খুঁজুন
শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২১ ভাদ্র, ১৪৩৩

নলছিটি পৌরসভার সড়কের সংস্কার দাবিতে মানববন্ধন

আমির হোসেন, ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ১০:৫৪ অপরাহ্ণ
নলছিটি পৌরসভার সড়কের সংস্কার দাবিতে মানববন্ধন

আমির হোসেন, ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠির নলছিটি পৌরসভার দীর্ঘদিন পর্যন্ত সংস্কার না হওয়া সড়কগুলোর সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে সাধারণ নাগরিকরা। রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে শহরের বাস স্ট্যান্ডে এ মানববন্ধন আয়োজন করা হয়।

এতে কৃষক, শ্রমিক,মজুর,ছাত্র জনতা উপস্থিত ছিলেন।তাদের ডাকেই নলছিটি বাস স্ট্যান্ডে ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন আয়োজন করা হয়। এতে বক্তারা তাদের দূর্ভোগের কথা তুলে ধরেন।১৫৯ বছরের পুরনো পৌরসভার এমন বেহাল দশার জবাব চান তারা।দীর্ঘদিন যাবত উন্নয়ন কাজ না করে অর্থ লুটপাটের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন উপস্থিত জনতা।প্রায় এক দশকের বেশি সময় যাবৎ পৌরসভার কোনো ওয়ার্ডেরই তেমন উন্নয়ন চোখে পড়ে নি কারও।এরফলে প্রায় প্রতিটি ওয়ার্ডের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো চলাচলের অযোগ্য এবং মরনফাদ হয়ে আছে।এসব এলাকার গর্ভবতী নারী,বৃদ্ধ, শিশুদের অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসা নিতে যেতে না পারার করুন হাল তুলে ধরেন।সুর্যপাশা এলাকার এক গর্ভবতী নারীকে হাসপাতালে নেয়ার পথে গাড়ির ঝাকুনীতেই রাস্তায় সন্তান প্রসবের মতো মর্মান্তিক ঘনাগুলোও তুলে ধরেন বক্তারা।তারা নিজেদের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও এই রাস্তাঘাটের সংস্কার আদায় করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বলেও জানান।
কোনো উন্নয়ন না হলেও গত কয়েকবছর যাবত বারবারই পৌরসভার নানান দুর্নীতি এবং অনিয়মের তথ্য ফাস হওয়ায় জনমনে ব্যাপক ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের নামে কাজ না করেও কাগজে কাজ সম্পন্ন করে বিল উত্তোলন করে নেয়া হয়েছে বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নামে।
এছাড়াও বক্তারা অভিযোগ করেন নলছিটি পৌরসভার গত দশ বছরের আয় ব্যায়ের কোনো হিসাবের কাগজপত্র,স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে প্রাপ্ত বরাদ্দ,রাজস্ব আয় এবং তা খরচের গৃহীত প্রকল্পের কোনো ফাইলপত্র পৌরসভায় খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। এমন অবহেলা এবং অনিয়ম চলতে থাকার ঘটনায় তারা ক্ষোভ এবং বিস্ময় প্রকাশ করেন।এবং আগামী তিন দিনের মধ্যে গোপন করা ফাইল পত্র পৌরসভায় ফেরত দিয়ে না আসলে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেয়ার হুশিয়ারি দেন বক্তারা।
পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারীদের সম্পদের পাহাড় গড়ার গোপন রহস্যও জানতে চান তারা।এছাড়াও আগামী সাত দিনের মধ্যে সংস্কার সম্পন্ন না করে উত্তোলন করে নেয়া অর্থে ফের সড়ক সংস্কার কাজ শুরু করার এবং সল্প সময়ে তা সম্পন্ন করার তাগিদ দিয়ে কাজ শুরু করতে দশ দিনের আল্টিমেটামও দেন নাগরিকরা।
এতে বক্তব্য রাখেন বক্তব্য রাখেন সুজন সভাপতি খলিলুর রহমান মৃধা, উপজেলার সমাজসেবক এফ এইচ রিভান, সমাজকর্মী বালী তাইফুর রহমান তূর্য, ব্যবসায়ী মনির হোসেন, আকশ তালুকদার, ছাত্র জনতার পক্ষে খালিদ সাইফুল্লাহ, সেচ্ছাসেবী ইমরান হোসেন, ওয়ার্কশপ কর্মী নাসির হোসেন, সুর্যপাশা এলাকার গোলাম মোস্তফা, চ্যারাগ আলী,ভ্যান চালকদের পক্ষ থেকে সোহাগ হোসেন, ইজিবাইক চালকদের পক্ষে মো:খোকন, আল আমিন হোসেন, মোটরসাইকেল শ্রমিকদের পক্ষে মো:বাচ্চু প্রমুখ।

ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধনে কৃষক, শ্রমিক, মজুর,ছাত্র জনতার প্রায় দুই শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

মান্দায় আন্তঃক্লাব ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল জোকাহাট ফুটবল একাদশ চ্যাম্পিয়ন

মান্দা উপজেলা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫২ পূর্বাহ্ণ
মান্দায় আন্তঃক্লাব ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল জোকাহাট ফুটবল একাদশ চ্যাম্পিয়ন

‘খেলাধুলায় বাড়ে মনোবল, মাদক ছেড়ে মাঠে চল’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নওগাঁর মান্দায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আন্তঃক্লাব ফুটবল টুর্ণামেন্ট-২০২৬-এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় বড়পই জাগরণী ক্লাব মাঠে অনুষ্ঠিত ফাইনালে বড়পই জাগরণী ক্লাবকে ১-০ গোলে পরাজিত করে জোকাহাট ফুটবল একাদশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
উত্তেজনাপূর্ণ এ খেলায় শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে খেলতে থাকে। প্রথমার্ধে জোকাহাট ফুটবল একাদশের পক্ষে একমাত্র গোলটি করেন আরিফুল ইসলাম। দ্বিতীয়ার্ধে গোল পরিশোধে বড়পই জাগরণী ক্লাব একাধিক আক্রমণ করলেও সফল হয়নি। ফলে ১-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে জোকাহাট ফুটবল একাদশ।
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এ টুর্ণামেন্টে উপজেলার আটটি ক্লাব অংশ নেয়।
খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নওগাঁ-৪ (মান্দা) আসনের সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপু। তিনি বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। চ্যাম্পিয়ন জোকাহাট ফুটবল একাদশকে ট্রফির পাশাপাশি ৩০ হাজার টাকার চেক এবং রানার্সআপ বড়পই জাগরণী ক্লাবকে ট্রফিসহ ২০ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আখতার জাহান সাথী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাবিল নওরোজ বৈশাখ, মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোরশেদ আলম, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মকলেছুর রহমান মকে, বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের, ইউপি চেয়ারম্যান নওফেল আলী মণ্ডল, উপজেলা কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক বাবুল হোসেন, উপজেলা যুবদলের সভাপতি আব্দুল জলিল, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল হক এবং বড়পই জাগরণী ক্লাবের ডিএম আব্দুল মালেকসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
পুরো আয়োজনকে ঘিরে মাঠজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। বিপুলসংখ্যক দর্শক ফাইনাল খেলা উপভোগ করেন। বক্তারা তরুণ সমাজকে মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে নিয়মিত খেলাধুলার আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সাপাহারে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা

সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৫ অপরাহ্ণ
সাপাহারে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা

নওগাঁর সাপাহারে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট সাপাহার উপজেলা শাখার উদ্যোগে কেন্দ্রীয় কালী মন্দির থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রাটি বের হয়। শোভাযাত্রাটি উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় কেন্দ্রীয় কালী মন্দিরে গিয়ে শেষ হয়।

শোভাযাত্রায় সাপাহার উপজেলা বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম চৌধুরী (বেনু), সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার জাহান চৌধুরী (লাবু), সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান শাহ্ চৌধুরী, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট সাপাহার উপজেলা শাখার আহ্বায়ক দীলিপ সাহা, সদস্য সচিব মিলন কুমার পাল, কেন্দ্রীয় কালী মন্দিরের সভাপতি অধীর চৌধুরীসহ সনাতন ধর্মাবলম্বী ভক্তবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

এ সময় ভক্তরা পরস্পরের সঙ্গে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ শোভাযাত্রায় অংশ নেন। পুরো শোভাযাত্রাজুড়ে ভক্তদের মধ্যে ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আনন্দঘন পরিবেশ।

রংপুরে স্কুল ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ
রংপুরে স্কুল ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত

 

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার ছালাপাক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে সহকারী শিক্ষক মো. রেয়াজুল ইসলামের বিরুদ্ধে। অভিযোগের পর যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি এমন অভিযোগে স্থানীয়দের বিক্ষোভ ও বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের অবরুদ্ধ করার ঘটনার পর তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।

বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ আগস্ট পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীর সঙ্গে সহকারী শিক্ষক মো. রেয়াজুল ইসলাম যৌন হয়রানিমূলক আচরণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে ছাত্রীর অভিভাবক বিষয়টি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহমুদা বেগমকে জানান। অভিযোগ পাওয়ার পরও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি এমন অভিযোগে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এরই জেরে ২ সেপ্টেম্বর স্থানীয়রা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ অন্য শিক্ষকদের অবরুদ্ধ করে রাখেন। খবর পেয়ে গঙ্গাচড়া মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাও ঘটনাস্থলে গেলে তাকেও অবরুদ্ধ করেন বিক্ষুব্ধ জনতা।

স্থানীয় বাসিন্দা রনি বলেন, শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শিক্ষা বিভাগের অন্যতম দায়িত্ব। কোনো শিক্ষক শিক্ষার্থীর সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ করলে তা মেনে নেওয়া যায় না।

লিমন বলেন, শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের কাছে অভিভাবকের মতো। তাঁদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিষয়টি ধামাচাপা না দিয়ে তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

স্থানীয় মাহাতাব বলেন, আগেও একই ধরনের অভিযোগ থেকে থাকলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা উচিত। শুধু এক প্রতিষ্ঠান থেকে অন্য প্রতিষ্ঠানে বদলি করে দিলে সমস্যার সমাধান হয় না।

অভিযোগের বিষয়টি গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শায়লা জেসমিন সাঈদ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, রংপুরকে জানান। পরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করা হয়।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, রংপুরের ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের অফিস আদেশে বলা হয়েছে, ছালাপাক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. রেয়াজুল ইসলামের বিরুদ্ধে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ‘ইধফ ঃড়ঁপয’ করার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় স্থানীয় জনসাধারণ বিক্ষুব্ধ হয়ে সংশ্লিষ্টদের অবরুদ্ধ করে রাখেন। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার তদন্ত প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৩৯(১) ধারা অনুযায়ী মো. রেয়াজুল ইসলামকে ২ সেপ্টেম্বর থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সাময়িক বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি বিধি অনুযায়ী খোরাকি ভাতা প্রাপ্য হবেন।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মো. রেয়াজুল ইসলামের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

প্রধান শিক্ষক মাহমুদা বেগম বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমি আজ বসতে চেয়েছিলাম। কিন্তু অভিযুক্ত শিক্ষক ছুটি নিয়ে চলে গেছেন। পরে স্থানীয়রা আমাদের অবরুদ্ধ করে রাখেন এবং গালিগালাজ করেন।

গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শায়লা জেসমিন সাঈদ বলেন, বিষয়টি অবগত হওয়ার পর ঘটনাস্থলে গেলে আমাদেরও অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। পরে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানানো হয়। অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের পর অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে সাময়িক বরখাস্তের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

মান্দায় আন্তঃক্লাব ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল জোকাহাট ফুটবল একাদশ চ্যাম্পিয়ন সাপাহারে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা রংপুরে স্কুল ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত কুয়াকাটা পল্লী বিদ্যুতের ভৌতিক বিলে নাজেহাল গ্রাহক শ্রীমঙ্গলে বালুবাহী ড্রাম ট্রাকের চাপায় টমটম চালকের মৃত্যু