পানিতে ভাসানোর মাধ্যমে এলাকার ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে গ্রামীণ সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে এলাকার সুনাম আরও বৃদ্ধি পাবে।
প্রধান অতিথি হামিদুর রহমান মলিন বলেন, “নৌকাবাইচ শুধু একটি খেলা নয়, এটি বাংলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। চরাঞ্চলের এই ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে নতুন প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করতে হবে। চরপুটিমারী ও চরগোয়ালিনী ইউনিয়নের মানুষের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। ভবিষ্যতেও গ্রামীণ ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে আমি সবসময় পাশে থাকব।”
নৌকাটি পানিতে ভাসানোর সময় উৎসুক জনতার ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। স্থানীয়দের উচ্ছ্বাস ও করতালির মধ্য দিয়ে নৌকাটির শুভ যাত্রা শুরু হয়।
আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতে বিভিন্ন আঞ্চলিক ও জাতীয় নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের লক্ষ্যে নৌকাটি প্রস্তুত করা হয়েছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে স্থানীয়দের স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতা ও অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আলী আকবর, সিরাজ মেম্বার, রমজান আলী, ১১নং চরপুটিমারী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি শহিদুল্লাহ বেপারী, বিএনপি নেতা জয়নাল আবেদীন, চরপুটিমারী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি আরিফুল ইসলাম লেবু ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক নুরনবীসহ চরপুটিমারী ও চরগোয়ালিনী ইউনিয়ন বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় শলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে বিএমজেড এবং নেট্জ বাংলাদেশের সহযোগিতায় ডাসকো ফাউন্ডেশনের অগ্রযাত্রা প্রকল্পের উদ্যোগে রচনা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) বেলা ১১ টায় শলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘‘জলবায়ু পরিবর্তন ও বাংলাদেশের প্রভাব” বিষয়ক রচনা প্রতিযোগিতা এবং “অসহনীয় তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য অপরিকল্পিত নগরায়নই দায়ী” বিষয়ের উপর বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: শহিদুল ইসলাম, ইউনিট ম্যানেজার আব্দুর রউফ মিলন, সহকারী শিক্ষক মো: সাজেদুর রহমান, মো: মামুনুর রশীদ, অনামিকা কর্মকার, বিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট ফোরামের সদস্যগণ ও স্কুলের শতাধিক ছাত্র-ছাত্রীগণ।
অনুষ্ঠানটি সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন প্রকল্পের এ্যাডভোকেসী ফ্যাসিলিটেটর গোলাম রাব্বানী।
শেষে রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী এবং অংশগ্রহণকারীদের সকলকে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা উপজেলা প্রতিনিধি:
খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১ নং আমাদী ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন মহলে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক প্রফেসর আবুল কালাম আজাদকে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, সমাজসেবা এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তিনি বর্তমানে খান সাহেব কমরউদ্দীন ডিগ্রি কলেজে অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। শিক্ষকতা পেশায় দায়িত্বশীলতা, সততা ও মানবিক মূল্যবোধের কারণে তিনি শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সাধারণ মানুষের কাছে একজন পরিচিত মুখ।
রাজনৈতিক পরিচয়ের দিক থেকেও তিনি এলাকায় সুপরিচিত। তিনি আমাদী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক (সেক্রেটারি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। স্থানীয়দের মতে, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার পাশাপাশি একজন শিক্ষাবিদ হিসেবে তার গ্রহণযোগ্যতা তাকে সম্ভাব্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে এগিয়ে রাখছে।
এলাকাবাসীর জানান, আমাদী ইউনিয়নে নদীভাঙন, সুপেয় পানির সংকট, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষি, মৎস্য খাত এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। তাদের বিশ্বাস, প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ নির্বাচিত হলে এসব সমস্যা সমাধানে পরিকল্পিতভাবে কাজ করতে পারবেন।
একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “আমরা এমন একজন চেয়ারম্যান চাই, যিনি সৎ, শিক্ষিত, অভিজ্ঞ এবং জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক থাকবেন। প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ দীর্ঘদিন ধরে মানুষের সঙ্গে কাজ করছেন। তাই তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই।”
এ বিষয়ে প্রফেসর আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি সবসময় মানুষের কল্যাণে কাজ করার চেষ্টা করেছি। এলাকার মানুষ যদি আমাকে ভালোবাসা ও সমর্থন দেন এবং ভবিষ্যতে কোনো দায়িত্ব অর্পণ করেন, তাহলে আইন ও নীতিমালার আলোকে সকলকে সঙ্গে নিয়ে আমাদী ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করব। শিক্ষা, স্বচ্ছতা, সুশাসন ও জনসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মানুষের প্রত্যাশা পূরণের চেষ্টা থাকবে।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা, সততা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং উন্নয়নের পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এসব বিষয় বিবেচনায় এনে প্রফেসর আবুল কালাম আজাদের নাম ইতোমধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় আলোচনায় এসেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এখনো কোনো রাজনৈতিক দল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী ঘোষণা করেনি। তবে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা ও মতবিনিময় অব্যাহত রয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন