কুয়াকাটায় ৯বছর বয়সী হাফেজ হিশাম পাগড়ি পরানো, ছবক প্রদান ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
২৪ জুলাই ২০২৬ ৬:২৭ এএম
কুয়াকাটায় ৯বছর বয়সী হাফেজ হিশাম পাগড়ি পরানো, ছবক প্রদান ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

মেহেদী হাসান সোহাগ, কুয়াকাটা প্রতিনিধির:  পটুয়াখালীর কুয়াকাটার কচ্ছপখালী বাঁদঘাট নূরানী হাফিজিয়া মাদ্রাসায় পবিত্র কোরআনের হিফজ সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীকে সম্মাননা জানিয়ে ছবক প্রদান, পাগড়ি পরানো ও দোয়া মোনাজাত
হয়েছে। অনুষ্ঠানে দ্বীনি শিক্ষার প্রসার, কোরআনের আদর্শে জীবন গঠন এবং নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন প্রজন্ম তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ কারী মো. হাবিবুল্লাহ। তিনি বলেন, কোরআনের শিক্ষা শুধু মুখস্থ করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এর আলোকে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজকে গড়ে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য। শিশুদের দ্বীনি শিক্ষায় উৎসাহিত করতে অভিভাবকদের আরও সচেতন হতে হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুয়াকাটা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও কুরআন একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক রুমান ইমতিয়াজ তুষার। তিনি বলেন, যে শিশু অল্প বয়সে পবিত্র কোরআনের হাফেজ হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করে, সে শুধু তার পরিবার নয়, সমাজ ও দেশের জন্যও গর্বের। আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি দ্বীনি শিক্ষার সমন্বয় ঘটিয়ে আদর্শ মানুষ গড়ে তুলতে হবে। এ ধরনের আয়োজন নতুন প্রজন্মকে ইসলামের সুমহান আদর্শে উদ্বুদ্ধ করবে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আলিপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা মুফতি বেলাল হোসেন, কুয়াকাটার বাইতুল আরজ জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব আলহাজ্ব কারী মোঃ নজরুল ইসলাম এবং সমুদ্র সৈকত জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা মুফতি ওবায়দুল হক। তারা বলেন,পবিত্র কোরআন মানুষের জীবন পরিচালনার সর্বোত্তম পথনির্দেশনা। সন্তানদের দ্বীনি শিক্ষায় শিক্ষিত করে আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব পরিবার ও সমাজের সবার।
অনুষ্ঠানে ছবক প্রদান ও দোয়া পরিচালনা করেন চরচাপলী হাফিজিয়া ফোরকানিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ কারী শহীদুল্লাহ। তিনি দেশ, জাতি, মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন।
অনুষ্ঠানে মাত্র ৯ বছর বয়সী হাফেজ হিশাম বিল্লাহ-কে পবিত্র কোরআনের হিফজ সম্পন্ন করায় পাগড়ি পরিয়ে সম্মানিত করা হয়। এ সময় উপস্থিত অতিথি, আলেম-ওলামা, অভিভাবক ও এলাকাবাসী তাকে শুভেচ্ছা ও দোয়া জানান।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, আলেম-ওলামা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও বিপুল সংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লির উপস্থিতিতে এক ধর্মীয় ও আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। শেষে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
##

শেয়ার করুন
Generating Photo Card...
Please wait...