খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ৮ শ্রাবণ, ১৪৩৩

চিনাকান্দি সীমান্তে অবৈধভাবে ইয়াবার ব্যবসায়ী কোটিপতি ডাঃ ইয়াকুল কর্তৃক এক যুবককে পিঠিয়ে আহত,অভিযোগ দায়ের

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৫:৩৭ অপরাহ্ণ
চিনাকান্দি সীমান্তে অবৈধভাবে ইয়াবার ব্যবসায়ী কোটিপতি ডাঃ ইয়াকুল কর্তৃক এক যুবককে পিঠিয়ে আহত,অভিযোগ দায়ের

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরের চিনাকান্দির ক্যাম্পেরবাজারে ফার্মেসী ব্যবসার আড়ালে অবৈধভাবে চোরাইপথে দেশে আমদানি করে ভারতীয় মদ,ইয়াবা,হিরোইনের পাশাপাশি অস্ত্রব্যবসার মাধ্যমে অল্পদিনে কোটি কোটি টাকা কামিয়ে গাড়ি বাড়ির মালিক বনেছেন ডাঃ ইয়াকূল ইসলাম নামে এক চোরাকারবারী। এছাড়াও এলাকার গরীব দিনমুজুর ছেলেদের দিয়ে সীমান্তের ওপাড়ে পাঠিয়ে রাতের আধাঁরে এই সমস্ত অবৈধ অপকর্মে ব্যবহার করা হচ্ছে। তার কথা না শুনলে ঐ সমস্ত গরীব ছেলেদের উপর চালানো হতো অমানসিক নির্যাতনের স্ট্রীমরোলাম।

এমন একটি হৃদয়বিধারক কিশোর নির্যাতনের ঘটনায় তার পিতা দিনমুজুর চিনাাকন্দি গ্রামের মোঃ আলতাব মিয়া ইয়াবাকারবারী ডাঃ ইয়াকুলের বিরুদ্ধে গতকাল সোমবার(২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার ও সেনাক্যাম্পে পৃথক দুটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও ধনপুর ইউপির শিলডোয়ার গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা তাজ্জদ আলীর ছেলে ইয়াবা ব্যবসায়ী ডাঃ ইয়াকুল ইসলাম। তিনি ধনপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান এবং সম্প্রতি বিশ^ম্ভরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সীমান্ত এলাকার চোরকারবারীদের গডফাদার রফিকুল ইসলাম তাুলুকদারের আর্শীবাদপুষ্ট এই ইয়াবা কারবারী ডাঃ ইয়াকুল ইসলাম গত কয়েকমাসে চিনাকান্দি সীমান্ত দিয়ে রাতের আধাঁরে অবৈধভাবে ভারত থেকে ভারতীয় মদ,ইয়াবা ও অস্ত্র দেশের ভেতরে প্রবেশ করে বিভিন্ন জায়গাতে সাপ্লাই দিয়ে অল্পদিনে কোটি কোটি টাকা কামিয়ে বিশাল অট্রালিকা ও দামি গাড়ি কিনে জিরো থেকে হিরো বনেছেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।

এই ইয়াবাকারবারী ডাঃ ইয়াকুল ইসলাম চিনাকান্দির ক্যাম্পের বাজারে লাইসেন্সবিহীন অবৈধ ফার্মেসীকে পূজি করে চিনাকান্তি সীমান্ত দিয়ে সে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে এবং ভারত থেকে চোরাইভাবে প্রতিরাতে কোটি কোটি টাকার ইয়াবা ও অস্ত্র আমদানী করে দেশের ভেতরে আনতে এলাকার কিছু গরীব কমবয়সী ছেলেদের কম মুজুরী দিয়ে ব্যবহার করা হচ্ছে এই সমস্ত অবৈধ কাজে। ফলে ঐ সমস্ত কিশোররা যেমন অপরাধ কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়।

অভিযোগে আরো জানাযায় ইয়াবা ব্যবসায়ী ডাঃ ইয়াকুল ইসলাম গত কয়েকমাস পূর্বে ও যেখানে তিনি দারিদ্রতার কষাঘাতে জর্জড়িত ছিলেন এই কয়েকমাসের ব্যবদানে তিনি অবৈধ মদ,ইয়াবা ও অস্ত্রের ব্যবসা করে ইতিমধ্যে শিলডোয়ার গ্রামে দুইকোটি টাকা খরচ করে আলিসান বাড়ি নির্মাণ করেন এবং প্রায় ৫০ লাখ টাকা দিয়ে ঢাকা মেট্রো-ম ৮১৩ নম্বরে আরব অট্রো এসি গাড়ি ক্রয় করেন। তাছাড়া ক্যাম্পের বাজারে স্বর্ণা ফার্মেসী খুলে খুবই দাপটের সঙ্গে চলাফেরা করছেন। এলাকার কেহ তার অবৈধ ভারতীয় মদ,ইয়াবা ও অস্ত্র ব্যবসার প্রতিবাদ করলে তাদের উপর চালানো হয় অত্যাচারের স্ট্রীমরোলার। সে চিনাকান্দি সীমান্ত দিয়ে স্থানীয় পুলিশ ও বিজিবিকে ম্যানেজ করে প্রতিরাতে ভারত থেকে অবৈধভাবে মরণ নাশক ইয়াবা,মদ ও অস্ত্র দেশে এনে অল্পদিনে শতকোটি টাকার মালিক বনে গেছেন।

এ ব্যাপারে অভিযোগকারী মোঃ আলতাব মিয়া সাংবাদিকদেও বলেন,আমি একজনগরীব দিনমুজুর হওয়ার সুবাদে চোরকারবারী ডাঃ ইয়াকুল ইসলাম আমার ছেলে রুমান মিয়া(১৫)কে দিয়ে ঐ সমস্ত অবৈধ কাজে সহযোগিতা কার প্রস্তাব দেয়। এতে আমি এবং আামর ছেলে রাজি না হওয়াতে মাদক সম্রাট ডাঃ ইয়াকুল মিয়া আমার অবুঝ এই সন্তানটিকে কয়েকবার পিঠিয়ে রক্তাক্ত করেছে।

গত ১৭ই সেপ্টেবর আমার ছেলে চিনাাকন্দি সীমান্তবর্তী ভারত থেকে অবৈধভাবে এই সমস্ত মরণ নাশক ইয়াবা,মদ ও অস্ত্র আনার জন্য নির্দেশ প্রদান করলে আমার এই অবুঝ শিশুটি যেতে পারবে না বলে জানালে ইয়াকুল আমার ছেলে রুমান মিয়া জিগাতলা বাজারে শ্রমিকের কাজ করার সময় তাকে ধরে এনে লাঠি দিয়ে বেদড়ক পিঠিয়ে গুরুতর আহত করে। খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে মারার কারণ জানতে চাইলে ইয়াকুল আমাকে ও মারতে আসে। তাছাড়াও সন্ত্রাসী ডাঃ ইয়াকুল এলাকায় প্রচার করে স্থানীয় পুলিশ ও বিজিবি নাকি তার তার প্রতি আনুগত্য এই দুটি বাহিনীকে ম্যানেজ করেই এমন অবৈধ কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছে। অবিলম্বে এই ইয়াবা ব্যবসায়ী ডাঃ ইয়াকুলকে গ্রেপ্তার করে কঠোর শাস্তির পাশাপাশি তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে এই ইয়াবা ব্যবসার সাথে কারা কারা জড়িত সব বেরিয়ে আসবে বলে তিনি মনে করেন।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ী ডাঃ ইয়াকুলের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি সংবাদকর্মীদের অকথ্যা ভাষায় গালিগালাজ করে ফোনের লাইন কেটে দেন।

এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জে পুলিশ সুপার আ ফ ম আনোয়ার হোসেন অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা স্বীকার করে জানান,বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রমানিকত হলো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমাদী ইউনিয়নে মিষ্টি বিতরণ নিয়ে মারামারি, পরে সালিসে সমাধান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৭:২৭ পূর্বাহ্ণ
আমাদী ইউনিয়নে মিষ্টি বিতরণ নিয়ে মারামারি, পরে সালিসে সমাধান

মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা উপজেলা প্রতিনিধি:- খুলনার কয়রা উপজেলার আমাদী ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে রসমলাই বিতরণকে কেন্দ্র করে হিসাব সহকারী ও গ্রাম পুলিশের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার বিকেল চারটার দিকে ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে এ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে।
পরিষদ সূত্র জানায়, বিকেলে ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে গ্রাম পুলিশ প্রসেনজিত পরিষদের কর্মচারীদের মধ্যে রসমলাই বিতরণ করছিলেন। এ সময় হিসাব সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর কু-ু ও প্রসেনজিতের মধ্যে সামান্য কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও মারামারিতে রূপ নেয়। এতে গ্রাম পুলিশ প্রসেনজিৎ আহত হন।
ঘটনার আকস্মিকতায় পুরো ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে উদ্যোগ নেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যরা। তাঁদের হস্তক্ষেপে পরিষদের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতিতে এক জরুরি বৈঠকে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে মীমাংসা করে দেওয়া হয়। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ শান্ত রয়েছে।

বিভ্রান্তিকর তথ্য অপপ্রচার ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে এবং, জাতীয় সংরক্ষণ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৭:১৭ পূর্বাহ্ণ
বিভ্রান্তিকর তথ্য অপপ্রচার ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে এবং, জাতীয় সংরক্ষণ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, জামালপুর প্রতিনিধি : জামালপুরের মাদারগঞ্জে সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচারের প্রতিরোধে এবং অনলাইন জুয়া প্রতিরোধ, জাতীয় সংরক্ষণ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার খরকা হল রুমে আলোচনা সভায় উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা সুমন চৌধুরী সভাপতিত্বে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামালপুর -৩ আসনের মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল এমপি।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্নেহাশীস রায়, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সুস্মিতা দত্ত, মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মুঞ্জুর কাদের বাবুল খান, পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল গফুর ও সাধারণ সম্পাদক খালেদ মাসুদ তালুকদার সোহেল, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল মান্নান চেয়ারম্যান, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা শাহ মোহাম্মদ মজনু ফকির,বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর নুর লাল মাষ্টার ,জুলাই যোদ্ধা সিয়াম প্রমুখ। এ সময় কর্মকর্তাবৃন্দ,ইমাম,মুয়াজ্জিন,শিক্ষক,কাজী সহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যে বলেন, ‘রাজনীতিবিদ, জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও দেশবাসী—আমাদের প্রত্যেককে স্ব-স্ব অবস্থান থেকে সামাজিক মূল্যবোধ ধরে রেখে নতুন দিনের বাংলাদেশ গঠনে এগিয়ে যেতে হবে।'”

ঘাটাইলে ধর্ষণের অভিযোগে একজন আটক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৭:১৪ পূর্বাহ্ণ
ঘাটাইলে ধর্ষণের অভিযোগে একজন আটক

মোঃ সবুজ সরকার সৌরভ, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি।। টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে আট বছরের এক শিশু কন্যাকে প্রলোভন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে ধ/র্ষ/ণের অভিযোগে সানোয়ার (৫২) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গত ৫ জুলাই রাতে উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নে এ ম/র্মা/ন্তিক ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুটির মা বাদী হয়ে ঘাটাইল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেফতারকৃত সানোয়ার উপজেলার শালিয়াবহ বটচালা গ্রামের কচরুলের ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত সানোয়ারের সাথে শিশুটির বাবা-মায়ের একই ইটভাটায় কাজ করার সূত্রে পূর্বপরিচয় ছিল। গত ৫ জুলাই রাত সাড়ে আটটার দিকে শিশুটিকে কয়েল কেনার জন্য স্থানীয় দোকানে পাঠানো হয়। দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পথে সানোয়ার শিশুটির পথরোধ করে কৌশলে পাশের একটি আমবাগানে নিয়ে যায়। সেখানে মুখ চেপে ধরে শিশুটিকে জোরপূর্বক ধ/র্ষ/ণ করা হয়।

ধ/র্ষ/ণের পর শিশুটি কান্না শুরু করলে অভিযুক্ত তাকে একটি ৫০০ টাকার নোট দিয়ে ঘটনাটি কাউকে না জানানোর হুমকি দেয়। পরবর্তীতে শিশুটি বাড়ি ফেরার সময় সানোয়ার সেই ৫০০ টাকাও আবার জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়।

শিশুটির পরিবার জানায়, ঘটনার পর ভুক্তভোগী বাড়িতে এসে বিস্তারিত জানালে বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানানো হয়। তারা সালিশের মাধ্যমে বিচারের আশ্বাস দিয়ে দিন পার করতে থাকেন। পরবর্তীতে সালিশে কোনো সুরাহা না পেয়ে এবং বিচার না পেয়ে অবশেষে নিরূপায় হয়ে থানায় গিয়ে এজাহার দায়ের করেন তারা। স্থানীয়দের আশ্বাসে কালক্ষেপণ হওয়ায় এজাহার দায়ে কিছুটা বিলম্ব হয় বলে জানায় পরিবারটি।

আজ ২১ জুলাই (মঙ্গলবার) বিকালে অভিযুক্ত সানোয়ারকে গ্রেফতার করে ঘাটাইল থানা পুলিশ।

আমাদী ইউনিয়নে মিষ্টি বিতরণ নিয়ে মারামারি, পরে সালিসে সমাধান বিভ্রান্তিকর তথ্য অপপ্রচার ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে এবং, জাতীয় সংরক্ষণ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঘাটাইলে ধর্ষণের অভিযোগে একজন আটক মাদারগঞ্জ উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটির কেন্দ্রীয় কমিটিতে এম এ সালাম রুবেল