খুঁজুন
রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১ ভাদ্র, ১৪৩৩

ঘাটাইলে সড়ক দখল করে বসছে হাট-বাজার

পাবলিক বাংলা নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১০:৩৩ অপরাহ্ণ
ঘাটাইলে সড়ক দখল করে বসছে হাট-বাজার

মোঃ সবুজ সরকার সৌরভ, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক সড়ক ও মহাসড়ক দখল করে নিয়মিত বসছে হাট-বাজার। হাটের নিজস্ব জায়গা থাকা সত্ত্বেও সড়কের ওপর বাজার পরিচালিত হওয়ায় প্রতিদিনই সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট। এতে চরম দুর্ভোগে পড়ছেন সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, রোগী ও বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াতকারী যাত্রীরা।
সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির চিত্র দেখা যায় উপজেলার পাহাড়ি অঞ্চলের গারোবাজার, সাগরদীঘি, জোড়দীঘি, ধলাপাড়া ও চাপড়ি হাটে। এছাড়া টাঙ্গাইল–ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাকুটিয়া, ব্রাহ্মণশাসন, কদমতলী ও হামিদপুর হাটেও একই চিত্র বিরাজ করছে। হাটের নির্ধারিত জায়গা ফাঁকা রেখেই সড়কের ওপর বসানো হচ্ছে আনারস, কাঁঠাল, কলা, ধান, সবজি ও অন্যান্য পণ্যের বাজার।
বিশেষ করে গারোবাজার ও সাগরদীঘি হাটে সাপ্তাহিক দুই দিনের হাট ছাড়াও বর্ষা মৌসুমে প্রতিদিনই ফল ও কৃষিপণ্যের বাজার বসে। ফলে বাজারসংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয় এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকে বিভিন্ন যানবাহন।
সরেজমিনে গারোবাজার এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সড়কের মাঝেই চলছে কেনাবেচা। বাজারে আসা ক্রেতা-বিক্রেতা ও পরিবহন একসঙ্গে চলাচল করায় পুরো এলাকায় অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। এতে অ্যাম্বুলেন্স, বাস, ট্রাক, সিএনজি ও মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের যানবাহন দীর্ঘ সময় আটকা পড়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইলের ঘাটাইল, মধুপুর ও ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার সংযোগস্থলে অবস্থিত গারোবাজার একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যকেন্দ্র। বাজারটির সঙ্গে পাঁচটি পাকা সড়কের সংযোগ রয়েছে। গারোবাজার–পোড়াবাড়ি এবং গারোবাজার–ফুলবাড়িয়া সড়ক বাজারটিকে দুই ভাগে বিভক্ত করেছে। একই সময়ে সিরাজনগর গারোবাজার ও সুনামগঞ্জ গারোবাজার নামে দুটি পৃথক হাট বসে।
সুনামগঞ্জ গারোবাজারের প্রায় আট একর সরকারি সম্পত্তি থাকলেও এর অনেক অংশ প্রভাবশালীদের দখলে রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে সড়কের ওপরই বসছে ফল ও কৃষিপণ্যের বাজার। চলতি অর্থবছরে এ হাটের ইজারা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩২ লাখ ৫১ হাজার ৫০০ টাকা। অপরদিকে সিরাজনগর গারোবাজার অংশের প্রায় ৩৭৭ শতাংশ সরকারি জমিরও বড় একটি অংশ দখলে রয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এ অংশের ইজারা মূল্য প্রায় ২৭ লাখ টাকা।
যানজটে আটকে পড়া যাত্রী ফজলুল হক বলেন, “আমাদের দুর্ভোগ দেখার কেউ নেই। যারা হাটের ইজারা দিয়েছে এবং যারা নিয়েছে, তারাই সড়ক দখল করে বাজার বসিয়ে খাজনা আদায় করছে। সাধারণ মানুষের কষ্টে তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই।”
স্থানীয় কবি ও কৃষক ইদ্রিস কাজল বলেন, “এই এলাকায় কোনো গুরুতর অসুস্থ রোগীকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিতে হলে বড় ঝুঁকির মুখে পড়তে হয়। দীর্ঘ যানজটে রোগীর জীবনও বিপন্ন হতে পারে। জনদুর্ভোগ কমাতে দ্রুত বিকল্প সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া উচিত।”
এক পথচারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “মানুষের দুর্ভোগ বা রোগীর মৃত্যুঝুঁকি—কোনো কিছুরই যেন গুরুত্ব নেই। দ্রুত এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন।”
মুরাইদ সিরাজনগর গারোবাজার পরিচালনা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম তরফদার বলেন, “ইজারাদারদের সঙ্গে নিয়ে আমরা বাজারকে নির্ধারিত জায়গায় স্থানান্তরের চেষ্টা করি। কিন্তু ব্যবসায়ী ও ক্রেতা-বিক্রেতাদের অনীহার কারণে তা পুরোপুরি সম্ভব হচ্ছে না। বিষয়টি রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।”
এ বিষয়ে ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, “সমস্যাটি দীর্ঘদিনের। জনদুর্ভোগ নিরসনে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।”
দীর্ঘদিন ধরে চলমান এ সমস্যার দ্রুত ও স্থায়ী সমাধানে হাটকে নিজস্ব জায়গায় স্থানান্তর, সড়ক দখলমুক্ত রাখা এবং বিকল্প সড়ক নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

কুয়াকাটার পর্যটন ব্যবস্থাপনা ও সৌন্দর্যবর্ধনে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ণ
কুয়াকাটার পর্যটন ব্যবস্থাপনা ও সৌন্দর্যবর্ধনে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান

মেহেদী হাসান সোহাগ, কুয়াকাটা প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় পর্যটনকেন্দ্রের সার্বিক ব্যবস্থাপনা, পর্যটকসেবার মানোন্নয়ন, সৈকতের পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ সংরক্ষণসহ পর্যটন সম্ভাবনাকে আরও বিকশিত করার লক্ষ্যে কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বেলা ১১টায় কুয়াকাটা পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ও কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী।
সভায় কুয়াকাটা সৈকতের পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্য রক্ষা, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, সেবার মান বৃদ্ধি, সৈকত ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করা এবং সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদারসহ পর্যটনসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে আলোচনা হয়।
সভায় বিশেষ অতিথি কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব মো. আরিফুজ্জামান, কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও কুয়াকাটা পৌর প্রশাসক ইয়াসিন সাদেক, মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম আহমেদ এবং ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের ইনচার্জ নাজমুল হোসেন।
এ ছাড়া হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এম এ মোতালেব শরীফ, কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান, সিনিয়র সহসভাপতি আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন বাবলু, কুয়াকাটা প্রেসক্লাব ও টোয়াকের সভাপতি রুমান ইমতিয়াজ তুষার, মহিপুর ইমাম সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা মাঈনুল ইসলাম মন্নান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মহিপুর থানা শাখার সভাপতি আলহাজ্ব ফজলুল হক খান, কুয়াকাটা শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার নিহার রঞ্জন দাস, সহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, পর্যটন ব্যবসায়ী, সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তারা বলেন, কুয়াকাটার পর্যটন সম্ভাবনাকে আরও বিকশিত করতে হলে সৈকতের পরিবেশ সংরক্ষণ, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সেবার মান বাড়ানোর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী কুয়াকাটাকে আরও আকর্ষণীয়, পরিবেশবান্ধব ও পর্যটকবান্ধব পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
এর আগে কুয়াকাটার সৌন্দর্যবর্ধন ও জ্ঞানচর্চার সুযোগ বাড়াতে কয়েকটি উদ্যোগের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক। কুয়াকাটার বিভিন্ন সড়কে কৃষ্ণচূড়া ও সোনালু গাছ রোপণ, পর্যটক ও স্থানীয়দের জ্ঞানার্জনের জন্য একটি ব্যতিক্রমী লাইব্রেরি, ডিসি লেকের সৌন্দর্যবর্ধন এবং পচনশীল বর্জ্য থেকে জৈব সার উৎপাদনের শেড উদ্বোধন করা হয়।
এ সময় জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী বলেন, কুয়াকাটার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অক্ষুণ্ন রেখে পর্যটনসেবার মান উন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন কুয়াকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি জহিরুল ইসলাম মিরন।
####

ময়লার স্তূপেই সমাধানের খোঁজ, শ্রীমঙ্গলে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ-সার তৈরির উদ্যোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ণ
ময়লার স্তূপেই সমাধানের খোঁজ, শ্রীমঙ্গলে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ-সার তৈরির উদ্যোগ

শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি : শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে ময়লার স্তূপ, দুর্গন্ধ আর পরিবেশদূষণের চিত্র বদলে দিতে এবার বর্জ্যকে সম্পদে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে শ্রীমঙ্গলে। শহরের বাইরে সরকারি জায়গায় আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান্ট স্থাপন করে ময়লা থেকে জৈব সার ও নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা করছে সরকার।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে দুই দিনের সফরে শ্রীমঙ্গলে এসে শহরের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শনকালে এ পরিকল্পনার কথা জানান স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

সফরের শুরুতে প্রতিমন্ত্রী ভিক্টোরিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠ, পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য নির্মাণাধীন আবাসন ভবন এবং তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে পৌরসভার ময়লার ভাগাড় পরিদর্শন করেন। সরেজমিনে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পরিস্থিতি দেখে তিনি শহরের বাইরে নিরাপদ স্থানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দেন।

মীর শাহে আলম বলেন, শ্রীমঙ্গরের ময়লা আর শহরের ভেতরে বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে রাখা যাবে না। সরকারি জায়গা খুঁজে সেখানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান্ট স্থাপন করা হবে। ময়লা থেকে জৈব সার উৎপাদনের পাশাপাশি নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনাও রয়েছে। এ বিষয়ে কাজ এগিয়ে নিতে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে মন্ত্রণালয়ের একজন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরামর্শককে শ্রীমঙ্গলে পাঠানো হবে।

এদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও সফরে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, চলতি অর্থবছরের মধ্যেই সিটি করপোরেশন, উপজেলা, জেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে। পাঁচ ধরনের স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রায় সাড়ে পাঁচ থেকে ছয় হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে, যা বাজেটে রাখা হয়েছে।

তিনি জানান, নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রস্তুতি শেষ হলে নির্বাচন কমিশন, স্থানীয় সরকার ও অর্থ বিভাগ বৈঠকে বসে কোন নির্বাচন আগে এবং কোনটি পরে অনুষ্ঠিত হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

শুধু বর্জ্য নয়, বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রেও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিবেশবান্ধব করার পরিকল্পনার কথা জানান প্রতিমন্ত্রী। পর্যায়ক্রমে দেশের সব সরকারি ভবন ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে সৌরবিদ্যুৎ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। ছয় মাস পর বিদ্যুৎ বিল পরীক্ষা করে এসব প্রতিষ্ঠানে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার হচ্ছে কি না, তা যাচাই করা হবে।

শুক্রবার শ্রীমঙ্গল জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন মীর শাহে আলম। সেখানে মসজিদের জন্য তিন লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়ার পাশাপাশি সোলার প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ দেন তিনি।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাজী মুজিবুর রহমান চৌধুরী, মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের প্রশাসক মিজানুর রহমান, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক সরফরাজ আহমেদ সরফু, শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান, শ্রীমঙ্গল পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম, শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নুরে আলম সিদ্দিকীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

আল ইব্রাহিম
শ্রীমঙ্গল,মৌলভীবাজার

ইসলামপুর সদর ইউপিতে আগাম নির্বাচনী জনসভা, চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু সাইদের প্রচারণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ণ
ইসলামপুর সদর ইউপিতে আগাম নির্বাচনী জনসভা, চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু সাইদের প্রচারণা

মোঃ হোসেন শাহ্‌ ফকির ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি : জামালপুরের ইসলামপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে সামনে রেখে আগাম নির্বাচনী জনসভা করেছেন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. আবু সাইদ।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে উন্নত, আধুনিক ও সমৃদ্ধ ইউনিয়ন গড়ার লক্ষ্যে পাঁচবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ওই জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন মনিরুজ্জামান খোকা মণ্ডল। সভায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে ইউনিয়নের বিভিন্ন সমস্যা, উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

জনসভায় সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবু সাইদ বলেন, জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়ে ইসলামপুর সদর ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকতে চাই। নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের রাস্তাঘাট, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে কাজ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একটি জনবান্ধব ইউনিয়ন গড়ে তুলতে চাই। মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকাই আমার মূল লক্ষ্য।

আনোয়ার হোসেন আরিফের সঞ্চালনায়
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, আব্দুল আজিজ বিএসসি, সোহরাব হোসেন, আব্বাস উদ্দিন, মোহাম্মদ আলী ফুলু মেম্বার, জয়নাল আবেদীন, আব্দুল্লাহ, হানি মেম্বার, ফেরদৌস মাস্টার, ফজলুলু হক মাস্টার এবং নজরুল ইসলাম।

সভায় ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে মো. আবু সাইদ বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রেখে আসছেন।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগামী ইউপি নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে ইতোমধ্যে তৎপরতা শুরু হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে আবু সাইদের আগাম নির্বাচনী জনসভাকে ঘিরে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে।

কুয়াকাটার পর্যটন ব্যবস্থাপনা ও সৌন্দর্যবর্ধনে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান ময়লার স্তূপেই সমাধানের খোঁজ, শ্রীমঙ্গলে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ-সার তৈরির উদ্যোগ ইসলামপুর সদর ইউপিতে আগাম নির্বাচনী জনসভা, চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু সাইদের প্রচারণা ডিবির মাদক বিরোধী অভিযানে নওগাঁয় ফেনসিডিলসহ শীর্ষ মাদক কারবারি মালেকসহ গ্রেফতার ৩ শ্রীমঙ্গলে পুলিশের ফোর্স মোবিলাইজেশন ড্রিল, গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বিশেষ চেকপোস্ট